173 dòng đầu tiên.
হৃদয়ে ক্রমান্বয়ে বাড়ন্ত ক্রোধের গরল
দাবানলের মতো সব ছারখার করে দেয়।
ROUDHRAM
মুভি/সিরিজ সম্পর্কিত আপডেট এবং আপকামিং সকল বাংলা সাবটাইটেল সংক্রান্ত খবরাখবর জানতে যুক্ত হোন আমাদের গ্রুপে :
- অনুবাদ ও সম্পাদনায় - :.:.: F L A M Y T U H I N :.:.:
সকালে কফি খেয়ে আরামসে হাগতে যাস না?
কীভাবে?
কারণ গতকাল গান্ডিপিন্ডি গিলেছিস তাই।
কীভাবে খেয়েছিস?
আমার দেয়া ধারের টাকায় কিনে।
তো যখন পাছা ধুতে যাস কী মনে পড়া উচিত?
অবশ্যই, আপনার চেহারা।
হেই। মজা করছিস আমার সাথে?
কী বলেছিলি? ৪ মাসের মধ্যে টাকা ফেরত দিবি ওয়াদা করেছিলি না?
তোর পেট চলে দোকান দিয়ে। আমার চলে তোর সুদের টাকায়।
টাকা দে এখনি।
৪ মাস যাবত বেচাকেনা একদম খারাপ।
মাসি! তোর সব বাহানা শুনেছি, টাকা দে।
কিস্তিতে দিচ্ছিস? বাকিটা দে।
দে!
আমাদের দিকেও তো একটু নজর দাও।
ভিক্ষে চাচ্ছি নাকি তোর কাছে?
১ কিলো চাল দাও।
- হেই, ওটাও দে! - ছাড়!
কার টাকা দিয়ে দান খয়রাত করছিস?
১ কিলো চাল প্যাক করে দে।
ধন্যবাদ ডার্লিং, তোমাদের কারণে আজ বাড়তি কিছু সুদ পেলাম।
- আমায় মন থেকে আশির্বাদ কর। - তোমার প্রাচুর্য আরও বৃদ্ধি পাক।
ধন্যবাদ।
হেই, ১ সপ্তাহের মধ্যে যেন সব টাকা হাতে পাই।
ওদের কাছ থেকে টাকা নিস না, আমার নামে লিখে রাখ।
সাইরেন অফ কর।
জি, স্যার।
মিনিস্টারের অফিস থেকে ফোন এসেছিল।
কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ আছে কিনা এখনো নিশ্চিত নই।
মনে হয় স্থানীয় কোনো ঝামেলা।
আমি তদন্তকার্য শেষ করব এবং…
জি, স্যার।
আজ রাতেই আপনার টেবিলে রিপোর্ট পৌছে যাবে।
আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। সিটি স্ক্যান লাগবে কিনা চেক করে দেখছি।
স্ক্যানের ব্যাপারে আপনাকে পরে জানাবো।
ভিক্টিমকে কয়েকটা প্রশ্ন করতে হবে।
ডক্টর, ৪২ নং বেডের রোগীর অবস্থা সিরিয়াস।
- এখন কথা বলতে পারব না। - উনার সাথে আমায় কথা বলতে হবে।
ভিক্টিম কোমায় চলে গেছে, ম্যাডাম।
তুমি এখানে থাকো। হুশ ফিরলে আমায় কল দিয়ো।
হয়তো সে কথা বলবে, নয়তো আমাকে কথা বলাতে হবে।
শোনো, আরুল।
ওই লোকটাকে কেন আঘাত করেছ?
এইবয়সে কেন এমন কাজ করতে বাধ্য হলে তুমি?
কেউ তোমাকে টাকা দিয়েছে মারার জন্য?
কাজটা করতে কী তোমায় প্ররোচিত করলো?
কুত্তারবাচ্চা!
যাকে মেরেছিস সে এখন হসপিটালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। স্বীকার কর!
মরতে দিন ওকে!
তারপর আমি বলবো।
- মুখ খুলেছে ছেলেটা? - এখনো খোলেনি।
সেন্ধিল নাথান জিজ্ঞাসাবাদ করছে। কোন বালের জিজ্ঞাসাবাদ করছে?
- ব্যাপারটা আমাকেই সামলাতে হবে। - ম্যাডাম।
উনার উপর ছেড়ে দিন। আপনি এখন ভিতরে যাবেন না।
শুনুন ম্যাডাম...এদিকে আসুন।
কয়েদীর গায়ে হাত তোলার অপরাধে ইতোমধ্যে একবার সাসপেন্ড হয়েছেন। শুনুন।
আজ রাতেই আমাকে রিপোর্ট সাবমিট করতে হবে।
মাথাব্যথা করছে বাল!
