முதல் 170 வரிகள்.
অনুবাদ ও সম্পাদনায় ❝ শান্ত কুমার দাস ❞
মারাত্মক এবং রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের মাধ্যমে,
রাজা ওডিন অ্যাসগার্ডের সিংহাসনের অধীনে নয়টি বিশ্বকে একত্রিত করতে চেয়েছিলেন।
এই সাম্রাজ্য গড়ে তোলার জন্য তাঁর জয়ের প্রধান অস্ত্র ছিলো, তাঁর জল্লাদ...
এবং তাঁর জ্যেষ্ঠা কন্যা, হেলা, মৃত্যুর দেবী।
বিশ্ববৃক্ষের একের পর এক শাখা তাদের শাসনের অধীনে চলে এসেছিলো।
কিন্তু হেলার ক্ষুধা এতে মেটেনি।
দেখতে পাচ্ছো না?
সমগ্র মহাবিশ্ব আমাদের দ্বারা আধিপত্যের জন্য অপেক্ষা করছে।
আর তাও তুমি নয়টি রাজ্য জয় করেই থামতে চাও।
এমন একটা সময় আসে, মা,
যখন একজন যোদ্ধার তার তলোয়ার নামিয়ে রেখে যুদ্ধ সমাপ্ত করে দিতে হয়।
আর আমি যদি না মানি।
তোমাকে বাধ্য করা হবে!
ওডিন তার মেয়ের রক্তের তৃষ্ণা মেটাতে অক্ষম হন,
তখন অলফাদার তাকে নরকে বন্দী করে আটকানোর সিদ্ধান্ত নেন।
কিন্তু এই বিশ্বে,
হেলার অহংকার ওডিনকে অন্যকিছু ভাবতে বাধ্য করেছে।
ক্ষমা করো। তোমার কথায় হাসি পেলো।
তুমি চাচ্ছো যেন আমি যুদ্ধ বন্ধ করি,
এবং যুদ্ধের জন্যই তুমি আমাকে পালন করেছো।
দেখো বাবা, যুদ্ধ ছাড়া আমি মূল্যহীন।
- না! - আমার প্রিয় কন্যা।
এমন কোনো দেবতার মৃত্যুর উপর কর্তৃত্ব থাকা উচিত নয় ...
যখন কি না সে জীবনের সামান্যতম মূল্য দেয় না!
কী...
এখন আমি তোমার থেকে তোমার ক্ষমতা কেড়ে নিচ্ছি!
বাবা, তুমি আমার সাথে এটা করতে পারো না! তুমি এটা কোরো না!
আমার পিতা,
এবং পিতামহকে সাক্ষী রেখে,
না, না।
...তোমাকে নির্বাসিত করলাম!
না! না!
যে এই মুকুট পরবে, যদি তার অন্তরে করুণা থাকে,
সে হেলার ক্ষমতা লাভ করবে।
মাস্টার ওয়েন-উ।
আমরা খুঁজে পেয়েছি।
টেন রিংসের মতো, যা তাকে দান করেছিলো অপার ক্ষমতা,
শু ওয়েন-উ ও ভালো করে জ্ঞাত ছিলো যে...
পৃথিবীর সবচেয়ে ওজস্বল শক্তিগুলো প্রায়শই আসে পৃথিবীর বাইরে থেকে।
কাল।
স্থান।
রিয়েলিটি।
এটা স্রেফ একটা সরলরৈখিক পথ না।
এটা অনন্ত সম্ভাবনার এক জটিল জগত,
যেখানে একটা সিদ্ধান্ত জন্ম দিতে পারে অসীম রিয়েলিটির,
সৃষ্টি হতে পারে তোমাদের পরিচিত জগত থেকে ভিন্ন অল্টারনেট সব জগত।
আমি দ্যা ওয়াচার।
এই সুবিশাল নতুন রিয়েলিটিসমূহে আমি তোমাদের পথ দেখাবো।
আমার সাথে থাকো আর নিজেকে প্রশ্ন করো...
"কেমন হতো যদি...?"
