Survive

Survive (Survivre)

ดาวน์โหลดคำบรรยายBengali

ข้อมูลรุ่น

Survive 2024 BluRay Bangla Subtitle [01 29 39]
ความคิดเห็นโดย Luca

แท็ก

bluray
เผยแพร่เมื่อ: 2025-04-22
ดาวน์โหลด: 95
ผู้พิการทางการได้ยิน: No

ตัวอย่างคำบรรยาย Bengali

200 บรรทัดแรก

পৃথিবী সৃষ্টির পর থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচবার অনেক বিলুপ্তি ঘটেছে।

ছয় নম্বরটা এখন শুরু হয়েছে।

ক্যারিবিয়ান সাগর, পুয়ের্তো রিকোর পাশে।

অনুবাদক: ‎ ফাহাদ আহমদ , এস.এম. ফাতিন। ‎‎ • • • সম্পাদনায়: মোহাম্মদ সায়েম • • •

আবার খাচ্ছো এসব?

ছাড়ো তো। দাও ওটা।

হালকা ফল খাও।

খাবো না।

রিল আনলক করলে, তোমাকে অবশ্যই

এক আঙুল দিয়ে লাইনটা ধরে রাখতে হবে এভাবে, ঠিক আছে?

এবার খুলতে পারো এটা।

এখন তুমি ছোঁড়ার জন্য প্রস্তুত, আর ছোঁড়ার সময়ে,

তোমাকে লাইনটা ছেড়ে দিতে হবে, ঠিক আছে?

এবার চেষ্টা করো।

-ঠিক আছে। -ঠিক আছে?

-উমম-- -মনে আছে?

মনে হচ্ছে, স্যার।

খুব ভালো।

তুমি রিলটা খুলেছো, এখন ছোঁড়ার জন্য প্রস্তুত।

দারুণ! দারুণ!

ইয়াঙ্কি পানিতে পড়ে গেছে।

-এটা টানছে বাবা। -সত্যি?

হ্যা, সিওর। ঠিক আছে, তাকে একটু ঢিল দাও।

টম!

বাঁচাও!

টম!

বাঁচাও!

টম!

বাবা।

-বাবা! -জুলিয়া!

বাবা, কোথায় তুমি? আমার সাহায্য লাগবে।

বাঁচাও।

জুলিয়া!

ধ্যাৎ!

ক্যাসি! এই! ক্যাসি!

ক্যাসি! ভেতরে এসো! তোমাকে দরকার!

-কী? -মায়ের সাহায্য লাগবে! ভেতরে এসো!

কী হয়েছে?

কোনোকিছু শক্ত করে ধরো।

দাড়াও,,

আমি যেতে পারি, বাবা। তুমি শুধু নৌকাটা থামাও,

আমি যেতে পারি। আমার স্যুইমসুট আছে। আমি লাফ দিতে পারি

-আর আমি-- -তুমি এখানেই থাকবে!

-বাবা! বাবা! -এখানে থাকো আর এটা ধরে রাখো।

-আমি গিয়ে সাহায্য করতে পারি! -তুমি এখানেই থাকবে আর ওটা ধরে রাখবে!

ধরেছি তোমাকে।

ভয় পেয়ো না, ধরেছি তোমাকে।

বাবা! পেছনে যাও!

আমরা পেছনে যাচ্ছি আর তোমাকে সাহায্য করছি!

বাবা!

-ঠিক আছে। -এখানে আসো!

তুমি প্রায় পৌঁছে গেছো! মা!

-মা, আমি ধরেছি। -তুমি ঠিক আছো।

জানি না কী হয়েছিল।

স্রোতে আটকে গিয়েছিলাম।

কিছুই করতে পারছিলাম না, আমি--

আ- আমি তো ভেবেছিলাম বাঁচবো না।

এখন, সবাই শোনো।

আগেও বলেছি, আবারও বলছি।

সাঁতার কাটতে গেলে, আগে বাকিদের জানাবে।

ঠিক আছে?

বেন?

-হ্যাঁ। -আর কখনো নৌকা থেকে দূরে গিয়ে সাঁতার দেবে না।

বুঝেছো? ক্যাসি?