বলুন যতদ্রুত সম্ভব ছেলেটার মুখ খোলাতে দিদি
আরুল…
আমি তোমার ভালোর জন্যেই বলছি।
মুখের তালা খোলো আর উনার প্রশ্নের উত্তর দাও।
নইলে মেরে তোমার পিঠের ছাল তুলে নেবে। -ঠিক বলেছে।
আমিতো পাছায় মেরে লাল করব, তবে উনি তো...
এদিকে আয়।
যা খেয়ে নে। সত্যিটা বের করে নেব বলে ওকে উত্যক্ত করছিস?
জানিস না ছেলেটার সামনে কী বলতে হবে?
বিরিয়ানি কত?
চিকেন ৬০ টাকা, মাটন ৮০ টাকা, ডিম ৪০ টাকা।
- পার্সেল? - প্যাকিংয়ের জন্য বাড়তি ৫ টাকা।
একটা প্যাক করে দিব?
- কিন্তু আমার কাছে টাকা নেই। কী? ইকবাল তাড়া ওকে!
বেচাকেনার সময় বালছাল বকতে এসেছিস!
মা, খিদে লেগেছে। কী রান্না করেছ?
- রাসাম রাইস। - সাথে কী আছে?
মাটন কারি, লিভার, ফিশ ফ্রাই,
চিকেন গ্রেভি, মাটন ড্রাই রোস্ট…
শুকনো মাছ।
প্রতিদিন ওই একই খাবার।
কাল থেকে গাঞ্জা বেঁচব, কমসেকম তখন ভালোমন্দ খেতে পারব।
ভাবিস না জেল থেকে বের করব। জেলেই পঁচতে থাকবি তুই।
- তোমার মুখাগ্নি করবে কে তাইলে? - আমি করে দিব।
সারাদিন বাড়িবাড়ি ঝিয়ের কাজ করতে করতে আমি ক্লান্ত।
আর তুই চাস আমি মরে যাই? তাইলে টাকাটা দাও বিরিয়ানি খেয়ে আসি।
তোর মনে হয় যাদের টয়লেট সাফ করি সেখানে খাজানা লুকোনো থাকে, না?
চুপচাপ যা দিলাম খেয়ে নে।
কতবার বলবো খাবার সময় টয়লেটের কথা বোলো না!
যাও, ভিতরে যাও! চুপ কর। আমার মনযোগে ব্যাঘাত হচ্ছে।
গাধা! আমার সাথে ইংলিশে কথা বলে ভাব নিচ্ছিস?
-আউচ! ভাই আমাকে মারছে, মা! - আরুল, ছাড় ওকে!
অনেকক্ষণ সহ্য করেছি।
হেই, আরুল… হাত সরা, গুণ্ডা কোথাকার!
- আমাকে গুণ্ডা বললি তুই? - ডাকিনী কোথাকার!
- ছাড় ওকে। - আমাকে গুণ্ডা বলেছে।
বোনের গায়ে হাত তুলছিস! যেমন বাপ তেমন তার ছেলে!
বাবার মতো মেয়েদের গায়ে হাত তুলছিস! ওকে দেখেই তো শিখেছিস এসব!
কতবার তোমাকে বলবো ওই লোকটার নাম নিবেনা।
চাইনা তোমার বালের খাবার।
ভালো খাবারটাকে নষ্ট করে যাচ্ছিস কোথায়?
কুত্তারবাচ্চা! জুতিয়ে লাল করে দেব।
হেই, বাড়িতে ফিরে আসবি না! কোথাও গিয়ে মর!
আরুল, বলটা পাস দে।
হেই, বলটা দে।
কেউ এখন আরুলকে আটকাতে পারবে না। গোলকিপারের চোখ বড় হয়ে গেছে।
আরুল এখন শট নিতে চলেছে।
গোল!
রোল্ড, তোর টিমে আমায় নে। তোদের জন্য আমি টুর্নামেন্ট জিতে আসবো।
ধইঞ্চা, আগে জুতো তো কিনে নে। তারপর টুর্নামেন্টে খেলতে পারবি।
সবসময় আমাদের খেলায় ঢুকে ঝামেলা বাধায়।
কেন এমন করিস?
- তুই একটা আপদ! - আয়।
সমস্যাটা তোর নয় মানে কী? স্বামীর দেনা তার স্ত্রীকে মেটাতেই হবে।
যদি সে পালিয়ে বা মরে যায় তাতে আমার কী?
