İlk 200 satır.
এখানে তুমি।
তোমার খোঁজ করছিলাম।
আমার অন্য জুতোটা দেখেছ?
কী?
কী?
ওভাবে তাকিয়ে আছ কেন?
পটি করো।
স্কটি।
কাম অন, বয়। স্কটি।
পটি করো, স্কটি।
অনুবাদে - মিস্টার ডেন্টিস্ট
আমার দিকে ওভাবে তাকাবে না।
ইয়েস?
এভাবে দিন শুরু করাটা অসাধারণ, ঠিক?
মনে হচ্ছে বমন করে দেবো।
মা বলছিল গতসপ্তাহে না-কি এক ডেটে গিয়েছিলে, তো কেমন ছিল?
মোটামুটি রকমের।
মোটামুটি মানে, সেক্স করেছিলে?
- হ্যারি। - কী?
ওনি শুনতে পাবেন না।
তোমার জীবনে আর কখনো সেক্স করতে চাও না?
চাই তো। কিন্তু আামর মনে হয় না আমি ডেট করার মত টাইপ।
মেয়েরা স্কুলে আমার বই পড়েছে বলেই কেবল আমার সাথে সেক্স করতে চায়।
তো?
তো, ওরা আমার প্রতি আকর্ষিত নয়।
ওদের কল্পনায় আঁকা আমার প্রতি আকর্ষিত।
সেজন্য তোমার জিম চালিয়ে যাওয়া উচিত। তাতে করে, মেয়েরা আসল তুমিকে চাইবে।
এর কাজটা আসলে কী?
মানুষকে ইশ্বরে পরিণত করে।
চালিয়ে যাও।
গতরাতে আমি একটা আজিব স্বপ্ন দেখেছি।
একটা মেয়ে ছিল আর..
দেখতে কেমন?
সাধারণ অন্য মেয়ের মতো। যাকে কল্পনায় এঁকেছিলাম।
তো, কী হয়েছিল?
আমার সাথে কথা বলেছে।
হতাশাজনক।
আসলে, অনুভূতি অসাধারণ ছিল।
আসলেই? স্বপ্নতেও সেক্স করতে পারো না? বিষয়টা..
বেদনাদায়ক।
নতুন বইয়ের কী অবস্থা?
জানি না। ভালো একটা আইডিয়া মাথায় আসে, যেমন আমার বাবাকে নিয়ে লিখছি না কেন?
আর তারপর, ফটাশ, ভাবতে শুরু করি সেটা বাজে আইডিয়া।
কে পড়তে চায়, "উনি আমাকে নিয়ে হতাশ ছিলেন..
...ব্লা, ব্লা, ব্লা"?
তাছাড়া, আমি স্কটিকে নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছি।
ইয়াহ, ওর মুখ দিয়ে লালা ঝরে। জিনিসপত্র চিবাতে পছন্দ করে।
মেয়েদের মতো প্রস্রাব করে, তখন নিজেকে ব্যর্থ মনে হয়।
আর ওকে বারবার বাহিরে নিতে হয়, তাতে আমার রুটিন নষ্ট হয়ে যায়। হয়তো সেজন্যই লিখছি না।
তোমার মনে হয় সেজন্য তুমি লিখছ না?
- না। - তুমি কেন লিখছ না বলে মনে করো?
এখন ববিকে পেতে পারি?
- তোমার এখন ববিকে লাগবে? - ইয়েস।
কেলভিন,
সর্বশেষ কবে কোনো বন্ধুর সাথে দেখা করেছিলে?
হ্যারি। গতকাল।
না, না। তোমার ভাই বাদে অন্য কেউ।
অন্যদের ববি দিচ্ছিলেন না-কি?
না, ববি কেবল তোমার জন্য।
- কারণ ওর গন্ধটা আজিব লাগছে। - কেলভিন,
যখন স্কটিকে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছিলে, আমার কোন বিষয়ে কথা বলেছিলাম?
তোমার আশা কী ছিল বলেছিলে? মনে আছে তোমার?
যে ও আমাকে অন্য মানুষের সাথে সাক্ষাতে সাহায্য করবে।
আরেকটু জোরে, প্লিজ?
যে ও অমায়িক হবে আর আমরা দু'জনে একসাথে হাঁটতে বের হব।
আর মানুষ ওকে আদর করতে থামবে, আর আমি ওনাদের সাথে কথা বলবো।
কিন্তু অন্যমানুষ ওকে আদর করার চেষ্টা করলেই স্কটি ভয় পেয়ে যায়।
তাতে তোমার লজ্জা লাগে?