বর্ষা।
সৃষ্টির এক অলৌকিক ঘটনা, যা গগনকে নামিয়ে আনে ভূমিতে।
কিন্তু ওয়েন-উ আবিষ্কার করতে চলেছিলো...
এমন এক বিষ্ময়কর মানবীকে, যার স্বর্গ থেকে পতন হয়েছে এই ধরাধামে।
- ওটা কী? - কে..
- কে ওখানে? - দাঁড়াও।
মিডগার্ড, সুন্দর।
আমাকে আর মুকুট এনে দাও।
দুর্ভাগ্যবশত, এখানে কেবল আদেশ চলে...
আমার।
আমি সেই পুরুষদের করি যার গহনা পরতে ...
যথেষ্ট সাহস রাখে।
বেশিরভাগ মানুষ আমাকে ভয় পায়।
আমার ক্ষেত্রেও একই। কিন্তু আমি সেই বেশিরভাগ মানুষের মতো নই।
মৃত্যুর দেবী আমি।
এটা শুনে প্রতিক্রিয়া দেখার মতো হওয়ার কথা।
কী--
তাকে নিয়ে চলো।
ওহ, এবার জমবে খেল।
কী? ওহ, না।
মানুষের রক্ত?
জঘন্য।
না, এমন কোরো না। তোমাদের কাছে মিনতি করছি, আমার প্রতি দয়া করো।
আমি একজন অসহায় নারী মাত্র।
এটা কী?
এই শক্তি, এটা তো এই রাজ্যের না।
তুমিও এখানকার নও।
যদি আমার মাথায় মুকুট থাকতো
তবে আমার সামনে তোমাকে নতজানু হতে হতো।
তাহলে আমাকে দেখাও।
কী?
হ্যাঁ, আমাকে বলতেই হচ্ছে,
আমাকে সেই জায়গায় ছেড়ে দেয়া যেখানে কি না তোমার মারণাস্ত্র সঞ্চিত আছে,
সেটা সাহসীকতা না কি বোকামি তা আমি ঠিক বুঝতে পারছি না।
মুকটটা ধারন করো, তাহলেই আমরা বুঝতে পারবো।
হ্যাঁ, দুটোই। তোমাকে সাহসী আর বোকা দুটোই লাগছে।
হ্যাঁ। এটা... এটা আসলে...
হ্যাঁ। আসলে...এটা এখানে অনেকটা আটকে গেছে, তাই না?
মিডগার্ডে মাধ্যাকর্ষণ কীভাবে কাজ করে...
কী জানো? এটা তেমন গুরুত্বপুর্ণ নয়।
বাবা, আমার সাথে এমনটা কোরো না।
তাকে আমরা মৃত্যুদণ্ড দেবো?
এটা কী?
নিমন্ত্রন। তুমি আমার সাথে ডিনার করলে আমি সম্মানিত হবো।
আমি ভেবেছিলাম আমাকে আরও কঠোর নির্যাতন করা হবে।
আচ্ছা, রংটাও খারাপ না।
অন্তত যখন তোমার গলা কাটবো, তোমার রক্তের দাগ লাগবে না এতে।
ওহ।
কিছু লোকের জন্য, লাল হচ্ছে সৌভাগ্যের রং।
এমনকি নববধূরাও তাদের বিয়ের দিনে এই পোশাক পরে।
বিয়ের দিন?
বুঝতে পারিনি যে তুমি আমার কারাদণ্ডকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে পরিণত করতে চাও।
আমি বিয়ের প্রস্তাব দিচ্ছি না,
বরং মৈত্রীর প্রস্তাব দিচ্ছি।
আমি তোমার মধ্যে এক যোদ্ধাকে দেখি, হেলা। ঠিক আমার মতো।
আমার বাবাও একই জিনিস দেখেছিলো একদা। সেই লড়াইয়ের চেতনা।
সে এটা লালন-পালন করেছে, একে ব্যবহার করেছে,
তারপর যখন আমার উচ্চাকাঙ্ক্ষা তাকে ছাড়িয়ে গেছে,
সে আমাকে দানব বলেছে।
আর একদিন, তুমিও একই কথা বলবে।
না।
কারণ আমি তোমার বাবা নই।
এই টেন রিংস হলো এক উপহার...
