İlk 200 satır.
আমার নাম অলিভার কুইন। পাঁচ বছর,
আমি এক দ্বীপে আটকে পড়েছিলাম শুধু এক লক্ষ্য নিয়ে...
বেঁচে থাকা।
অলিভার কুইন বেঁচে আছে।
এখন আমি আমার বাবার শেষ ইচ্ছে পূরণ করার জন্য...
উনার রেখে যাওয়া নামের লিস্ট ব্যবহার করে...
তাদের দমন করবো যারা আমার শহরকে বিষাক্ত করে তুলেছে।
এজন্য আমাকে,
অন্য মানুষে রূপান্তরিত হতে হবে...
আমাকে হতে হবে...অন্যকিছু।
আগে যা দেখেছেন...
কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে তার যেন কোনো ক্ষতি না হয়?
সে তোমার জড়িত থাকা নিয়ে কোনো কিছু জানতে পারবে না।
আমি কথা দিচ্ছি।
তুমি জানো ডিগস, যখন আমি লিস্টে থাকা কারো মুখোমুখি হই,
আমি তাদের বলি তারা শহরে ব্যর্থ করেছে।
কিন্তু আজ রাতে...
আজ রাতে আমি ব্যর্থ হয়েছি।
ওই হোস নিয়ে উত্তর দিকে আসো
নাইলে পুরো ব্লকে ছড়িয়ে পড়লে আমরাই দায়ী থাকব!
ড্যানি! হ্যাঁ, কেইথ?
এই জায়গা ধোঁয়ায় ভরে গেছে, দোস্ত।
উপরের লেভেল মাত্র পরিষ্কার করেছি।
এই যে তুমি,
আমাকে সাহায্য করবে। এক হটস্পট খুঁজে পেয়েছি।
হেই! কি--ওহ!
ওহহ! কি--
কেমন চলছে?
রিহ্যাব ভালোভাবে এগোচ্ছে?
ওয়াল্টারের কোনো সন্ধান পাওয়া গেছে?
ব্যুরোতে আমার কন্ট্যাক আটকে গেছে।
একই কথা ইন্টারপোলে থাকা লোকের ক্ষেত্রেও।
তারা দুজনই একই কথা বলছে।
হয় আমার সৎ বাবা চাচ্ছেন না উনাকে কেউ খুঁজে পাক
কিংবা কেউ একজন চায় না উনার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়।
ছয় সপ্তাহ হয়ে গেছে, অলিভার।
কিডন্যাপারের কোনো যোগাযোগ করেনি,
কোনো মুক্তিপণ দাবী করা হয়নি, বেঁচে থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
আমাকে বলতে হয়--
ডিগ...
আমরা দুজনই জানি উনি খুব সংকটের মধ্যে আছেন।
তাহলে তুমি কি করতে চাও?
আমি জানি না।
এমনকি ব্রাটভাতে আমার কন্ট্যাকও কোনো সূত্র বের করতে পারেনি।
আমি ওয়াল্টারের কথা বলছি না।
শক্তি ফিরে এসেছে মনে হচ্ছে।
এবং শেষবার চেক করে, দেখছি এই বইয়ে অনেক নাম বাকি আছে
যেগুলোতে এখনো ক্রস দেয়া হয়নি।
তারা কোথাও চলে যাচ্ছে না।
ওয়াল্টার হারিয়ে যাবার পর, পরিবারের পাশে আমার থাকা দরকার।
তোমার লোকদের বলো প্লেন নিয়ে আসতে।
আমার লোকেরা অল্প সময়ের মধ্যে এসে পড়বে।
তোমার কি মনে হয় না আমাকে
সহজে ধরতে পেরে সুবিধাজনক অবস্থানে আছ?
যাও!
কি? পালাও!
এবং, জাজ হিঙ্কল তাদের আরেকবার মুলতুবির আদেশ দিতে প্রস্তুত ছিলেন।
তাই আমি বললাম, একদম, না।
ট্রায়াল শুরু হবে এখুনি।
- বাঘিনীর মত কাজ। - ধন্যবাদ।
বাবা।
আজ কি কারণে আসলে?
আমি জোয়ের সাথে কথা বলতে চাই।
- সব ঠিক আছে, মি. ল্যান্স? - না।
- কি হয়েছে? - না।
তার ভাই ড্যানি।
গতকাল রাতে কর্তব্যরত অবস্থায় মারা গিয়েছে।
- জো, আমি অনেক দুঃখিত। - না।
না, না!
