İlk 200 satır.
ভা
ভাষা
ভাষান্ত
ভাষান্তর -
ভাষান্তর - রা
ভাষান্তর - রাশে
ভাষান্তর - রাশেদু
ভাষান্তর - রাশেদুজ্জা
ভাষান্তর - রাশেদুজ্জামা
ভাষান্তর - রাশেদুজ্জামান
ভাষান্তর - রাশেদুজ্জামান রা
ভাষান্তর - রাশেদুজ্জামান রাশে
ভাষান্তর - রাশেদুজ্জামান রাশেদ
১৩ মিটার দুরে তুমি এটা দেখতে পাবে ।
ঠিক আছে, এটাকে উপরে উঠাও আর জাহাজের সামনের দিকে নিয়ে চলো
মির-২, আমরা জাহাজের সামনের দিকে যাচ্ছি । আমাদের সাথে থাকুন ।
ঠিক আছে, শান্ত থাক । আমরা ঘুরে দেখছি ।
এটাকে অন্ধকার দেখাচ্ছে যেন ভূতুড়ে জাহাজের মত...
...এখন পর্যন্ত আমার কাছে সবসময় এটাই মনে হচ্ছে ।
এখানে সেই বিখ্যাত জাহাজটির করুণ ধ্বংসবশেষ দেখ...
...সে এখানে ডুবে গিয়েছিল সকাল ২.৩০ মিনিটে
১৫ এপ্রিল, ১৯১২...
...তার ডুবে যাওয়ার দীর্ঘদিন পর...
...পৃথিবীর বুকে ।
তুমি সত্যিই খুব হতাশ বস ।
ডাইভ-৬ আমাদের আবার টাইটানিকের উপরে যেতে হবে ।
২.৫০ মাইল নীচে - ৩,৮২১ মিটার
বাইরে প্রতি ইঞ্চিতে ৩% টন চাপ দিচ্ছে
এই জানালাগুলো ৯ ইঞ্চি মোটা ।
তারা যদি যেতে পারে, এই ক্যামেরা প্রতি দুই মাইক্রোসেকেন্ডে ছবি নিতে পারবে ।
সবঠিক আছে, বাজে কথা বলা যথেষ্ট হয়েছে ।
এটাকে শুধু অফিসার কোয়াটারের ছাদের উপরে নামাও যেভাবে কাল নামিয়েছিলে ।
মির-২, আমরা প্রধান সিঁড়ির উপরে নেমেছি । তোমরা ভেতরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত ?
ঠিক আছে বোরাক, তোমরা এখন ভেতরে যাও । এগিয়ে যাও চার্লি ।
সবঠিক আছে, অনুসন্ধানকারী যন্ত্র বাইরে নিয়ে এসো । অনুসন্ধানকারী যন্ত্র বাইরে নিয়ে এসো ।
ঠিক আছে বোরাক, আমরা জাহাজের কাঠামো বরাবর এটাকে নিচে নামিয়ে দিচ্ছে ।
হ্যাঁ, রজার এটা ঠিক আছে, নীচে নামো আর প্রধান দরজার কাছে যাও
আমি চাই তোমারা ডি-ডেকের উপরে কাজ করো...
...অভ্যর্থনা কক্ষ আর ডাইনিং রুমে দেখ ।
কপি করো ।
অনুসন্ধানকারী যন্ত্র বাইরে নিয়ে এসো, ঠিক আছে । এখন বাঁ-দিকে, বাঁ-দিকে, বাঁ-দিকে । বাঁ-দিকে নিয়ে চলো
অনুসন্ধানকারী যন্ত্র যাচ্ছে, আমরা সিঁড়ির সামনে ।
ঠিক আছে লুয়িস, বি-ডেকের ভেতরে যাও
এ-ডেক ঠিক আছে, আমাকে আরও একটু যেতে দিন, ক্যাপ্টেন ।
বি-ডেক । এখানে । এখানে ।
দরজাটির ফ্রেম দেখ ।
এটা দেখ, এটা দেখ । আমি এটা দেখতে পাচ্ছি, আমি এটা পেয়েছি ।
আমরা ঠিক আছি ? এটাকে নীচে নামাও । আমরা ঠিক আছি, শুধু ঠাণ্ডায় কাঁপুনি লাগছে, বস ।
ঠিক আছে, পাশে যাও
ক্যাবল বিছিন্ন, ক্যাপ্টেন । পাশে যাও । দেওয়ালটি দেখ ।
হ্যাঁ বোরাক, আমরা পিয়ানোর কাছে । তুমি কপি করছ ?
