প্রথম 200টি লাইন।
অনুবাদ ও সম্পাদনা আরমান আল মাহমুদ
হ্যালো, চাচী!
ওহ! জুং-হোয়ান এসেছো?
- একটু বাথরুমে যাচ্ছি। আমার রুমে যা। - আচ্ছা।
আহ।
অক্ষর অনুযায়ী রেখেছে সব?
ব্যাটা বজ্জাত।
ব্যাটা বজ্জাত।
সুং দক-সুনের। ধরলে কপালে তিন বছরের দুঃখ আছে।
দেখো।
একেবারে নতুন।
11665 সুন-ঊ
ঠান্ডা কিছু খাবি?
কী ভাবছিস?
এখন আমি ১০০% নিশ্চিত।
কী বলছিস?
বস। সব বুঝিয়ে বলছি।
থাক।
অন্যের প্রেম কাহিনীতে আমার আগ্রহ নেই। যাচ্ছি।
- এই, ডিনার করে যা! - আরেকদিন।
তেক ফিরেছে?
ও এখন বাসায়?
বাসায় এসেছে, কিন্তু সারারাত জেগেছে তাই হয়তো এখন ঘুমাচ্ছে।
তাহলে কালকের নাস্তায় স্যুপ বানাবেন না।
আমি মজাদার শুকনো মুলা-পাতার স্যুপ বানাবো রাতে।
একটু পর দিয়ে যাবো।
মজাদার?
লাগবে না...
আসলেই লাগবে না...
তাহলে...
একটু দিলে হবে।
তেক, খেতে—
- ধ্যাত! - ওই, কম্বল!
বেজমেন্ট রুমে একটুও সূর্যের আলো নেই।
ওই, পা! পা এখনো খালি!
ওই!
উফফ, ঠান্ডা! মা, গরম পানি নেই?
নো-উল বোধহয় মাথা ধুতে ব্যবহার করে ফেলেছে। ঠান্ডা পানি নে।
কীভাবে করবো? ঠান্ডায় মরবো! বাবা?
কী? ও, বাবাও...
ঠান্ডা পানি ব্যবহার করেছে।
জুং-হোয়ান! খেয়ে যা!
ঠিক আছি। খাবো না।
স্কুলে যাচ্ছিস?
- তুই যাচ্ছিস না? - যাবো।
দেরি হচ্ছে না?
হ্যাঁ। সেজন্য পরে যাবো। একটা গোপন উপায় আছে।
এই, সুং দক-সুন।
প্রপোজ করেছে?
করেনি রে করেনি।
এই।
তোকে খুব বেশি দাম-টাম দিচ্ছে নাকি?
বোধহয় তুই অবাক হবি ভেবে ভয় পাচ্ছে।
খুব হিংসা হচ্ছে রে।
ওয়াও, কী ভালো ছেলে।
তবুও, ক্রিসমাসের আগে হয়তো প্রপোজ করবে।
সুযোগ হাতছাড়া করলে?
শীঘ্রই করবে।
আমার মন বলছে।
এই।
ওকে কোনোভাবে কিস করলে...
আমাদের বলবি, ওকে?
অবশ্যই বলবো।
এই, একটা অটোগ্রাফ এনে দিবি?
কী?
কেন? ছাত্র পরিষদের সভাপতি কী এমন বড় বিষয়?
না।
তোর বয়ফ্রেন্ডের না, ছই তেকের।
কী?
বলেছিলি ছই তেক তোদের ব্লকে থাকে।
জিনিয়াস গো-গেম প্লেয়ার।
আমার বাবা ওর অটোগ্রাফ চাচ্ছিল।
দক-সুন, ওর সাথে পরিচয় করিয়ে দিবি?
ওকে মাথায় তুলে রাখবো।
আচ্ছা, শুধু ওর নাম্বারটা দে। আমি কল করবো।
আমিও ওর দেখা পাই না। বাসায় থাকেই না।
আর থাকলেও, সারাদিন গো খেলে।
তবুও, ওর সাথে কথা তো বলিস।
খুব হিংসা হচ্ছে।
ও বেশি কথা বলে না।
বিরক্তিকর।
এই। চীনারা ওকে দেবতা মানে।
ওকে নাকি দেবতার মতো করে রাখে।
গো-খেলার দেবতা। দেবতাদের দেবতা।
দেবতা?
তারচেয়ে বল গাধামির দেবতা।
নে।
ওহ...
শুধু আমাদের সামনেই গাধামি করিস, তাই না?
অন্য কোথাও তো করিস না?
এই, মানুষ তোকে পাগলের মতো সম্মান করে।
কেউ কেউ তোকে দেবতা মানে।
তাই, বাইরের লোকের সামনে এসব করবি না।
কিছু ধরবি না।
কিছু না পারলে কাউকে করে দিতে বলবি। বুঝেছিস?
আমি গাধা না।
চলছে না।
দেখ।
গাধা, গাধা, তাই না? গাধা।
আহ...
এবার গো-খেলার সংবাদ।
ওয়ার্ল্ড গো-গেম চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল রাউন্ড
আগামীকাল থেকে চীনের সাংহাইতে শুরু হবে।
এটি একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা,
যেখানে পৃথিবীর সেরা খেলোয়াড়রা অংশগ্রহণ করে।
কোরিয়ার ৫ অংশগ্রহণকারীর মধ্যে ৪ জন বাদ পড়েছে।
শুধু ছই তেক ৬-দান টিকে আছে।
বাস্তবিক অর্থে তার পক্ষে চ্যাম্পিয়নশিপ জেতাটা দুঃসাধ্য।
এগুলোই? চীনে না এক সপ্তাহ থাকবি?
