The first 200 lines.
Moshiur Shuvo Presents
জানো ফটো কেরাটাইটিস কী?
ফ্লাশ ব্রাইন্ডনেস বুঝো?
দুটো একই জিনিস।
অতি বেগুনি রশ্নি চোখে পড়লে এমন হয়।
কর্ণিয়া পুড়ে যায়। আলোর তীব্রতা সহ্য করতে পারে না।
এবং সাময়িক ভাবে অন্ধত্ব আসে।
থিওরি মতে, ব্যথাটা মানসিক কারন
রেটিনাতে কোন ব্যথার রিসেপ্টর নেই।
এই বিশেষ মডেল হোমল্যান্ড সিকিউরিটিরা বানিয়েছে।
9/11 এর কয়েদীদের টর্চার করতে।
দূর্ভাগ্যক্রমে এটাকে নিষিদ্ধ করা হয়,
কিছু মাদারচোদ অন্ধ হবার পর থেকে।
Moshiur Shuvo Presents
বঙ্গানুবাদে : মশিউর শুভ
আমাকে বের হতে দে!
নইলে তোকে খুন করব!
মাদারচোদ, তোকে খুন করব।
ধন্যবাদ।
হেই, বাঙ্কার।
ডাক্তার বলেছে, তুমি শীঘ্রই সুস্থ হয়ে যাবে।
হেই, হেই, হেই।
সমস্যা নেই, তুমি নিরাপদ, আমার দিকে তাকাও।
সমস্যা নেই।
তোমার জ্বর এসেছে।
তোমার দেহ সংক্রামণের বিরুদ্ধে লড়ছে।
তোমার মাথাটা সামান্য তুলি?
আস্তে নামাও, এই তো।
ভাল।
গিলে ফেলো।
তোমার রক্ত পরিস্কার করব, ওকে?
ব্যথা লাগবে।
কী করছ তুমি
সেটা বুঝে করছ তো?
তুমি এখনো শ্বাস নিচ্ছ, তাইনা?
তুমি।
ভেতরে আসতে বলবে না?
কর্নেল স্টো হয়তো পাগল ছিল,
কিন্তু সে আর্মি ছিল এবং সবকিছুর রেকর্ড রাখত।
জেনোয়া'র কাহিনীর পর CIA তার সকল ফাইল নিয়ে যায়।
ওগুলো পাওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলাম,
কিন্তু প্রত্যেকবার ব্যর্থ হয়েছি।
এজন্য সে তোমার কাছে গিয়েছে?
তুমি তো জানো, দেয়াল ভেঙ্গে জিনিসপত্র বের করা আমার স্পেশাল গুণ।
তো, তুমি CID এর থেকে জোনোয়া ফাইল চুরি করেছ?
বৈধ উপায়ে পাওয়া গেলে চুরির দরকার কী?
তবে পেতে সময় বেশি লেগেছে।
অবশেষে পেন্টাগনের এক কেরানির দেখা পাই।
তার ধোন কাটব না বলে,
সে আমাকে ঐ ফাইলের কপি দিয়েছে।
ঐ দিনে ওখানে কর্মরত সকলের নাম আছে।
তো, তুমি মৃতদের সাথে এটার তুলনা করেছ?
একজন নিখোঁজ। প্রাইভেট কন্ট্রাক্টর লিও ফ্রিটজপ্যাট্রিক।
ধরে নিচ্ছি এই লিও ভায়ার খোঁজ জানো?
অবশ্যই, সৈনিক ভায়া।
আমি কখনো একা থাকি নি।
তুমি একা নও।
স্যার?
নিনা ক্রুজ।
তাকে পাঠাও।
- মি. মেয়র। - কী হয়েছে, ডেপুটি?
আপনার ড্রিসট্রিক এটর্নি যে তিনজনকে ছাড়িয়েছিল
কেউ তাদেরকে মেরে বেহাল দশা করেছে।
- কোন হিরো? - মনে হচ্ছে সেটার থেকেও বেশি।
দেখুন, তিনটা কারণই আপনার সম্পর্কীয়।
লোকটা যেই হোক, সে জানে DA আপনার লোক।
কেউ আপনাকে মেসেজ দিচ্ছে।
শেরিফ লোটাস।
তোমার কী মনে হয়, ডেপুটি?
