முதல் 200 வரிகள்.
সত্য ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত।
কিছু ঘটনা এবং চরিত্র কাল্পনিক।
১০ই জানুয়ারি, ২০০৫
"শতাব্দীর সেরা ডাকাতি"
মার্শাল আর্ট, ভাস্কর্যের শিল্প..
এসব আমার কার্যক্রম...
আমি... একটা জিনিস...
দিতে চাই। আমি আপনাকে স্বাভাবিক দিক-নির্দেশনা দিতে চাই।
এক দার্শনিক বলেছেন...
মানুষের জন্য সবচেয়ে বড় হলো
একটা পেশা খুঁজে পাওয়া।
এটাই একজন মানুষের জন্য চরম সত্য।
একটা সত্যকে আপনি
অস্তিত্বও দিতে পারে।
তাই দ্রুত একটা চাকরি পাওয়া
খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
উতরাইতে পারবে না। অবশ্যই উতরাইতে পারবে না।
শক্তিমত্তা বিমুখী কিছু না আর অধিক শক্তিমত্তা, অথচ, আরো বেশি টেকনিক্যাল।
আমি এটা বহুবার বলেছি: আমরা ভালো প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষের শক্তিমত্তার বিরুদ্ধে যায় না,
এর পরিবর্তে এটাকে ব্যবহার করে বেড়ায়।
হাতে হাত রাখ।
পরাস্ত
- দেখেছো? - হ্যাঁ।
আচ্ছা। শুরু কর।
ব্যাঙ্কো রিও
তুমি জানো এরকম গর্ত খনন করতে কী কী লাগবে?
সেবাস, টেবিলে রেখেছি।
আমি যাচ্ছি, সোনা।
ডাইনি!
এগুলো তার না হলে, জানি না আমার জীবনের কী হতো।
আমি নিশ্চিত।
তুমি কী বলছো?
তুমি বাদে অন্যকেউ হলে তাকে আমি পাগল বলতাম।
আর এটা ফালতু!
তুমি পাগল তবে আবাল নও।
তাই আমিই আবাল।
আমি জানতে চাই, তুমি নিজেকে কোন ঝামেলায় ঢুকাতে চাও।
তোমার গাড়ি আর
সরঞ্জাম লাগবে, আর আমার কাছে টাকা নেই।
তাই প্রথমে একজন অর্থদাতাকে খুঁজতে হবে।
একজন অর্থদাতা...
তুমি পাগল। আমি কোথায় কিনবো?
ঈশ্বর আপনার সাথে আছেন।
সাথে তাঁর আত্মাও।
এইসময়, আমার কাছে বেশি টাকা নেই।
তবে, আমি সাহায্য করতে পারলে, আমাকে বিশ্বাস কর।
কারো কথা মনে পড়ছে কি?
তারা ঈশ্বরের কার্যাদিতে নিরত হয়েছে।
- আমরা ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাই... - একজন আছে।
আমাদের ঈশ্বর।
এটাই ভালো এবং সঠিক।
যেন আমি অস্ট্রেলিয়ায় যাচ্ছি, ঈশ্বর!
যেতে বাধ্য হয়েছি। আমি মন্টেভিডিও যাচ্ছি।
আমার দরিদ্র মাকে দেখতে
নাতি-নাতনিদের সাথেও অনেকদিন দেখা হয় নি।
- ঠিক আছে। - তিনি অনেক বৃদ্ধ।
হ্যাঁ, বৃদ্ধ বয়সে...
- হ্যাঁ... - আর বিড়বিড় করে..
"বাচ্চাদের আমার কাছে আনবে না।" "তবে মা, তুমি মাঝে মাঝে আসতে পারো।"
- আমাদের সুবিধা নিতে হবে... - তা ঠিক।
- আচ্ছা, আমি টাকা নিয়ে এসেছি... - না, না।
আমাদের দলিলপত্র প্রেরণ করা হলে আমাকে দিয়েন।
কিছুদিনের ব্যাপার।
আমরা তথ্যগুলো যাচাই করে দেখি তারপর সব আপনার হয়ে যাবে।
ঠিক আছে, তবে আমি ইতোমধ্যে ২,০০০ ডলার এনেছি।
- আমি এখন জানি না... - না, তবে ২,০০০ পেসো!
- কী খুশির খবর দিচ্ছেন! - তবে হ্যাঁ!
- ফোনে কি ভুল শুনেছি? - আমি কি ২০০০ ডলার বলেছিলাম?