- আমি অনেক দুঃখিত। - না!
জো, শান্ত হও! না!
শসস।
মা?
হেই।
হেই।
আমি বিগ বেলী বার্গারের গিয়েছিলাম
মনে করেছিলাম হয়তো আপনি, আমি ও থিয়া, একসাথে বসে খাব,
ডিভিডি দেখব।
ধন্যবাদ, সুইটহার্ট। খিদে নেই আমার।
যদি মন পরিবর্তন করেন...
আমি এই মুভি আগে দেখেছি।
একটু ছাড় দে আমাকে।
আমি অনেক দিন ধরে ছিলাম না
এবং আমি এই সিনেমাটিক জিনিয়াস
নাম হচ্ছে জ্যাক
গ্যালাফিনাক...?
আমি মায়ের কথা বলছি।
যখন তুই ও বাবা হারিয়ে গিয়েছিলি,
উনি রুমের মধ্যে আরো বেশি সময় কাটাতে শুরু করলেন।
একসময় সেখান থেকে বের হওয়া বন্ধ করে দেন।
তাহলে কীভাবে উনাকে বের করা হলো সেখান থেকে?
ওয়াল্টার।
এক সকালে, উনি হাজির হলেন।
এবং, তুই তো জানিস, যখন তিনি পুরো ব্রিটিশ ও অদম্য হয়ে যান।
ময়েরা, রেডি হও।
আমরা বাইরে দুপুরের খাবার খাব।
আর, সেটা কাজে দিলো।
হুমম।
তুই জানিস, আমি মনে মনে ভাবি।
হয়তো ওয়াল্টারকে অপহরণ করা হয়নি।
হয়তো উনি কোনো বিশাল ঝামেলায় পড়েছেন
এবং কোনো স্টুয়ার্ডেসের সাথে বোরা বোরায় আছেন,
এবং তিনি এতটাই লজ্জিত যে ফোন দিয়ে
জানাতে পারছেন না যে উনি ঠিক আছেন।
উনার কোনো সন্ধান পাচ্ছি না
তাই বলে এই না যে উনি...
উনি চলে গেছেন, ঠিক?
ঠিক।
আমার কাছে যা মনে হয়েছে এই ভিজিলান্টি
ভিন্ন কিছু করার চেষ্টা করছে
গত চারমাস সে সক্রিয় থাকার কারণে,
হামলা পরিমাণ কমে গেছে, ছিনতাইয়ের পরিমাণ কমে গেছে,
খুনের হার ১৬ শতাংশ নেমে গেছে।
তাহলে আরেক কথায় বলা যায় যে,
এই ম্যান ইন হুড
এই শহরের এক ইতিবাচক শক্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তাহলে গত ছয় সপ্তাহ যাবত সে কোথায় আছে?
দেখে মনে হচ্ছে সবাই উধাও হয়ে যাচ্ছে।
হেই।
কি এটা?
এটা... এটা কিছু না?
"একটা ড্রয়ার দাবী করার কারণসমূহ"...
ঠিক আছে, আমরা এটা নিয়ে
এক কম ট্র্যাজেডি-ভরা দিনে আলোচনায় বসবো।
হ্যাঁ, তাছাড়া,
আমার মনে হয়না আমরা এত দূর এগিয়েছি।
মনেহয় আমার দেখা উচিত।
ঠিক আছে।
তোমার সাহায্য দরকার।
জো, ভিতরে আসো।
আমার, উম...
আমার মনে হয় না ড্যানির বেলায় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেছে।
আমার ধারণা তাকে খুন করা হয়েছে।
জো, তোমার কি মনে আছে যখন সারাহ মারা গিয়েছিল?
