İlk 200 satır.
খুলছিস না কেন!
এত দেরি কেন করছিস, ভাই?
কী হলো...
হ্যাঁ, স্যার।
এত দেরি কেন করলি খুলতে?
স্যার, চোখ লেগে গিয়েছিল।
আরে, স্যারকে কাগজ দেখাওনি?
এটা কী?
আরে স্যার, জানি না কোন হারামজাদা যেন পানির এই জার কার্পেটের উপর রেখে চলে গেছে।
পরে গেছে, যতগুলা লাল রঙ এর ছিল সব রঙ চলে গেছে।
যাও।
এক সেকেন্ড দেরিতে খুললে মেরে দিতাম শালারে।
এবার দেবে আমাকে কম্পিউটার?
কখন থেকে অপেক্ষা করছি।
কিছু কাজ করে নিই।
নিয়ে নাও।
আমি ঋণী তোমার কাছে।
গুড্ডা।
আজব রকমের গুদগুদি হচ্ছে তোমার, না?
মির্জাপুরের পাছা আলাদা করে দেবো।
গুড্ডা।
হুম?
সব মাদারচোদ এর বারোটা বাজাবো।
বন্দুক দেখিয়ে কারোর ভয় বাড়াবো না,
ভয় দেখিয়ে বন্দুক ছাড়াবো।
হয়ে গেছে ভাইয়া, যাই?
-কতক্ষণ লাগবে? -কেমন আছো, সুইটি?
তোমার জন্যে এনেছি।
কী এখানে?
খুলে দেখে নাও।
দেরী করলাম না তো?
না, আমিও কেবলই আসলাম।
রাজন মিশ্রা?
হুম।
আমি বাবলু পন্ডিত, ও গুড্ডু পন্ডিত।
উসমান ভাই ফোন করে থাকবে আপনাকে।
হুম।
মাসখানেক ধরে মুকেরি বাজারের দাম অনেক কম।
কেন?
আরে, কী বলব!
গুন্ডাদের বন্দুক এসে কপালে জুটছে।
ফেটে যায় না হয় জ্যাম হয়ে যায়।
কাস্টমার নিয়ে যায় আর একটার পর ফেরত দিয়ে যাচ্ছে।
যখন মাল ফেরত দিবে তখন টাকাও তো ফেরত দিতে হবে, না?
কী করার!
বউ আমার।
দুই বছর আগে বিয়ে হয়েছে।
নিন না!
আসলে,
পানির সাথে দেয়ার মতো কিছু নাই ঘরে,
তাই সে চিনি দিয়ে দিয়েছে।
পরিবারে কে কে আছে?
মা আর বাবা...
না, তোমার না। তোমার স্ত্রীর।
জানপুরের মেয়ে, না?
তোমার একটা শালাও আছে, না?
হুম?
হা।
হা।
তোমার কল রেকর্ড বের করিয়েছি।
এটাই মনে হয় তোমার শালা যার সাথে সারাক্ষণ কথা হয় তোমার।
হ্যাঁ, তাতে কী হয়েছে?
আর প্রতি সপ্তাহে তোমার শালা একটা ট্রাংক নিয়ে আসে আবার একটা নিয়ে যায়।
ওসব ট্রাংকে কী?
আরে ওখানে ঘরের জিনিসপত্র থাকে। আর কী থাকবে!
এগুলা তো জ্যাম না।
জোনপুর থেকে তোমার শালা নষ্ট বন্দুক আনে,
আর তুমি ওর কাছে আমাদের ভালো বন্দুক বিক্রি করে দাও।
লাভ তোমার,
লোকসান হয় কালীন ভাইয়ার।
আর তুমি সিদ্ধান্ত নাও যে,
এই,,
আরে, গুড্ডু ভাইয়া, এটা কী করলে তুমি?