- না। - তোমাকে একটা লেখার কাজ দিতে চাই।
- আমি লিখতে পারি না। - ওকে।
এটা কেবল আমার জন্য হবে।
এমন কাউকে নিয়ে একটা পৃষ্ঠা লিখবে,
যে স্কটিকে নোংরা আর ভীত প্রাণি মনে করে
আর সেভাবেই ওকে পছন্দ করে।
করতে পারবে না কাজটা?
লেখা খারাপ হতে পারে?
আমি চাই অনেক বাজে হোক।
কেলভিনের সাথে আমার প্রথম দেখা হয় ওর বয়স ১৯ বছর থাকার সময়।
আর ও ইতোমধ্যে কয়েক সপ্তাহ ধরে
নিউইয়র্ক টাইমসের বেস্ট সেলার লিস্টের টপে ছিল।
আর আমার এটা ভাবার কথা মনে আছে:
'বাচ্চাটা কে?'
আর কীভাবে অতীতে ফিরে গিয়ে ওর মতো হতে পারি।
তখনো থুতনিতে ব্রণ থাকা একজন হাইস্কুল ড্রপআউট
আমাদের উপহার দিয়েছিল ভবিতব্য এক আমেরিকান ক্লাসিক উপন্যাস।
তারপর থেকে, অবশ্যই আমরা ওর ছোটো গল্পগুলো উপভোগ করেছি
গত বছরের 'ব্রেকফাস্ট ফর ডিনার' নামের একটা ছোটো উপন্যাস সহ।
কিন্তু বর্তমানে ১০ বছর পূর্তী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত অমায়িক সংস্করণে উপন্যাসটা
নতুন করে পড়তে গিয়ে আবিষ্কার করি
কেলভিন ওয়ার-ফিল্ড কী দারুণ একজন লেখক।
আর ওর উপস্থিতিতে আমরা ধন্য।
লেডিস এন্ড জেন্টলম্যান, কেলভিন ওয়ার-ফিল্ডস।
- চমকপ্রদ, ম্যান। অসাধারণ। - ধন্যবাদ। ধন্যবাদ।
- মনোমুগ্ধকর। - অনেক অনেক ধন্যবাদ।
- কেলভিন। - হাই।
যে অধ্যয়ে চার্লি পতিতালয়ে যায়, মনে আছে?
ওখানে থাকা পতিতাদের পোশাকের রঙ নীল দেওয়ার কারণ কী ওর মায়ের এপ্রনের রঙ ছিল?
দুঃখিত,
কীভাবে জানতে তোমার পান্ডুলিপি কোথায় পাঠাতে হবে?
খোঁজ করেছিলাম।
অবশ্যই।
আগে অনেক সফল ছিলে বিষয়টা কি আজিব লাগে?
এখানে তুমি।
সাইরাস, এগুলো সম্পর্কে আগে থেকে জানাতে হবে।
তোমার ম্যাসেজ চেক করতে হবে।
জানলে ভালো পোশাক পরে আসতাম।
কী পরে এসেছ তার পরোয়া করে না কেউ। তুমি একজন জিনিয়াস।
শব্দটা আর ব্যবহার করবে না।
মিস্টার প্রয়টা, এখানে।
- সবসময়ই কেলভিনের প্রতিভা ছিল। - এখানে।
কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেটা যথেষ্ট নয়।
- ল্যাংডন, এখানে। - আমি কেবল..
ওকে পথটা চিনিয়ে দিয়েছি আর মশাল ধরিয়ে দিয়েছি।
মেবল।
কী?
আমি মেবল।
- আপনাকে চিনি? - না, না।
আমার নম্বর নিবেন?
- বইটা 'ওয়ান-অফ' এর মতো। - গ্রেট।
- ওটা ছিল একটা ইন্ডি ব্যান্ডের প্রথম অ্যালবাম। - ধন্যবাদ।
বইটার মধ্যে এমন একটা সপ্রতিভ তেজ আছে,
যেটা তোমার..
আর, সেকেন্ড অ্যালবাম সিনড্রোম নামে একটা বিষয় আছে, যেটা..
আমরা ও-নিয়ে কথা বলি না।
এই বইটা সবাই ভালোবাসে, কিন্তু আমরা তোমার বর্তমান কাজ সম্পর্কে জানতে চাই।
বর্তমান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কী নিয়ে কাজ করছ? তুমি..?
'ওরা তোমাকে ভালোবাসবে, তারপর ভুলে যাবে।'
- মানে, আমি যদি কাউকে নিতে চাই.. - মাঝারি সারির লেখক হলে...
