The first 200 lines.
。゚( ゚இ EPISODE 13 இ゚)゚。 সাবটাইটেল অনুবাদ: আয়ান সোহান ☹
হ্যালো।
বাহ্! আপনাকে আজ অসাধারণ লাগছে।
আমায় একটু ধরবেন? ওহ, আল্লাহ।
দারুণ হয়েছে।
-এটা একটু ধরেন তো। -ঠিক আছে।
এই যে শুরু হলো।
ইয়ালাশাং চলচ্চিত্র সংঘ
এক, দুই, তিন।
আমি আরেকটা তুলব।
হাসেন।
এক, দুই, তিন।
আমি যদি যেতে না পারি, তাহলে কী হবে ভেবেছ?
আজ রাত… আমাদের জন্য শেষ রাত
তোমার সেনাবাহিনীতে ঢোকার আগে, এই আমাদের শেষ রাত
আমাকে কি সত্যিই…
তোমার কী হয়েছে?
এই, কে জানে কী হবে?
লোকে বলে, বিয়ের পথে পা না দেওয়া পর্যন্ত আসলে কিছুই বোঝা যায় না।
তুমি শুধু অপেক্ষা করো, আর দেখো, আমি তোমায় বিয়ের পোশাকে দেখবই।
এই যে আমি!
এটা তো দারুণ সুন্দর।
আমার মনে হয় এটা ঢেকে দেওয়া উচিত।
আমি কিন্তু কথা রেখেছি।
ওহ? এই যে, এদিকে!
এই!
কে ফিরবে, আর কেই বা নতুন আসবে, কিছুই তো জানা নেই,
আমার বুকটা ধুকধুক করছিল…
ওহ, খোদা!
আমি ইচ্ছে করে ফাটাইনি।
আর আমার পা যেন হাওয়ায় ভাসছিল।
এমন অসম ভালোবাসা।
আমার মায়ের জগতেও একজন নতুন মানুষের আগমন ঘটেছে।
একটা নরম জিনিস, যে নিজেকে মানুষ বলে দাবি করে।
ইয়ম বিয়ং-চল এবং না মিন-ওক এর পক্ষ থেকে প্রথম জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
অপ্রত্যাশিত গভীর স্নেহ জাগিয়ে,
দুই প্রজন্মের ব্যবধান সত্ত্বেও,
একটি মিষ্টি দানব এই জগতে এসেছে।
নাতনীর খুব বেশি আদর করার দরকার নেই, যতই মিষ্টি হোক না কেন।
মাঝে মাঝে দেখলে ওরা আরও বেশি মিষ্টি লাগে।
গেউম-মিয়ং এর বিয়ে হয়ে গেলে, সব দায়িত্ব ঝেড়ে ফেলো।
নিশ্চিন্তে বাঁচো আর মুক্তি পাও।
সবাই বলে বাচ্চাটার চোখগুলো আমার মতো, কিন্তু চোয়ালটা ওর মায়ের...
চোয়ালের দিকটা।
তোমার পরিবারের খবর কী? ওরা আসছে না?
আসলে, তুমি তো জানোই...
আমি বেকার জামাই সহ্য করতে পারি না।
তোমার ভাইদের কী খবর?
ওরা শুধু বলল,
আমাদের মুখ আর না দেখাই ভালো।
- মুখ। - কী বললে?
মুখ।
- মল বলছ? - মুখ!
মুখ।
এটা ১৯ গ্রাম।
হায়, ফোনে “১৯ গ্রাম” বারোবার বলেছে।
ওরা বলল এটা নিয়ে কলেজে যেতে।
হায়, এই কৃপণ বুড়ো। মূল্যবৃদ্ধির কথা শোনেনি?
কলেজের জন্য বাজার মূল্য দিতে হবে। ওদের তো টাকা আছে, তাই না?
এটা আমাদের জন্য চালের পিঠে বেচে এনেছে?
হ্যাঁ।
এই দাদু মার্সিডিজ চালায়, তাই না?
অবশ্যই। সবাই তো চালের পিঠে খায়।
তবে চাকরিটা খুব একটা ভালো না।
“খুব ভালো না”?
চলো।
ইয়াং চে-ইলের প্রথম জন্মদিন।
এখন এতে খরচ করা উচিত?