ঠিক আছে, এটা কপি করছি ।
ঠিক আছে, এখানে, এখানে ।
ঠিক আছে, এটা, এটা । এটা বেডরুমের দরজা ।
আমি এটা দেখতে পাচ্ছি ।আমি এটা দেখতে পাচ্ছি ।
আমরা ভেতরে !
আমরা ভেতরে, বেবি । আমরা সেখানে ।
এটা হকি খেলার বিছানা ।
এখানে কুত্তাগুলো ঘুমাত ।
ওপস...কেউ সম্ভবত পানির লাইনটা খুলে রেখেছিল ।
এটা থামাও । এটা এক সেকেন্ডের জন্য থামাও । ডান দিকে যাও ।
এটা ওয়ারড্রপ দরজা, কাছে যাও ।
তুমি কিছুর গন্ধ পাচ্ছ, বস ?
আমি দেখতে চাই এর নীচে কি আছে । আমার হাত বের করো,
সবঠিক আছে ।
এটা সহজভাবে নাও । এটা হাতে নাও । ঠিক আছে ।
যাও, যাও, যাও । এটা উল্টে ফেলো । এটা উল্টে ফেলো । যাও ।
উল্টে ফেলো । উল্টাতে থাকো ।
যাও, যাও, ৯ ডিগ্রী অ্যাঙ্গেলে ।
ঠিক আছে, এটা ফেলে দাও ।
ওহ, বেবি, বেবি । তুমি এটা দেখতে পাচ্ছ, বস ?
এটা কিছু পাবার দিন, ছেলে ।
চা-চিং !
আমরা এটা করেছি, ববি । আমরা এটা ফিরিয়ে নিয়ে এসেছি, বেবি ।
ওহ, হ্যাঁ । কে আসল কাজ করেছে ? কে আসল কাজ করেছে, বেবি ?
এটা বলো, এটা বলো, এটা বলো ।
তুমি, লুয়িস ।
ববি, আমার সিগারেট । এখানে ।
ঠিক আছে, এটা ভেঙে বের করো ।
সিট ।
কোন ডাইমণ্ড নেই ।
তুমি জান বস, সেই একই জিনিস ঘটল যেটা গারলিডোর ক্ষেত্রেও ঘটেছিল, এটা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়নি ।
ক্যামেরা বন্ধ করো ।
বোরাক, পার্টনাররা জানতে চাচ্ছেন কাজের কি অবস্থা চলছে ।
হেই, ডেভ, ব্যারি, হাই । দেখ, এটা কোন নিরাপদ জায়গাতে ছিল না । কিন্তু হেই, হেই...
...এটা নিয়ে চিন্তা করো না । এখানে এটা থাকার মত আর অনেক জায়গা আছে । হ্যাঁ, ঘোড়ার ডিম ।
মেঝের ভগ্নাবশেষের কাছে, প্রধান রুমে
সি-ডেকেও নিরাপদে থাকতে পারে ।
জেমি হফারের ব্রিফকেস ।
আর ১২ টি জায়গা রয়েছে - দেখ আমার অভিজ্ঞতার উপর তোমার বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে । আমি জানি আমরা কাছের বন্ধু ।
এখন আমাদের শুধু একটু অপসারনের প্রক্রিয়া সম্পরন্ন করতে হবে ।
১ সেকেন্ড দাঁড়াও ।
আমাকে এটা দেখতে দাও । আহ, আমরা সম্ভবত এখানে থেকে কিছু পেতে পারি ।
নেকলেসের ছবিটা কোথায় ?
আমি তোমাকে পরে কল দিচ্ছি ।
আমি সত্যিই বিস্মিত হচ্ছি !
উদ্ধারকারী দল স্প্যানিশ গোল্ড খোঁজার অভিযানে বেশ সফলতা অর্জন করেছে ।
এটা ঠিক আছে । আমি তোমাকে এক মিনিটের মধ্যে খাবার দিচ্ছি ।
এখন তিনি রাশিয়ার জাহাজ ভাড়া করেছেন বিখ্যাত টাইটানিকের ধ্বংসবশেষের কাছে পৌঁছানোর জন্য ।
তিনি জাহাজ গবেষণাগার চেলসিস থেকে উপগ্রহের মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগ দিচ্ছেন...
