முதல் 200 வரிகள்.
অনুবাদ ও সম্পাদনায় শান্ত কুমার দাস
জলই জীবন
⭐ ⭐ এটি আমার ❝১৯৪তম❞ পূর্ণাঙ্গ বাংলা সাবটাইটেল ⭐ ⭐
কিবুনে ফুজিয়া
ওপ্স, মাফ করবেন।
হ্যাঁ, সবকিছু আগের মতোই আছে।
তবে সে অবশেষে লিখতে শুরু করেছে। আজ রাতের মধ্যেই হয়ে যাবে।
মি. ওবাতা!
আবার থেমে গেলেন কেন?
নায়কের বউ মারা গেছে, তাই না?
এটা মেনে নেয়া কঠিন...
কারণ ওর মৃত্যু তো আপনিই লিখছিলেন।
ভাবছি সে মরে গেলো কেন...
যাই হোক, আপনি লিখতে শুরু করুন।
হুম, বউটা না মারা গেলে ভালো হবে।
প্লিজ।
লিখতে লিখতে এটা ভাবুন!
- বাহ! - চমৎকার!
শাবু-শাবু এনজয় করুন।
হটপট হওয়া উচিত শীতে কিবুন-এর স্পেশাল ডিশ।
সবাই শুধু এটা বলে না যে কিবুনে গ্রীষ্মে সুন্দর?
সত্যি বলতে, শীতেও কিবুনে বেশ মনোরম।
গেস্টদের বাথরুম দুপুর তিনটায় খুলে দেয়া হয়।
- জল গরম করা হয়েছে? - গরম করা হয়েছে, কিন্তু...
সমস্যা নেই।
মিকোতো।
এই দুই দল গেস্টই শেষ গেস্ট।
ঠিক আছে।
দুপুরের খাবার সবার খাওয়া শেষ।
আচ্ছা।
তাকু, গিয়ে তুমি আগে দুপুরের খাবার খেয়ে নাও।
জি।
অবশেষে, এক বাটি জাউ খাওয়া যাক।
আরেক গ্লাস 'কানযাকে' হবে?
আচ্ছা, এক্ষুনি নিয়ে আসছি।
আমার খাওয়া শেষ। ধন্যবাদ।
ওখানে রাখো।
ধন্যবাদ।
বেশ জলদি খায় ছেলেটা।
তাই না কি?
দুপুরের খাবারটা সুস্বাদু ছিলো। ধন্যবাদ।
আমি একটু ঘুমিয়ে নিতে পারি?
অবশ্যই, অনেক পরিশ্রম হয়েছে তো।
দেখে চলো।
কী ঠান্ডা!
হুম, খুব ঠান্ডা!
এখন কথাবার্তা বলে অনেক ভালো লাগছে।
অনেকদিন পর আমরা এমনভাবে কথা বললাম।
আচ্ছা, এই ব্যাপার না কি?
হ্যাঁ, হ্যাঁ। অনেকদিন পর আমাদের দেখা হলো।
কোহাচি-সান, তুষার পরিস্কারের প্রস্তুতি নিতে আমাকে সাহায্য করতে পারেন?
তুষার পড়বে না কি?
মনে হচ্ছে পড়বে।
শীতটা বেশ দীর্ঘ হবে।
আশা করি তারগুলো আর ছিঁড়ে যাবে না।
মিকোতো, আওইয়ের রুম গুছানো আছে। তুমি গিয়ে বিশ্রাম নাও।
আচ্ছা।
- বিয়ারগুলো দেখো। - আচ্ছা।
. : : রি ভা র : : .
- আমি সাহায্য করতে এসেছি। - ধন্যবাদ।
হুম...
তুষার পড়ছে।
খুব ঠান্ডা পড়ছে।
আজকে একটা সম্মেলন আছে, জানো?
হ্যাঁ, ইন্টারন্যাশনাল হলে।
শুনেছি স্টেশনের টয়লেটে সন্দেহজনক বস্তু খুঁজে পাওয়া গেছে।
আতঙ্কবাদী হামলার কিছু না কি?
হয়তো...