..বিষয়টা হজম করা সহজ হয়।
একদম চূড়া থেকে পতিত হওয়া মানুষের ক্ষেত্রে..
- হাই। দুঃখিত। - হাই।
..এটা মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
ইয়াহ, সেলিঞ্জার ঠিক ধরেছিল।
যা পারো লেখো, তারপর, একদম নিখোঁজ হয়ে যাও!
তো আমি ড্রিংক করেছি।
কিন্তু কোকেন নয়। আমি.. কোকেন নয়।
আমি কোকেন নিই না।
স্কটি।
স্কটি?
দুঃখিত, লেট হয়ে গেছে।
স্কটি?
স্কটি, কী এসব?
ওহ।
অনেক কিউট।
কী?
তোমার কুকুর। অনেক কিউট।
ছেলে কুকুর।
মাত্র মেয়েদের মত প্রস্রাব করল।
আমাদের আগে দেখা হয়েছে?
আমার তা মনে হয় না।
ওর ছবি আঁকলে কিছু মনে করবেন?
কিন্তু বেশি কাছে যাবেন না।
মানুষ দেখে হালকা ভয় পায়।
- আপনি চিত্রকর? - ইয়াহ।
- অনেক ভালো আঁকি। - আসলেই?
কুকুরের নামটা কী?
স্কটি?
- আপনি স্কটিশ? - না।
আমি এফ. স্কট ফিটস-জেরাল্ডের নাম অনুসারে নামকরণ করেছি।
- কে? - এফ. স্কট ফিটস-জেরাল্ড।
ঔপন্যাসিক।
'গ্রেট গেটসবি।'
আমি ফিকশন কম পড়ি।
কখনো এফ. স্কট ফিটস-জেরাল্ডের নাম শুনেননি?
কেন? অনেক বিখ্যাত আর গুরুত্বপূর্ণ কেউ?
ইতিহাসের অন্যতম সেরা ঔপন্যাসিক।
সেটা অসম্মানজনক না?
কী?
ওনার নামে কুকুরের নামকরণ করা? খানিকটা অসম্মানজনক।
- না, এটা আবেগের প্রকাশ। - ইয়াহ, নেতিবাচক আবেগ।
ভেবে দেখুন। আপনি একজন ঔপন্যাসিক। আর লোকটাকে কিংবদন্তি মনে করেন।
তো ওনার মান কমানোর জন্য সে-নামে কুকুরের নাম রেখেছেন।
এতে করে, আপনি ওকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন
আর বকাঝকা করে
নিজেকে শ্রেয় ভাববেন, কারণ আপনি টয়লেট ব্যবহার করেন।
আপনার গুরুকে মেরে ফেলুন, আমার সম্পূর্ণ সাপোর্ট আছে।
ঠিক আছে, স্কটি।
দাঁড়ান।
- অনেক সুন্দর। - ইয়াহ।
আপনার কুকুর হয়ত মেয়েদের মতো প্রস্রাব করে, কিন্তু আমি ওকে পছন্দ করি।
কী বললেন?
আমি ওকে এভাবেই পছন্দ করি।
ইয়েস।
ইয়েস। ইয়েস।
আপনি একটা জিনিয়াস।
ভেবেছিলাম শব্দটা আমরা আর ব্যবহার করবো না।
আপনি আসলেই অনেক স্মার্ট একজন মানুষ। 'আমি চাই লেখাটা খারাপ হোক।'
আমি খুশি যে তোমাকে অনুপ্রেরণা দেয়, এমন কিছুর খোঁজ পেয়েছো।
অনুপ্রেরণা দেয়?
আমাকে বিহ্ববল করে ফেলে। খেতে অথবা ঘুমাতে পারি না।
দিনরাত কেবল লিখতে চাই।
মানে, ওর থেকে দূরে আসতে চাই না জন্য আজকে এখানে আসা বাদ দিয়েছিলাম প্রায়।
- ইশ্বর! - কী?
ইশ্বর। কথাটা বলতে পারবো না।
- একদম স্টুপিড কথা। - তোমার স্টুপিড মার্কা কথা ভালো লাগে।
- না, এটা গুরুতর স্টুপিড। - ওকে।
ওকে, তো আমি যাকে নিয়ে লিখছি
ইয়াহ, নাম কী ওর?
কেলভিন।
পরে বদলে ফেলব। তো, আমার সাথে ওর অনেক মিল আছে।
No comments yet. Be the first to leave one.