200 บรรทัดแรก
হালাস্যাম।
শান্ত হ, বাচ্চা একটা ছেলে!
মেয়ে দেখলে মাথা ঠিক থাকে না!
নির্লজ্জ!
মহিলাদের গোসলের সময় উঁকি মারছিস? বেহায়া কোথাকার!
এই হাতটা দেখ!
এক মজবুত কাঠমিস্ত্রির মুষ্টি,
একটা খেলেই বুঝবি!
ভাগ! আরেকবার দেখলে কিন্তু ছাড়বো না।
যা! যা!
হালাস্যাম। ঔষধটার কী হলো?
ডায়াবেটিসের ঔষধ?
কথা ঘোরাস না!
আরে শোন!
– ওই ডায়াবেটিসের ঔষধ নিয়ে… – ঐ বুইড়া!
তোকে ডাকতেছে।
তোকে ছাড়বো না।
তুই কি ওকে কোনো ঔষধ সাজেস্ট করেছিস?
ও কি তেমন কিছু বলেছে?
ও কি তেমন কিছু বলেছে?
– তোর হিয়ারিং এইড কোথায়? – বাসায় ফেলে এসেছি।
– কানও ভুলে রেখে আয়, বলদ। – চুপ কর!
ও বলেছে তোর জন্য একটা প্রস্তাব আছে।
আমাদেরও নে, মজাটা মিস করতে চাই না।
ঠিক আছে।
অনুবাদ ও সম্পাদনা ~ জাহিদ হাসান ~
হ্যালো।
কে আপনি?
আমার বাবা আপনার ছেলেকে চড় মেরেছে?
কখন?
কেন?
বাবা।
সাউন্ডটা একটু কমাও তো।
মাফ করবেন।
বোঝা যাচ্ছে না।
হ্যালো! হ্যালো!
হ্যালো?
একজন অচেনা লোক ফোন করে
আমাকে জ্ঞান দিচ্ছে, সব তোমার জন্য।
বাবা, আমার চাবি দেখেছো?
এখানেই তো রেখেছিলাম।
আমার চাবিটা দেখেছো?
বাবা!
দুরাই হয়তো সরিয়ে রেখেছে।
বাবা!
বাবা?
বাবা!
বাবা!
বাবা!
বাবা!
বাবা?
বাবা!
এক কোয়ার্টার দাও!
হ্যাঁ, বলো।
– কখন? – দেখতে পাচ্ছো না, দাঁড়িয়ে আছি? সরে দাঁড়াও!
– কীভাবে হলো? – সরে যাও!
তাড়াতাড়ি করো।
আমি এখনই আসছি।
– আরে ভাই জলদি করো! – আরেকটা বোতল দাও।
এক কোয়ার্টার।
বাবা।
বাবা, দেখো আমি এসেছি, দুরাই।
তোমার জন্য একটা জিনিস এনেছি।
একদম খাঁটি মাল!
সরি, একটু চেখে নিয়েছি।
বাবা, উঠো।
বাবা!
ওটা ফুলে আছে কেন?
বাবা?
ভাই, এটা কী?
আমি কি জানি!
মানে, এটা এমন ফুলে উঠলো কীভাবে?
ওটা উঠা!
উঠানোই তো আছে!
বলদ! বলছি পা উঠা!
ঐদিকে যাও।
এই দিকে চল।
ডান দিকে।
ডান দিকে রাখো।
– এখানে আন। – পিছনে? ঠিক আছে।
হ্যাঁ, এদিকে যা!
হ্যাঁ, সাবধানে যাও।
বাবা…
এখন আর কী যায় আসে?
মাকে জানিয়েছো?
মা আসছেন?
মামার বাড়িতে আছেন।
ফোন দিয়েছি!
এক মিনিট।
– এই, এটা ধর। – কী করছো তুমি?
ওটা দিয়ে কী হবে?
যেভাবে বলি, ঘুরা।
মা কীভাবে…
এই খুটা দিয়ে ভুসি ছাড়িয়ে নিতো?
আমি আর পারছি না।
আমাদের ভয় দেখালো কেন?
দরজাটাও বন্ধ করে রেখেছে।
এই ছোট ব্যাপারে এতো হাঙ্গামা করো না, দিদি।
সামি!
দুরাই!
এই!
মা!
-বাবা… -ওনার কী হয়েছে?
বাবা…
বাবার…
-ওনার… -সোজাসুজি বল।
-তুই মুগুর হাতে নিয়েছিস কেন? -মা, ভেতরে এসে দেখো।
-বললাম না, ওদের ভেতরে নিয়ে আয়। -কী হয়েছে?
কী ব্যাপার, সামি?
-মাসি, আগে ভেতরে আসো। -আসো।
-চলো মা। -কী হয়েছে?
-এদিকে তাকাও -ওনার কী হয়েছে?
ভয় দেখাচ্ছিস কেন।
-কী হয়েছে? উনি ঠিক আছেন তো? -যাও!