আমি ওর জন্য সব করব।
আমার জন্মদিনে তুমি সবসময় কোনোরকমে পার করেছ।
- তখন আমাদের যা ছিল— - আমি নিশ্চিত।
শুধু আমারটাতেই কষ্ট হয়েছিল।
এখন পরিবার কীভাবে চালাবে? চিরকাল আমাদের সাথে থাকার পরিকল্পনা?
- আমি একটা ব্যবসার পরিকল্পনা করছি। - ব্যবসা?
চল-ইয়ংয়ের সাথে?
বন্ধক দোকান না করতে বলেছিলাম।
জীবনটা ভাগ্যের ধাক্কার ওপর—
তোমাকে ধাক্কা দেওয়া উচিত, ধ্যাত!
অন্যরা পরিবার হলে পরিপক্ক হয়। তুমি কেন ফাঁকা স্বপ্নের পিছনে—
তোমার সাহায্য চাই না।
আমি কি তোমার কাছে বেশি আশা করি?
শুরুতে ভোরে উঠো তো!
ঘাটে গিয়ে কিছু করো।
- আর কাজ খুঁজো! - সত্যি।
আমাকে তোমার মতো বাঁচতে বলছ?
এটাই কি চাও?
বাবা।
বালতি ভরতে হলে কলটা পুরো খুলতে হয়।
জীবনে প্রতিটি ফুটো সারাতে গেলে কোথাও পৌঁছানো যায় না।
তুমিও তো জানো।
শুধু গেউম-মিয়ংয়ের ওপর ভরসা করো না। আমি কী পারি, দেখো!
আমি সেই বাবা হব না, যে পরিবারের সাথে খেতে গিয়ে তিনজনের জন্য মাংস অর্ডার করে।
আমি সেই বাবা হব, যে পাঁচ-ছয় রকম অর্ডার করবে।
তুমি বাবার সাথে এমন কেন করো?
বয়স বাড়লে হৃদয় নরম হয়। লোহার মনেও দাগ পড়ে।
তাহলে গেউম-মিয়ংয়ের মা গেউম-মিয়ংয়ের বাবাকে সান্ত্বনা দিতে পারে।
হায়রে।
তুমি কীভাবে আরও কাঁটাছেঁড়া হয়ে যাচ্ছ?
সত্যি বলতে, আমি এতটা বড় হয়েছি তার জন্য কৃতজ্ঞ হওয়া উচিত।
বাচ্চারা যতটা বিশ্বাস করো, ততটা বড় হয়।
গেউম-মিয়ং এত বড় হয়েছেকারণ তুমি তাকে পুরোপুরি বিশ্বাস করেছ।
তুমি আমার ওপর সবসময় সন্দেহ করো,তাই আমি এতটুকুই বড় হয়েছি।
তুমি অবিশ্বাস্য!
বাচ্চাটাকে ধরো!আমার হাত ব্যথা করছে।
হায়।
এই, চে-ইলকে দাও। তোমরা ভেতরে যাও।তাড়াতাড়ি, আমাকে দাও।
আমার মিষ্টি সোনা। এদিকে আয়।
হায় আমার।
আমার সত্যি ধারণা ছিল নাআমার মেয়ে এমন করবে।
আমি বিশ্বাসঘাতকতা অনুভব করলাম।
আমার পুরো জগৎ ভেঙে পড়ল মনে হলো।
তোমাকে বলতে পারি না
আমি কতটা দুঃখিত, আর…
হায়, গর্ভবতী হয়ে বিয়ে করলে,
সোনার আংটি তো দূর,পিতলের আংটিও পাওয়া যায় না।
আমি তো বিয়ের অনুষ্ঠানও করিনি।
ও কখনো ঘোমটা পরতে পারবে না।
ইউন-মিয়ং হয়তো এখনওনিজের পথ খুঁজতে লড়ছে,
কিন্তু মানুষ হিসেবে—
ইউন-মিয়ংয়ের বিরুদ্ধে আমার কিছু নেই।
কেন?
ওরা বলে ছেলেরা বাবার মতো হয়।
আমি সবসময় তোমার জীবনের প্রতিসবার চেয়ে বেশি ঈর্ষা করেছি।
তুমি এক ধনী পরিবারের স্ত্রী।
বাচ্চাদের খেলার দিনে,
আমি তিনটে বাচ্চাকে একা টেনে নিয়ে গেছিতপ্ত রোদের নিচে।
তখন দেখলাম তোমার স্বামীতোমার পিঠে হাওয়া করছে যাতে ঠান্ডা হও।
তোমার সবসময় জিনিস লক্ষ করারএকটা ক্ষমতা আছে।
এটা আমাকে কাঁদিয়ে দিয়েছিল।
ভাবলাম তুমি কীভাবে এত ভাগ্যবানযে এত ভালো ব্যবহার পাও
আর আমি কী পাপ করেছিযে এমন একটা গাদায় পড়েছি।
তো,
হিয়ন-সুক ঠিক আছে?
