200 dòng đầu tiên.
I. N. S. A. N. E অনুবাদ ও সম্পাদনায় FLAMY TUHIN
সুপ্রিয় দর্শকবৃন্দ, আমি এই প্রোগ্রামের সঞ্চালক, কীম রে-উক
সম্প্রতি পুরো দক্ষিণ কোরিয়া জুড়ে ইনিই সবার আলোচনার প্রথম বিষয়বস্তু।
ফাইনালি, আজ আমরা ওনাকে আমাদের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করেছি।
Y টিভি চ্যানেলে সম্প্রচারিত "২৪ ঘন্টা" শো'র PD না নাম-সু, স্বাগতম!
হ্যালো, আমি "২৪ ঘন্টা" শো'র PD না নাম-সু।
জ্বী
প্রথমেই আপনাকে বেস্ট PD-র অ্যাওয়ার্ড জেতার জন্য অনেক অনেক অভিনন্দন।
ধন্যবাদ।
আসলে..আপনার মত একজন বুদ্ধিমান আর সুদর্শন ব্যক্তির ইন্টার্ভিউ নেয়ার ইচ্ছা
আমার মত অনেকেই নিজের মনে লালিত করে রেখেছে, আপনার কী মনে হয়?
নাম্বার ওয়ান হতে গেলে রিপোর্টিং আর এরকম একটা জনপ্রিয় শো অনেক বড় ভূমিকা রাখে, তাইনা?
ঠিক জানিনা, তবে আমি সর্বদাই চেষ্টা করি জনগণ যাতে সত্যটা জানতে পারে।
আপনি খুব অবনমিত।
এবার আপনাকে কিছু প্রশ্ন করা যাক।
"২৪ ঘন্টা" শো'র একজন PD হিসেবে আপনি কোন নীতিতে বিশ্বাসী?
আমাদের নীতি হলো দর্শকের দোরগোড়ায় সমাজের লুকায়িত সত্যকে পৌছে দেয়া।
রিপোর্ট অনুসারে, "২৪ ঘন্টা" শো'টি গুজবের উপর ভিত্তি করে তৈরী করা হয়।
রেকর্ডিং বন্ধ কর!
একমিনিট স্যার। হুম।
মিসড কল
১ বছর পর।
আমি চাকরি ছেড়ে দিইনি, জাস্ট কয়েকদিনর জন্য বিশ্রামে আছি।
আগামী সপ্তাহ হতে আমি আবার কাজে যোগ দেব।
এতে শুধু সাময়িক ফায়দা হবে, শো'টা বিশ্বস্ত সোর্সের ভিত্তিতে চলতো।
তুমি...কীভাবে কিছু মিথ্যে গুজবের ভিত্তিতে এরকম স্টোরি ছাপালে?!
আর কখনো গুজবে কান দিবে না, কক্ষনো না!
সারাদিন কোথায় থাকো তুমি?
নিজের প্রতিবিম্বকে খুঁজে বেড়াচ্ছি।
না নাম-সু...
কী?
স্টোরিটা নিশ্চয়ই উচু লেভেলের।
সত্য উন্মোচনের খাতিরে তুমি নিজের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলতে সক্ষম।
ঝুঁকিতে ফেলব আমার জীবন? আমার লাইফ তো প্রায় শেষ!
নিজের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলেছিলাম যাতে সু- গুকজাং(পরিচালক) তাতে জড়িয়ে না পড়ে।
আমি ছিলাম প্রোগ্রামটার বলির পাঁঠা।
শুধু আমার সাসপেনশনের জন্য নয় উপরন্তু আমাকে তিরস্কারও করা হয়েছিল।
তোমার জন্য একটা কাজ আছে, এতো খুঁতখুঁতে হয়ো না, করে ফেল!
কাজটা ইন্টারেস্টিং!