প্রচুর বকবক করছিল তখন,
কালীন ভাইয়া এজন্যেই বন্দুক দিয়েছে।
গুড্ডু ভাইয়া, ওদেরকে ছেড়ে দাও।
যাও, বাইরে যাও। বাইক চালু করো।
দয়া করো, আমার বাচ্চা।
ছেড়ে দিয়েছো তো ওদের?
হ্যাঁ, ছেড়ে দিয়েছি। এটা এনেছি।
এটা কী?
মায়ের দুধ।
এটা দিয়ে চেষ্টা করব,
পরে আবার যাব আনতে, এটাই তো ডিল করলাম।
আরে গুপ্তা!
এটা কুরিয়ার করে দিও।
ঠিক আছে।
আর রশিদ এনে দিয়ে দিও।
রশিদ দিয়ে দেবো।
আর পন্ডিত জি, এটা মির্জাপুর,
আপনি যত চান চিঠি পাঠিয়ে দেন,
কিন্তু এখানে কিছুই পাল্টাবে না।
পূজা শেষ হয়েছে, প্রসাধ খান।
আপনিও নিন।
দীর্ঘায়ু কামনা করি!
মঙ্গল হোক!
বেঁচে থাকো।
মঙ্গল হোক।
তো, কী কী ভাবলে?
একটু পদ্ধতি পাল্টাতে হবে কালীন ভাইয়া, বন্দুক ব্যবসায়ীদের সাথে ব্যবসা করতে,
আর পদ্ধতিটাকে একটু উন্নতও করতে হবে।
তাহলেই ব্যবসার উন্নতি হবে।
আর কী কী করতে হবে?
ভাইয়া জি, অস্ত্রের কাজের জন্যে মহিলা আর বাচ্চাদের রেখে নিন।
কেন?
ওরা ধুমপান করবে না।
মহিলারা সময়মতো কাজও শেষ করবে,
কারণ বাসায় গিয়ে বাচ্চাকাচ্চা আর রান্নাঘর সামলাতে হয় ওদের।
আর ঘড়ি লাগিয়ে দেন কোথাও।
শিফটের সময়ও বলা যাবে।
নমস্কার, ভাইয়া।
-আচ্ছালামু আলাইকুম। -ওয়ালাইকুম আচ্ছালাম।
এটা মকবুলের ভাস্তে, বাবর...
ওকে সাথে রাখো আর কাজ কাম শেখাও।
জি।
ও একটা অপদার্থ,
নিজের পড়াশোনাও শেষ করেনি।
মকবুল, পরিবার...পরিবারই হয়...
সেটা যেমনই হোক। ওদের পাশে দাঁড়াতে হয়।
একটা কথা কান খুলে শুনে নাও, বাবর মিয়া।
জি,
যদি কাজ হাতে নাও, তাহলে বিশ্বস্ততার সাথে করবে।
আমাদের ব্যবসায় এর থেকে বেশি কিছু নেই।
ব্যবসায়ীদের জন্যে তোমাদের উপদেশ কী?
ভাইয়া জি, আমরা চাই যে, সব ব্যবসায়ীদের দাওয়াতে ডাকেন।
সবাই আরতির জন্যে দাঁড়িয়ে যান।
বলুন, "সত্য নারায়ণ ভগবান"।
মকবুল।
খাবার প্রস্তুত?
খাবার প্রস্তুত।
মকবুল ভাই,
কালীন ভাইয়া আমাদেরকে আলাদা বসিয়েছেন কেন?
বাছাই করা হয়েছে তোমাদেরকে, সংবাদ দিতে চান তোমাদেরকে।
দিন।
দেবো...
খাবার তো খেয়ে নাও।
কিছু জরুরী কথা,
আমরা কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছি, নতুন পদ্ধতি চালু করতে।
আজকের পর, কোনো ব্যবসায়ী ক্রেডিট দিয়ে বন্দুক নিবে না।
শুধু ক্যাশ দিয়ে।
কিন্তু ভাইয়া জি, এদিকে আপনি ক্যাশে মাল দিবেন,
আর ওদিকে পুলিশ প্রতি সপ্তাহ আমাদের থেকে টাকা উঠায়,
আজকের পর পুলিশের লোক আপনাদের থেকে টাকা উঠাবে না।
ভাইয়া জি!
