前 200 行。
একটা ঘটনা বলি শুনো, তোমরা তো আমাকে চিনো।
জানো তো আমি ভোটারদের সাথে খারাপ ব্যবহার করি না।
- কিন্তু সবাই তো এর উল্টোটা বলে। - আরে, যে যা ইচ্ছা বলুক।
আমি তাদের গ্রীনবার্গের চেয়ে কমই অত্যাচার করি।
ওহ, তারমানে এটা গ্রীনবার্গের গল্প?
তো, আমি তিনজন ভোটারকে দেয়ালের দিকে মুখ ফিরে দাড়া করাই।
তারা সর্বত্র লিফলেট ছড়াচ্ছিল বুঝলে?
- ডব্লিউ.এল.এফ এর নাকি? - আমিও তাই ভেবেছিলাম।
পরে দেখলাম, কীসব ধর্মীয় সম্পর্কিত কাগজ।
আমি বাল, জানিও না।
তো আমি ব্যাকআপ ডাকলাম, কে এলো বলো তো?
- গ্রীনবার্গ! - গ্রীনবার্গ!
সে তার ট্রাক থেকে নামল, প্রচণ্ড রেগে ছিল, বুঝলে?
দেখেই বুঝে গিয়েছিলাম, সে বলতে চাচ্ছিল, "কোন বালের জন্য ডেকেছ এখানে?
৩জন ভোটারকে সামলাতে পারছ না? মেয়ে মানুষও তো পারবে এই কাজ?"
আমি বললাম, "লিফলেট ছড়ানোর জন্য ধরেছি এদের।"
তারপর সে বলল, "কী? আচোদার দল!
এইসব করে আমার এলাকা নষ্ট করছিস?"
সত্যি বলছি, তারপর একজন ভোটার ঘুরে তাকাল,
আর আমাকে বলল "একে বুঝাও ভাই?"
আমি তাকে বললাম, "মাথা খারাপ?"
তারপর যখন সে নিজে বলতে গেল,
যখন বলল "আসলে লিফলেট বিলানো মানে...
গ্রীনবার্গ তার মাথা দেয়ালে ঠেসে ধরল,
তারপর দাঁত আর মাথার খুলি ভেঙে ফেলল, চারদিকে তো রক্তের ছিটাছিটি।
তারপর গ্রীনবার্গ বলল,
"তোকে কেউ জিজ্ঞেস করেনি, পুঁচকে খোকা!"
তাদের এই নামে ডাকা হয় কেন?
জনগণদের, ভোটার বলে ডাকা হয় কেন?
আমি তো জানি না।
ইচ্ছে হয়েছে বলে ডাকে, এতে কার কী আসে যায়?
কারণ আমরা তাদের অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছি।
তাদের ভোট দেওয়ার অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছি,
তারপর কেউ একজন তাদেরকে মশকরা করে ভোটার ডাকা শুরু করে।
তো, এখন জেনে রাখো।
আমি এসব কিছু বুঝাতে চাইনি, সার্জেন্ট।
অবশ্যই, তুমি তো কাণ্ডজ্ঞানহীন মানুষ।
সার্জেন্ট।
যেতে থাকো।
- কপি। - কতো জন?
অনেক জন।
ডব্লিউ.এল.এফ হতে পারে, সবাই তৈরি হও।
- না। - সার্জেন্ট।
আমি একা তাদের সাথে কথা বলব।
- কিন্তু নিয়ম তো... - নিয়ম হলো
কমান্ডিং অফিসের নির্দেশ পালন করা, কথা শেষ।
এখন দলবল নিয়ে বের হলে, সবসময় যা হয়, তাই হবে।
কারণ তোমরা সবাই গ্রীনবার্গ।
মরতে চাইলে গিয়ে মারা খেয়ে আসো, যাও।
তুমি।
আমার সাথে এসো।
কিছু শিখে যাও।
তুমি আইজ্যাক?
তুমি হ্যানরাহান?
যুদ্ধে স্বাগতম।
নিজের পথ বেঁছে নেও।
কোনো ব্যথার ঔষধ নেই।
আর কিছু পেলে?
জরুরী কিছুই না।
তুমি কি ইস্ট ইনফেকশনে ভুগছ?
আজ তো ঠিক আছি, কবে ভুগতে হয় জানি না।
ভালো খবর, এক গ্যালন দুধ পেয়েছি এখানে।
আগে শুঁকে দেখো ভালো আছে কিনা।
আচ্ছা, আর কিছু পাচ্ছি না, আমি বাহিরে দাঁড়ালাম।
হ্যাঁ, আমারও হয়ে গেছে।
এখানে আর কিছু--
হেই, আমি একটু প্রস্রাব করব।
একটু সময় দেও।
আচ্ছা।
আচ্ছা, চলো যাওয়া যাক।
ধন্যবাদ।
তুমি ঠিক আছো?