স্টেশন স্পেশাল প্রোগ্রামের জন্য তোমার মত একজনের অপেক্ষায় অপেক্ষমাণ।
ঝামেলা কোরো না।
কথা বলার জন্য আমি একটা মিটিং আয়োজন করেছি, তুমি শুধু চলে এসো,
আর তোমার যা মন চায় কোরো,
কিন্ত আবারও বলছি এটা ইন্টারেস্টিং।
একদম যাচ্ছেতাই।
আমি শুধু ওইরকম শোয়ের জন্য আসবোনা যেটা আমি ছাড়া আর কেউ নিতে ইচ্ছুক নয়।
আমি না নাম-সু। না নাম-সু!
না PD!
তোমার এই সুযোগটা কাজে লাগানো উচিত। যদি উত্তর 'না' হয়...
তাহলে চাকরীর আশা কোরো না।
নাম-সু...
বিষয়বস্তু জরুরী নয়। জরুরী হলো
সেটাকে আমরা কোন পন্থায় উপস্থাপন করব।
হেই!
হেই, নাম PD!
ওটা শেষ সিগারেট ছিল আমার।
শর্ত হলো যদি শোয়ের রেটিং বাড়াতে পারি, তাহলে আমি আবার জয়েন দিতে পারবো, ঠিক?
হ্যাঁ, অবশ্যই।
ওটা নিয়ে ঘাটাঘাটি করছো কেন? আগে কাজটা শুরু কর।
ওহ, চলে এসেছ? বসো।
তুমি না নাম-সুকে চেনো, তাইনা?
ইনি ব্যেক জি-ইয়েওং।
হ্যালো।
প্রতিরাতে ইয়াংপ্যেয়ংয়ের পরিত্যক্ত গুদামঘরে একটা বাচ্চার কান্নার আওয়াজ শোনার রিপোর্ট এসেছে।
যদিও বেশ কয়েকজন এব্যাপারে রিপোর্ট করেছে কিন্ত তবুও বিশ্বাস করাটা একটু কঠিন।
দ্বিতীয়টা হলো ইয়ংওলসাংয়ের বিল্ডিংয়ের ঘটনা।
ওখানকার এক কর্মী বলেছে সেখানে নাকি ভূত আছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী বিল্ডিংটা নাকি পুরোনো মালিকের কবরের উপর বানানো হয়েছিল।
উপরন্তু ওখানকার লোকেরা নাকি তার স্ত্রীর ভূতের দেখাও পেয়েছে।
এখানে কয়েকটা ফটোগ্রাফও আছে।
ওটা...ওটা আপনার জন্য পাঠানো হয়েছে, স্যার।
অনেকে মনে করে আপনি এখনো "২৪ ঘন্টা" শো'টার সাথে যুক্ত আছেন।
প্রথমে ভেবেছিলাম কাহিনীটা দারুণ, কিন্ত দেখে মনে হয় গাঁজাখুরি গল্প।
আপনি একবছর আগে মেন্টাল হসপিটালে আগুন লাগার ঘটনাটা সম্পর্কে জানেন তো?
সব রোগী মারা গিয়েছিল।
তারপর থেকে সেটা বন্ধ করে দেয়া হয়।
কিন্ত...ডায়েরীতে লেখা আছে তাকে জোরপূর্বক সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
এখানে কোনো স্বর্গ বা নরক নেই।
মুহূর্তের মধ্যে সবকিছু বিলীন হয়ে যায়।
ওই স্টোরিটা বাদ দাও।
অলরেডি আমরা জায়গাটা চেক করেছি আর সেখানে তেমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
আমাকে আবার ওই গুদামঘরের স্টোরিটা দাও।
ডায়েরীটা কে পাঠিয়েছে?
ঠিক জানিনা কারণ অনেকদিন আগে পাঠিয়েছিল।
তাহলে এই স্টোরিটা নিয়ে কাজ শুরু কর।
স্যরি?
