İlk 200 satır.
দাদা, এগিয়ে চলুন।
পরবর্তী স্টপেজ মানানথাভাডি।
এটা কি?
পরবর্তী স্টপেজ মানানথাভাডি।
- সে এই বাসে নেই। - নেই?
কিন্তু আমি তাকে উঠতে দেখেছি।
তোমাকে বলেছিলাম তো, তাকে চোখের আড়াল হতে দেবে না?
স্যার, আজ ভালিয়ুরকাভু মন্দিরের উৎসব।
এখান থেকে কাউকে ধরা খড়ের গাদায় সূঁচ খোঁজার মতো।
সূঁচ, তাই নাকি!
যারা মানানথাভাডি নামবেন, তারা নেমে যান।
স্যার, সে জঙ্গলের দিকে গেছে।
অনেক দূর চলে গেছে নাকি?
না। মাত্র পাঁচ মিনিট আগেই গেছে।
যাই হোক, তাড়াতাড়ি করো।
- তাকে পালাতে দিও না। - ঠিক আছে, স্যার।
চলো, চলো।
- যাওয়া যাক। - জীপ চালু করো।
আগেই বলেছিলাম, সে থিরুনেল্লির দিকে যাবে।
কিন্তু সেটা তো ঘন জঙ্গল, তাই না?
সেখানে সে বাঁচবে কী করে?
ওহো, তোমার ইতিহাস জানা নেই। তাই তো?
তার মত লোকেরা...
আত্মগোপন করতে...
সোজা থিরুনেল্লি জঙ্গলে যায়।
"১১ই নভেম্বর, ২০০৩, সন্ধ্যা ছয়টা"
থামো!
এই, গাড়ি থামাও।
এই, থামো।
থামো! থামো!
এই! হ্যালো!
থামতে বললাম তো?
এই! এই!
গাড়ি থামাও। এই!
থামো! এটাই সেই গাড়ি।
বলার সাথে সাথে গাড়ি থামাতে পারো নি?
গাড়ি থামাও! বন্ধ করতে বলছি।
তোমরা ভেতরে খোঁজো।
- কোথা থেকে আসছো? - স্যার, অরুণাচল থেকে।
- তোমার সঙ্গে যে লোকটা ছিল, সে কোথায়? - জানি না, স্যার।
- বোকা বানাতে চাইছো? - এখানে কেউ নেই।
- সে এখানে আছে, জেনেই এসেছি। - স্যার।
ধুত্তোর!
এই, ওখানেই থামো!
থামো!
এই! থামো!
আমাদের বোকা বানাতে চাইছিস, হারামী?
এই!
এই!
"১১ই নভেম্বর,২০০২ রাত ১১:১১"
মুভি : NARIVETTA ভাষা : মালয়ালম রানটাইম : ০২:১৯:১৫
"দুই বছর আগে"
এটা আমার চারাগাছ। চলে যা।
এটা আমাদের সামনের উঠোন।
তাই, এটা আমাদের চারাগাছ।
তোর গাছ লাগাতে ইচ্ছে হলে, গিয়ে নিজের উঠোনে লাগা। যা।
যেহেতু তুই এখানে লাগিয়েছিস, এটা এখন আমাদেরই হলো।
চলে যা।
হুহ! আমার বাচ্ছাকে কে মারলো?
উঠে পড়, সোনা।
আমার বাচ্চার কিছু হলে,
তোদের দুজনকেই পেটাবো। মনে রাখিস।
এই! আমার বাচ্চাদের উপর চেঁচাচ্ছো কেন?
কেটে পড়ো!
মেয়েটাই আগে ঝগড়া শুরু করেছিল। আমাদের বাচ্চারা নয়।
- ওখানে কে ঝগড়া করছে? - তোর বাপ।
- এই! - হুহ?
কি হয়েছে?
তোমরা সবসময় ঝগড়া করো কেন?
এই মেয়েটাই ঝামেলাবাজ!
বাসন মেজে, ও আমার উঠোনে জল ফেলেছে।
এটা জানো কী?
গতকাল সে আমার পালংশাক গাছে থুথু দিয়েছে।
থামো তোমরা।
এসব তুচ্ছ জিনিস নিয়ে লড়াই করছো?