হ্যাঁ।
চলো এবার, অনেককে মারতে হবে।
বেশ।
বুঝলাম না, ভেবেছিলাম এখানে বোম মারা হয়েছিল।
হ্যাঁ, আমিও শুনেছিলাম, হয়তো এই এলাকায় মারা হয়নি।
এখানে এতো রেইনবো-এর ব্যাপারটা কী?
জানি না।
এরা হয়তো ভেবেছিলে বেঁচে যাবে।
গে লেসবিয়ান দিয়ে শহরটা ভরা ছিল।
আমি এর আগে এতো কাছ থেকে ট্যাংক দেখিনি।
আমিও না।
- এলি, এলি! - আমাকে কভার দেও।
গিয়ে দেখি কোনো অস্ত্রশস্ত্র পাই কিনা।
ভাই, ফেড্রারা এখানে ভালোই চোদা খেয়েছে।
তুমি কী ভেবেছিলে এটা ডব্লিউ.এল.এফ-দের হবে?
জানি না, লাশগুলো সব ফেড্রাদের।
দেখে মনে হচ্ছে নিজেরাই নিজেদের গান্ড মেরেছে।
তোখড় চোখ।
এখানে আসলে হয়েছিলটা কী।
কী দেখলে?
একদম অ্যাপোলো ১-এর মতো ৩টা পুড়ে যাওয়া কঙ্কাল।
কী?
গ্রিসম, হোয়াইট, চ্যাফি। এরা নব্য মহাকাশযাত্রী ছিল।
সবার প্রথম এদেরই চাঁদে অবতরণ করার কথা ছিল,
কিন্তু তারা উৎক্ষেপণই করতে পারেনি।
ক্যাপসুলের ভিতরেই পুড়ে ছাই হয়ে গেছিল।
তবুও তারা মূল্যবান কিছু করতে গিয়ে মারা গেছে।
হ্যাঁ।
আর এরা হলো এক চোদনা আরেক চোদনার গান্ড ফাটাতে গিয়ে নিজেরাই মারা খেয়েছে।
এই দেখো, কী দেখেছি!
পাহাড়ের উপরের বিল্ডিংটা দেখো।
আমি ভুল দেখছি না তো?
একদম ঠিক! এক্ষণই চলো।
নিশ্চিত তো?
ওরে খোদা, এভাবেই তাকিয়ে থাকবে?
যদি দূর থেকেও তোমার চিহ্ন দেখতে পায়, তাহলে তারা বুঝে যাবে,
তুমি ইচ্ছে করে নিজের অবস্থান জানাতে চাইছ।
এর মানে এটাও বুঝায় যে, তুমি তৈরি হয়ে এসেছ।
আর?
যেহেতু তারা পাহাড়ে আছে, তারমানে আমাদের দেখে ফেলেছে।
দিনের আলোতে ঘোড়ায় চড়া ঠিক হবে না, তাই একটু পরে।
তারমানে অন্ধকার হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে পায়ে হেঁটে যেতে হবে।
আর এখানে থাকাটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হবে,
কারণ, আশেপাশে কেউই নেই।
সেটা তুমি ট্যাঙ্কের ঢাকনা খোলতে গিয়েই বুঝিয়ে দিয়েছ।
ওরে চোদন!
আচ্ছা, এমন একটা দরজা খুঁজো, যেটা দিয়ে শিমারকে ঢুকাতে পারব।
পেয়ে গেছি সেটা।
তোমাকে কেউ মারতে আসলে চিৎকার করবে কিন্তু!
তাই তো করতে হবে।
বাজাও।
আচ্ছা।
ভালোই তো শিখেছ।
ধন্যবাদ, জোয়েলের কাছ থেকেই শিখেছিলাম এসব।
খুব ভালো শিখিয়েছে সে।
আসলেই।
- খিদা লেগেছে? - মরে যাচ্ছি খিদায়।
দারুণ, চলো, গরুর শুঁটকি রেঁধে দিচ্ছি।
আচ্ছা।
জোয়ান থাকতে মেয়ে দেখলেই পটাতে চাইতাম বুঝলে?