হেই, হেই, হেই, স্টোরিটা খুব দুর্বল।
এই স্টোরিটা দিয়ে কোনো বিষয়বস্তু তৈরী করতে পারব না।
সেকারণেই তো এটাকে বেছে নিলাম...
মজা হবে।
বিষয়বস্তু জরুরী নয়।
জরুরী হলো সেটাকে সঠিক পন্থায় উপস্থাপন করা।
ঠিক বলছি কিনা?
হ্যাঁ
সিরিয়াসলি...
আমি গেলাম।
কাং সু-আহ
সু-আহ...
নামটা কোথায় যেন শুনেছি?
যাবার সময় হয়ে গেছে!
উনি "২৪ ঘন্টা" প্রোগ্রামের PD না নাম-সু, তাইনা?
হ্যাঁ। উনি আবার ফিরে এসেছেন?
চিল্লাফাল্লা বন্ধ কর!
তুমি ঠিক আছো?
জোগামদক...
যাও গিয়ে কস্টিউম পরে এসো,
হ্যালোউইন থিমের কস্টিউম।
স্যরি?
জানি না, দেখতে ড্রাকুলার মত।
ওকে, বুঝতে পেরেছি।
উনি হলওয়েতে ক্যামেরার মধ্যে কিছু দেখতে পেয়েছেন।
কী দেখেছ তুমি?
কেউ একজন ক্যামেরার সামনে দিয়ে চলে গেছে।
তো....
ক্যামেরাটা পাওয়া যাচ্ছে না।
কী?
কে নিয়ে গেল ক্যামেরা?
হেই, জগামদক!
হ্যোয়ানজা-বান, আপনি ঠিক আছেন?
আমার কথা শুনতে পাচ্ছেন?
দেখে মনে হয় উনি দগ্ধ আর ঠিকমতো চিকিৎসা করা হয়নি।
রোগীর কন্ডিশন খুব খারাপ আর অতিসত্বর উনাকে ভর্তি করতে হবে।
কিন্ত হাসপাতালের নিয়মানুযায়ী রোগীর পরিচিতি যাচাইকরণ করাটাও জরুরী।
কোথা থেকে এসেছে সেটা না জানার কারণে,
আমরাও তার পরিচয় সম্মন্ধে সন্দিহান।
আপনি আগে টিভি প্রোগ্রাম করতেন, তাইনা?
না।
হান দং-সিক?
তাহলে যেমনটা ডায়েরীতে লেখা ছিল সত্যিই কি উনি তাকে রক্ষা করছিলেন?
হয়তো...
কাং সু-আহ?
কাং সু-আহ নামটা....
রোগীদের তালিকায় ছিলনা, ঠিক?
হ্যাঁ
হয়তো তার নাম রোগীদের তালিকায় ছিলনা নতুবা মৃত রোগীদের তালিকায় নাম ছিল।
কিন্ত কাং দং সিক আসলেই ছিল।
ডায়েরীটা কোথায়?
আমি তোমাকে পরে কল করবো,
তুমি তাড়াতাড়ি হান দং-সিক আর কাং সু-আহ'র পরিচয়ের বিষয়টা ইনভেস্টিগেশন শুরু কর,
আগুন লাগার ঘটনাটার তথ্য জোগাড় কর। নিউজ পোর্টাল অথবা কেস ফাইল,
সবকিছু খুঁজে বের কর!
হেই!
আমার কথা শুনতে পাচ্ছেন?
আপনি হান দং-সিক, তাইনা?
জবাব দিতে কষ্ট হলে শুধু ২বার চোখের পলক ফেলুন, ওকে?
হান দং-সিক....?
ডায়েরীটা আগে কখনো দেখেছেন?
ডায়েরীটার ব্যাপারে কিছু জানেন?
এই ট্যাটু....
এখানে "হান দং-সিক" লেখা আছে।
যে মেন্টাল হসপিটালে আপনি কাজ করতেন সেখানের এক মহিলা রোগী কাং সু-আহ্ এটা লিখেছে, হান দং-সিক।
মহিলাটার নাম কাং সু-আহ্....
