200 บรรทัดแรก
=== বাংলা অনুবাদক === মোঃ কামরুল হাসান শিমুল
=== বাংলা অনুবাদক === মোঃ কামরুল হাসান শিমুল
=== বাংলা অনুবাদক === মোঃ কামরুল হাসান শিমুল
=== বাংলা অনুবাদক === মোঃ কামরুল হাসান শিমুল
=== বাংলা অনুবাদক === মোঃ কামরুল হাসান শিমুল
একটি তোহো-কুরুসাওয়া চলচ্চিত্র
== চলচ্চিত্র == ইয়োজিম্বো (১৯৬১)
== প্রযোজনা == তোমোয়ুকি তানাকা রাউজো কিকুশিমা
== চিত্রনাট্য == রাউজো কিকুশিমা আকিরা কুরুসাওয়া
== চিত্রগ্রহণ == কাজুও মিয়াগাওয়া
== প্রোডাকশন ডিজাইন == ইয়োশিরো মুরাকি
== সংগীত == মাসারু সাতো
== সহকারী পরিচালক == শিরো মরিতানি == প্রোডাকশন ম্যানেজার == হিরোশি নেজু
== অভিনয় ==
তোশিরো মিফুনে
তাতসুয়া নাকাদাই, ইয়োকো সুকাসা, ইসুজু ইয়ামাদা
দাইসুকে কাতো, সিজাবুরো কাওয়াজু, তাকাশি শিমুরা
হিরোশি তাচিকাওয়া, ইয়োসুকে নাতসুকি
ইজিরো তোনো, কামাতারি ফুজিওয়ারা, ইকিয়ো সাওয়ামুরা
আতসুশি ওয়াতানাবে, সুসুমু ফুজিতা, কিউ সাজানকা
কো নিশিমুরা, তাকেশি কাতো, আকিরা তানি
সুনাগোরো রাশোমন, ইয়োশিও সুচিয়া
== পরিচালনা == আকিরা কুরুসাওয়া
দাঁড়া বলছি!
যেতে দাও, বাবা!
জীবন বদলানোর এটিই বড় সুযোগ!
গর্দভ! মরার সুযোগ!
জীবন নিয়ে জুয়া খেলতে চাস?
কৃষকের স্থান ক্ষেত-খামারে।
লতা-পাতা খেতে আর ভালো লাগে না!
ভালো খাবার আর দামি কাপড় পড়তে চাই।
আরামে বাঁচতে চাই!
বড় ভাই।
একটু পানি দেবেন?
ওকে থামালি না কেনো?
আমি থামাবো কীভাবে?
কমবয়সী সব পোলাপানই লাফাঙ্গা হয়।
শুধু কমবয়সীরাই নয়।
সবাই এখন টাকার গোলাম।
সবাই ছলচাতুরী করে।
জুয়া খেলেই আঙুল ফুলে কলা গাছ হতে চায়।
টাকা মনে হয় গাছে ধরে।
শুনেছো, মদ ব্যবসায়ীরাও নাকি কাপড়ের ব্যবসা শুরু করেছে?
তারমানে তারা পাইকারদের চেয়ে বেশি টাকা দেবে।
হ্যাঁ, কিন্তু...
কী লাভ তাতে...
শহরের এই অবস্থা হলে?
পরবর্তী বস্ত্রমেলা কবে হবে তাও জানি না।
রক্তের গন্ধ পেলে কুকুরও তেড়ে আসে।
ওদের রক্ত দিয়ে যদি কাপড় রাঙাতে পারতাম!
তাহলেই উচিৎ শিক্ষা পেতো!
সামুরাই, দেহরক্ষী হিসেবে কিছু মালকড়ি কামাতে চাও?
দর এখন আকাশচুম্বী।
আমার দালালি এক স্বর্ণমুদ্রা।
কোন পক্ষে যাবে?
