Первые 200 строк.
Translated By:~ S. M. Anisur Rahman :::...
হেই, জেসন. দরজা খুলো.
জেসন, দরজা খুলো. তাড়াতাড়ি.
জেসন ?
কী অবস্থা !
সুগার.
একটা আমেরিকান ক্লাসিকের এই দশা দেখলে আমার খুবই খারাপ লাগে.
আমার যদি ওই দশা হতো, তাহলে বোধহয় তোমার ভালো লাগত.
কথাটা অবশ্য ঠিকই বলেছ.
ভিতরে আসো.
আমি কিন্তু নিজের ইচ্ছায় পুলিশ স্টেশনে আসার মতো বান্দা না.
কিন্তু আমাকে ভাগের ভাগ পাওয়ার জন্য শহরে আসতে হলো,
ভাবলাম তুমি কীভাবে কাজ করো দেখার জন্য তোমার এখানে একটু বেড়াতে আসি.
না মানে, একজন ক্রিমিনাল পুলিশ সেজে কাজ করছে...
গাড়ি বিক্রির দোকানকে পুলিশ স্টেশন বানিয়ে ?
ভাবা যায় এটা ?
সকালে কি জেসনকে দেখেছ ?
সকালে তো ওর ট্রেন ধরার কথা ছিল.
হ্যাঁ, আমি স্টেশনে পৌঁছে দেয়ার জন্য ওকে আনতে গিয়েছিলাম ওর মোটেলে, কিন্তু ওখানে ওকে পাইনি.
হয়তো ও বিদায় জানাতে পছন্দ করেনা.
কিন্তু তাই বলে তো ও আর এটা রেখে যাবে না.
গতরাতে অবশ্য হাপরে ওকে আমি প্রক্টরের...
ভাতিজির সাথে কথা বলতে দেখেছিলাম.
- রেবেকার সাথে ? - হ্যাঁ.
- কখন ? - দেরিতে.
আমি মোটামুটি নিশ্চিত যে ওরা একসাথে বেরিয়ে গিয়েছিল.
কী, তোমার কী মনে হয় ওর সাথে কিছু একটা হয়েছে ?
হ্যাঁ.
আমি শুধু... আমি জানি না কী হয়েছিল.
- শুভ সকাল. - শেরিফ.
সকাল সকাল কী মনে করে ?
আমি একটু কথা বলতে এসেছিলাম.
তাহলে আমাদের সাথে সকালের নাস্তা করো.
না. এক মিনিটেই হয়ে যাবে.
- হেই. - হাই.
গতরাতে তুমি হাপর থেকে একজনের সাথে বেরিয়ে এসেছিলে.
রাতের শেষভাগে, রং করা চুলওয়ালা.
সমস্যা কী মনে হচ্ছে ?
ওকে পাওয়া যাচ্ছে না.
ওর মোটেল রুমে, আহ...
ধস্তাধস্তির আলামত পাওয়া গেছে.
সেটার সাথে রেবেকার কী সম্পর্ক ?
সেটাই তো জানতে এসেছি.
নিখোঁজ লোকটার পরিচয় কী ?
আমরা এখনো সেটা জানতে পারিনি.
নাম জানা গেছে তার ?
তো মনে করে বলার চেষ্টা করো তো...
তুমি ওকে চিনতে কিনা ?
আমি ওকে চিনতাম না.
অবশ্য আমি ওর সাথে শুয়েছিলাম.
পরিচয় না জেনেও তো আমরা কত মানুষের সাথে বিছানায় যাই, তাই না ?
তার মানে...
তুমি ওর মোটেলে ছিলে, ঠিক ?
- কিছুক্ষণ ছিলাম. - কতক্ষণ ?
ও ঘুম পড়লে আমি চলে এসেছিলাম.
- তোমার আঙ্কেল তোমাকে আনতে গিয়েছিল ? - ওখানে কি কোনো অপরাধ সংঘঠিত হয়েছে ?
না, আমি জাস্ট একটা টাইমলাইন তৈরি করার চেষ্টা করছি.
কী হয়েছিল আমাকে সেটা বলো.
- কী হয়েছিল ? - তুমি কি আমাদের উপর দোষ চাপাচ্ছ--
- আমি তোমাদের উপর দোষ চাপাতে যাবো কেন ? - না, সেটাই তো, তুমি আমাদের উপর দোষ চাপাতে যাবে কেন ?
তোমার কাছে কোনো প্রমাণ নেই, মৃতদেহ পাওয়া যায়নি.
এমনকি বলছ যে নামটাও নাকি জানো না.
আমার কাছে তো কোনো অপরাধ সংঘঠিত হয়েছে বলে মনে হচ্ছে না...
তুমি কি বলো ?
সত্যিই কিছু খাবে না নাকি ?
তুমি তার পক্ষে সায় দিচ্ছো ?
ও বলেছিল যে শহর ছেড়ে চলে যাবে.