তুমি সত্যিই ভাবো আমি গিয়ে....

মাঝ সাগরে সাঁতার কাটবো?

এটা সিরিয়াস, আমি মজা করছি না।

আমরা জানিও না যে নিচে কী আছে।

হুমম?

যথাআজ্ঞা, ক্যাপ্টেন।

কী?

আমি ভাবছিলাম...

আমি কত ভাগ্যবান এমন একটা সুন্দর বউ পেয়ে।

আমি প্রায় ডুবে যাওয়ার কারণে এরকম বলছো নাকি?

বাচ্চাদের একটু লক করে দেই নাকি?

পাগলামি কোরো না।

এই যে, সোনা।

-শুভ জন্মদিন, বাছা। -বাবা, প্লিজ! থামো তো!

আমার এখন ১৩ বছর, আমি আর বাচ্চা না।

তুমি সবসময়ই আমার কাছে বাচ্চা থাকবে।

আরে চলো, মোমবাতিগুলো নিভাও।

-তুমি কিছু চেয়েছিলে? -অবশ্যই চেয়েছি।

-সাবাস! -সাবাস!

সাবাস!

এই নাও

ঠিক যেমনটা চেয়েছিলাম!

আর এটা শুধু গেম খেলার জন্য না, বুঝেছো?

-এটা দারুণ, তাই না? -হ্যাঁ, জোস।

-আর এটা দেখো। -ও মাই গড।

-তুমিও? -হ্যাঁ।

আসলে এটা দেখতে

তোমার মুখের মতোই, কিন্তু যাহোক।

দেখাও, দেখাও।

-ওহ মাই গড। -মম

আর একটা।

আশা করি তোমার ভালো লাগবে।

এটা ডমিনিকান।

আমার এটা খুব পছন্দের!

-দেখলে? -হুম।

অশুভ শক্তি দূর করার তাবিজ।

মানে, তুমি কি নিশ্চিত?

কারণ ক্যাসি এখনো এখানেই আছে।

-উহহ -এটা বন্ধ করো! আচ্ছা।

আলতু ফালতু কথা বাদ দিয়ে চলো, একটা ছবি তুলি।

-ঠিক আছে, জায়গা নাও। -দাঁড়াও, দাঁড়াও, এক সেকেন্ড।

-তোমরাও আসো! -অবশ্যই। হ্যাঁ, আসো।

ওইদিকে যাও।

-টাইমার আছে? -হ্যাঁ।

তাহলে তৈরি হও, পাঁচ, চার...

তিন, দুই, এক...

-চিজ! -চিজ!

-এই ছবিটা ভালো হবে। -ঠিক আছে।

-আমি কি একটু কেক খাব? -তোমার খিদে তো লেগেই থাকে।

ওহ, দাঁড়াও। মায়ামি ফোন করছে।

-দূর হ, ধুর। -এটা অ্যাডামই হবে।

- হ্যালো, সবাইকে। -হাই।

-কেমন আছো সবাই? -দেখো।

-আজ বেনের জন্মদিন। -হাই, অ্যাডাম।

হাই, অ্যাডাম। কেমন আছো?

-হাই -ঠিক আছে, দাঁড়াও।

আমি একটু একা হয়ে নিই।

থামো। থামো তো।

-সিরিয়াসলি বলছি, থামো! -তুমি কোথায় যাচ্ছো?

তুমি তো অনেক দূর হেঁটে যাচ্ছো এখন।

এখানে প্রাইভেসি বলতে কিছু নেই।

আচ্ছা, এবার বলো।

-তো, ক্রুজ কেমন চলছে? -উহ, আসলে,

আম্মু তো আজ সকালে প্রায় ডুবে যাচ্ছিলো,

কিন্তু সেটা বাদ দিলে, আসলে খুবই বোরিং।

-বোরিং বললে? -হ্যাঁ।

তোমাকে দেখার তর সইছে না।

হ্যাঁ, আমারও। তুমি কি শনিবার আসবে?

