187 dòng đầu tiên.
রিক তুমি শুধু নিজের উপরে আত্মবিশ্বাস রাখো।
লরি, তুমি জানো...
বলতে চাচ্ছি সেটা অদ্ভুত ছিলো।
শেনের কিংসলি কার চুরি করার ব্যাপারে শুনেছিলে?
হ্যা.
টিচার্স লটে প্রিন্সিপালের গাড়ি পার্কিং করা ছিল স্কুল চলাকালীন সময়ে...
শেন লাঞ্চের সময়ে বের হয়ে,
কিংসলির হুন্ডাইতে দাগ কেটে দেয়
তারপর গাড়িতে স্টার্ট দিয়ে
ডাইলান ড্রাইভ দিয়ে গাড়িটা মুরগীর খামারে নিয়ে যায়।
আগে এটা শুনেছো, তাই না?
সে বড় একটা মুরগির খামারে দিয়ে এসেছিলো সেটা।
কিংসলে, প্রতিমাসে সেটাতে প্রলেপ দিতো
আর প্রতি সপ্তাহে অটোসপে সেটা পরিস্কার করতো।
শেন, বড় একটা খামারে মুরগির বাচ্চার সাথে রেখে আসে।
পিছনের সিটের সব তুলা এবং সব জানালা খুলে দেয়।
আর তারপর দৌড়ে স্কুলে চলে আসে।
তিন মাইল দূরে ছিল সেটা।
ঘন্টা বাজার আগে তার স্যান্ডউইচ খেতে ফিরে আসে।
আর তারপরই ঘন্টা বেজে উঠে।
শেন উঠে দৌড়ে কিংসলের হলওয়েতে যায়
আর জানালার বাইরে থেকে তাকিয়ে বলে,
"প্রিন্সিপাল কিংসলে,
আপনার কুপ(গাড়ির নাম) শেষ।
- কুপ, অনেকটা মুরগির খাচার মতো। - বুঝেছি।
জানি তুমি জানো।
হাজারবার এই গল্প শুনেছো।
আগে যা বলেছিলে, ঠিকই বলেছো।
ডাক্তারের যা লাগবে শেন সেটা নিয়েই ফিরবে।
সে নিয়েই ফিরবে।
হার্সাল তোমাকে খেতে বলেছে।
কার্লস সুস্থ হয়ে যাবে।
প্লিজ, অন্তত আমার জন্য।
তোমাকে শক্ত হতে হবে।
এখন আমার ক্লিপটা দাও।
রাস্তায় মেয়েটাকে খুঁজতে যাচ্ছি।
আমিও আসছি।
আমি হাটতে যাচ্ছি, জংগলে দেখি পাই কিনা।
যদি সে ওখানে থাকে। তাকে দেখার জন্য কিছু দাও।
- এটা কি ঠিক হবে এখন? - ডেল।
ওই জানালাগুলো,
অন্যদিকে কি?
আশেপাশে ২০ ফিটে ধরার মতো কিছু নেই,হয়তো ঝোপ
তারপর খেলার মাঠ।
শুধু পর্যাপ্ত সময় লাগবে।
উপরে উঠতে হবে। গেট খুলে বের হতেই হবে।
- আমি না, তুমি। - হেই হেই হেই।
আরে, দেখো আমাকে।
তোমার মনে হয় এত চিকন জানালা দিয়ে বেরোতে পারবো?
ওরা সবাই ধরে ফেলবে।
প্রথমে কিছু আগুন ছুড়ে মারা যাক।
এখানে থাকো, ওদের নজর হটানোর চেষ্টা করি।
সেই সুযোগে সিড়ি দিয়ে উঠে জানালা দিয়ে বেরোবা।
তুমি কোথায় যাবে?
লকার রুম সিড়ির নিচে।
ধরা পড়ার জন্য ভালোই ফাদ।
ওখানে আমার সাইজের জানালা আছে।
একটা দিয়ে বেরিয়ে যাবো, মাঠে দেখা হবে।
পুরোই পাগল তুমি।
শুধু ছেলেটার জন্য সঠিক কাজটা করছি।
তিনটা গুলি করে চলে যাবা।
তারপর আমি গুলি করবো। তোমাকে কভার দেব।
- আমি নেতৃত্ব দিচ্ছি। - ঠিক আছে।
ঈশ্বর...