ব্রক মুখে ঘেউঘেউ করলেও সে আপনার পেছনে আসবে না।
তাহলে একটা নাম দাও।
পরিস্থিতি ঘোলাতে হবে।
সেটা পরিস্কার করো।
আমাকে আপনার চোখ-কান হিসেবে ভাড়া করেছিলেন।
পরিস্কার করব কিন্ত সেটাতে আরো টাকা লাগবে।
ভালভাবে পরিস্কার করো।
শেরিফ?
হেলেন, ইন্টারনেট কাজ করছে না।
আমি দেখছি। বোম্যান পরিবার এসেছে।
সেরেছে।
- তাদেরকে উপরতলায় পাঠাব? - না, আমি দেখছি ব্যপারটা।
তুমি এটা ঠিক কর।
- মি. & মিসেস বোম্যান। শেরিফ।
আমার অফিসে বসে কথা বলবেন?
কাউন্টি শবপরীক্ষক আমাদের হাতে রেবেকার লাশ দিচ্ছে না।
হ্যা, সেটা সত্য।
দূর্ভাগ্যক্রমে লাশটা দেয়া যাবে না,
শবপরীক্ষক মৃত্যুর কারণ না জানা পর্যন্ত।
শেষকৃত্য দ্রুত করতে হবে।
- বুঝেছি। - এটাই রীতি।
আমাদের কন্যার মৃত্যুর পর এক সপ্তাহ কেটে গেছে।
জানি, কথা দিচ্ছি, আমার পুরো ডিপার্টমেন্ট
আপনাদের কন্যার মৃত্যুর কারন বের করতে দিনরাত খাটছে।
তাকে দূরে রাখার অধিকার আপনার নেই।
- মিসেস বোম্যান... - প্লিজ, তার আত্মাকে শান্তি দিতে দিন।
আ...
ঠিক আছে, আমি কিছু কল করি।
দ্রুত কাজটা করার চেষ্টা করছি, ওকে?
কথা দিচ্ছি।
আসো, চলো।
আবারো, আমি অত্যন্ত দুঃখিত।
সাংস্কৃতিক বাঁধা টেকনোলজি অতিক্রম করাতে,
কম্পিউটার এথিকস ভার্চুয়ালভাবে মানা যাচ্ছে না।
কেন? কারন আমরা কম্পিউটারে বসে বিভিন্ন সাংস্কৃতিকে মেলাব কী করে?
এবং "আমরা“ বলতে বুঝিয়েছি, "তাদেরকে"।
"তারা" মানে আমেরিকান সরকার।
তারা যা করতে পারে সেটা হচ্ছে, ধারা 18, সেকশন 1030 আইন।
যদি ইন্টারনেটসহ কম্পিউটার দিয়ে কিছু চুরি কিংবা
কোন নেটওয়ার্ক ক্ষতি করার চেষ্টা করো, তাহলে জেলে যাবে।
যখন মুক্তি পাবে তখন তুমি লাখ টাকা বেতনের সিকিউরিটি অ্যানালিস্টের চাকুরি পাবে।
আজকের মত এতটুকুই। সামনে সপ্তাহে দেখা হবে।
হেই।
ওটা চমৎকার।
পরের স্টেশনে যাও!
প্লিজ দরজা থেকে সরে দাঁড়ান।
- আমি ট্রেনে। - শুনেছি, আমি দৌড়াছি।
পরের স্টপ, ওয়ালেস স্ট্রিট।
কী সমস্যা?
চোদনা।
সরো!
- সে ট্রেনে। - শুনেছি।
হেই!
ওয়া, ওয়া।
সরো!
এমনটা হবে জানতাম, সৈনিক ভায়া।
তাকে গাড়িতে তোলো!
গাড়িতে উঠো!