...নর্থ আটলান্টিক থেকে । হ্যালো, বোরাক
...হ্যালো ট্রেসি, অবশ্যই সবাই টাইটানিকের পরিচিত গল্পগুলো জানে ।
আপনি জানেন, টাইটানিকের আভিজাত্য যেটা অনেক আগেই ধ্বংস হয়ে গেছে ।
কিন্তু আমি টাইটানিকের না বলা গল্পগুলোর জন্য আগ্রহী । গোপনীয় নিদর্শনগুলো টাইটানিকের ভেতরে লকআপের মধ্যে ছিল ।
আর আমরা এটা বের করার জন্য রোবট টেকনোলজি ব্যবহার করছি পরবর্তীতে এর ধ্বংসবশেষের মধ্যে...
...আর এখন পর্যন্ত কারও পক্ষে এটা করা সম্ভব হয়নি ।
আপনার অভিযান বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনার মুখেও...
...জাহাজ ও জাহাজের মালামাল পুনরুদ্ধারের কাজ যেটা এখনো নীতিবিজ্ঞান সম্মত । কিন্তু অনেকই আপনাকে মারাত্মক চোরও বলছেন
ভাল, কিন্তু কেউই এখন পর্যন্ত হাতে আঁকানো এই নিদর্শনটি পুনরুদ্ধার করতে পারেনি...
কি হল তোমার ?
টেলিভিশনের ভলিওমটা বাড়াও, মামনি ।
আমি বিষয়টা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য মিউজিয়াম ট্রেনিং এক্সপার্টদের সেখানে পাঠিয়েছি...
...এই ধ্বংসবাশেষগুলো তালিকাভুক্তি অনুসারে সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হবে ।
আপনারা এই আঁকানো ছবিটির দিকে তাকান, যেটা আমরা আজকে খুঁজে পেয়েছি ।
এক টুকরা কাগজ যেটা ৮৪ বছর পানির নীচে ছিল ।
আর আমাদের উদ্ধারকারী দল এটাকে অক্ষতভাবে সংরক্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে ।
সম্ভবত এটা অলক্ষিত অবস্থায় ওশেনের তলদেশে অনন্তকাল থাকত ।
...যখন আমরা এটা দেখেছিলাম, আমরা অনেক মজা করেছিলাম ।
আমি সত্যিই বিস্মিত হচ্ছি !
বোরাক !
উপগ্রহ থেকে তোমার কাছে কল এসেছে ।
ববি, আমরা যাত্রা শুরু করে দিয়েছি । তুমি দেখতে পাচ্ছ এটা পানিতে যাচ্ছে ?
আমাকে বিশ্বাস করো, বন্ধু । তুমি কলটি নিতে চাও ?
এটা ভাল হবে ।
এখন, তুমি জোরে কথা বলবে । তিনি একজন বৃদ্ধা ।
হয়েছে ।
বোরাক লাভিট । আমি কিভাবে আপনাকে সাহায্য করতে পারি ?
ক্যালভেট, রোস ক্যালভেট ।
মিসেস. ক্যালভেট
আমি শুধু অবাক হয়েছি, যদি আপনারা এটা খুঁজে পান...
“দ্যা হার্ট অফ দ্যা ওশেন” মি. লভেল ।
তোমাকে বলেছিলাম তুমি কলটি নিবে ।
সব ঠিক আছে । দয়া করে আপনি আমার মনোযোগ আকর্ষণ করুন, রোস ।
আপনি আমাদের বলবেন ছবিতে মহিলাটি কে ?
ওহ, হ্যাঁ । ছবির মহিলাটি আমি ।
তিনি বড় ধরনের মিথ্যাবাদী । কিছু মানুষ টাকার লোভে আথবা নিজেকে প্রচারের আশায় এটা করে ।
খোদাই শুধু জানে । রাশিয়ানদের মত, অচেতন অবস্থা ।
তারা আসছে !
টাইটানিকে অবস্থানকালে রোস ডেভ, ফিট বুকাটের মারা গিয়েছিল, যখন তার (বৃদ্ধার) বয়স ১৭ ছিল, ঠিক ?
এটা ঠিক আছে । তিনি যদি বেঁচে থাকেন তাহলে তার বয়স ১০০ এর বেশি হবে ।
সামনের মাসে ১০১ বছর হবে ।
ঠিক আছে, তাহলে তিনি বড় ধরনের মিথ্যাবাদী বুড়ি হবেন ।
দেখ, আমি ইতোমধ্যে মহিলাটির জন্য জায়গা ঠিক দিয়েছি...
