200 dòng đầu tiên.
মা ?
না, না, না. মা !
না.
তাদের এমনটা করতে দিয়ো না.
মা, প্লিজ ! প্লিজ, মা, প্লিজ !
এটা কোরো না, বাবা.
তুই এটা করেছিস.
বাবা !
তুই এটা করেছিস !
মা !
মা, আমার সাথে এমনটা কইরো না !
মা.
প্লিজ.
চলে যেয়ো না.
প্লিজ বাঁধা দিয়ো না.
- অ্যানা. - বাঁধা দিয়ো না.
আমরা পালিয়ে যেতে পারব.
অ্যানা, আমরা... অন্য জায়গায় চলে যেতে পারব.
এটাই আমার অন্য জায়গা.
ক্যারি হোপওয়েল আসল না.
ওটা ছদ্মবেশে থাকার জন্য.
এবার একটু ক্ষ্যান্তি দাও আমাকে.
তুমি আর আমি একসাথে না থাকলে এই পৃথিবীর সবকিছু মূল্যহীন.
সবকিছু.
আমার মতো তুমিও সেটা জানো.
তুমি এখনো ওখানে আছো. আমি জানি তুমি আছো.
যতদিন আমি কারাগারে ছিলাম, জানো কিসে আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছিল ?
তুমি. ক্যারি হোপওয়েল না.
- অ্যানা, তোমার অ্যানা মারা গেছে. - না.
তখন আমাদের ভিতরে যেটা ছিল, সেটা মারা গেছে.
- আগে যা ছিল তা আসল ছিল না. - না.
- এখন যেটা হচ্ছে সেটাই আসল. - তুমি ভুল বলেছ !
এটা আর আগের মতো নেই.
আমি পাল্টে গেছি.
আমি জানি তুমি আমাকে কতটা ভালোবাসো.
আমি তোমাকে ভালোবাসতাম, কিন্তু এখন আর ভালোবাসতে পারব না.
- আমি এখন আর অ্যানা নেই. - হ্যাঁ, তুমি আছো !
আজ রাতে তুমি অ্যানা ছিলে আর আমি সেটা জানি !
আজ রাতে ?
তুমি আর আমি কখনো বিদায় জানানোর সুযোগ পাইনি.
আজ রাতে তোমাকে ঠিকমতো বিদায় জানালাম.
আর এখন তোমাকে এখান থেকে চলে যেতে হবে.
তুমি বললেই কী চলে যাবো ?
আমি তোমার জন্য কারাগারে গিয়েছিলাম.
আমি জানি. আমি যেটা করছি সেটা ঠিক না.
আমি দুঃখিত, কিন্তু আমাকে আমার পরিবারকে রক্ষা করতে হবে.
ওটা আমার পরিবার !
প্রথম দেখেই আমি বুঝে গিয়েছিলাম ও আমার মেয়ে.
বলো ঠিক বললাম কিনা.
ও তোমার মেয়ে.
হ্যাঁ.
ও তোমার মেয়ে. আমি দুঃখিত.
তুমি গর্ডনকে কী বলেছিলে ?
তার তো জানার কথা যে ডেভা তার মেয়ে না.
আমি গর্ডনকে বলেছিলাম তুমি মারা গিয়েছ.
- ভালো কাজ করেছ. - হেই.
তখন আমি ছিলাম মর্মাহত, গর্ভবতী আর আমার সাথে কেউ ছিলনা.
আমি হীরাগুলো বিক্রি করতে পারিনি.
যদি ওরা আমাকে খুঁজতে বের হতো, র্যাবিট হাতেনাতে ধরে ফেলত আমাকে.
জোব আমাকে ক্যারি নামটা দিয়েছিল, কিন্তু আমার নিরাপদ একটা জায়গায় থামার দরকার ছিল.
আর গর্ডন, ও সবে মাত্র মেরিন থেকে বের হয়েছিল...
... আর আমি হোটেলে খাবার পরিবেশন করতাম, ও সবসময় আমার হোটেলে খাবার খেতে আসত.
- আমি তোমাদের প্রেমের কাহিনী শুনতে চাই না. - আমার একটা নিরাপদ জায়গা খুঁজে বের করার দরকার ছিল তোমার মেয়ের জন্য !
ওর প্রেমে পড়িনি আমি.
আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করছিলাম.
তারপর ডেভা হয়েছিল, ফুটফুটে সুন্দর একটা পিচ্চি মেয়ে.
আমার পিচ্চি মেয়ে.
ও ডেভাকে আপন মেয়ের মতো করে বড় করেছে.
কিন্তু ও তো তার মেয়ে না.
ও আমার মেয়ে.
এখন তোমার আর আমার মাঝে কোনো সম্পর্ক নেই.
নিজের যা সেটা ফিরিয়ে নেয়ার জন্য তুমি কতগুলো জীবন নষ্ট করতে চাও ?