যা আমার উপর বর্ষিত হয়েছে।
আর তার বিনিময়ে আমি এই পৃথিবীকে একটা উপহার প্রদান করছি।
জনগণের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে?
তাদের রক্ষা করে।
আমাদের পৃথিবী বিপজ্জনক শক্তিতে পূর্ণ।
এই কারণেই কি আমাকে কারাবন্দী করেছো?
কারণ আমি আরেকটা বিপজ্জনক শক্তি?
হয়তো তোমার বাবা তোমার ভেতরে থাকা যুদ্ধের তৃষ্ণায় ভীত, কিন্তু আমি নই।
আমার সাথে লড়ো, হেলা,
এবং একসাথে, আমরা এই পৃথিবীকে রক্ষা করতে পারবো।
তুমি খুব আত্মবিশ্বাসী, আমাকে এটা স্বীকার করতেই হবে।
আমি ভাবতে পছন্দ করি যে আমি জানি আমি কী চাই।
আর কী চাও তুমি?
কী জানো, অচেতন অবস্থায় তোমাকে অনেক সুন্দর দেখতে লাগে।
সুন্দর স্বপ্ন দেখো।
আমার তাকে জীবিত চাই।
এখন আবার কী?
অদ্ভুত তো তুমি।
কী? তুমি এখান থেকে বেরোনোর উপায় জানো?
ওহ, স্যরি। এটা কি তোমার...
স্যরি। ভেবেছিলাম তোমার মুখোমুখি কথা বলছি।
আমরা ওই তারাগুলোকে অনুসরন করবো নর্স দেশে যেতে।
ওখানকার লোকেরা এখনো অ্যাসগার্ডের সিংহাসনের অধীনে আছে।
এই যাত্রা বহু বছর স্থায়ী হবে।
তবে যদি আমার আদেশে লড়াইয়ের জন্য ...
প্রস্তুত যোদ্ধাদের উপস্থিতি সম্পর্কে তোমার জ্ঞান না থাকে...
আমি মনে করি তুমিই প্রথম আমড়া কাঠের ঢেঁকি নও যাকে আমি যুদ্ধে অনুসরণ করছি।
তুমি আমাকে আশ্বস্ত করেছিলে যে আমি যা চাইছি তা এই উপত্যকার ওপারে,
আর এখন আমাদের সামনে আর কোনো পথ নেই।
বনে?
দুর দুর মাইল অবধি কোনও সভ্যতা নেই।
চমৎকার।
আচ্ছা, আমি মুগ্ধ হয়েছি স্বীকার করছি,
কিন্তু তোমার এই পথে যদি সফল না হই,
তবে তোমার পাছা লাল করে দেবো।
কিংবা তোমার মুখ, যাই হোক এটা।
হয়তো দুটোই।
"পালাও"? এই "পালাও" বলতে কী বুঝাতে চেয়েছো? কীসের থেকে পালাবো?
আমি ১০০০ বছরের যুদ্ধে বেঁচে যাইনি শুধু কিছু গাছের হাতে মরার জন্য।
সামনে যাবো? সামনে তো কোনো পথ নেই।
ওহ, স্যরি। আমাকে এমন একটা মনোমুগ্ধকর খুনে বনে...
নিয়ে আসার পর বলছো তোমাকে বিশ্বাস করতে?
সেই শক্তি।
কী অপেক্ষা করছে এখানে আমাদের জন্য?
হেলা...
শুনলে?
সামনে আসো!
তোমাকে আদেশ দিচ্ছি।
হেলা।
আমার দৃষ্টি থেকে অদৃশ্য হয়ে গেছে সে।
কোথায় এটা?
আমি জি-য়াই।
আমি টা-লো'র এল্ডার কাউন্সিলের প্রতিনিধিত্ব করি।
- আমি হেলা... - আমরা জানি তুমি কে।
তোমার সঙ্গী আমাদের সব বলেছে।
আমার জানা ছিলো না যে এই ধরনের জাদু এখনো মিডগার্ডে বিদ্যমান।
No comments yet. Be the first to leave one.