দ্রুত গাড়িতে উঠো!
- হ্যা, ধরেছি। - ধুর বাল!
- হাই, কার্ট। ম্যাগি।
তোমার ফেরার কথা শুনেছি।
এখানে কী করছ?
তোমার জন্য খাবার এনেছি।
কেন?
তোমাকে সাহায্য করতে আর কেউ তো আসে নি।
আমার কারো সাহায্য লাগবে না।
হ্যা, তোমার লাগবে না।
আমাকে ঢুকতে দেবে?
হ্যা, হ্যা।
এখনো মেইলগুলো পড়ার সময় পাই নি।
প্রতি সপ্তাহে হাসপাতালে ফোন দিয়ে তোমার খবর নিয়েছি।
কেউ আমাকে বলে নি।
আমিই নিষেধ করেছিলাম।
শুনেছি কেলভিন এবং তার গুন্ডারা এসব করেছে।
তাদের নামে রিপোর্ট করলে না কেন?
তোমাকে কেলভিন পাঠিয়েছে?
বোকার মত কথা বলো না। এখানে এসেছি কেলভিন সেটা জানলে আমাকে খুন করবে।
সে তোমার সাথে যা করেছে সেটার জন্য তাকে মারতে মন চাচ্ছে।
বিষয়টা আজব যে দুটো ভাই একই সাথে
কেমন আলাদা, আবার এরকমও।
আমাকে বাড়ি যেতে হবে।
- আমার ফোন নং। - কিছু লাগলে ফোন দিও।
- বাল, বাল। -কী?
কেলভিন।
কী সমস্যা?
কোথায় আছ তুমি?
আমি এটা করতে পারব না, কার্ট।
জানি, তবে সব সময় এমনটা থাকবে না।
তুমি তাকে ওখান থেকে বের করতে পারবে?
না, পারব না, আমি।
এটার পর...
আমি বুঝে গেছি, তার আর ফেরা সম্ভব নয়।
তাকে দূর করার উপায় বের করতে হবে।
এটা করতে সময় লাগবে।
সময় কিছু বদলাবে না, কার্ট।
আমি কী করব বলো?
তাকে এখনি মেরে ফেলো।
আপন ভাইকে মারতে পারব না।
সে হ্যাঙ্কের পিতা।
কার্ট, যখন ছোট ছিলাম,
বাবা, আমার ভেতর ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছিল।
এমন করেছিল, যেন আমি তার মত কারো কাছে গিয়ে
নিজেকে নিরাপদ মনে করি!
আমি সেটা মেনে নিয়েছিলাম। ওভাবেই সব চলছিল।
এবং তখন তুমি ওখান থেকে ফিরলে।
জীবনে প্রথমবার মনে হল, পরিস্থিতি অন্যরকমও হতে পারে।
কিন্তু বিষয়টা আমার ব্যপারে নয়।
আমি ভীত যে, আমার পুত্র একদিন আমার বাবা এবং
কেলভিনের মত হবে।
খারাপ, ভয়ংকর, ঘৃণ্য।
সেটা আমি হতে দিব না।
আমাকে ভরসা করো, ম্যাগি।
এই হারামজাদাকে বাঁচিয়ে রেখেছ কোন কারনে হয়তো।
হেই, লিও।
ধুর বাল!
জব কোথায়?
কী?
জব কোথায়?
জব কোথায়?
তাকে আমি চিনি না।
প্লিজ, আরেকটা মিথ্যা কথা বলো?
বিষয়টা বুঝলে?
যতবার তুমি মিথ্যা বলবে, সে মারবে।
সে ক্লান্ত হয়ে গেলে, আমি শুরু করব।
সে জোরে মারে।
আমি আরো জোরে মারি।
বুঝেছ?
আমাদের বন্ধুকে নিয়ে গিয়েছ, তাকে ফেরত চাই।
বাঁধণ খুলে দাও, আমি সাহায্য করার কথা ভেবে দেখতে পারি।
থামো!
No comments yet. Be the first to leave one.