The Rite of Passage

The Rite of Passage (Mała matura 1947)

ดาวน์โหลดคำบรรยายBengali

ข้อมูลรุ่น

Blue Planet II S01E02 The Deep Bangla WEB-DL 6CH MkvCage
Blue Planet II S01E02 The Deep 720p 10bit WEBRip 2CH x265 HEVC-PSA
Blue Planet II S01E02 The Deep 1080p AMZN WEB-DL DDP5 1 H 264-NTb
Blue Planet II S01E02 The Deep 720p AMZN WEB-DL DDP5 1 H 264-mkvcage
Blue Planet II Season 01 Episode 02 The Deep
Blue Planet II Season 01 Episode 02 The Deep WEB-DL
Blue Planet II Season 01 Episode 02 The Deep WEB-DL HEVC
ความคิดเห็นโดย tskushal
সিজন ১ এর দ্বিতীয় এপিসোড। ভাল লাগলে অবশ্যই রেটিং দিতে ভুলবেন না। প্রথম এপিসোডের লিংকঃ https://goo.gl/ZcwCTK

แท็ก

Web-DL
web-dl
web
WEB-DL
mkv
MkvCage
720p
720
webrip
BRip
x265
HEVC
2CH
1080
เผยแพร่เมื่อ: 2017-11-13
ดาวน์โหลด: 66
ผู้พิการทางการได้ยิน: No

ตัวอย่างคำบรรยาย Bengali

161 บรรทัดแรก

এন্টারটিকা

সবচাইতে শীতল, সবচাইতে কঠিন আর জনসমাগম হতে সবচাইতে দূরবর্তী মহাদেশ।

ইতিপূর্বে কখনোই কোন মানুষই এই অঞ্চলের এতটা গভীরে নামতে পারেনি...

আজকের আগ পর্যন্ত।

গভীর মহাসাগরে অনুসন্ধান করাটা ততটাই কঠিন, যতটা কঠিন মহাকাশে।

আমরা মঙ্গল এর ভূমি সম্পর্কে যথেষ্ট জানি, কিন্তু এর সিকি ভাগও জানি না

আমাদের মহাসাগর গুলোর গভীরতম অংশগুলোর কথা।

এখন আমরা সেই অলিখিত গভীরতায় অনুসন্ধানে নামতে পারব,

গহীনে লুকোনো সুপ্ত সত্য গুলোর খোঁজে।

নিমজ্জিত হিম শৈলের গা বেয়ে নামতে নামতে,

আমরা প্রবেশ করব এক অসহমান জগতে।

এখানকার জল, পৃথিবীর সবচাইতে ঠান্ডা জল।

আমরা যতই গভীরে নামবো, জলের চাপ তত বেশি বাড়তেই থাকবে।

আর জল ভেদ করা সূর্য রশ্মি একসময় বিলীন হয়ে যাবে।

আশ্চর্যজনক ভাবে...

এখানেও জীবনের চিহ্ন রয়েছে।

আমরা ভেবেছিলাম জলের উপরিতল হতে এতটা গভীর দূরত্বে

মেরু সাগরের তলদেশ একেবারেই পরিত্যক্ত, জীবনহীন হবে।

কিন্তু এখানেও আমরা জীবনের অস্তিত্ব পেয়েছি কল্পনাতীত প্রাচুর্যতায়!

শুধু এন্টারটিকার গভীর জলেই প্রচুর পরিমান জীবন ছড়িয়ে আছে, তেমনটা নয়।

স্রোতের প্রবাহ এই জীবনগুলো ছড়িয়ে দেয় সকল গভীরতম সাগরের একেবারে গহীন পর্যন্ত,

পুরো পৃথিবী জুড়ে।

বিস্ময়কর ভাবে, গভীর সাগরগুলোতে,

পুরো পৃথিবীর অন্য অংশগুলোর চেয়েও বেশি প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে।

