最初の200行です。
গণপ্রজাতন্ত্রী কোরিয়ার প্রতিটি পুরুষকে
বিশ্বস্ততার সাথে অবশ্যই সেনা প্রশিক্ষণ নিতে হবে,
গণপ্রজাতন্ত্রী কোরিয়া এবং এই আইনটির নিয়মানুসারে।
সেনা প্রশিক্ষণ আইনের তিননম্বর অনুচ্ছেদের।
এই!
ওই টানেলটা চেনো, যেটা দিয়ে আমরা সবসময় দৌড়াই?
যখন আমরা স্পেশাল ডিউটি টিমে জয়েন করি।
আমার হৃদস্পন্দন হচ্ছিল।
যখন আমি এয়ারবর্ন ট্রেনিং নিয়েছিলাম।
ভেবেছিলাম আমি মারা গেছি।
ওই টানেলের নিচে একটা এয়ার রেইড শেল্টার আছে।
আসলে এটা উত্তর কোরিয়ানদের খনন করা আন্ডারগ্রাউন্ড টানেল।
এটা পাগলামো না?
যদি যুদ্ধ শুরু হয়, তাহলে অনুপ্রবেশের উদ্দেশ্য উত্তর কোরিয়ানদের খনন করা
ওই টানেলে লুকিয়ে থাকবো।
এটা খুবই অযৌক্তিক।
কিন্তু যুদ্ধ তো কিছুই না।
আমি এর আগেই মারা যেতে পারি।
আমরা প্রত্যেক রাতে প্রশিক্ষণ করছি।
তুমি একমত না?
একমত না?
আমি একমত, স্যার।
ঠিক।
ছুটিতে থাকতে আমি ইন্টারেস্টিং কিছু দেখেছি।
"ছু সুক-বং, জুডোর উদীয়মান তারকা।"
এটা কি সত্যিই তুমি?
জি, স্যার।
এই।
তাহলে তুমি ব্যর্থ পুরুষে পরিণত হলে কীভাবে? হাহ?
আমি দুঃখিত, স্যার।
হঠাৎ করে?
বাদ দেন।
তাড়াতাড়ি তোর খেলা দেখানো শুরু কর!
এদিকওদিক তাকাচ্ছিস কেন?
তাড়াতাড়ি তোর খেলা দেখা...
দেখা!
বাইঞ্চোদ ১, আক্রমণের জন্য তৈরি!
কী করছ তুমি?
হাত মারা শুরু কর, আবাল।
অনুবাদ ও সম্পাদনায়: ⌛ জয়ানন্দ ঘোষ ⏳
ডিপি এপিসোড–০৪ ❝ The Monthly Hall Problem ❞
ডিসচার্জ হতে এখনো ৫৬৫ দিন বাকি।
তুমি এখানে কী করছ? বাইরে এলে কীভাবে?
মা কোথায়?
বাবার জিনিসপত্র আনতে গেছে।
বাবা, মা'কে মারেনি।
আর বাবা কোথায়?
কে জানে?
সম্ভবত মাতাল হয়ে পড়ে আছে।
- আর তোমার আইব্রো? - কী?
ইশ্বর।
- কসম তোমাকে মেরে ফেলবো। - তুমি যাও, আমি থাকবো।
মা'কে বলো না আসতে।
এই!
জি?
তোমার কাছে টাকা আছে?
আছে?
এক্সকিউজ মি।
তোমার বাবাকে টিভির আওয়াজ কমাতে বলতে পারবে?
উনি আমাদের কথা শুনবে না।
এই বেডি।
এই হতচ্ছাড়া আমার ছেলে নয়।
- মাথা খারাপ করে দিচ্ছে। - আমি দুঃখিত।
ইশ্বর।
এই।
তোমার কাছে কি টাকা আছে না-কি নেই?
না থাকলে চলে যাও।
এবার কাকে মেরেছ?
আর তুমি? হাহ?
কাউকে মারধর করার জন্য তোমার র্যাঙ্ক অনেক কম না?
আজকাল মিলিটারি একটা ঝামেলা।
বাবা।
একদিন, যখন আপনি মারা যাবেন,
কসম, আমি উচ্চস্বরে হাসবো।
অবশ্যই। হাসিও।
ভালোই মনে হচ্ছে।
কর্পোরাল হান হো-ইউল।
বেব, ঘরে আসো। আমরা মাংস খাচ্ছি।
হায়, জুন-হো।
আপনি কি...
ব্যাটা।
- আসো, মাংস খাও। - এখানে আসো।
ইশ্বর।
আমি ঘাটের কাছে দৌড়ে গিয়ে ওকে সেখানে দেখলাম।
তাই আমি তার সম্মুখীন হলাম, আর সে পড়ে গেল।
আমাদের আগের জীবনে সম্ভবত আমি আর প্রাইভেট আন বিবাহিত ছিলাম।
হাহ? আমাদের জোড়া সেই। তাই না, বেব?
এটা বাজে।
জুন-হো, তুমি ভাগ্যবান।
সেনাবাহিনীতে তুমি চুল বড়ো আর ফোন রাখতে পারো।
নিজের খাবার খাও।
এটা বিপজ্জনক নয়, তাই না?
একদমই না।
কারণ, প্রাইভেট আন বক্সিং করতো,
কিন্তু সে তার শরীরের ভালোই খেয়াল রাখে।
এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, ওর সাথে আমি আছি।
ধন্যবাদ।
প্লিজ সবসময় জুন-হো এর খেয়াল রাখবেন।
বলার দরকার নেই।
আমি সবসময় ভাবতাম যে প্রাইভেট আন সুন্দর চেহারা
এবং বুদ্ধিমত্তা কোথায় পেয়েছে।
মনে হচ্ছে আপনার থেকে পেয়েছে।
- ইশ্বর, এটা তো গরম! - ইশ্বর।
- জুন-হো! হলো কী তোমার? - আপনি ঠিক আছেন?