ও কিছুই জানে না।
ও কিছু না জানলে তাকে বকো।
ওকে বকো যতক্ষণ না ও চোখের জল ফেলে।
আমি ওকে বকব না।
আমি ওকে কাঁদাব না।
আমি হিয়ন-সুককে পিতলের আংটি দেব না।
ঠিক আছে?
তোমার প্রথম নাতি বা হিয়ন-সুককেদেখতে চাইলে,
যখন ইচ্ছে তাদের দেখতে এসো।
নয়তো আমাকে ডেকে বাইরে আসতে বলো।
আমরা আমাদের সন্তানদের ভাগ করি,তাই একসাথে আছি, তাই না?
হায়, কীভাবে ও আমার মেয়েরহুবহু দেখতে পারে?
হায় আমার।
মনে হয় তুমিও তোমার মেয়ের কাছেহারতে পারবে না।
আমার মা একবার যে কবিতার শিরোনাম লিখেছিলেন
সেটা ছিল “আমার অভিশপ্ত সন্তান”।
এতে বড় কী আছে?
কাঁদছ কেন? কি হয়েছে?
এই শয়তান
ও দেশ বাঁচাতে গেল নাকি কোম্পানি বাঁচাতে?
আহা! আমাকে দাও তো।
বাচ্চার জন্মদিনে শিভাস রিগাল কেন?
চল-ইয়ং নিশ্চয় পাগল হয়েছে।
তুমি আর বাবা আমাকে ছোট ভাবো বলে,
ও তার ভাগ্নের জন্মদিনে এত টাকা ঢালল!
তোমার বোনও তো কষ্টে আছে। ওর কোম্পানিও তো ডুবছে।
বড় কোম্পানিতে চাকরি করে বড়লোক সাজে!
কিন্তু বাবা-মায়ের দেখভাল কে করবে? অসুখ-বিসুখে কে থাকবে?
তুমি নিজেই তো কারো খোঁজ রাখ না!
আগে নিজের যত্ন নাও। নিজের!
এত কঠোর হয়ো না। বাঁকা গাছও তো ছায়া দেয়।
গুজব সত্যি হওয়ায় ধাক্কাটা আরও বড়।
এতে আমাদের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লাগবে।
ক্বন জে-হংয়ের রিপোর্ট।
কোরিয়া ফার্স্ট ব্যাংক আজ জানিয়েছে,
কিয়া গ্রুপের ২৮টি কোম্পানির মধ্যে ১৮টি...
যা বপন করা হয়েছিল তার ফলন...
সোনার ব্যাঙ নাকি...
ফাঁকি দেওয়া চেক।
- ছাঁটাই বন্ধ কর! - বন্ধ কর!
- এভাবে যাব না! - না!
- ছাঁটাই বন্ধ কর! - বন্ধ কর!
- এভাবে যাব না! - না!
এশিয়ার আর্থিক সঙ্কটে...
ব্যাপক বেকারত্ব বাড়ছে।
বিদেশী ব্যবসা বিভাগ সহকারী ব্যবস্থাপক
একটি ভয়াবহ শীত আসছিল।
ডাইনং গ্রুপ...
প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে।
কেবল মিডোপা টিকে আছে।
ডাইনং লিমিটেড দেউলিয়া...
ডাইনং ভারী শিল্প...
সবাই ক্রেডিট পাবে! ১০০% অ্যাপ্রুভাল!
সাংবাংউল ডেভেলপমেন্ট...
দেউলিয়া ঘোষিত।
তাইইল...
দেউলিয়া সুরক্ষা চেয়েছে।
তাইইলের ঋণ ৯৭০ বিলিয়ন ওয়ন।
চোহুং ব্যাংক বৈঠক করবে...
শেয়ার মার্কেট ধস...
প্রথমে, আমাকে এই সুযোগ দেওয়ার জন্য...
এই কঠিন সময়ে...
প্রথমে,
সাক্ষাৎকারের সুযোগ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
আমি করতে চাই...
হাইতাই গ্রুপ...
দেউলিয়ার আবেদন করেছে।
No comments yet. Be the first to leave one.