...ঠিক আছে ২০ শতকে ফিরে যাও, যখন তিনি একজন অভিনেত্রী ছিলেন ।
একজন অভিনেত্রী । এটা তোমার প্রথম তথ্য, শাইলক ।
তার নাম ছিল রোস ডওসন । তারপর তিনি যাকে বিয়ে করেছিলেন তার নাম ছিল ক্যালভাট ।
তারা সিবার রাপিডের কাছে চলে যায় আর তিনি সেখানে বাচ্চার জন্মও দেন ।
এখন ক্যালভাট মারা গেছেন আর আমি সেখান থেকে শুনেছি সিবার রাপিডও মারা গেছেন ।
আর সবাই, যারা হীরাটা সম্পর্কে জানে এটা হারিয়ে গিয়েছে...
...অথবা জাহাজে আছে, কিন্তু তিনি এটা জানেন ।
তিনি সত্যিই ভ্রমন করে বেড়াচ্ছেন না, তাই না ?
উনাকে নীচে নামাতে সাহায্য করো ।
মিসেস ক্যালভাট, বোরক লোভেল । কালডিসে আপনাকে স্বাগতম ।
ঠিক আছে, উনাকে ভেতরে নিয়ে যাও ।
হাই, মিস ক্যালভাট ।
হাই । কালডিসে তোমাকে স্বাগতম ।
ধন্যবাদ ।
হেই !
আপনার ক্যাবিনের রুম ঠিক আছে ?
ওহ, হ্যাঁ ।
খুবই সুন্দর ।
তুমি আমার নানুজানের পরিচিত হয়েছে, লেজি ?
সে আমার দেখাশুনা করে ।
আমাদের কিছুক্ষণ আগে দেখা হয়েছে ।
মনেকর, নানু ডেকের উপরে ?
ওহ, হ্যাঁ ।
এটা দারুন ছিল ।
এই ছবিগুলো আমার কাছে থাকে, যখন আমি ভ্রমন করি ।
আমি আপনাকে কিছু দেখাতে পারি ?
যেটা আপনি পছন্দ করতেন ?
হ্যাঁ ।
আমি আঁকানো ছবিটি দেখতে চাচ্ছি
রাজা লুয়িস-১৬ একটি মূল্যবান পাথর পরতেন...
...এটাকে “ব্লু ডায়মন্ড” বলা হত...
...যেটা হারিয়ে গিয়েছিল ১৭৯২ সালে...
...ঠিক একই সময়ে বৃদ্ধা লুয়িস ঘাড় পর্যন্ত সব কিছুই হারিয়ে ফেলেছিলেন...
তত্ত্ব বলছে মুকুটের হীরাটি অত্যন্ত মূল্যবান ছিল ।
এটা দেখতে অনেকটা মানুষের হৃদয়ের মতো, এজন্য এটাকে বলা হত...
“দ্যা হার্ট অফ দ্যা ওশেন”
আজকে এটার মূল্য হীরা পাবার আশার চেয়েও বেশি ।
এটা বেশ ভারী ছিল ।
আমি একবারই এটা পরেছিলাম ।
তুমি বলতে চাচ্ছ এটা তুমি, নানু ?
এটা আমি, নানুজান ।
আমি পাত্রে ছিলাম না ।
আমি বীমা কোম্পানির রেকর্ডগুলো থেকে...
...গোপনীয়তা রক্ষা করে বের করেছি হীরাটির মালিক কে ।
আপনি কি বলবেন এটার মালিক কে ছিল, রোস ?
আমার সম্ভবত যার কথা মনে হচ্ছে তিনি হকলি ।
ন্যাথান হকলি, ঠিক আছে ?
পিটসবার্গ শহরের কোটিপতি ।
ডায়মন্ডের নেকলেসটি উনার ছেলে...
...ক্যালডনের হবু স্ত্রীর জন্য কেনা হয়েছিল ।
যেটা আপনি ।
এক সপ্তাহ আগে তিনি যাত্রা করেছিলেন ।
আর এটা নথিভুক্ত করা হয়েছিল ঠিক এটা ডুবে যাওয়ার পর ।
তাই, জাহাজের সাথে হীরাটিও পানিতে তলিয়ে গেছে ।
তুমি তারিখটা দেখতে পাচ্ছ ?
এপ্রিল ১৪, ১৯১২ ।
যেটা তোমার নানু বলতে চাচ্ছেন, সেটা যদি তিনি হতেন, তাহালে…
No comments yet. Be the first to leave one.