আমি এক ব্যাখ্যা খুঁজে বের করার জন্যে অনেক ঘাটাঘাটি করেছি।
কেন বোটটা ডুবে গেল।
আমি বিশ্বাস করতে চেয়েছিলাম যে এটা কোনো দুর্ঘটনা ছিল না।
আমি সেই কাজ করছি না, লরেল।
আমি এক ক্রোনোর অফিসে
এক ক্লার্কের কেস সামলেছিলাম।
সে ঘটনার রিপোর্টের এক কপি আমার কাছে পাঠিয়েছে।
সেখানে বলা আছে ড্যানির টার্ন-আউট কোট টার্পেন্টাইনে ভেজা ছিল।
কিন্তু আমি পরে চেক করেছিলাম, এবং প্লান্টের মালিক
বলেছে যে ফ্যাক্টরিতে সেটার কোনো অস্তিত্বই ছিল না।
টার্ন-আউট প্রায় ৫০০ ডিগ্রীর মত তাপমাত্রা
সহ্য করার ক্ষমতা থাকে।
কিন্তু ক্রোনোর বলেছে যে আগুনের তাপমাত্রা
২৫০ উপরে যায়নি।
কীভাবে আমার ভাই
আগুনের চেয়েও বেশি তাপমাত্রায় পুড়ে মারা গেল?
লরেল, এক ফায়ার-ম্যান আগুনের সাথে যুদ্ধ করে মারা গেছে।
আমি এখানে কোনো ক্রাইম দেখতে পারছি না।
আমি কিছু অনুসন্ধান চালিয়েছি।
গত সপ্তাহে, আরেক ফায়ার-ফাইটার, লিও বার্নেস,কিল্ড ইন অ্যাকশনে মারা গিয়েছে।
একই ঘটনা। টার্পেন্টাইনের চিহ্ন,
এবং পুড়ে যাবার তাপমাত্রা আসল আগুনের চেয়ে অনেক বেশি ছিল।
তোমার কি মনে হয় না যে ফায়ার মার্শালের সাথে কথা বলা উচিত তোমার?
উনাকে এই অনুসন্ধানে আরো আগ্রহী করার জন্যে?
দেখ, ফায়ার ডিপার্টমেন্টে নিজস্ব তদন্ত ইউনিট আছে।
পুলিশদের কাছে তাদের জবাবদিহি করতে হয় না।
দুঃখিত অনেক বেশি সময় নেয়ায় ডিটেকটিভ।
সিএসইউ আসলে অনেক পিছিয়ে আছে।
তাহলে, কিছু পেয়েছ নাকি?
এখানে যা ছাপ আছে তা সব আপনার,
ভিতরের টেকনোলজি সব মিলিটারি গ্রেডের।
এমনি আমি নির্মাতার নামও ট্রেস করতে পারিনি।
ফরেনসিক-মতে, এটা ডেড এন্ড।
আরেকটা কেস?
ভিজিলান্টি।
ফোনের মালিক সে।
কোথা থেকে পেলে তুমি?
আমি...সে কি জবাব দিয়েছে?
কেলটন যেটা বলেছে, এটা ডেড এন্ড।
শোনো, কিডো, জো ও তার পরিবারে জন্য আমারও খারপ লাগছে।
সত্যি বলছি, কিন্তু, উম
আমার সামর্থ্যের মধ্যে যতটুকু ছিল আমি সেটুকুই করেছি।
আমাকে যেতে হবে। আই লাভ ইউ।
হেই, চলো।
হ্যালো?
তোমার সাহায্য দরকার।
আমি বিশ্বাস করতে পারছি না যে তুমি এসেছ।
বেশ কয়েকদিন ধরে তোমার দেখা নেই।
কোথায় ছিলে তুমি?
তুমি বলেছিলে গুরুত্বপূর্ণ কথা বলবে।
আমার বেস্ট ফ্রেন্ডের ভাই।
সে দুই দিন আগে আগুনের সাথে লড়াই করে মারা গেছে।
পুলিশ ও ফায়ার ডিপার্টমেন্ট
বলেছে যে সে কর্তব্যরত অবস্থায় মারা গেছে।
কিন্তু আমার বন্ধু, সে মনেকরে তাকে খুন করা হয়েছে।
তাহলে এক খুনিকে বলছ আরেক খুনির সন্ধান করতে।
আমি শুনেছি তোমার বাবাকে এই কথা বলেছ তুমি;
যে আমি এক খুনি।
আমার কোনো বিবেক নেই।
তোমার আছে?
এই ফাইল একবার দেখো।
যদি ড্যানি দে লা ভেগা খুন হয়,
তাহলে আমাদের খুনিকে আইনের হাতে তুলে দিতে হবে।
আমি যাচাই করে দেখব।
তোমার কোমরটা ঘুরাতে হবে, ডিগল।
সেখান থেকেই মূল শক্তি আসে।
No comments yet. Be the first to leave one.