200 dòng đầu tiên.
- অনুবাদ ও সম্পাদনায় - :.:.: F L A M Y T U H I N :.:.:
:.:.: KAYAMAI KADAKKA :.:.:
হ্যালো।
হ্যালো, অরবিন্দ স্যার।
১ মিনিট।
হ্যাঁ, বিনোদ?
এইমাত্র শুনলাম আপনার মেয়ে হয়েছে। অভিনন্দন স্যার।
ধন্যবাদ, বিনোদ।
স্যার, ত্রিচির ২টা হোমিসাইড কেস আর ৬ মাস আগে কন্সট্রাকশন সাইটের মার্ডার কেস
যেগুলো আপনি হ্যাণ্ডেল করছিলেন
ওই কেসগুলোতে একটা লিড পেয়েছি, স্যার।
ওহ!
এক ছোকরা স্টেশনে এসেছে।
ছোকরা বলছে এখানে আরও ৩টা মার্ডার হয়েছে।
আর সে খুনিকে চেনে এমন দাবি করছে।
ওকে, তাকে রুমে বসাও। আমি এক্ষুনি স্টেশনে আসছি।
সন্তোষ... ভরতের কলেজ ফি পাঠিয়ে দিয়েছ?
তুমি...গতবছর দিল্লীতে হওয়া ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে এখানে
হাতে মোমবাতি নিয়ে প্রতিবাদ করেছিলে, না?
কী হয়েছে?
পুলিশ অপরাধীকে গ্রেপ্তার করেছে?
শাস্তি!!
দেয়নি, না?
হুম
খুন কে করেছে তুমি জানো। আমিও জানি।
তো সবার মতো আচরণ কর।
যাকগে, আসল পয়েন্টে আসা যাক।
ত্রিচিতে যে খুনগুলো হয়েছে সেগুলো কে করেছে?
সন্তোষ।
তার নামও সন্তোষ।
হুম।
সন্তোষ এখানে আরও ৩ জনকে খুন করেছে, স্যার। সে আমাকেও খুন করতে চায়।
একদম স্পষ্টভাবে বলছ সন্তোষ...?
১ বছর যাবত আমাদের ফেসবুকে পরিচয়।
ফেসবুক ফ্রেণ্ড?
হুম।
সন্তোষ বলেছিল এখানে কয়েকজন পুরোনো স্কুলফ্রেণ্ডদের সাথে দেখা করতে আসবে।
তারপর আমরা দেখা করার প্ল্যান করি।
গতকাল সন্ধ্যায় কাজে যাবার আগে...
নাইট শিফট?
প্রথমবার রেস্টুরেন্টে তার সাথে সামনাসামনি দেখা করি।
অবশেষে!
- হাই সন্তোষ। - হাই।
স্যরি। সময়মত বাস ধরতে পারিনি।
ব্যাপার না।
কয়টায় তোমার অফিস?
সাধারণত ৫:৩০ লগ-ইন করতে হয়।
মানে তোমার হাতে ঠিক ১ ঘণ্টা সময় আছে।
কী হয়েছে?
হুম?
ওহ! কিছুনা!
সকালে ফ্রেণ্ডের বাড়িতে একটু আঁচড় লেগেছে।
তোমার স্কুল ফ্রেণ্ড।
হ্যাঁ, তার বাড়িতে পোষা টিয়া আছে। এটা তার-ই কাজ।
ডাক্তার দেখিয়েছ?
এই ছোট্ট আঁচড়ের জন্য কে ডাক্তার দেখায়?
না, আমি সিরিয়াস। তোমার ইনফেকশন হতে পারে।
দেখে আঁচড় মনে হয়না। শার্টের কলারে রক্তের ছোপ দেখা যাচ্ছে।
না। এখানে শুধু আমার রক্ত না।
পাখির রক্তও আছে।
পাখির...?
পাখিটাকে ধরার চেষ্টা করেছিলাম। বুঝতে পারিনি জোর বেশি হয়ে গেছে।
জানোই তো, প্রতিবর্ত ক্রিয়া!
তো, পাখিটা?
মরে গেছে!
ওহ!
ছোট্ট একটা বিষয় নিয়ে কেন এত ছটফট করছ?