এখানে সূর্যরশ্মি বিলীন হয়ে গেছে আর জল হয়ে গেছে অন্ধকার।

২০০ মিটার গভীরতায়, সমুদ্র এখানে একেবারে শান্ত,

সম্পূর্ন অচেনা এক জগতে প্রবেশ করেছি আমরা।

গুধূলি অঞ্চল-

বিষাদ, অন্ধকার আর অস্পষ্টতার শ্বাশত অধ্যায়।

এখানে অদ্ভুত কিছু প্রাণী আছে।

একটা পাইরোসম।

দুই মিটার লম্বা একটা নলাকার জেলি, যা একটা দর্শনার্থীর সাক্ষাতে নিজে নিজে খর্ব হয়ে যায়,

সামুদ্রিক শ্বেত হাঙ্গর।

খুব নগন্য পরিমান আলো এখানে, এতদূর আসতে পারে।

এখানে টিকে থাকাটা মানে হচ্ছে একরকম অসাধ্য সাধন।

সোর্ড ফিস।

এটার চোখ দুটি টেনিসবল সাইজের,

যা তাকে অবিরাম ধুলাবালির মাঝেও দেখতে সাহায্য করে।

স্কুইড,

এখানে সে একাই বাস করে।

ওর ডান চোখ স্থায়ীভাবে নিন্ম মুখী।

কিন্তু বাম চোখ অনেক বড় আর এমন ভাবে তৈরি

যা আশেপাশের শিকার গুলো সহজে সনাক্ত করতে পারে।

তাকে 'ট্যারা' বলে ডাকা হয় কেন, সে বিষয়ে এখন আর কোন দ্বিধা নেই।

আর এমনকি অপরিচিতও।

একটি ব্যারেল আই ফিস...

এদের মাথা আয়নার মত স্বচ্ছ,

যা জেলি দিয়ে পূর্ন, তাই তাদের খুলি অবধি পরিষ্কার দেখা যায়।

আমরা এখন বলতেই পারি- অবিশ্বাস্য হলেও গোধূলি অঞ্চল হচ্ছে,

৯০ শতাংশ সামুদ্রিক মাছের আবাসস্থল।

শুধু রাতের বেলায় ঝাঁকে ঝাঁকে ল্যান্টেরন ফিস উপর দিকে আসে,

তাদের খাবার অতি ক্ষুদ্র প্লাঙ্কটন এর খোঁজে।

দিনের বেলায় তারা নিচে, এখানে ফিরে আসে।

হাম্বল্ডট স্কুইড।

দুই মিটার লম্বা আর ৫০ কেজি ওজন।

অন্যান্য স্কুইডের মত তারাও রাক্ষুসে শিকারী।

এখানে তাদের প্রায় শ'খানেক আছে।

তারা ল্যান্টেরন ফিসের একটা ঝাঁক খুঁজে পেয়েছে,

দক্ষিণ আমেরিকার উপকূলের ৮০০ মিটার গভীরে যা লুকিয়ে ছিল।

তাদের কর্ষিকা অনেক শক্তিশালী চোষক দ্বারা সজ্জিত,

যার মাধ্যমে তারা তাদের শিকারকে আঁকড়ে ধরে।

আর যখন কোন ল্যান্টেরন ফিস পাওয়া যায়না...

তারা একে অন্যের উপর চড়াও হয়।

স্কুইডটা তার চেয়ে ছোট আরেকটা স্কুইডকে ধরেছে।

অন্যেরা যেন তার শিকারে ভাগ না বসাতে পারে,

জল ঘোলা করতে সে একধরণের কালো কালি নিঃসরণ করে।

কিন্তু ততক্ষণে তারচেয়ে বড় আরেকটা স্কুইড...

তার খাবার চুরি করে নেয়।

গোধূলি অঞ্চলটা হাম্বল্ডট স্কুইডদের জন্য সুবিধাজনক শিকারের জায়গা।

তারা আরো গভীরে যায় না বললেই চলে...