মানে, নিজের অবস্থানটাও মাঝে মাঝে ভাবতে হয়।
আর আমি কিছুটা লাজুক ছিলাম।
মেয়েদের সাথে কীভাবে কথা বলতে হয় জানতাম না।
ভাবলেই আমার নার্ভাস লাগত।
তাই, আমি যা করতাম, তা হলো তাদেরকে রান্না করে খাওয়াতাম।
রান্নাটা বেশ ভালোই পারতাম।
তাই ভালো মানের জিনিসপত্রেরও প্রয়োজন পড়ত, কিন্তু আমার কি সেই পরিমাণ টাকা ছিল?
না, ছিল না।
আমি প্রায়ই উইলিয়াম-সনোমায় যেতাম, হাড়ি পাতিলের দোকান ছিল ওটা, তুমি চিনবে না।
আর আমি...
এগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকতাম।
মভিয়েল।
সেরাদের সেরা, একদম খাঁটি ফ্রান্সের মাল।
আর ভাবতাম, আচ্ছা
৩০ বছর পর পেনশনের টাকা পেয়ে,
আমি নিজের জন্য কয়েকটা মভিয়েলের সস প্যান কিনব।
ঢাকনা সহ।
ঠিকই বলেছিলাম।
যদিও আমার পরিকল্পনা-মাফিক হয়নি।
এই ধ্বংসযজ্ঞের কারণে অদ্ভুত ভাবে উপকৃত হয়ে গেলাম।
তামা ব্যবহার করা খুবই ঝামেলার কাজ, বারবার মোছা লাগে।
তবে এটা খুব দ্রুত গরম হয়।
অনেক তাপ শোষণ করে।
তার মানে এই না লোহার মতো
এটা অনেকক্ষণ তাপ ধরে রাখবে,
সেই দিক থেকে এর চেয়ে লোহারগুলোই ভালো, তবুও...
মভিয়েল থাকলে শুধু মভিয়েলই ব্যবহার করা উচিত।
সে--
- সে আমাকে দেখছে। - তারমানে তুমি যে এখন
গরম চোদা খাবে, এটাও দেখবে।
জানো তোমাদের মধ্যে অনেক স্কাররাই বিশ্বাস করে না,
সে যে রূপকথার মতো আসমানের পরী।
তাদের মধ্যে কেউ বলে সে একজন মানুষ ছিল।
তারা ধর্মত্যাগী।
অবশ্যই।
হাতলটা সবসময় ঠাণ্ডাই থাকে।
আরামেই ধরা যায়।
এর পর স্কাররা কোথায় আক্রমণ করবে?
সেরাফাইট।
হাতটা দেও।
হায়রে, এ তো পাগলামি করছে!
চুপ করো, আইজ্যাক যেনে বুঝেই কাজ করছে।
রক্ত!
জি, স্যার।
সে আমাকে দেখছে, আত্মা পূর্ণ করছে আমার।
- সে দেখছে-- - আর তোমার আত্মা পূর্ণ করছে?
ছোট্ট ছেলেটার মাথায় তীর ঢুকিয়ে দিয়েছিলি তুই।
তারপরও সে তোর আত্মা পূর্ণ করছে?
বাচ্চাদের মারতে বলেছে সে?
- তোমরা আমাদের বাচ্চাদের মেরেছিলে। - ইচ্ছে করে তো মারিনি।
আমাদের মারার জন্য তোরা তাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছিস।
কারণ তোমাদের উলফ তাদের মেরে ফেলে।
আমাদের মারার জন্য তাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছিলি তোরা।
কারণ তুমি শান্তি ভঙ্গ করেছিলে।
- কারণ তোরা শান্তি ভঙ্গ করেছিলে। - কারণ --
তুই এটা করেছিস, আমি এটা করেছি,
আজকে আর আমি তোর এই মুরগী আগে না ডিম আগে খেলছি না, স্কার।
সামনে কোথায় আক্রমণ করবি?
তোমরা হেরে যাবে।
তাই বুঝি?
শুন বাবা,
আমাদের স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র আর হাসপাতাল আছে,
আর তোদের মতো উন্মাদের কাছে পুরনো রাইফেল, তীর-ধনুক, আর কুসংস্কার ছাড়া কিছুই না।
তাহলে বল তো, আমরা ঠিক কীভাবে হারব?
প্রতিদিন তোমাদের মধ্যের একজন বাস্তবতা বুঝতে পারে,
আর তাকে মনে ধারণ করে।
প্রতিদিন, প্রতিদিন উলফরা তোমাদের ছেঁড়ে আসে,
এসে আমাদের সেরাফাইটদের কাছে আত্মত্যাগ করে।
No comments yet. Be the first to leave one.