না...কিছুনা।
অর্ডার দিই?
না, খাওয়ার মুড নাই।
১৫ বছর বয়সী মেয়ে...সকালে স্কুলে যাবার সময় ঘটনাটা ঘটে।
অপরাধীর ব্যবসায়ীর ছেলে।
সে-ও, জলদি খালাস পেয়ে যাবে।
এমন কুত্তারবাচ্চাদের দুবার চিন্তা না করে জিন্দা জ্বালিয়ে দেয়া উচিত।
শুয়োরটাকে বাঁচিয়ে রেখে কী লাভ?
স্যরি!
হেই! স্যরি বলছ কেন? আমিও ঠিক তোমার মতো চিন্তা করি।
আজ অনলাইনে একটা বিশদ আকারে পোস্ট করব।
আর কীইবা করতে পারি? আমাদের মতো পাবলিক নিজের ক্রোধ ব্যস শব্দের মাধ্যমে প্রকাশ করতে পারে।
কদিন যাবত তোমাকে অনলাইনে দেখছি না?
একটু ব্যস্ত ছিলাম।
১ মিনিট।
হ্যালো। হ্যাঁ, মা?
বাবা, বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করেছিস?
মা, দেরি হয়ে যাবে। কাল দিয়ে দিব।
আজ লাস্ট ডেট। কর্তৃপক্ষ লাইন কেটে দিতে পারে।
১ দিনে কিছু হবে না, মা।
- আমি নিজে গিয়ে দিয়ে আসব...? - মা...
বাড়ি ফেরার পর কথা বলব। এখন রাখলাম।
যাওয়া যাক?
কাল!?
হ্যাঁ। আসলে আজ যাওয়ার প্ল্যান করেছিলাম।
আমার ৩ জন বন্ধুর সাথে দেখা করতে এসেছি।
একজনের সাথে দেখা করেছি। আরেকজনের সাথে দেখা করতে যাচ্ছি।
আরেকজন মেসেজ করে জানিয়েছে সে শুধুমাত্র কাল সকালে দেখা করতে পারবে।
তো, কাল সকালে তার সাথে দেখা করে...
তারপর চলে যাব।
এইভাবে তোমার সাথে দেখা করার সময় বের করলাম।
যেভাবেই হোক তোমার সাথে দেখা করার প্ল্যান করে রেখেছিলাম।
কী হয়েছে?
টেক্সটে লিখেছ এবার দেখা করার দরকার নাই, পরেরবার দেখা করব।
ওহ!
ওহ! টেক্সট টা তোমায় সেন্ড করেছি? স্যরি...
আমিও এমন করি। ভুলবশত অন্যকাউকে মেসেজ পাঠিয়ে দিই...
তারপর স্যরি বলতে বলতে মুখের ফেনা বেরোয়।
ফেসবুকে আমার সাথে প্রথম তুমি কথোপকথন শুরু করেছ।
মনে হয় শ্যামলা কেসের সময় আমার পোস্ট পড়ার পর।
কেসটা জনগণের চোখ থেকে কদিনের মধ্যে গায়েব হয়ে গিয়েছিল।
অপরাধী কয়েকদিনের মধ্যে ছাড়া পেয়ে যায়!
সন্তোষ!
ফ্যামিলির সাথে থাকো, না? কয়জন আছে তোমার ফ্যামিলিতে?
আমি, মা, এবং আমার ভাই।
তোমার ভাই কী করে?
ডিপ্লোমা শেষ করেছে। এখন ব্যাঙ্গালোরে মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং করছে।
হুম। তুমি কী কর?
আমি...
স্কুল শেষ করার পর কম্পিউটার কোর্স জয়েন করি।
সেটাই আমাকে একটা ভালো জব পেতে সাহায্য করে।
১১ বছর বয়সে বাবা এক্সিডেন্টে মারা যায়।
তো ভাইয়ের পড়ালেখায় সাহায্য করতে আমাকে একটা জব করতে হয়েছে।
তোমার মা এখন ভালো আছে?
হুম...অনেকটা।
বন্ধুর সাথে দেখা করার পর বাসায় আসোনি কেন?