একটা শার্ট, একটা প্যান্ট নিয়েছি।
- জ্যাকেট? - দিয়েছি।
এতেই হবে।
চীনের ৩ জন আর জাপানের ২ জন।
আর কোরিয়ার শুধু তুই, তাই...
প্রথম রাউন্ড হেরেই কাল ফিরে আসবি।
মজা করে বলছি না।
কিছু জিনিস সম্ভব হয় না, তাই মানুষকে মিথ্যা আশা দেখাস না।
জাস্ট এসে আমাদের পিজ্জা খাওয়াস। জংরোতে একটা নতুন দোকান দিয়েছে।
আর জিতলে?
জিতলে যা খুশি করতে পারবি। আমাকে কেন জিজ্ঞেস করছিস?
উমম...
হায়রে।
ড্রিংক করিস না, মেয়ে পটাস না। তোর জীবনে আনন্দটা কী আছে?
কিছু করতে চাস?
গো খেলার পাশাপাশি?
সিনেমা।
অভিনেতা?
একটা সিনেমা দেখতে চাই।
জিতলে সিনেমা দেখতে যেতে পারবি।
খেলাটা জিতলে, গিয়ে দেখিস।
হায়রে।
তার আগে, তেক...
শার্ট ঠিক কর।
ভাইরে ভাই।
আমার মাথায় ধরে না।
মানুষ তোর কাছে হারে কেন?
খোদা রে।
আমি... করছি।
" ৬তম বার্ষিক উরি সিকিউরিটিজ ওয়ার্ল্ড গো-গেম চ্যাম্পিয়নশিপ। "
" স্থান: সাংহাই, চীন। "
" সাংহাই, চীন। "
কোরিয়ার ছই তেক, ৬-দান বনাম চীনের রেও সি-হেও, ৯-দান
আজই শেষ করা যাক।
আমাদের আরও দুইজন আছে। একজন তো জিতবেই।
এই বছর বোধহয় আমরাই জিতবো।
- জেতা যাক! - জেতা যাক!
চাচা, তেক জিতেছে?
- এখনো খেলা শুরু হয়নি। - আহা।
কেউ আছে?
- ও, সুন-ঊ— - রামেনের জন্য একটু পানি গরম দিবেন?
সুন-ঊ! রামেন... খাওয়া...
সুন-ঊ, জুং-হোয়ান... দং-রিওং সবাই আছে।
শয়তানের দল। একা একাই খাচ্ছিলি তোরা?
তাড়াতাড়ি আসতি।
আমাকে ডাকা এতই কঠিন কাজ?
শয়তান সব।
কবে থেকে এখানে আসার আগে আমরা দেখা করছি?
সবসময়ই তো একা এসে খাই।
আর তোর গাল লাল হয়ে আছে, গেঁয়োভুতের মতো। অরোরা নাকি তুই?
তাহলে তুই নেলো?
- তোকে গেঁয়োভুতের মতো লাগছে! - গেঁয়োভুত? কী বললি?
এই, কুকুদাস!
কুকুদাস?
থাম, গেঁয়োভুত আর কুকুদাস!
এই, সাংমুন কিন্ডারগার্টেন থেকে মানসিকভাবে কবে পাশ করবি তোরা?
দক-সুন।
সত্যি, তোর গাল আসলেই লাল হয়ে আছে!
বললাম না।
এই, ঠান্ডা থেকে গরম রুমে এসেছি বলে!
বেশিক্ষণ থাকবে না!
খোদা, তোরা...
দক-সুন, তোকে রামেন বানিয়ে দেবো? বেশিক্ষণ লাগবে না।
না, থাক। এতেই হবে আমার।
কিন্তু তেককে একাই পাঁচ রাউন্ড জিততে হবে কেন?
এটা ধারাবাহিক বিজয়।
এই, ও বুঝবে ভেবেছিস?
সব কোরিয়ান প্লেয়ার হেরে গেছে, শুধু ও ছাড়া।
চায়নার ৩ জন আর জাপানের ২ জন আছে।
কিন্তু খেলা চালিয়ে যেতে হলে ওকে আজকে জিততে হবে।
বুঝেছি।
কিন্তু এই খেলা জিততে তেকের কষ্ট হবে।
একা কীভাবে সবাইকে হারাবে?
ওর অবস্থাও ভালো না।
এই, দং-রিওং। নিজের কাজে মন দে।
ওকে কখনো খেলতে দেখেছিস?
নেলো আর অরোরা দেখেছে?
ও আমাদের চেয়ে অন্য লেভেলে।
সাংমুন কিন্ডারগার্টেনের গাধার দল।
হ্যাঁ?
ব্যাটা বজ্জাত।
হ্যালো?
আচ্ছা।
খোদা, বাইরে কী বাতাস।
- তোর শরীর গরম। কী আরাম। - সর।
আমার শরীর ঠান্ডা।
ইদানীং আমার শরীর আর মন ঠান্ডা।
আজ এই তারকাময় রাতে।
হ্যালো, শ্রোতাবৃন্দ। আমি লি মুন-সে।
বাইরে বেশ বাতাস বইছে।
এই মুহূর্তে আপনার ভালোবাসার মানুষটির সাথে থাকলে,
No comments yet. Be the first to leave one.