মানোম সেইবেই পতিতালয় চালায়। যুবতীর অভাব হবে না।
কিন্তু তাঁর পতন নিশ্চিত।
আমি শিনদেন উশিতোরার পক্ষে।
দেখো।
কোণার সরাইখানাটি। ওটাই তাঁর আস্তানা।
তাঁকে বলবে কনস্টেবল হান্সুক পাঠিয়েছে।
আমিই নিয়ে যেতাম। কিন্তু এখানে আমাকে থাকতে হবে।
ভুলে যেও না। আমার পারিশ্রমিক এক স্বর্ণমুদ্রা।
ছেড়ে দাও।
প্রকাশ্য রাস্তায় কুকুরও স্বাধীনভাবে চলে!
এভাবে ভাড়া হবে না।
বীরত্ব দেখাতে হবে, সাহস দেখাতে হবে।
আরও কঠিন হতে হবে।
একজনের গর্দান কেটে দেখাও, সবাই হুজুর হুজুর করবে।
তখনই নিয়োগ দিয়ে দেবে।
ভাগ এখান থেকে, দালাল কোথাকার!
আসুন।
- মদ খাবেন? - ভাত খাবো।
ব্যবসাপাতি ভালো না, তাই কিছু তৈরি করিনি।
ভাতও ঠাণ্ডা হয়ে গেছে।
দেন।
শুনুন, চাচা...
জানি, টাকা নেই সাথে।
প্রথমে ক’জনের গর্দান ফেলবো।
না!
বহু লড়াই দেখেছি!
খাবার খেয়েই শহর থেকে বিদেয় হও!
ধন্যবাদ।
আবার শুরু হলো!
কফিন প্রস্তুতকারী।
শহরে কেবল সে-ই কামিয়ে নিচ্ছে।
কফিনও বানাতে পারি না।
হাঙ্গামাকারীরা না থাকলেই ভালো হতো।
এক বনে এক বাঘ হলেও মানা যায়...
... দুই বাঘ হলেই ঝামেলা।
কেবল কফিন প্রস্তুতকারীরা কামিয়ে নিচ্ছে।
এবার থাম, হুমুন্দির পো!
হাঙ্গামাকারিরা রক্ত-পিপাসু আর লোভী...
মানবিক অনুভূতি বলতে কিছু নেই।
গ্যাঞ্জাম শুরু হলো তখন, যখন সেইবেই সিদ্ধান্ত নিলো...
... পুরো রাজত্ব ছেলেকে দেবে।
তাঁর ডান-হাত সেটা মানলো না।
উশিতোরা নামের এক বলদ...
আজব নাম!
ছোটবেলায় তাঁর মা “উশি” নামে ডাকতো...
... বড় হয়ে যুক্ত করলো “তোরা”...
পরের বছরেই উৎপাত শুরু হলো।
সেইবেই’কে ত্যাগ করে বিদ্রোহী-বাহিনী গঠন করলো, সেইবেই’র অর্ধেক লোকবল বাগিয়ে নিয়ে।
একমাত্র তলোয়ারই পারে তাঁদের দমাতে।
দু’দলই লড়াকু-যোদ্ধা আর সন্ত্রাসী ভাড়া করে দল ভারী করছে।
জিনিসপত্র না কিনে, গুণ্ডা-মাস্তান ভাড়া করছে।
কফিনওয়ালা, ব্যবসা-পাতি কেমন?
আমি যাওয়ার পরে কয়টি কফিন বিক্রয় করেছো?
আপনাদের জন্য দুটি।
কী?
ওই পক্ষের জন্য চারটি।
খারাপ না।
উশিতোরার ভাই, ইনোকিচি। বন্য শূকরের মতো।
আধা-পাগল গোছের, রেগে গেলে হায়েনা হয়ে যায়।
আরও তিনজন নিয়ে ফিরে এসেছে।
কী লজ্জা! এই হচ্ছে আমাদের কনস্টেবল।
নিরীহ মানুষদের গ্রেফতার করে, অথচ এদের ছুঁয়েও দেখে না।
অবশ্য সে একা নয়।
তাকিয়ে দেখো।
ছদ্মরূপ নিয়ে থাকে, কিন্তু মালিক তাজাইমন নিষ্কর্মা।
আমাদের ভীরু নগরপাল, কাপড় ব্যবসায়ে জড়িত।
জীবন বাঁচাতে সেইবেইয়ের পক্ষ নিয়েছে...