বাইরের পৃথিবীটা বেশ বিপদজনক।
কিবুনে বেশ শান্ত।
- হ্যাঁ। - ধন্যবাদ।
বসন্তে ফুকা ছুটিতে আসছে, তাই না?
হ্যাঁ।
অবশেষে আমাদের দেখা হবে।
তবে কলেজে ওর বয়ফ্রন্ড হয়েছে শুনলাম।
তাই?
ও বলেছে তাকে না কি বাড়ি নিয়ে আসবে।
সেটা ভালো হবে না?
মোটেও না। জানি না কীভাবে ছেলেটার মুখোমুখি হবো।
মেয়ের বাবা হিসেবে কথা বলবেন।
কিন্তু এটা খুব তাড়াতাড়ি হয়ে গেলো না?
তারা আপনার সম্মতি চায়।
সে কী করে?
- ছেলেটা ওর ক্লাবের জুনিয়র। - ওহ, বয়সে ছোট।
আর কিছু জানি না।
বাহ, দারুণ ব্যাপার।
একসাথে তাহলে ছবি তোলা যাবে।
- কোনো ব্যাপার না। - তাই?
তুমি কেবল তাকে দেখতে চাও?
আমি সাহায্য করতে এসেছি।
ধন্যবাদ।
তুষার পড়ছে।
খুব ঠান্ডা পড়ছে।
দেজা ভ্যু লাগছে। দেজা-ভ্যু একটি ফরাসী শব্দ যার অর্থ হলো ইতিমধ্যে দেখা।
তোমারও মনে হচ্ছে এটা?
আমারও।
ওহ, তাই?
আমরা এই বিষয়ে কথা বলেছি এবং দেখে মনে হচ্ছে জায়গাটা গুছিয়েও রেখেছি...
হ্যাঁ, আমারো তাই মনে হচ্ছে।
এটা আসলেই দেজা ভ্যুর তীব্র অনুভূতি।
আজকে একটা সম্মেলন আছে, তাই না?
হ্যাঁ, ইন্টারন্যাশনাল হলে।
- স্টেশনের টয়লেটে... - সন্দেহজনক বস্তু পাওয়া গেছে।
- তুমি জানো কীভাবে? - মনে হচ্ছে শুনেছি আগেও।
আমারো মনে হচ্ছে বলেছি।
দাঁড়ান, এটা তো দেজা ভ্যুর মধ্যে পরে না।
এটাকে বলে ভবিষ্যদ্দর্শন। ভবিষ্যদ্দর্শন।
কেমন একটা লাগছে।
ফুকার বয়ফ্রেন্ড আছে?
আছে আছে।
ও বলেছে পরেরবার তাকে বাড়িতে নিয়ে আসবে।
তুমি তার ছবি দেখতে চাও, তাই না?
হুম।
আর ফুকার বয়ফ্রেন্ড...
বয়সে ছোট।
এক মিনিট...
হুম...কী হচ্ছে এসব?
এ কী?
ফিরে এলেন কখন?
পলকের নিমিষেই আমরা ফিরে এসেছি।
টেলিপোর্ট হয়ে?
সব দেখে শুনে, তাই মনে হচ্ছে।
আমরা ওখানে বসা ছিলাম, তাই না?
আবার গুছিয়েও রাখা আছে...তাই না?
এটা দেজা ভ্যু না, ঠিক?
এটা ভবিষ্যদ্দর্শন না, তাই না?
- আমরা দুবার ওখানে বসেছি। - হ্যাঁ।
এটা নিয়ে তৃতীয়বার, তাই না?
কী হয়েছে?
মনে হয় সময় পেছনে চলে গেছে।
অতীতে?
আমরা দুবার ওখানে বসে কথা বলেছি।
- এটা নিয়ে তৃতীয়বার। - আমরা অতীতে চলে গেছি।
কেন?
অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে।
হট ওয়াইন আবার জারে ফিরে গেছে।
ফিরে গেছে।
আমি ওয়াইনটা গরম করে পাত্র থেকে ঢেলেছিলাম।
কিছুক্ষণ পরে তা আবার পাত্রে ফিরে গেছে।
ওয়াইনটা ঠান্ডা হয়ে গেছে, এটা দেখে আমার ভয় লাগছে।
তোমাদের সাথে অদ্ভুত কিছু ঘটেছে?