-হ্যাঁ। -একটা দারুণ পার্টি হবে।

তুমি না এলে খুব খারাপ লাগবে।

-তাহলে মনে হয়, আমাকে নাওমিকে কল করতে হবে বা এমন কিছু। -খুব মজার।

-সিরিয়াসলি অ্যাডাম, তুমি সাহস কোরো না--

দেখো কেমন বিজলি ঝলকাচ্ছে।

- কখনো এরকম মেঘ দেখিনি। -হ্যাঁ।

হ্যাঁ, আমিও দেখিনি।

অ্যাডাম।

ধুর! কি...

বাবা! বাবা!

এত তাড়াতাড়ি?

আমরা সংযোগ হারিয়ে ফেলেছি। আকাশে অনেক অদ্ভুত মেঘ ছিল

তারপর হঠাৎ করেই সংযোগ কেটে গেল এবং এখন আর ওকে পাচ্ছি না।

-আর ওর সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। -শোনো।

আমরা এখন কিউবার উপকূল থেকে কমপক্ষে পাঁচ মাইল দূরে আছি।

তুমি পরে আবার চেষ্টা করো... বেন?

এটা তিমি।

জানো তো, তিমিরা পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্র অনুসরণ করে চলে।

কখনো কখনো ঝড়ের কারণে এই চৌম্বকতায় গন্ডগোল করে।

তখন তিমিরা উপকূলের দিকে চলে আসে,

কারণ তারা ভাবে, তারা উপকূল বরাবরই চলছে।

এতে অস্বাভাবিক কিছু নেই।

-বেন, তুমি ঠিক আছো? -হ্যাঁ।

-আচ্ছা, ক্যাসি? -হ্যাঁ।

ওটা কী ছিলো?

আসলেই নিচে যেতে চাও?

চিন্তা কোরো না। আমি শুধু শ্যাফট আর প্রপেলারে একটু চোখ বুলাতে চাই।

এবং প্রপেলারে।

সাবধানে।

বাবা।

-উহহ, ধুর! -তুমি ঠিক আছো?

ধরে থাকো।

আমাকে দেখতে দাও।

আমার পিছনে কিছু একটা ছিলো মনে হলো আর আমি ঘুরে দাঁড়াতেই...

প্রপেলারে গিয়ে আটকে গেলাম।

চুপচাপ থাকো।

ওটা কী ছিলো? হাঙর?

আমি জানি না। বড় কিছু ছিলো। অনেক বড় কিছু।

আঘাতটা কেমন?

শ্যাফট বেঁকে গেছে।

আর একটা প্রপেলার নষ্ট হয়ে গেছে।

-তুমি ঠিক করতে পারবে? -অসম্ভব।

-আমাদের সাহায্যের জন্য কল করতে হবে। -জীবনের সেরা ছুটি।

হ্যাঁ, দুঃখিত।

এভাবে নড়াচড়া করলে, আমি করতে পারবো না।

বাবা?

ওরকা, ওরকা, ইঞ্জিন খারাপ হয়েছে।

প্যান-প্যান, প্যান-প্যান, প্যান-প্যান।

এটা মোটর ইয়ট ওরকা।

ওরকা, ওরকা, অবস্থান...

ইঞ্জিন খারাপ, অবস্থান...

২০ ডিগ্রি, ৩০ মিনিট উত্তরে...

ধুর বাল!

...০০ মিনিট পশ্চিমে।

নৌকায় চারজন আছে। প্যান-প্যান।

বেন, সিরিয়াসলি? আমরা মহা বিপদে আছি!

এটা মোটর ইয়ট ওরকা, ওরকা।

ইঞ্জিন খারাপ। অবস্থান, ২০ ডিগ্রি,

৩০ মিনিট উত্তরে।

০৫ ডিগ্রি, ০০ মিনিট পশ্চিমে।

ইঞ্জিন খারাপ।

অবস্থান...

-...০০ মিনিট পশ্চিমে -বাল!

নৌকায় চারজন আছি।

প্যান-প্যান, প্যান-প্যান, প্যান-প্যান।

ওটা কী?

জানি না। নিজেই দেখে নাও।

এটা মোটর ইয়ট...

ความคิดเห็น

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left