আমি মনে করি ও চলে গেছে.
তুমিই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছ.
এখন থেকে তোমাকেও আর কোনো ছাড় দেয়া হবেনা.
আমার একটু কাজ আছে.
আমাকে যেতে হবে.
সিওবান বলছি, বস.
- হ্যাঁ ? - শুনলাম সকাল সকাল অফিসে এসেছিলেন.
ভাবছি আবার কখন অফিসে আসবেন.
আমি প্যাট্রোল শিডিউল স্থগিত করছি.
আমি এক ঘণ্টার ভিতরে ফিরে আসব.
আচ্ছা. এক ঘণ্টা পর দেখা হবে.
তো তুমি মনে করো প্রক্টর জেসনকে খুন করেছে ?
আর সেটা ও আমাকে জানাতে চাচ্ছিল.
ছেলেটা ওর ভাতিজির সাথে শোয়ার অপরাধে.
এটা প্রক্টরের নতুন একটা গর্হিত কাজ.
গুষ্টি কিলাই শালার. আমার দ্বারা আর সম্ভব না.
আমি টানা ৭২ ঘণ্টা জেগে...
আমার পরিচিত সব সার্ভার হ্যাক করে র্যাবিটের সন্ধান করেছি.
যেই গর্তেই ওই বোরিস কার্লফ মাদারচোৎ গেছে,
সেটাই গভীর আর অন্ধকার.
- কে মারা গেছে ? - জেসন নামের ছেলেটা.
কীভাবে ?
প্রক্টর.
যাহ.
আমি মনে করি আমাদের গ্লোভস আর কোদাল বের করে রাখা উচিত.
আমি এই মাসে কাউকে মাটিচাপা দেবো না.
আমি প্রক্টরকে মাটিচাপা দিলে সত্যিই কি কারো কোনো সমস্যা আছে ?
এই এলাকায় প্রক্টরের অনেক ক্ষমতা.
তুমি এমন একজন লোকের সাথে সরাসরি পাঙ্গা নিতে পারবে না...
আর নিলে তোমাকেও বড় ধরনের ধাক্কার মুখোমুখি হতে হবে.
বেশিরভাগ মানুষ পিছনে একটা হিংস্র উম্মাদ লাগলেই ঘাবড়ে যায়.
সত্যিই কি তুই দুইটা চাস ?
সুযোগ থাকলে আমি সেগুলো কাজে লাগাব.
না, এটা ক্রিমিনালি কথাবার্তা.
আমি একজন ক্রিমিনাল.
ক্রিমিলাল হলে আজ সকালে তুমি আমাকে ফাঁকি দিতে পারতে.
আমি বলছি চাচ্ছি, মানুষকে মাটিচাপা দেয়ার আরো অনেক পদ্ধতি আছে.
বিশেষ করে যখন তুমি ওই ব্যাজ পরে থাকো.
হেই.
- হেই. - এক মিনিট সময় হবে ?
আহ, আমাকে প্যাট্রোল দিতে যেতে হবে.
আমি মনে করলাম তোমার কাছ থেকে একটু বুদ্ধি নেবো.
কী হয়েছে ?
মনে করো...
তুমি প্রক্টরকে ধরাশায়ী করতে চাও, তাহলে সেটা তুমি কীভাবে করবে ?
ওহ, তুমি তাহলে প্রক্টরের পিছনে লাগবে, হাহ ?
ঠিক কিসের জন্য তুমি ওকে ধরাশায়ী করতে চাও ?
যেকোনো কিছুর জন্য.
সবকিছুর জন্য.
হ্যাঁ, আমি মনে করি সেজন্য তোমাকে ধরাশায়ী করার কারণটা একটু খুলে বলতে হবে.
- আচ্ছা, থাক. বলতে হবে না. - শুনো, হুড.
এই এলাকার সবখানে প্রক্টরের হাত আছে--
বেশ্যাবৃত্তি, মাদক, হুমকি দিয়ে চাদা আদায়.
সমস্যা হলো, ও সবকিছু একধাপ পিছনে থেকে করে.
সরাসরি কোনো কানেকশন নেই,
আর ও জানে কীভাবে আড়ালে থেকে কাজ করতে হয়.
তো, শুভ কামনা.
তুমি তো অনেকদিন ধরে এখানে আছো.
তুমি শেরিফ হলে, কাজটা তুমি কীভাবে করতে ?
আমি শেরিফ হলে.
আমি শেরিফ হলে...
আমি ওর শাখা-প্রশাখা ধরে নাড়া দিতাম.
- কোন শাখা-প্রশাখা ? - সব কয়টা শাখা-প্রশাখা, একের পর এক, বারংবার.
আমাদের কাজে লাগানোর মতো কোনো প্রমাণ না পাওয়া পর্যন্ত.
- আমাদের কাজে লাগানোর মতো ? - কী যে বলো, হুড.
মনে কোরো না যে আমি তোমাকে একা একা সব মজা নিতে দেবো.