দেখো...
তুমি কি সত্যিই মনে করো তোমার সাথে থেকে ডেভা শাইন করতে পারবে ?
আমি মনে করি ও সত্যিটা জানার অধিকার রাখে.
তোমার...
...আমার...
আমাদের শুধু সত্যিটা দরকার.
তুমি বলেছ তুমি আমাকে ভালোবাসো.
যদি সেটা সত্যি হয়...
...তাহলে আমার আর ডেভার কথা ভুলে যাও আর চলে যাও এখান থেকে.
আর যদি না যাই ?
তাহলে কী করবে ?
একবার তো র্যাবিটের হাতে তুলে দিয়েছিলে.
যদি তুমি না যাও, আমি নিজের হাতে তোমাকে খুন করব.
আমার পিছে পিছে এসো না বলছি. তুমি এভাবে ...
হ্যালো, অ্যানা.
ওলেক.
র্যাবিট তোর সাথে দেখা করতে চায়.
কিন্তু সে এটা বলেছে, ঝামেলা করলে আমি তোকে খুন করতে পারব.
তুই কী ঝামেলা করবি ?
না.
সুন্দর লাগছে তোকে, অ্যানা.
- র্যাবিট তোকে খুব মিস করছে. - ব্যাবিট একটা উম্মাদ.
নিজের মেয়েকে সে ভালোবাসে.
ওলেক, আমাকে তুই র্যাবিটের কাছে নিয়ে যাসনা.
- প্লিজ. - আমরা আমার গাড়িতে করে যাবো.
- উঠে পড় গাড়িতে. - আমি ওখানে ঢুকব না.
- ওলেক... - হ্যাঁ, তুই ঢুকবি.
হেই, ওলেক.
যতক্ষণ মন চায় তুই এখানে থাকতে পারিস.
ধন্যবাদ.
আসলে আমার যাওয়ার আর কোনো জায়গা নেই.
তুই অন্য কোনো জয়গায় গেলে আমি অসন্তুষ্ট হতাম.
আমি যখন বাড়ি ছেড়ে এসেছিলাম তখন আমার বয়স ছিল মাত্র ১৯ বছর.
কতিপয় গুণ্ডারা...
...আমাদের খামারের সরবরাহ করা মালগাড়ি লুঠ করছিল.
ওরা বলেছিল টাকা না দিলে ক্ষতি করব.
যাইহোক, আমি পাল্টা আঘাত না করার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু একদিন আমার আর সহ্য হলো না.
আমি পুরনো বল-পীন হাতুড়ি দিয়ে ওদের তিনটাকে বেদম মার মেরেছিলাম.
ওদের নিতে আসা আমিশ ছেলেটার মুখের অবস্থা দেখার মতো ছিল.
এমনটা ওরা প্রত্যাশা করেনি.
কিন্তু বয়োজ্যেষ্ঠরা আমার কাজের নিন্দা জানিয়ে...
তাদের পক্ষে হয়ে লড়াই করার জন্য আমাকে অনুশোচনা করতে বলে.
হয়তো আমার অনুশোচনা করতে মন চায়নি.
যাই হোক না কেন, সবসময় এখানে তোর ঠাঁই আছে.
ধন্যবাদ.
তুই এখন আরাম কর. আমি নীচেরতলায় ডিনার রেখে যাবো.
কয়েক ঘণ্টা আমার তাড়া আছে. ফিরে এসে এসব নিয়ে কথা বলা যাবে.
- ঠিক আছে ? - ঠিক আছে.
র্যাবিট তোকে টর্চার করবে.
মরার জন্য তুই কাকুতি মিনতি করবি.
ফালতু হুমকি-টুমকি বাদ দিয়ে কাজের কথা বলা যাক ?
গুড.
- ব্যাবিট কি এখানে এসেছে ? - আসেনি, কিন্তু সে আসছে.
আজ কিন্তু সে এববারও কল করেনি.
একটাও ম্যাসেজ দেয়নি, কিছুই করেনি.
সে জানে আমি কোথায় আছি.
সে তোকে সবকিছু দিয়েছিল ...
... আর তুই তার মুখে লাথি মেরে চলে আসলি.
শালা একটা ধর্ষক বাঞ্চেত আর খুনী.
সে তোকে ভালোবসত. আমরা সবাই বাসতাম.
আমি ছিলাম তার কয়েদি আর তুই ছিলি তার কারাপ্রধান.
ঠিক আছে, ইংলিশে বলো, প্লিজ.
চুপ থাক !
অন্তত ইংলিশে তো বললি, ধন্যবাদ.
দারুণ.
এখন দেখ তুই কী করেছিস.
তুমি কী লুকিয়ে রেখেছ ?
ধ্যাৎতেরি !
হাতজোড় করে আমি তোমাকে চলে যেতে বলেছিলাম.
