The first 200 lines.
অনুবাদ ও সম্পাদনা আরমান আল মাহমুদ
এই, জুং-হোয়ান।
তুইও একটা পোস্টার কিনতে পারতি।
দরকার নেই। ওর গান শোনাটাই যথেষ্ট ছিল।
জলদি চল, বাস স্টেশন অনেকদূর।
আসছি তো।
দক-সুন।
আরে, বো-ইয়ং, অনেকদিন পর দেখা!
হ্যাঁ।
আরও বেশি সুন্দর হয়ে গেছিস।
কী?
তেমনটা না। কী বলছিস?
মিডল স্কুল পাশ করার পর তোকে কয়েকবার ফোন করেছিলাম।
জানি।
তোর ফোন নাম্বার আগেরটাই?
কল দিতে পারি?
বো-ইউং, কী করছিস?
আসছি।
দক-সুন, যেতে হবে।
আচ্ছা, যা।
- কল দেবো। - হ্যাঁ।
- ওকে চিনিস? - না।
বাংহাক মিডল স্কুলে যারা পড়েছে সবাই ওকে চিনতো।
ও আমার জন্য পাগল ছিল।
আমাকে প্রচুর লাভ লেটার লিখেছিল।
অসম্ভব সুন্দরী ছিলাম তো।
তাহলে মিডল স্কুলে আমি কাকে চিনতাম?
অদ্ভুত কথাবার্তা।
বাজে না বকে এখানে দাঁড়া। আমি বাথরুমে যাচ্ছি।
মেয়েটা কে?
আমার প্রথম ভালোবাসা।
সুন্দর না?
সুন্দর বলবো না।
তবে খুব কিউট, তাই না?
মিডল স্কুলে থাকতে ওর জন্য পাগল ছিলাম।
ও বরাবরই কিউট।
তোর পছন্দ অদ্ভুত।
ধুর।
স্যরি।
ধুর।
ধুর।
শালা একটা পাগল।
ধুর!
তুই এত অসাবধানী কেন?
এখানে পা মচকানোর মতো কী আছে দেখা।
একটুও শান্ত থাকতে পারিস না।
ইচ্ছে করে পা মচকেছি?
বাথরুমে যাওয়ার সময় হলো।
আহ্, জুং-হোয়ান, এটায় ভর দিতে পারছি না। কী করি?
ধুর।
এই।
- সাবধানে। - আচ্ছা।
এখানে ভর দিতে হবে।
আচ্ছা, এভাবে?
মাথা খারাপ করে দিচ্ছিস।
হাসছিস কেন? ঝামেলা তো পাকিয়েছিস।
আচ্ছা।
এখানে ভর দিতে হবে। বুঝতে পারছিস?
- এভাবে? - হ্যাঁ।
আচ্ছা।
মজা লাগে?
না।
বাস স্টপ ওইয়াং কাঁকড়ার মাংস
দেরি হয়ে গেছে।
বাসায় কল করা দরকার না?
হ্যাঁ, কল করে আসি।
আচ্ছা, জলদি আসবি।
আপু, ঘুমাবে না?
আমি এখন সিনিয়র। ভালোভাবে পড়বো।
তাহলে টিভি বন্ধ করে দাও৷
নো-উল, আমি বেশি সুন্দর নাকি ছে শি-রা বেশি সুন্দর?
আমি বেশি হ্যান্ডসাম, নাকি টম ক্রুজ বেশি হ্যান্ডসাম?
তুই।
ছে শি-রা।
জিন-জু, আজকে আমার রুমে ঘুমাবে?
না, পারবে না। জিন-জু এখন বই পড়ছে।
কী বই? ও তো পড়তে জানে না।
জিন-জু, আমি পড়ে শোনাবো। আমার রুমে ঘুমাবে চলো।
চলে যাচ্ছো?
গুড নাইট, মা।
ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৯ সাংমুন, দবং, সউল
স্যার, না, বাবা।
৭টা ১০ বেজেছে, টিভিতে "স্টুডেন্ট কুইজ" দিবে।
আমি ভেতরে যাচ্ছি।
আচ্ছা, "স্টুডেন্ট কুইজ" দারুণ টিভি শো।
সব স্টুডেন্টের দেখা উচিত। যা ভেতরে!
জি, স্যার।
- আচ্ছা, দক-সুন। - সু-ইয়ন।
আচ্ছা বাবা। সু-ইয়ন।
আমার ইচ্ছা—
কী? বলো।
যেকোনো ইচ্ছা পূরণ করবো।
"স্টুডেন্ট কুইজ" অনুষ্ঠানে তুই প্রতিযোগিতা কর।
আমি চাই না তুই সপ্তাহ, মাস কিংবা সেরকম কিছু জিত।
তুই সব ভুল করলেও সমস্যা নেই,
শুধু তোকে অনুষ্ঠানটায় দেখতে চাই।
- স্যরি, বাবা। - কেন?