মনে হচ্ছে সময় পেছনের দিকে যাচ্ছে...
- এটা কি কোনো চক্র? - চক্র?
সময় মনে হচ্ছে রান্নাঘরেও চক্রাকারে পরিভ্রমণ করছে।
যতবারই থালাবাসন পরিষ্কার করি না কেন, আবার নোংরা হয়ে যাচ্ছে।
হয়েই চলেছে।
তাই?
এখানেও কি একই ঘটনা?
এটাই ঘটছে সম্ভবত।
সবার সাথেই কি এমন ঘটছে?
ব্যাপারটা কী?
শুনছেন, অদ্ভুতুড়ে ঘটনা ঘটছে...
সুগিয়ামা-কুনকে দেখেছো? আমি সমস্যায় পড়েছি।
হেই, হেই...
কেন? কেন আমরা আবার ফিরে এলাম?
আমরা উপরতলায় ছিলাম এবং মাত্র দেউড়িতে বসে কথা বলছিলাম, তাই না?
চিনো-সান, শান্ত হও।
এখনো হট ওয়াইন গরম হয়নি কেন?
এ কি স্বপ্ন? এটা স্বপ্ন...
চিনো-সান, ঠিক আছো?
কতক্ষণ চলবে এমন? সবসময় কি আমি এই সময়ে ফিরে আসবো?
চিনো-সান!
এটা না...আমার বোধগম্যতার বাইরে।
আমি ব্যস হট ওয়াইন তৈরি করছি। কেন এই চক্রটা...
চিনো-সান!
হা...যাই হোক, আতঙ্কিত হয়ো না।
- ঠিক আছো, চিনো-সান? - হট ওয়াইন রেডি হয়েছে।
এটাকে নামানোর মানে নেই, আবার এখানেই তো ফিরে আসবো।
কিন্তু...
বাদ দাও। এখন আর হট ওয়াইন নিয়ে ভাবতে হবে না।
আর হট ওয়াইন তৈরি করা যাবে না।
কারণ অতিথিরাও সমস্যায় পড়েছে।
গিয়ে তাদের শান্ত করো।
শান্ত করো তাদের।
চিনো-সান।
আরে, ঠিক আছেন?
আমরা এমন কঠিন পরিস্থিতিতে হরহামেশাই পড়ি।
যখন বৃষ্টি হয়, আমরা নদীতে বাঁধ দিই।
যখন তুষারপাত হয় এবং বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়, আমরা মোমবাতি জ্বালিয়েও আমাদের হোটেল খোলা রাখি।
কিবুনে এমন একটা জায়গা যেখানে আমরা প্রকৃতির বিরুদ্ধে লড়তে পারি...
এবং অতিথিদের মনোরঞ্জন করতে পারি।
তাই আমরা অতীতে ফিরে গেলে কী হয়েছে?
এটা কেবলই একটা চক্র, তেমন বড় কিছু না, বুঝলে?
এর আগে একটা বন্যায় আমাদের সরাইখানা ভেসে গিয়েছিলো।
নদীতীরের পাশের মনোরম পরিবেশের স্মৃতিকে সাজিয়ে দেয়ার ধারনা থেকেই কিবুনের জন্ম।
এই উদ্যোগের অভিপ্রায়ের সাথে লেগে...
স্যরি, আমি তো বেশি বলে ফেলেছি।
না, সমস্যা নেই…
অতিথিদের সেবা করো।
আমি মূল ভবনে গিয়ে বিষয়টা আলোচনা করি।
আচ্ছা।
আমি 'মমিজি রুম'-এ গিয়ে দেখি, তুমি 'হোতোতোগিসুতে যাও।
জি।
চিনো-সান, এখন শান্ত হয়েছো?
কিছুটা।
হোতোতোগিসুর এখন কী অবস্থা?
হট পট দিয়ে এসেছি এবং আমাকে আরেক গ্লাস 'কানযাকে' আনতে বলেছে।
- আপনারা ঠিক আছেন? - ঠিক আছি, ঠিক আছি...
মাফ করবেন।
না, জাউটা কেমন যেন।
No comments yet. Be the first to leave one.