২ দিনের মধ্যে আমার টাকা চাই, নইলে সব জিনিসপত্র বাইরে ফেলে দেব।
৩ মাস পেরিয়ে গেছে!
তোমার স্বামী সবখান থেকে টাকা ধার করে আমাদের ছেড়ে চলে গেছে।
আমাকে চপ্পল পেটা করতে চাও?
বহুত আগে চপ্পল দিয়ে ওই লোকটাকে মারা উচিত ছিল!
ধুর! কারেন্ট চলে গেছে।
এক্সামের জন্য আমায় প্রচুর পড়াশোনা করতে হবে। চুপ কর!
সারাদিন খালি পড়া পড়া আর পড়া!
আন্টি, আপনাদের বাড়িতে কারেন্ট আছে?
হ্যাঁ। এখানে এসে চেক করে যাবি?
শুধু আমাদের বাড়িতেই কারেন্ট নেই।
এস্থার, তুমি তো জানোই যেভাবেই হোক আমি ভাড়া মিটিয়ে দেব?
লাইনটা লাগাও, বাচ্চাদের পরীক্ষা একদম সন্নিকটে।
এস্থার, কত কষ্টে আছি তাতো জানো। আমার স্বামী পালিয়ে গেছে---
"আমার স্বামী একটা মেয়ের সাথে পালিয়ে গেছে"
"ওর সকল কর্য আমার ঘাড়ে বর্তায়"
"বাচ্চাদের পড়াশোনার জন্য আমার টাকার দরকার।"
"যা কামাই তাতে কোনোমতে একবেলা খেতেই কষ্ট হয়"
"বন্ধক রাখার মতো কিছু নেই আমার" ব্যস এটাই বলতে তো?
যাও, আমি বলে দিলাম।
টাকা দিলে লাইন লাগিয়ে দিব।
হেই, চিত্রামা।
আজ বোধহয় শুকনো মাছ রান্না করেছিস, এক প্লেট পাঠিয়ে দে।
যদি তখন খেয়ে নিতি, তাহলে অন্তত কপালে মাছ জুটত।
হেই, পাকনা বুড়ি। এটাতো ব্যস ক্ষণস্থায়ী গ্রহের দশা।
শীঘ্রই আমি চাকরি পেয়ে যাব।
তারপর তোমাকে আর টয়লেট সাফ করতে হবে না, মা।
খেতে বসে তুই টয়লেটের কথা বলতে পারিস, অথচ মা পারবে না?
মা, যখন কামাই শুরু করব, তুমি আর আমি একদম রাজাদের মতন ভোজন খাবো।
কিন্তু তুই শুধু শুকনো মাছ পাবি।
- চুপ কর। - দূর হ!
বলেছিলাম না রাতে চুল আচড়াবি না?
মা, এস্থারকে শুকনো মাছ দিয়েছ, বদলে তোমাকে কী দিল?
কী আর দিতে পারে আমাদের? ব্যস মদ।
আমি ব্র্যান্ডি খাই না।
শুধু বিয়ার।
মা, আরুল এইমাত্র বললো সে বিয়ার খায়।
বল বিয়ার খেলে তোমার মেজাজ বিগড়াবে না।
- বিয়ার খেলে মেজাজ বিগড়ায় না। - ব্যস খালি পেচ্ছাপ করতে মন চায়।
ব্যস খালি পেচ্ছাপ আসবে... হেই, ষণ্ডা!
বল ওকে সেটাও যেন গিলে। মা!
মা, তোমার সাথে মজা করছিলাম।
জানিস মা তোর চেয়ে আমাকে বেশি পছন্দ করে?
আমাকে কেন নয়?
তুই তো বিয়ে করে পরের বাড়ি বিদেয় হবি।
তোর মনে হয় আমি কখনও বিয়ে করব? কেন করবি না?
বিয়েতে আমাদের অনেক খরচাপাতি করতে হবে।
যদি ঠিকমতো পড়াশোনা করে একটা ভালো
চাকরি পাই তবেই হাজারটা বিয়ের প্রস্তাব পাবার সম্ভাবনা আছে।
স্বামী হিসেবে সর্বোত্তম ব্যক্তিটাকেই সিলেক্ট করব।
ওরে বুড়ি। তুই তো দেখছি সব বুঝিস।
এখানেই আটকা পড়ে যাব ভেবে ভয় লাগে।
কোনো জানোয়ারের হাতে পড়ে মা'র মতো সারাজীবন
ভাড়াটে হয়ে লোকের ঘরে ঝি'র কাজ করতে হবে ভেবে ভয় হয়।
No comments yet. Be the first to leave one.