তোমার ইচ্ছা পূরণ করতে পারবো না।
হ্যাঁ।
সত্যি বলেছিস, ভেরি গুড।
বো-রা, ওরকম করিস না, সু-ইয়নকে পড়ায় সাহায্য কর।
ও এখন ফাইনাল ইয়ারে।
না।
আজকে লাইব্রেরিতে পড়বো।
লাইব্রেরিতে আজকে কাজ চলছে।
তেকের বাসায় যা পড়তে।
ও ব্যস্ত। ডিস্টার্ব করা যাবে না।
হ্যাঁ।
আগামী সপ্তাহে ওর ফুজিতসু কাপ টুর্নামেন্ট, তাই না?
বাহ্, তেক এটা জিতলে,
গ্র্যান্ড স্লাম সম্পূর্ণ করবে, তাই না?
ওরে, ওকে বিরক্ত, ডিস্টার্ব করবি না, কিংবা ওর কাছেই যাবি না।
ভেবো না, আমি ভালো জানি।
দাঁড়া, আরেকটা জিনিস আছে।
সুন-ঊ, এটা তেকের বাসায় দিয়ে আয়।
- কী এটা? - মাখানো শৈবাল।
ব্লাড প্রেশারের জন্য ভালো।
তেকের বাবাকে দিবি।
আচ্ছা, দেবো।
চাচা।
এখানে কী করছিস?
পড়ছি।
আমাদের ব্লকের সবচেয়ে নীরব জায়গা এটা।
তুই কেন এত সকালে?
- ওহ... - সুন-ঊ এসেছো?
জি, মা এটা পাঠালো।
ধন্যবাদ।
সুন-ঊ।
তোমাদের পাইপ—
আমাদের বাসার পাইপের কাজ?
হ্যাঁ।
তোমার মাকে বোলো রেখে দিতে।
পরে আমি গিয়ে ঠিক করে দেবো।
আচ্ছা, ঠিক আছে।
সু-ইয়ন, নাস্তা খেয়েছো?
খেয়েছি, তবে আবার খেতে পারবো।
তেকের রুমে যাস না।
শনিবার পর্যন্ত ওর রুমে যেতে পারবি না।
জানি ওর ফুজিতসু ফাইনাল ম্যাচের কথা। যাই।
- চাচা, যাই। - হ্যাঁ।
- খাবারের জন্য ধন্যবাদ। - হ্যাঁ।
চাচা, তেক রাতে খাবার খেয়েছে?
না।
আজকে নাস্তাও খাবে না।
ওকে ডেকে আনবে?
খেলার সময় ওকে ডিস্টার্ব করা যাবে না।
করলে মনে হয়, ও পড়ে মরে যাবে।
- তেক! - চুপ।
এ সপ্তাহ না, অন্য কোথাও যা।
কেন, ওর খেলা আছে?
হ্যাঁ, ফুতসুজি।
ফুজিতসু।
ভাগ এখান থেকে।
সু-ইয়ন,
আমি চুপচাপ মনোপলি খেলবো।
একদম চুপ থাকবো।
ডিন বাসায় থাকায় সবকিছু তালগোল পাকিয়ে গেছে।
আমাকে বাসায় যেতে বলিস না।
যাচ্ছি তাহলে।
না, কখনোই না।
তোকে বিশ্বাস করি, কিন্তু তোর ওই বাচাল মুখকে না। ভাগ।
বেশ, বাসায় যাচ্ছি।
বাসায় যাচ্ছি। এই বাসায়।
ঠিক আছে, কেমন নিষ্ঠুর দুনিয়ায় বাস করি।
ডিনের সাথে খেলবো আজ।
হ্যাঁ, আয়।
কীভাবে বুঝলি আমি?
বাবা আমাকে ডাকে, তুই নক দিয়েছিস।
আয়, নাস্তা করবি।
খাবো না।
শুধু কফি খাবো।
লাঞ্চ?
ডিনার?
তাহলে আমাদের তেক, অন্তত নাস্তা করা দরকার না?
দরকার।
হ্যাঁ, লক্ষ্মী ছেলে।
চল।
নাস্তা করলে, লাঞ্চ আর ডিনার করতে বলবো না।
আচ্ছা।
ধন্যবাদ।
যাইহোক,
আমার ছেলে-মেয়েদের কখনো এভারল্যান্ডে নিয়ে যাইনি।
কী করছেন?
আমি হানিল ব্যাংকের ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টের সুং দং-ইল।
এরকম শয়তানি করে হাতে হাতকড়া পরতে চান?
শেষ চালটা আবার ভাবুন।
শুনুন,
গো-গেমে কোনো চালাকি নেই।
তেকের জন্য আপনার খারাপ লাগে না?
গো-গেম সর্বাধিক সততার সাথে খেলা হয়।
যাকগে, রবিবারে বাসা একদম ঠান্ডা।
সবাই বাইরে গেছে?
ছেলেদের মা বাসার সামনে পটি মাছ নিয়ে কথা বলছে।
জুং-হোয়ান ওর রুমে পড়ছে।
ও আচ্ছা, জুং-বং আজকে টেবিল থেকে ওঠেনি।
বো-রা'র বাবা,
আমার বড় ছেলের অবশেষে সুমতি হচ্ছে।
"যে এই চিঠি পেয়েছে তার উপর দুর্ভাগ্য নেমে আসবে।
কষ্টের হলেও এটাকে সুবর্ণ সুযোগ ভাবুন।
আপনাকে সাত বছরের শুভকামনা জানাচ্ছি।"
No comments yet. Be the first to leave one.