- নিজের চোখেই দেখো। -কোথায় উনি?
তোমার কী হয়েছে? কথা বলো!
-আমার সামনে দাঁড়াচ্ছিস কেন? -তুমি সরে দাঁড়াও না কেন?
তোমার কী হয়েছে, সোনা?
তাহলে তোরাই ওনাকে মেরে ফেলেছিস!
-হায় ঈশ্বর! -মা, ভাইয়া মুগুর দিয়ে...
-ঘোরাতে বলেছিলেন আমাকে। -এই!
উনি প্রতিদিনের মতোই টিভি দেখছিলো!
টিভির কথা না বললেও চলতো।
চুপ থাকবি তুই?
শোনো মা,
উনি স্বাভাবিক ভাবেই মারা গেছেন।
আমি তোদের কথা বিশ্বাস করি না!
ও তো একেবারে পাথরের মতো শক্ত ছিলো।
-কীভাবে মারা গেলো? -মা…
কিছু একটা গণ্ডগোল আছে।
-আমি নিশ্চিত, কিছু তো একটা আছে! -দিদি…
আমিও একমত। কিছুতো একটা গন্ডগোল আছে!
এটা আবার কী?
হায় ভগবান!
এখন আমরা কী করবো?
উনার কোমরবন্ধনী!
ওটা দিয়ে শরীরের সঙ্গে আটকে দিতে পারি।
ওটা তো রুপার তৈরি। কেটে যাবে তো!
তুই জানলি কিভাবে?
এখন সেটা জেনে কী হবে?
এই ফোলাটা কীভাবে চাপা দেবো সেটা ভাবো।
এই…
কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে দেই?
কোমরে ফাঁসির মতো শোনাচ্ছে! খুন!
এই! এই! চুপ কর!
মাসি, ডাকটেপ আনো তো।
ওর গায়ে ভালো করে আটকে দিতে পারবো।
মানে, ঐ জিনিসটা টেপ দিয়ে আটকে দেবে?
ওতে কাজ হবে না।
টেপ ব্যবহার করা যাবে না।
স্নানের সময় তো সেটা চোখে পড়ে যাবে।
হায়, যদি আমরা মিশরে থাকতাম।
ওকে পেঁচিয়ে রেখে মমি বলেই চালিয়ে দিতাম।
কিন্তু এখানে…
আমার ভোট টেপের দিকে!
আমার ভোট কাপড় দিয়ে মোড়ানোর দিকে!
-না! ডাকটেপই জিতলো! -মুর্খরা! মানুষটা নেই!
-আর তোরা ওকে নিয়ে ভোটাভুটি করছিস! -আচ্ছা ঠিক আছে।
দিদি, তুমি মাথা গরম করো না।
তাহলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কী? টেপ না কাপড়?
ঠিক আছে, টেপেই আটকে দাও। যেমন খুশি।
মাসি, ডাকটেপটা আনো তো।
তোমরা দুজন একটু বাইরে যাও।
আমি টেপ লাগিয়ে, ডাকবো।
আমি আমার স্বামীর পাশে থাকবো।
আমিও আমার প্রিয় দুলাভাইকে একা ছাড়বো না।
হায় ঈশ্বর!
কমপক্ষে, ঐ দেওয়ালের দিকে মুখ ফেরাও।
আমার ভীষণ লজ্জা লাগছে।
ঐদিকে তাকা।
হায় ঈশ্বর!
আমার ঘাড়টা…
ঘাড়টা বাঁকছে না!
এখনো শক্ত হয়ে আছে?
ওদিকে তাকা!
না, হচ্ছে না।
ডাক্তারকে ডাকি?
গুড আইডিয়া!
এই শোন, এক মিনিট দাঁড়া।
-এই দাঁড়া… -হ্যালো…
কার সাথে কথা বলছিস?
শান্তির সাথে।
ওর দোকানের পাশেই তো হাসপাতাল।
ওকে বলি যেন একজন ডাক্তার পাঠায়।
বাজছে। কথা বলো!
-এই? -ওর সাথে কথা বলো।
হ্যালো, আমার কথা শুনতে পাচ্ছো?
হ্যাঁ। সামি বলছি।
হ্যাঁ, ভাইয়া।
একটা খারাপ খবর আছে, বাবা আর নেই।
কী?!
হায় ঈশ্বর! আমার বাবা! আমার বাবার কী হয়েছে?
-আরে না! -শোনো…
তোমার বাবা ঠিক আছেন। আমার বাবা মারা গেছেন।
আচ্ছা!
কী? কী বললে?
সরি…
হায় ঈশ্বর! শ্বশুরমশাই!
-কীভাবে হয়েছে? কখন? -ডাক্তারের কথা জিজ্ঞেস করো।
দেখো তো আশেপাশে কোনো ডাক্তার পাওয়া যায় কিনা?
No comments yet. Be the first to leave one.