আরো নিচে, নিশ্ছিদ্র অন্ধকারের জগতে...

মধ্যরাত্রি অঞ্চল।

উপরিতল হতে এক মাইলের দুই তৃতীয়াংশ সূর্যের আলোই পৌঁছায় না।

এক অপরিসীম অন্ধকার মোড়া পরিত্যাক্ত জগৎ।

পৃথিবীর সকল প্রাণীর সমবেত বাসস্থান এর চাইতেও বিশাল।

এখানেও প্রাণের চিহ্ন আছে...

তবে আমাদের জ্ঞাত ধারণার মত নয়।

এলিয়েন এর মত অনেকেই ঝলমলে আলোর রশ্মি তৈরি করে।

কাছের সঙ্গীদের আকৃষ্ট আর শিকারি শত্রুদের হটিয়ে দেয়া উচিত।

এই আলোর ভাষা এতই সুদূরপ্রসারী যে এই সিগন্যাল পুরো পৃথিবীতে

সম্ভবত যোগাযোগের সবচাইতে প্রচলিত রীতি

আর এখনো আমরা এদের অনেক কিছুই জানিনা।

শিকারিরা নিজেদের রশ্মিতে উদ্ভাসিত করে, আর এভাবেই তারা

কৌতূহলী শিকারকে আকৃষ্ট করে।

একে বলা হয় ফ্যাংটুথ।

এদের সাইজের অন্য যত মাছ আছে, তাদের মধ্যে সবচাইতে বড় দাঁতের অধিকারী।

এদের মাথা আর শরীরের চারপাশে প্রেশার সেন্সর রয়েছে, যা খুব সহজেই

আশেপাশে কি নড়ছে তা সনাক্ত করতে পারে।

মধ্যরাত্রি অঞ্চলের সবচাইতে খাদক মাছ।

কিন্তু শিকারগুলো তাদের পথভ্রষ্ট করতে আলোর ব্যবহার করে।

দীপ্তিময় প্রভার ফাঁদ।

এত নীচে, এই ঘন অন্ধকারে....

কিছু প্রাণী বাস করে সাধারণ সময়ের নিয়ম না মেনেই।

শিফনফোরাস গুলো বস্তুত চিরজীবী।

তারা নিজেদের বারবার ক্লোন করে...

কখনো বা একেকটা নীল তিমির চাইতে দীর্ঘ আকার ধারণ করে।

নিচের এখানে তুষার বর্ষণ হয়।

জৈব বর্জ্যের ধ্বংসস্তুপ সবসময়

উপর থেকে ঝড়তেই থাকে।

এগুলো একরকম খাদ্য, আর কিছু বৈচিত্র্যময়

প্রাণী এর উপর নির্ভরশীল।

জেলিফিস...

আর সুদৃশ্য সি কিউকাম্বার।

প্রায় এক শতাংশ সামুদ্রিক তুষার, যা তারা মিস করে

সেসবের আশ্রয় হয় সাগরের নিচ তলে।

প্রায় মিলিয়ন বছরের ব্যবধানে সেগুলো পরিবর্তিত হয় কাঁদায়

যা এক মাইল পর্যন্ত চওড়া হয়ে থাকে।

একধরণের শুন্য সমতল, যা আমাদের

গ্রহের সমতলের প্রায় অর্ধেকটা ঢাকতে পারে।

প্রথমে এত গভীর তলানিকে জীবন শুন্য মনে হতে পারে...

কিন্তু এ জায়গাও স্বতন্ত্র এক প্রাণীর আবাসস্থল।

সামুদ্রিক ব্যাঙ।

বিশাল মুখের অধিকারী, ঘাপটি মেরে থাকা এক নীরব শিকারি...

