முதல் 42 வரிகள்.
বর্ণনাকারী: জীবনের এক অদ্ভুত পরিবর্তন কাহীনি.
খুব বেশি দিন পূর্বের গল্প নয়.
উচু পর্বত ভূমিতে যেখানে মহাপ্রাজ্ঞ সাজিয়েছেন
তুষার বরফের দক্ষিণে চমৎকার এক ক্রীড়াঙ্গন,
সেথায় থাকতো এক মেষশাবক আকর্ষণীয় আর চাকচিক্যময় পোশাক পড়ে.
সূর্যালোকে করতো ঝলমল সব কিছুই উজ্জ্বল আর নির্মল.
এমনই গর্বের সায়হ্নে সবকিছুই তাকে করত আত্মতুষ্ট.
আর সে নাচতো ধিং-তা ধিং-তা.
সে নাচতো তার সকল প্রতিবেশির জন্য.
আমার বলা উচিৎ তারা তাকে খুঁজে পেত উদ্যম নৃত্যে,
সকলেই যেন খেলতে শুরু করে তার সাথে.
হঠাত এক দিন...
একদিন পাহারের ঢাল বেয়ে,
আসলো এক বিশাল আমেরিকান জ্যাকালোপ.
এই মহাঋষির মহাঋষি, আশা-ভরশার দুর্লভ খরগোশ,
ঘুরতে এসে দেখতে পেলো মেষশাবককে.
হেই, পুঁচকে, মনটা কেন খারাপ?
আমি ছিলাম অন্যরকম, আবৃত ছিল নরম পালক,
সূর্যালোকে করতাম নৃত্য ছিল সবকিছুই মনের মতো.
হঠাৎ তারা কর্কশ আচরণে আমাকে নিয়ে গেল টেনে
লোম কেটে ফেলল আস্তাকুড়ে চামড়া অনাবৃত করে.
এতেই শেষ নয়, এখন আমার সকল বন্ধুরা আমায় দেখে হাসে
ভাবে আমায় দেখতে লাগে কিম্ভুতকিমাকার, হাস্যকর আর পাটল বর্ণ.
পাটল বর্ণ? পাটল বর্ণ? বেশ, কী সমস্যা পাটল বর্ণে?
মনের ভিতর তুমি ঢুকিয়েছ পাটল বর্ণের গিরা.
রঙ কি কোন বিষয়? একদম না.
হোক না সেটা পাটল, বেগুনি বা হ্যালিওট্রপ.
জীবনে কখনও আসে সুসময় এবং কখনও আসে দুঃসময়,
যখন দেখবে এসেছে দুঃসময়, চারিদিকে শুধু তাকিয়ে দেখ.
তোমার শরীর ঠিকই আছে, সুন্দর পা আর পায়ের পাতা,
মাথা আছে জায়গামত আরে বাহঃ, তুমি তো পরিপূর্ণ.
প্রথমে পা টা তুলো উপরে,
চাপ্পড় মারো নিচে.
প্রতি বছর, দীর্ঘ মে তে,
তারা তাকে তোলে আর টেনে নিয়ে যায়.
তারা তাকে মুণ্ড করে, অনাবৃত করে দেয় ফেলে.
সে মানিয়ে নিয়েছে, কিছুতেই পরোয়া করে না.
এই দুনিয়ার উত্থান পতনে...
...জানবে খুশি মনে জ্যাকালোপ আছে সর্বখানে.
Translated by Moinul Hasan Translated by Moinul Hasan
T ranslated by Moinul Hasan T ranslated by Moinul Hasan
Tr anslated by Moinul Hasan Tr anslated by Moinul Hasan
No comments yet. Be the first to leave one.