কিন্তু উশিতোরা বিদ্রোহ করায়...
মদ ব্যবসায়ী তকুইমন উশিতোরার পক্ষ নিয়েছে।
তকুইমন নিজেকে নগরপাল হিসেবে দাবি করে...
... বস্ত্রের ব্যবসায় শুরু করায়, তাজাইমনের পতন হয়েছে।
সারাদিন প্রার্থনা ঘণ্টা বাজায়, সেইবেইয়ের বিজয়ের জন্য।
শুনেছো?
শালার পুতেরা!
শহরটি শেষ।
এখন দেখেছো?
এর মধ্যে নিজেকে জড়িয়ে কোনো ফায়দা নেই।
খেয়ে বিদেয় হও।
অনেক ভাত খেয়েছি, এবার মদ দেন।
জায়গাটি পছন্দ হয়েছে, এখানেই থাকবো।
কী বলো?
এখনো বুঝোনি?
হ্যাঁ, বুঝেছি।
বুঝেছি বলেই থাকবো।
শুনুন, চাচা...
হত্যার বিনিময়ে টাকা পাবো।
শহরের বেশিরভাগ বাসিন্দারই মৃত্যু প্রাপ্য।
ভেবে দেখুন...
সেইবেই, উশিতোরা, জুয়াড়ি, মাস্তান...
... ওরা খতম হলে, শহরটি নবজীবন পাবে।
পাগল হয়েছো! কার ঘাড়ে নয়টি মাথা!
আমি একা করবো না।
কীভাবে?
মদ দিন, মদ খেলে বুদ্ধি বাড়ে!
শহরের সবাই পাগল!
তুমি তো বড় পাগল!
সেইবেই’র সাথে কথা বলতে চাই।
কে তুই?
দলে ঢুকতে চাই...
... দেহরক্ষী হিসেবে।
এখনই দেখবে আমার কদর কতো।
সামুরাই সাজতে এসেছিস?
কী চাস তুই?
- তোমাদের চেহারাগুলো হাবাগোবা। - কী?
ভাব নিতে পারো অথচ একটি মাছিও মারতে পারো না।
বোকা পেয়েছিস, উল্কি দেখেছিস?
শুধুশুধু তো আর জেল খাটিনি!
আমি পলাতক আসামী, ধরতে পারলে শুলে চড়াবে।
এই দেখ...
আমাকে পেলে গর্দান ফেলে দেবে।
বাহাদুরি নয়, এমন কোনো অপরাধ নেই আমি করিনি।
তোকে মেরে ফেললে কিছু মনে করবি না তো?
- কী? - লোমও ছিঁড়তে পারবি না!
কাঁদবি না তো?
আমরা তোর বাপ, তরবারির ভয় দেখাইছ না।
বোকাদের কোনো নিস্তার নেই।
কী?
কফিনওয়ালা, দুটো কফিন।
না, তিনটিই লাগবে।
বেশ, দফারফা হয়ে যাক...
তাঁদের মারলে কতো দিবেন?
তিন স্বর্ণমুদ্রা?
উশিতোরার কাছে যাচ্ছি, নিশ্চয়ই সে আরও বেশি দেবে।
তাহলে ৪!
৫!
৬!
শেষে একটি শূন্য যোগ করুন।
১০! ১০ টি দেবো!
২০!
২৫!
৩০!
বেশ!
৫০!
এই তো!
২৫ অগ্রিম দেবেন, থাকা-খাওয়া সহ।
আপনাকে সবাই স্বাগত জানাবে।
প্রথমে একটু খেয়ে নিন।
কথা আছে।
বেকুব মেয়েছেলে, ভদ্রতা জানে না।
অচেনা লোককে ২৫ স্বর্ণমুদ্রা অগ্রিম দিচ্ছো...
যদি সে রাতে পালিয়ে যায়?
আরে বাদ দাও, পালানোর সুযোগ নেই।
আজই আক্রমণ করবো।
তিনজন খুন হওয়ার পর উশিতোরার লোকেরা এমনিতেই আতঙ্কিত হয়ে আছে।
সে থাকলে আমাদের জয় নিশ্চিত।
No comments yet. Be the first to leave one.