র্যাবিট আমাদের সবাইকে খুন করবে.
- তার আগে আমরা তাকে খুন করব. - ফালতু কথা বোলো না.
ভেবে দেখো.
ওলেক তোমাকে ট্রাঙ্কে পুরেছিল.
ও তোমাকে খুন করেনি. ও এখানে এসেছিল তোমাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য.
র্যাবিটের আমার চেয়ে তোমাকে বেশি দরকার.
ওলেকের কী অবস্থা র্যাবিট এখনো সেটা জানেনা.
- যার ফলে আমরা কিছু সময় পাবো. - আচ্ছা. কী করার জন্য সময় পাবো ?
- আমরা নিউ ইয়র্কে যাবো, আমরা তাকে খুন করব. - মাথা নষ্ট তোমার.
- এটার জন্য সে মোটেও প্রস্তুত থাকবে না. - হ্যাঁ, কারণ এটা করা মানে আত্মহত্যা করা.
- এখানে চুপ করে বসে থাকাটাও আত্মহত্যা. - সে আমাদের জন্য অপেক্ষা করবে.
হায় ইশ্বর, আমার বাচ্চাদের কী হবে, গর্ডনের কী হবে ...
- আমি ওদের সকলকে বিপদে ফেলেছি. - হ্যাঁ, তুমি ফেলেছ.
তুমি আসার আগে আমরা নিরাপদেই ছিলাম.
কতজন মা তাদের পার্সে বন্দুক নিয়ে ঘোরে ?
বা তাদের গাড়িতে ভুয়া লাইসেন্স প্লেট লাগায় ? তুমি জানতে এই দিনটা আসবে.
এখানে যেদিন পা রেখেছিলে সেদিন থেকে তুমি এটা জানতে.
আর এতদিন তুমি তোমার পরিবারের সাথে মিথ্য কথা বলেছ, আমি কিন্তু বলিনি.
ক্যারি হোপওয়েল ছিল সাময়িক সময়ের জন্য.
এখানে আসার পর থেকে তুমি জানতে একদিন এই সময়টা ঘনিয়ে আসবে.
আমার পরিবারকে আমি ভালোবাসি.
ওদের নিরাপদে রাখার জন্য আমি জীবন দিয়ে দেবো.
আমি ওদের কিছু হতে দেবো না.
কথা দিলাম.
এই রুম থেকে সেক্সের গন্ধ আসছে.
কী জানি...
এখনো তোরা পারকীয়া করিস কিনা যদি তোদের বিয়েটা ভুয়া হয়ে থাকে.
- ধন্যবাদ. - তোমাকে স্বাগতম.
সবসময় গোপনে তোদের দুজনকে চোখে চোখে রাখতাম.
এমনকি তখনও, সবসময় এই অবৈধ ভালোবাসা ছিল...
...শেক্সপিয়রের মতো.
- খুবই রোমান্টিক. - আমরা টপিক থেকে সরে যাচ্ছি.
আমার মনে একটা প্রশ্ন, বিষয়টা সে কীভাবে জানতে পেরেছিল বলে তোর মনে হয় ?
কী ?
কীভাবে সে জানতে পেরেছিল ? র্যাবিট.
সবসময় তোরা খুবই সতর্ক থাকতিস.
তুই ওর রুমে গিয়ে যেভাবে দেখা করতিস...
...যেভাবে তোরা সময় কাটাতিস, ফোনে যে স্পেশাল কথাবার্তা বলতিস.
ওহ, হ্যাঁ, ফোনের ব্যাপারটা আমি জানতাম.
তুই বলে দিয়েছিলি তাকে.
হ্যাঁ.
আমি তোকে ভাই মনে করতাম.
আর সে আমার বাবার মতো.
আমি ভালোবাসতাম তোকে.
তুই বেইমানি করেছিলি আমাদের সাথে.
আমরা ?
এসব তুই কী বলছিস ?
আমি আবার তোর সাথে বেইমানি করলাম কেমন করে ?
এখানে কে এসেছে ?
- এখানে কে এসেছে ? - জানি নারে ভাই.
- কে এসেছে ? - খাইছে.
আহ, তেমন কেউ না. তেমন কেউ না.
বিষয়টা আমি সামলে নিচ্ছি.
তুমি ওর দিকে খেয়াল রাখো, ঠিক আছে ?
- হেই. - হেই. আমি তোমার সাথে একটু দেখা করতে আসলাম.
হ্যাঁ, শুনো, উম, এখন আমি একটু ব্যস্ত আছি.
- আমরা কি এটা পরে করতে পারি ? - আমার সত্যিই তোমার সাথে কথা বলা দরকার.
ঠিক আছে, দেখো, তুমি এখন এখানে থাকতে পারবে না.
আজ সারাদিন বারবার এই কথাটা শুনে আসছি.
No comments yet. Be the first to leave one.