তাহলে ঘন্টা বাজাই? মনে হচ্ছে কেউ থাকে এখানে।
এগুলো আগেও করেছি।
শুধু সতর্ক হতে হবে।
গাড়ি থেকে নেমে রাস্তার গেট বন্ধ করেছিলে?
হাই, হ্যাঁ করেছি।
সিটকিনি ও লাগিয়েছি।
তোমাকে আবার দেখে ভালো লাগলো।
আগে একটু কথা হয়েছিলো।
দেখো,আমরা সাহায্য করতে এসেছি।
আর কিছু করতে পারি?
কামড় না, নিজেই খুব খারাপভাবে কেটে ফেলেছি।
এটা দেখতে হবে। বলে দেব তোমরা এসেছো।
আমাদের কাছে ব্যাথার ওষুধ আর এন্টিবায়োটিক আছে।
তাকেও কিছু দিয়েছি। কার্লের লাগলে নিয়ে নাও।
ভিতরে চলো। তোমাদের কিছু খেতে দিচ্ছি।
হেই।
হেই।
আমরা আছি, ওকে?
ধন্যবাদ।
যে-কোন প্রয়োজনে।
এত তাড়াতাড়ি ফিরবে না তারা, নিজেদের কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
কী সেটা?
রেসপিরেটর ছাড়া তোমার ছেলের অপারেশন করতে হবে।
- বলেছিলে কাজ হবে না। - আমি জানি।
এটা প্রায় অসম্ভব। কিন্তু বেশিক্ষণ অপেক্ষা করা যাবে না।
তোমার মনে হয় সোফিয়াকে খুঁজে পাবো?
সবার মতো অবস্থা তোমারও দেখছি।
হয়েছি কী তোমাদের সবার?
- মাত্রই তো খোঁজ শুরু করেছি। -তুমি??
এটা তির্বতের পাহাড়, জর্জিয়া।
হয়তো কোনো খামারবাড়িতে লুকিয়ে আছে।
মানুষ হারিয়ে গেলেও বেঁচে থাকে।
- এমন সবসময়ই ঘটে। - তার বয়স মাত্র ১২।
তার থেকে ছোট বয়সে হারিয়ে গিয়েছিলাম।
নয় দিন জংগলে আঙুর খেয়ে, বিচুরি পাতাতে পাছা ঘষে কাটিয়েছি।
পরে খুঁজে পেয়েছিল?
বুড়োটা কাজের বেটির সাথে লুতুপুতু করছিল।
মেরলে জুভিতে আরেকটা কাজ করছিল।
জানতোও না হারিয়ে গিয়েছি।
যদিও নিজেই ফিরে এসেছিলাম।
সোজা রান্নাঘরে গিয়ে স্যান্ডউইচ বানিয়ে ফেললাম।
অবস্থা ততটা খারাপ ছিল না।
শুধু পাছাটা খুব চুলকাচ্ছিল।
সরি, সরি খুবই ভয়ানক গল্প।
পার্থক্য শুধু সোফিয়া তার খোঁজার জন্য লোক পেয়েছে।
সুবিধাও বলবো এটা আমি।
হয়তো এই পৃথিবী আর শিশুদের জন্য না।
হ্যাঁ, আমাদের সন্তান আছে। কার্ল এই পৃথিবীতে আছে।
হয়তো তার থাকা উচিত না।
হয়তো এভাবেই হওয়ার কথা ছিল।
এভাবে বলতে পারো না।
ওকে, ঠিক আছে।
জানি তোমার মনের মধ্যে অনেক চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছে।
ঘুরপাক খাচ্ছে না, রিক। চিন্তা থামাতে পারছি না।
এমন জীবনের জন্য কার্লকে পৃথিবীতে বাঁচিয়ে রাখতে চাই?