অপরিসীম ধৈর্য্যের মূর্ত প্রতীক।

এখানে সে এত লম্বা সময় ধরে বাস করছে

যে তার পাখনা বদলে গিয়ে

আরো সুবিধাজনক কাজে এসেছে।

পায়ের পাতা।

সমুদ্রতলে এগুলো তাদের হাটতে সাহায্য করে।

ফ্ল্যাপজ্যাক অকটোপাস।

কাঁদার উপরে সে নিজস্ব ছাকুনির সাহায্যে

ছেঁকে ছেঁকে একধরনের কৃমি খুঁজে বেড়াচ্ছে।

কিন্তু বিপদের আঁচ পেলেই এটি তীব্র গতিতে পালাতে পারে।

সিক্সগিল হাঙ্গর, প্রকান্ড আকারের এক প্রাণী।

সম্ভবত পুরো বছর জুড়ে তার পেটে কিছুই পরেনি।

নূন্যতম শক্তি ব্যায় করে সে

এই কাঁদযুক্ত অঞ্চলে ঘুরে বেড়ায়।

উপরে এক বিশাল তিমির দেহাবশেষ

ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে।

এটা সমুদ্র তলে থাকা প্রাণীদের সৌভাগ্যের বিষয় হতে পারে।

এর ত্রিশ টন'ই হচ্ছে খাদ্য।

অবশেষে এর শেষ ঠিকানা হল সমুদ্রের নিচ তল...

আর একইসাথে তার অবস্থান সনাক্তও হয়ে গেছে।

সিক্সগিল হাঙ্গরের নিখুঁত এবং ব্যতিক্রম ঘ্রাণশক্তি রয়েছে।

তিমির দেহ তলানি ছোঁয়ার ২৫ মিনিটের মধ্যেই...

সিক্সগিল এটাকে খুঁজে নিতে পারে।

প্রত্যেকটা কামড়েই জল ঘোলা হয়ে উঠে লাল রক্তে।

এই খাবারের খবর চারদিকে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

আরো দুটি ক্ষুধার্ত সিক্সগিলের আগমন।

১২ ঘন্টার মধ্যে,

৭টা বিশালাকায় হাঙ্গর

নিজেদের পেট পূর্তির জন্য ধাক্কাধাক্কি শুরু করে দেয়।

ভাগ ছাড়তে আসলে কেউই রাজি না।

২৪ ঘন্টার মধ্যে তিমির এক তৃতীয়াংশ লোপাট হয়ে যায়।

প্রথম হাঙ্গরটা তার পেট ভরার আগ পর্যন্ত গোগ্রাসে খেয়েই যায়।

এই এক বেলার আহার পরবর্তী এক বছর টিকে থাকার জন্য যথেষ্ট।

এখন পরিষ্কারকদের আগমনের পালা।

মাকড় কাঁকড়া তার পিছনের পা দিয়ে কোরাল আঁকড়ে আছে,

সম্ভবত দেহের সাময়িক সুরক্ষা বর্ম হিসেবে।

এখান পাথুরে কাঁকরাদের ও দেখা যাচ্ছে।

তারা হাঙ্গরদের মতোই দ্রুত তিমিটাকে সনাক্ত করতে পারে...

কিন্তু তাদের মত দ্রুত চলতে পারে না।

একটা মাস মাত্র, আর ত্রিশ প্রজাতির বিভিন্ন

খাদকরা খাবারের শেষ টুকরোটাও

একেবারে সাবাড় করার পথে।

কিন্তু পরিষ্কারকরা নিজেরাই এখন অন্য শিকারিদের নজর কাড়ছে।

স্ক্যাবার্ড ফিস, অভ্যাস বশতই উপর বরাবর সাঁতার কেটে,

তাদের এক এক করে তুলে নেয়।

তিমির কিছু দাঁত খুলে যাবার পর তার পুরো খুলিটাই ধ্বসে পড়া শুরু হয়েছে।

চার মাস পর, কয়েকটা হাড় বাদে আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।

কিন্তু সেগুলোও...

More Bengali subtitles for The Rite of Passage

ความคิดเห็น

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left