- এটাই আমি বুঝেছিলাম। - দুঃখিত, এটা এত ব্যয়বহুল নয়...
ঈশ্বর, প্লিজ দিবেন না...
খুবই খারাপ, আমি এখন বাসায় যাচ্ছি না...
আমি এই টাকা নিজের কাছে
রাখতে চাই না। আপনার কাছে রেখে দিতে পারি?
- সমস্যা থাকলে, বলেন... - না, না, না।
- আপনি বড় উপকারটা করতে পারবেন? - হ্যাঁ।
- না, ভাবুন, এটা কিছু না। - সত্যি।
- আমি এগুলো এখানে রেখে যাব। - আমি ২০০০ পেসো নিয়ে আসবো।
- হ্যাঁ, আর আমি আপনাকে ডলারগুলো ফেরত দিব। - প্লিজ।
হ্যাঁ, এগুলো আপনার।
আপনি কি দীর্ঘদিন ধরে বিবাহিত?
- ভালো হয়েছে। এই নিন। - হ্যাঁ, ৫০০।
- হ্যাঁ? - এটা দেখার মতো...
ধন্যবাদ
তোমার বাবা না আসলে... আমি তোমাকে কখনো দেখিনা।
বিদায়।
আমি কাজ করছি... এই কারণে।
- কেমন আছো, শরীরের যত্ন নিচ্ছো? - বেশ ভালো। সবকিছু একদম ঠিক আছে।
খাপ-খাইয়ে নিয়েছি।
আইন সংস্থা...
অবিচলিত হাতে অভ্যন্তরীণ কাজগুলো সামলাচ্ছি, আসছি আর যাচ্ছি..
এগুলো কি কম্পিউটার ছিল না?
হুমম, গতবছর। তবে কার্যকর হয়নি।
- অসম্ভব। - দুর্ভাগ্যক্রমে, কিছুই করার ছিল না।
হইছে।
দুর্দান্ত, নিখুঁত ।
লু, আমরা কখন ডিনার করব?
- আজকে। উপস্থিত হবো। - আজকে আমি পারবো না।
ঝামেলায় জড়াবে না, বাবা।
কী সমস্যা, এখন... আর কোনো সমস্যা নেই। ভালোবাসি তোমাকে।
আমিও।
এই তো এখানে!
লারিনকে হাই বলিস!
বিদায়।
ঈশ্বর!
ঈশ্বর... আমার দম বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কী ভয়টা না পেয়েছিলাম!
আমিও ভয় পেয়েছিলাম।
দেখেন কীভাবে এখনো কাঁপছি।
দুঃখিত, আপনাকেও ভয় দেখিয়ে থাকলে।
- আপনার নাম কী? - কারম্যান.. আর আপনি...
- আমি এনরিক। গুটিয়েরেজ। - এনরিক। না...
না, কারণ আমি এখানে নতুন। গতকাল শুরু করেছি।
আমি একটা কাজ করছিলাম...
তারা কালকের স্বাক্ষরের জন্য সবকিছু প্রস্তুত করতে বলেছিল।
আমি সানানেজের উইলটা কোথাও খুঁজে পাইনি।
- জানেন কোথায় থাকতে পারে? - না, আমি শুধু পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করি।
উইল বা অন্যকিছু জানি না।
কী হতভাগ্য...
ড. রোজাকে কেন কল করছেন না, উনি অবশ্যই জেনে থাকবেন।
তাহলে আমাকে অল্প সময় থাকতে হচ্ছে।
- ঠিক আছে। - না...
আচ্ছা, তোমার কাজ কর। আমি সামলাতে পারবো।
বাই, সোনা। আনন্দের মুহুর্ত ছিল।
- কারম্যান, বিদায়। - কী সুন্দর, কারম্যানসিটা...
- এনরিক, উনি আমাকে বলেছিল... - গুটিয়েরেজ, ইন্টার্ন।
জিজ্ঞেস করলে বলবে, ইন্টার্ন সন্ধ্যায় এসেছিল।
- ঠিক আছে। - সানানেজের কেসের জন্য।
- বাই, সোনা। - শুভকামনা।
তবে এটা কোথায় যে থাকবে...
সানানেজ, সানানেজ...