যাতে চোখের সামনে এভাবে মানুষের ছিন্নভিন্ন লাশ দেখতে পারে?
যাতে ক্ষুধার্ত ও ভীত হয়ে ততক্ষণে সে...
তারপর পালাতেই থাকবে....
আর তারপরও শেষপর্যন্ত বেঁচে থাকলে...
বাকি প্রাণির মতো ধ্বংস হবে যারা বেঁচে থাকা ছাড়া কিছু জানে না?
যদি সে...
আজ রাতে মারা যায়, তাহলেই শেষ।
বলো তাহলে অন্য ভালো উপায়ে কেন হলো না?
কী পরিবর্তন হয়েছে?
কী?
জেনার খোঁজা বাদ দিতে বলেছিল।
তুমি চেষ্টা অব্যহত রাখতে বলেছিলে।
অনুরোধ করেছিলে।
যতক্ষণ আমরা পারি, বলেছিলে। কী পরিবর্তন হয়েছে?
সেইদিন কিছু সময়ের জন্য...
ভুলে গিয়েছিলাম জ্যাকি মারা গিয়েছে।
পেছন ঘুরে তাকে কিছু বলতে চেয়েছিলাম।
প্রায় নাম ধরে ডেকেই ফেলেছিলাম। কিছুক্ষণ পর মনে পড়লো।
কিন্তু তারপর মনে পড়লো এইসব দেখার জন্য বেঁচে নেয়।
হাইওয়ে, পশুর পাল
সোফিয়া, কার্ল গুলি খেয়েছে...
তাকে আর...
তাকে আর ভয় পেতে হবে না।
ক্ষুধার্ত, রাগান্বিত।
এটা ঘটা থামেনি, রিক।
মনে হচ্ছে প্রতিদিন গলায় ছুরি পেতে বেঁচে আছি।
কিন্তু জ্যাকি না।
আর থাকবেও না। আর তারপর...
ভাবলাম, জেনি ঠিকই বলেছিলো।
আমি মানি না।
মেনে নিতে পারছি না।
লোকটা হাল ছেড়ে দিয়েছে।
কিছু যায়-আসে না কী বলেছিল। কিছুই না।
তুমি মনে করো কার্লের সাথে হলে ভালো হতো...
আমরা হাল ছেড়ে দেব?
বলো কীভাবে তাহলে ভালো হবে।
প্লিজ।
ভাই, ভেবেছিলাম তোমাকে হারিয়ে ফেলেছি।
এটাই রাইফেলের গুলির শেষ রাউন্ড।
আমারও, আসো, আসো, আসো।
আমরা কোথায়?
ছোট সোনা, উনি হার্সেল।
আমরা তার বাড়িতে আছি।
তোমার সাথে দুর্ঘটনা ঘটেছে।
- ঠিক আছে? - খুব ব্যাথা করছে।
সোনা, আমি জানি, জানি।
- তোমার দেখা উচিত ছিল। - কী?
হরিণটা।
খুবই সুন্দর ছিল, মা।
খুব কাছাকাছি ছিল।
আমি...আমি কখনোই...
কার্ল?
কী হলো?
না, এটা খিচুনি।
চেপে ধরলে, ব্যাথা পেতে পারে।
- থামাতে পারবে না? - শুধু এটা চলতে দাও।
তার মস্তিষ্ক পর্যাপ্ত রক্ত পাচ্ছে না।
প্রেসার কমে আসছে। আবারো রক্ত দিতে হবে।
- আমি রেডি। - তোমার কাছ থেকে আর রক্ত নিলে
তুমি বেহুশ হয়ে যাবে। কোমায়ও যেতে পারো।
- কিংবা হার্ট অ্যাটাক। - সময় নষ্ট করছো।
বাবু, বাবু...
চলো, বেরোনোর পথ খুঁজতে হবে।
- একটু শ্বাস নিতে দাও। - আসো।
ঘুম আসছে না?
তাদের ফেরার জন্য অপেক্ষা করবো।
চাইলে নিচে গিয়ে ঘুমাতে পারো।
না, একসাথে নজর রাখি।
No comments yet. Be the first to leave one.