আবার যদি তোমরা ঝগড়া করো, আমি আদিবাসী মোড়লকে ডেকে আনবো।
এভাবে ঝগড়া করতে থাকলে,
কাজকর্ম কীভাবে চলবে?
নিজেদের বাড়িতে যাও!
ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী।
এটা নিয়ে যা!
ওই জারটা নিয়ে ভেতরে যাও!
বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক।
আমাদের জমি আন্দোলন জিন্দাবাদ!
এই, তুই!
এদিকে ওদিকে ঘুরছিস কেন?
হাতে কী রয়েছে?
সুপারি?
চুরি করেছিস, আবার এখন আমাকে মাপছিস?
চোর!
এটার দাম কত হবে, থমাস?
প্রায় ছয় টাকা, স্যার।
সব মিটে গেল তো?
কি বলছেন, স্যার?
ছয় টাকাই হোক বা ছয় লাখ, চুরি তো চুরিই।
আপনি চাইলে আমি কেস দায়ের করতে পারি।
কিন্তু মামলার বিবরণ লিখতে প্রায় ৬০ পাতার মতো লাগবে।
তা ছাড়া কপি করে আদালতে জমা দিতে হবে।
সব মিলিয়ে একশো টাকা খরচা হবে। সেটা দেবেন তো?
স্যার...
গত সপ্তাহে আমাদের উঠোন থেকে ল্যাটেক্স চুরি গেছে।
আস্ত এক বস্তা রাবার শীটও, গত মাসে চুরি গেছে।
প্রতিটি বাড়ি থেকে জিনিস চুরি যাচ্ছে, স্যার।
বাড়ি থেকে কিছু চুরি গেলে, বলা যেতে পারে,
আমরা যথেষ্ট সতর্ক ছিলাম না।
কিন্তু সে যদি রোজ খামার থেকে জিনিস চুরি করে?
আমাদের পক্ষে কি সত্যিই দিনরাত জেগে খামার পাহারা দেওয়া সম্ভব?
তাহলে একটা কাজ করা যাক।
এটাকে সাধারণ চুরির মামলা হিসেবে লিপিবদ্ধ করছি।
আর শুনুন,
আপনারা সবাই সাক্ষী হবেন।
স্যার, আমাদের কি আদালতে হাজিরা দিতে হবে?
অবশ্যই। আর যদি না দেন, ওয়ারেন্ট জারি করা হবে।
ধুর! এই পাতি ছয় টাকার মামলার খরচায় সর্বস্বান্ত হতে হবে!
কেউ তোমাকে মারধর করেছে?
অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন কেন করছেন, স্যার?
আমরাই তো অভিযোগ করেছি।
অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন নয়, তার মেডিকেল টেস্ট করাতে হবে।
তদন্তের সময় যদি কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়,
আপনাদের তাকে মারার দায় আমরা নেবো না।
এটা দায়ের করা হলে, আপনাদের বিরুদ্ধে মারপিটের মামলাও দায়ের করবো।
এটা শুধু ছয় টাকার মামলা নয়, এর চেয়েও মারাত্মক।
জীবদ্দশায় আদালতের কার্যক্রম শেষ হবে না।
ছেড়ে দিন, স্যার, কোনো মামলা করতে হবে না।
না। মামলা দায়ের করা যাক।
না, স্যার।
এদের কাছ থেকে একটা অভিযোগ প্রত্যাহার পত্র স্বাক্ষর করিয়ে ছেড়ে দাও।
ঠিক আছে, স্যার।
আপনার নাম ঠিকানা বলুন।
কে.জে.ঔসেফ।
মারোট্টিকাল হাউস।
আম্বালাভাভা।
হ্যালো, স্যার।
তাকে কি জামিনে ছাড়াতে পারবো?
কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি। আপনি তাকে নিয়ে যেতে পারেন।
বাকি তথ্য দিন।
তারা তোমার সাথে কিছু করেছে?
আমরা কিছু করলে, সে কি এখনও দাঁড়িয়ে থাকতে পারতো?