আপনি ওকে চেনেন, তাইনা?
একমিনিট, প্লিজ!
হুয়াঞ্জানবান, আপনি ঠিক আছে?
হুয়াঞ্জানবান, আমার কথা শুনতে পাচ্ছেন?
আমি হান দং-সিকের পরিচয় খুঁজে পেয়েছি।
সে সিউলের এক মানসিক হাসপাতালে নার্স পদে কাজ করতো।
আর কাং সু-আহ্?
চেষ্টা করেছি,
কিন্তু শুধুমাত্র নাম দিয়ে পরিচয় খুঁজে পাওয়াটা কঠিন।
এমনকি তার নামটা নিখোঁজ ব্যক্তিদের তালিকাতেও নেই।
আগুন লাগার পর অনেক লোক গায়েব হয়ে গেছে।
কিন্ত সময়টা কেমন জানি বোধগম্য হচ্ছে না।
হান দং-সিক, ডায়েরীতে যিনি এব্যাপারে লিখেছেন উনি এখনো বেঁচে আছেন।
কিন্ত যেকোনো কেসে প্রায়শ এটা ঘটে।
মেন্টাল হসপিটালে আগুন লাগার ফলে অনেক রোগী আহত।
হ্যালো।
এই যে
এই তদন্তকার্যে আমি পুলিশের সাহায্য চেয়েছিলাম
কিন্ত ওরা বললো তাদের কাছে ওই অগ্নিকাণ্ডের কোনো রেকর্ড নেই।
কেন?
তুমি ওইদিনের সব নিউজ আর্টিকেল চেক করেছ, তো?
হ্যাঁ, একদম।
আপনার মনে আছে
গতবছর পুলিশ চিফের হত্যার ঘটনাটা?
এটাও সেদিন ঘটেছিল যেদিন মেন্টাল হসপিটালে আগুন লাগে।
পুলিশ চিফের কেসটার কারণে, সবাই এটা এড়িয়ে গিয়েছিল।
নিজ বাড়িতে গুলি মেরে হত্যা করা হয়।
কর্তৃপক্ষ এটাকে পুলিশ চিফ হত্যাকাণ্ড বলে ঘোষণা করে।
স্ত্রী: চ্যা ইয়্যেং-সুক মেয়ে: কাং সু-আহ
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কাং সু-আহ'কে গ্রেপ্তার করে।
হেই!
উফ!...ভয় পাইয়ে দিয়েছেন।
Here.
ওই ঘটনাটার(হত্যাকাণ্ড) সময়,
সে মেন্টাল হসপিটালে বন্দী ছিল।
তার বাবার মার্ডারের আগেই মা হার্ট-অ্যাটাকে মারা যায়।
এমন কেউ ছিলনা যে ওকে ঘটনাস্থলে দেখার সাক্ষ্য দেবে।
কিন্ত হয়তো সে মেন্টাল হসপিটালে বন্দি ছিল।
আমরা চেক করিনি।
সেটার কোনো দরকার ছিল না।
মহিলাটা শুধু,
কেস জেতার জন্য পাগলের অভিনয় করছে।
কিন্তু, আপনি কেন এই কেসের ব্যাপারে খোঁজ নিচ্ছেন?
যে উনাকে সেখানে ভর্তি করিয়েছে উনি কি তার অসুস্থতার ব্যাপারটা কনফার্ম করেনি?
কেউ একজন স্বাভাবিক মস্তিষ্কের মানুষকে কেন মেন্টাল হসপিটালে ভর্তি করতে যাবে?
আপনি আমায় কাং সু-আহ'র সাথে দেখা করিয়ে দিতে পারবেন?
সে কি কারো সাথে দেখা করতে চায় না?
যদি দেখা করতে না চায় তাহলে আমি কি করতে পারি, বলুন?
No comments yet. Be the first to leave one.