আরে গুপ্তাজি! আপনি খাবার খান।
খাবারের পর পান খাবেন না...
তখন কথা বলব।
ভাইয়া জি, নষ্ট বন্দুকের কী করব?
জি উসমান ভাই, সেটারও কিছু না কিছু করে নেবো আমরা।
কালীন ভাইয়া খাবার খুব ভালো বানিয়েছে।
শেষ খাবার তো ভালোই হওয়া চাই।
জানা আছে না?
জোনপুরের সাথে কোনো সম্পর্ক মঞ্জুর হবে না।
গুপ্তা জি, মার্কেটের ব্যবসায়ীদের থেকে আপনি আর টাকা উঠাবেন না।
ব্যবসায়ীদের থেকে কেউ টাকা উঠালে মার্কেটে কালীন ভাইয়ার বদনাম হয়।
আর জীবিত থাকলেও।
কিন্তু, কালীন...
আরে, না, না, আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন। ওরা সামলে নেবে।
দেখুন গুপ্তাজি, আমাদের কাছে পুরো হিসাব থাকবে। যত বন্দুক বাজারে বিক্রি হবে, ততগুলার মুনাফা আপনারাও পাবেন।
এখন, নতুন সম্পর্ক নতুন সমীকরণের সাথে শুরুর জন্যে পান খাওয়াও ওদের।
বাবলু।
সিং।
তো, যাই ভাইয়া জি?
পুরো দমে আগাবো আমরা!
[তুমি এটা ভাবতে পারো, তুমি এটা অর্জন করতে পারো।]
নিশানা লাগাও।
নাও।!
আরে নে!
ভাইয়া জি,
বন্দুক ব্লাস্ট হতে পারে।
আপনি গুণ বিভাগের প্রধান, উপাধ্যায় জি।
কাজ ভালো করলে ব্লাস্ট হবে না।
ওই দেড় হাজারেরটা নাও।
দাঁড়াও, দাঁড়াও...
ডানহাতি না?
বামহাতে নিশানা লাগাচ্ছো কেন?
এক কাজ করো,
ডান হাতে আরও একটা নিয়ে নাও।
একসাথে দুই হাতেরই পরীক্ষা হয়ে যাবে, সময়ও কম নষ্ট হবে।
নেন, নেন।
চলুন, লাগান নিশানা।
ভাইয়া,
লাগাও!
বন্দুকের পার্টস খাঁটি জিনিস দিয়ে বানায় না? তো, ফাটার কথা তো না।
এটা কেন ফেটে যায়, বলেন?
হুম?
দেখুন, খুঁজুন, কোথাও না কোথাও সমস্যা পাওয়া যাবেই।
আর যতক্ষণ পাওয়া না যাবে, ততক্ষণ আমরা এভাবেই গুণাগুণ যাচাই করব।
ঠিক আছে?
যাই।
মাদারচোদেরা, তোরা যাস নাই এখনো?
যা এখান থেকে! যা! যা ভেতরে!
আপনাকে আর পার্টস বিক্রি করতে পারব না।
আরে, হাত থাকলে তো খাব।
খানকির পোলারা, আমাকে দিয়ে বন্দুক যাচাই করাচ্ছিলো।
ধন্যবাদ।
পন্ডিত জি, কত চিঠি লিখবেন আপনি?
সন্ত্রাসী বেড়ে গেছে অনেক, এমনে তো শহরটাই শেষ হয়ে যাবে।
আপনিই ভালো জানেন সেটা।
আমি তো শুনলাম পন্ডিত জি, আপনার দুই ছেলেই সন্ত্রাসবাদ ছড়াচ্ছে।
No comments yet. Be the first to leave one.