আপনার জামাকাপড় পাল্টানো দরকার।
ঠিক বলেছ।
আপনি আমার ঘরে কী করছেন?
তুমি আমার ফোন ধরোনি।
আবার কেউ পালিয়েছে?
অনেকেই ছুটিতে আছে। তারা ফিরবে না।
যাও, বিদায় বলে আসো। আমাদের যেতে হবে।
আমি এখনই যেতে পারি।
আমরা অন্তত বিদায় বলতে পারি।
কোনও দরকার নেই।
এই, জুন-হো।
আসার পর থেকে তোমার মায়ের সাথে একটা কথাও বলোনি।
জুন-হো।
ভেতরে আসবেন না?
ম্যাম, আমি খুবই দুঃখিত।
জরুরি কাজ এসে পড়েছে, তাই আমাদের যেতে হবে।
সত্যি?
এখন আমরা যাচ্ছি।
তোমার মা'কে বিদায় বলো।
নিজের খেয়াল রেখো।
আর…
পলাতকদের সাথে ভালো ব্যবহার কোরো।
- তাদের পরিস্থিতি কঠিন! - আমাকে কেন জিজ্ঞেস করা হয়নি?
যখনই আমি ছুটিতে থাকি তখন বাড়ি আসি না কেন।
কখনও আপনার চিঠির জবাব দেই না কেন।
মাত্র জানতে পারলাম তুমি ব্যস্ত ছিলে। ভেবেছিলাম...
আর আপনি...
চলে যান না কেন?
এটা বোলো না।
খাবার খেতে ভুলো না।
লাগবে না।
নাও তো।
আমাকে এখন যেতে হবে।
"আবার দেখা হবে।"
এমনটা বলতে পারো।
রাস্তায় আছ?
হো-ইউল এর কী হয়েছে?
চিন্তায় আমার প্রস্রাবের বেগ বেড়ে যায়!
তুমি কি মরতে দেখতে চাও না না-কি?
দেখো তো।
মা'কে অভিবাদন জানাবে না? আমাদের অনেকদিন দেখা হয়নি।
জুন-মোক।
তুমি আবারও শুরু করতে পারবে।
যারা তোমাকে বুলি করেছে তাদের কোর্টে বিচার হবে এবং তারা শাস্তি পাবে...
মা, তুমি কি বোকা?
এই দেশ এমন না।
যারা আমাকে গ্যাস মাস্ক পরিয়েছে তাদের ট্রান্সফার করা হয়েছে।
তারা ভিন্ন ইউনিটে যাচ্ছে।
তাদেরকে অপরাধী সাবস্ত্য করা হবে না
অথবা তারা জেলে যাবে না।
তাদেরকে অন্য কোথাও পাঠানো হবে, যেন কিছুই হয়নি।
এক্সকিউজ মি।
আপনি র্যাঙ্কে উপরে আছেন, তাই না?
আমি?
ও সত্যি বলছে?
আমরা পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করছি।
আমরা এখনও বিচারের ব্যাপারে নিশ্চিত নই।
তার মানে কি বিচার নাও হতে পারে?
এটা তো অন্যায়!
ম্যাম, ব্যাপারটা হলো...
সে দেশ রক্ষার জন্য সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছে, কিন্তু তাকে মারধর ও হয়রানি করা হয়েছে।
এজন্যই সে পালিয়েছে!
মা, যথেষ্ট হয়েছে।
কেউ দায়িত্ব নিচ্ছে না কেন?
- প্লিজ, মা... - কিছু বলবেন?
বেশ…
মিলিটারি বিচারক বিচার করবেন।
আর বিচারক...
কোনো প্রমাণ ছাড়া রায় দিবেন না।
তার কোনো শত্রুতাও নেই..
না আছে ব্যাক্তিগত আক্রোশ!
এটা করা তার উচিতও না।
দেখলে? তোমাকে কী বলেছি?
পৃথিবী পাল্টে গেছে।
সবকিছু সমাধান হয়ে যাবে।
তোমাদের বদৌলতে আমার জীবন অনেক সহজ হয়ে গেছে।
মানে, আমরা একটা ভিন্ন যুগে বাস করছি।
মিলিটারি পুলিশকে মানবাধিকারের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে
এবং সৈন্যদের যাতে অপমানিত না হতে হয় তা নিশ্চিত করতে হবে।
এতে আমাদের শক্তিশালী সৈন্য গড়ে উঠবে না।
এতে কেবল মিলিটারি বাহিনীর শৃঙ্খলা দুর্বল হবে।
যদি কোন যুদ্ধ শুরু হয়, তাহলে আমাদের একটা মিশন চালানোর জন্য যা লাগবে তা আমাদের থাকবে না।
কিন্তু আমাদের ইউনিট ভিন্ন।
তোমরা বেশ ভালো কাজ করছো।
এবং এতে আমি খুব আশ্বস্ত বোধ করি।
আর যে ছেলেটা নাক ডাকে।
তার নামটা যেন কী, ক্যাপ্টেন লিম?
তার নাম প্রাইভেট ছই জুন-মুক।
হ্যাঁ, ছই নাকি কি যেন!
তার ইউনিটে কী ঘটেছে তা চুপচাপ রাখার
সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তাই এটা মাথায় রেখো।
কিন্তু এই ব্যাপারটা একটু গুরুতর না...
ঠিক।
শুনেছি ওখানকার জেনারেলকে শীঘ্রই পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে।
আপনি আমাকে আরেকটা শিক্ষা দিলেন, স্যার।
ক্যাপ্টেন লিম।
No comments yet. Be the first to leave one.