মা'কে তোমার ব্যাপারে অনেক কথা বলেছি।
মা এই "সন্তোষ" এর সাথে দেখা করে খুশি হবে।
নিশ্চয়, যদি সময় অনুমতি দেয়।
তোমার কারণেই মা আজ সুস্থ।
এটুকুই করতে পারতাম।
ফেসবুকে আমার পোস্ট দেখে তুমিই
সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলে।
কখনো আমাকে সামনাসামনি না দেখেও...
২ লাখ টাকা দিয়ে সাহায্য করেছ। কে করে আজকাল?
তখন আমার হাতে কিছু টাকা ছিল ফলে সাহায্য করতে পেরেছি।
না থাকলে, পোস্ট পড়ে ব্যস স্ক্রল করে চলে যেতাম।
১ বছরের মধ্যে টাকাটা ফেরত দিয়ে দিব।
তাড়াহুড়ো কোরো না। আস্তেধীরে দিয়ো।
এটা তোমার বন্ধুর বাড়ি?
এটা নয়। ওইযে, ৩ নাম্বার টা।
সন্তোষ।
আজ ছুটি নিতে পারবে?
আচ্ছা।
তোমার সাথে কিছু কথা আছে।
কী ব্যাপারে?
বলবো।
২ মিনিটের মধ্যে আসছি।
সমস্যা নাই।
সন্তোষ!
ভিতরে এসো!
দরজা!
স্যরি।
এটা পড়।
আমি বুঝতে পারছি না।
আর্টিকেলের ব্যক্তিটার নাম, রাঙ্গারাজান। যে পিছনের ট্রাঙ্কে আছে।
তুমি এতটা শিওর হলে কীভাবে?
আমি জানি। এটা রাঙ্গারাজান।
সে কি মারা গেছে?
হুম।
কিন্তু...কেন?
সে শাস্তি পায়নি, সেকারণে।
সেকারণে।
আমি তার প্রাপ্যটা দিয়েছি।
কে তুমি? কারো জীবন নেয়ার তুমি কে হও?
কী হয়েছে তোমার?
সর্বদা আমরা এবিষয়ে কথা বলতাম।
আদতে, তুমি-ই তো বলেছ ওই জানোয়ারদের জিন্দা জ্বালানো দরকার।
ওদের বাঁচার কোনো অধিকার নেই।
জিন্দা জ্বালানোটা একটু কষ্টকর।
তার বদলে পিস্তল ব্যবহার করলাম।
আমি কথাটা ক্রোধের বশে বলিনি!
ক্রোধের বশে!?
আমার বলার উদ্দেশ্য ছিল যে...
কাউকে তো কাজটা করতে হবে, ঠিক?
তুমি সন্তোষ, না?
আসতে বারণ করেছিলাম না?
রাঙ্গারাজানকে সে কীভাবে খুন করলো?
-"সে"? - সেখানে তোমার সাথে অন্যকেউ ছিল?
কে "সে"?
সন্তোষ!
আমাকে দেখতে কী পাগল মনে হয়?
তুমি বুঝবে না।
গত ৮ মাসে সে ৬ জনকে খুন করেছে।
৬ জন!
সবাই ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত! যাদের কখনো শাস্তি হয়নি।
ভয় পেও না!
আমি কার্তিক।
ওর সাথে দেখা না করার জন্য তোমাকে দুবার টেক্সট করেছিলাম।
এখন আমি পুলিশ স্টেশনে যাচ্ছি। আমার সাথে থেকো।
তুমি ওর সাথে ছিলে যখন সে রাঙ্গারাজানকে খুন করেছে।
ভালো হয় তুমি আমার সাথে এসো।
'সে'? মানে কী? তুমি রাঙ্গারাজানকে খুন করেছ!
ওটা...
ওটা আমি নই!
তুমি সেখানে ছিল যখন খুনটা হয়।
আমার সাথে এলে, তোমাকে সাসপেক্ট বলে গণ্য করা হবে না।
পুলিশের কাছে যাচ্ছনা কেন?
কার্তিক চলে গেছে। সন্তোষ ফিরে এসেছে।
ওহ!
সন্তোষের মাল্টিপল ডিসঅর্ডার আছে।
'আন্নিয়ান' ফিল্মের মতো?
হুম।
No comments yet. Be the first to leave one.