ঠিক আছে, চলো একটা শাখা খুঁজে বের করা যাক.
এক্সকিউজ মি...
মি. থম্পসন, তুমি কি আমাকে চিনো ?
- হ্যাঁ. - ভালো, তাহলে আমরা পরিচিতি পর্ব বাদ দিতে পারি.
জর্জ হান্টার আত্মবিশ্বাসহীন ভোট দিয়ে...
অ্যালেক্স লংশ্যাডোকে চীফের পদ থেকে সরানোর জন্য...
পরিষদমণ্ডলী নিয়ে একটা প্রচারাভিযানের ডাক দিয়েছে.
কিন্তু এটা অসংখ্য পার্টির আগ্রহ যে...
এই ভোট যেন পাশ না হয়,
আমি তুমি, বন্ধু আমার, ওই পার্টিগুলোর একটা হয়ে গেছো.
- জানো এগুলো কিসের চাবি ? - না.
এই চাবিগুলো তোমার মেয়ের কলেজের শয়নকক্ষের চাবি.
কোরা ভালোই রেজাল্ট করছে.
তোমার গর্বিত হওয়া উচিত.
তো আমি কি তোমার সহযোগিতা আশা করতে পারি ?
হ্যাঁ.
ভালো.
এরপর কে আছে ?
ম্যাক্স, রাতের খাবার !
খেয়ে নে, ম্যাক্স. এটা কিন্তু সকালের খাবার না.
ম্যাক্স, আমি কিন্তু ইয়ার্কি মারছি না.
তুই যদি এখনই এখানে এসে খাবার না খাস,
আমি কিন্তু খেয়ে নেবো.
ম্যাক্স ? ম্যাক্স ?
ম্যাক্স !
ম্যাক্সি ! ম্যাক্স !
শ্বাস নে, ম্যাক্স ! ম্যাক্স, শ্বাস নে !
ধ্যাৎ !
হায় খোদা.
আপনি গর্ডন হোপওয়েলের কাছে পৌঁছেছেন.
দয়া করে আপনার নাম ও নাম্বার ছেড়ে যান.
সর্বনাশ, বাবা, ম্যাক্সের সমস্যা হয়েছে.
ওর হার্ট অ্যাটাক করেছে আর আমি জানি না হার্ট অ্যাটাক করলে কী করতে হয়.
আমাকে কল করো, প্লিজ.
আপনি গর্ডন হোপওয়েলের কাছে পৌঁছেছেন.
দয়া করে আপনার নাম ও নাম্বার ছেড়ে যান.
আপনি গর্ডন হোপওয়েলের কাছে পৌঁছেছেন.
দয়া করে আপনার নাম ও নাম্বার ছেড়ে যান.
ধ্যাৎ.
এমার্জেন্সি সার্ভিসেস.
হ্যাঁ, উম, আমার একটা অ্যাম্বুলেন্স লাগবে.
আমার ভায়ের হার্ট অ্যাটাক করেছে. প্লিজ সাহায্য করেন.
ওর হাঁপানি রোগ আছে. প্লিজ তাড়াতাড়ি আসেন.
কী অবস্থা ?
আমরা যাওয়ার জন্য প্রস্তুত.
ঠিক আছে, শুনো, যেকোনো অপকর্ম পূর্ব পাশের হলওয়েতে ঘটবে.
ওটা ড্রেসিং এরিয়ার ঠিক পিছনে.
ওখানেই প্রাইভেট রুমগুলো আছে, ঠিক আছে ?
তো ভিতরে যাওয়ার সময় আমরা পৃথক পৃথকভাবে যাবো.
দুইজন সামনে থাকব, দুইজন পিছন দিয়ে যাবো.
বুঝলে ?
তুমি তো সবসময় এই প্যাটার্ন ব্যবহার করো.
বিচার করতে এসোনা. চলো.
শাবাশ !
বানশি শেরিফ ডিপার্টমেন্ট !
বানশি শেরিফ !
- হেই ! - আমি লাইট জ্বালিয়ে দিচ্ছি.
হ্যাঁ, মিউজিকটাও বন্ধ করে দিও.
হেই.
বানশি শেরিফ ডিপার্টমেন্ট !
- সবাই যেখানে আছো সেখানেই থাকো. - শিওবান.
কারো কোনো সমস্যা নেই. আমার শুধু দরকার--
ড্যান্সাররা, দয়া করে পিছনে ফিরে আসো.
সাহায্যকারীরা, নিজেদের মালপাতি গুছিয়ে, সম্মুখ দরজার দিকে আগাইতে থাকুন.
ঠিক আছে, লেডিস, এটা বন্ধ করো.
- সমস্যা কী ? - এমিট, এই মেয়েদের সামনের দরজায় নিয়ে যাও.
- এই জায়গার মালিক কে জানিস তো ? - অবশ্যই জানি.
No comments yet. Be the first to leave one.