হ্যালো, মারিও। আমি ফার্নান্দো আরাউজো।
ডক ডেবাউজা একটা কাজের জন্য তোমাকে কল করতে বলেছিল।
আমি এখন গাড়িতে আছি আর তুমি একটা বারে ঢুকছো।
তোমার সাথে কথা বলতে চাই। আশা করি তুমি উগ্র নও।
যদি তুমি পারো, আমরা দেখা করব।
শুক্রবার, "ভায়া ফ্ল্যাম নিয়া নিয়া" আইসক্রিম দোকানে।
এটা সর্বজনীন জায়গা।
যাতে তুমি স্বাচ্ছন্দবোধ করতে পারো।
আমি কোনো সাইকোপ্যাথ নই।
আমি বিকেল ৫টায় সেখানে থাকবো।
তোমাকে বিরক্ত করে থাকলে আমি দুঃখিত।
কী চাস, গবেট?
আমাকে অনুসরণ করছিস কেন? কে তুই?
আরাউজো। ফার্নান্দো আরাউজো।
তুই কী চাস? বন্দুক আছে?
- তোর কাছে বন্দুক আছে? - উদ্বিগ্ন হইয়ো না, কিছুই নেই।
- কিছুই নেই, না? - না।
আমার সাথে কোনো গড়বড় করবি না, গবেট! আমার পুটকিতে বাঁশ দিতে চাস?
ফার্নান্দো, আমার পুটকিতে বাঁশ দিতে চাস?
বাঁশ দিতে চাস?
মারিটো, আমি ডক।
এক বন্ধুকে তোর নাম্বার দিয়েছি। ভালো ছেলে।
তার সাথে ভালো ব্যবহার করিস, কিছু চমৎকার জিনিস আসতে চলেছে।
আমাকে বলিও।
হ্যালো, মারিও। আমি ফার্নান্দো আরাউজো।
ডক ডেবাউজা একটা কাজের জন্য তোমাকে কল করতে বলেছিল।
আমি এখন গাড়িতে আছি আর তুমি একটা বারে ঢুকছো।
আমি তোমার সাথে কথা বলতে চাই। আশা করি তুমি উগ্র নও।
যদি তুমি পারো, আমরা দেখা করব।
শুক্রবার, "ভায়া ফ্ল্যাম নিয়া নিয়া" আইসক্রিম দোকানে।
এটা সর্বজনীন জায়গা,
যাতে তুমি স্বাচ্ছন্দবোধ করতে পারো।
আমি কোনো সাইকোপ্যাথ নই। আমি বিকেল ৫টায় সেখানে থাকবো।
তোমাকে বিরক্ত করে থাকলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী ।
কী চাস, গবেট?
হেই, ফার্নানদিটো।
- মারিও। - কেমন আছো?
- ভালো? - ভালো।
তুমি অনেকদিন ধরে আমাকে দেখোনি।
- তুমি ঠিক আছো? - হ্যাঁ, হ্যাঁ।
- তোমার চাচী? - চাচী, ভালো।
ভালো।
দেখ, ফার্নানদিন্টো, আমি একাকী কাজ করি।
জানি না ডক কেন আমার ব্যাপারে বলেছে।
কারণ তুমি এক নাম্বার।
যার মাথা.. বিচি আছে...
আর টাকা।
বাচ্চাকাচ্চা আছে?
মারিও, যা বলতে যাচ্ছি তা নিয়ে ক্ষুব্ধ হইয়ো না।
তুমি কি জানো, কেন তুমি এতবার গ্রেফতার হয়েছো?
না।
- দয়া করে বল। - কারণ তুমি ছোট জিনিস চুরি কর।
আমি পালাই না। আমি চোর নই।
- আমি পেশাদার চোর। - ঠিক বলেছো।
সবকিছুর একটা নাম আছে।
তোমার কাছে কিছু প্রস্তাব নিয়ে আসছি।
একটা ডাকাতি...
বিশাল।
তোমাকে কিছু দেখাতে পারি?
কিন্তু নগদ টাকার নিবন্ধনের গ্রাহক হওয়ার জন্য তোমার কাছে কোনো টাকা নেই।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্ধারণ করে যে,
তোমার একবার দশ হাজারের বেশি পেসো হলে,
কোষাধ্যক্ষ সেগুলো আমানত হিসেবে গোপন ভল্টে রেখে দেন।
- একটা টান দিবা? - না, না।
যেখানে ব্যাংকের টাকাগুলো রাখা হয়,
সেখানে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো নিরাপদে থাকে।
সেদিন খোলা হয়েছিল।
সবাই আন্দাজ করে, ব্যাংকগুলো
সবচেয়ে লাভজনক অংশগুলো নিরাপদে রাখে!
তো, কোথায় গিয়ে আমাকে সামান্য ধারণাটা দিতে চাও?
কী বলতে চাও আমাকে?
No comments yet. Be the first to leave one.