আপনি যদি কিছু করতেন, আমরা জানি, কিভাবে জবাব দিতে হয়।
আমাদের ভয় দেখাবেন না, ঠিক আছে?
কেউ কি কখনও কাজের জন্য আমাদের ডাকে?
চাল-ডাল কেনার মতো পয়সাও আমাদের কাছে নেই।
ছেড়ে দাও। জঙ্গল থেকে কিছু সংগ্রহ করে বেচতে পারি কি?
মধু ছাড়া অন্য কিছু নিলেই, আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।
ঠিক বলছি তো?
আমাদের ঠিক কী দরকার?
আমাদের যেটা সত্যিই দরকার, সেটা হল জমি।
জমিতেই আমাদের বাড়ি গড়তে হবে।
একটা বাড়ি, যা বৃষ্টি থেকে আমাদের রক্ষা করবে।
একটা বাড়ি, যা আমাদের ঝড় থেকে বাঁচাবে।
একটা বাড়ি, যা হাতি আর বুনো শুয়োরের আক্রমণ ঠেকাতে পারবে।
তার জন্যই আমাদের আন্দোলন সংগঠিত করতে হবে।
আমাদের বাড়ির সামনে নয়,
বরং তিরুবনন্তপুরমে,
সরকারি অফিসের সামনে।
এই! উঠে পড়ো!
কি?
পালানো যথেষ্ট হয়েছে কি?
স্যার...
বেশি পিটিও না, ঠিক আছে? তাকে তোলো।
স্থির হয়ে বসো।
শীঘ্রই স্যার এখানে আসবেন।
তার সব প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেবে।
বুঝেছো?
রায় স্যার... এটা দেখুন!
বিনয়... বিনয়!
আমরা প্রতি মাসে তিরুভনন্তপুরমে ধর্মঘট করতে যাই কেন?
র্যাঙ্ক তালিকা বর্ধিত করার জন্য।
খুবই অল্প সম্ভাবনা!
কিছুই হবে না!
এভাবে কথা বলছো কেন, ভার্গিস?
সেখানে গিয়ে আমরা আদৌ কি করি?
আমরা একটা ব্যানার লাগাই যাতে লেখা থাকে,
'চাকরিপ্রার্থীদের অধিকার রক্ষা করো,
র্যাঙ্ক লিস্টের বৈধতা বজায় রাখো।
আর সারাদিন অনশনে বসে থাকি।
আমাদেরকে কেউ কখনও গুরুত্ব দিয়েছে কি?
আমরা আর কি করতে পারি?
র্যাঙ্ক লিস্ট বৈধ থাকলে তবেই তো চাকরি মিলবে।
- আমাদের আরও প্র্যাকটিক্যাল হতে হবে। - কিভাবে?
আন্দোলন সফল করতে হলে আইন ভাঙতে হবে।
মহাত্মা গান্ধীর লবন সত্যাগ্রহের কথা মনে আছে?
যখন লবন আইন চালু হলো, তিনি তার বিরুদ্ধাচরণ করে নুন তৈরি করলেন।
ইংরেজ সরকার পথভ্রষ্ট হলো,
আর সমগ্র ভারত গান্ধীর পাশে দাঁড়ালো।
তাই, আন্দোলন সফল হয়েছিল।
ভাই, বাস্তবে আইন ভাঙবো কীভাবে?
আত্মহত্যার চেষ্টা করলে...
কেমন হয়?
আমার বৌ আর দুটো বাচ্চা আছে!
প্রকৃত আত্মহত্যা নয়, সাজানো।
গলায় দড়ি বেঁধে সেক্রেটারিয়েটের সামনে আন্দোলনে যাবো।
তারপর?
মিডিয়ায় খবর আসবে...
'চাকরিপ্রার্থীদের অভিনব আন্দোলন'
নয়তো...
গায়ে কেরোসিন ঢালতে পারি।
আমাদের গায়ে যদি একটা ছোট্ট জ্বলন্ত বিড়িও পড়ে, শহীদ হয়ে যাবো!
একটা ফ্রি শহীদি নিতে এত কষ্ট?
এটা নৌকার শেষ ট্রিপ।
No comments yet. Be the first to leave one.