Mistari 200 ya kwanza.
খুব সাধারন একটা গল্প এটা...
কিন্তু খুব সহজে বলার মত নয়
কল্পগল্পের মত, এখানে দুঃখ আছে...
আর আছে আনন্দ ও বিস্ময়ের পরিপূর্ন ছোঁয়া
Arezzo, Italy, 1939
এই পথ যদি না শেষ হয়...
মনে কি তখন পাবে ভয়
আছে গাড়ি, তাতে দেব পাড়ি
নির্জন পথ বাহারী...
কপালে থাকলে খারাপি
কিভাবে সেটা এড়াবি
মাথায় যদি পড়ে বাজ
ব্রেক যদি না'ই করে কাজ...
ব্রেক কাজ করছে না!
শুনলাম তো!
- না, আসলেই নষ্ট হয়ে গেছে! - ব্রেক চেপে ধর!
তুমি কি কবিতা আউড়াচ্ছিলে না?
এটা কাজই করছে না!
ব্রেক!
আজ জীবন শেষ! জঙ্গলে নামাও!
ব্রেক!
মহারাজা আসছেন!
এইতো এসে গেছেন!
সামনে তো প্রচুর লোক সমাগম. সোজা!
আমাদের ব্রেক নষ্ট!
আমরা ব্রেকফেল করেছি! সরো সবাই!
LIFE IS BEAUTIFUL
তুমি গিয়ে হাঁটাহাঁটি কর
না হলে আগামীকালও আমরা পৌছুতে পারবোনা
স্ক্রুটা খুঁজে পেয়েছি
এখন আর কী চাই তোমার?
কিছুই না. এখন শুধু দশটা মিনিট একা থাকতে চাই
আচ্ছা, তুমি থাক একা পড়ে
সামনে থেকে কোন স্ক্রু চাই?
না, একটু একা কাজ করতে চাই রে বাপ
অন্য কিছু লাগবে?
আচ্ছা, আমি হাত ধুয়ে আসছি
গোলাপি কইন্যা! কী অবস্থা?
কী করছ তুমি?
তোমার মা কি এখানে এগুলো রেখেছে?
না, বাড়ির মালিক রেখে গেছে
দোকান নাকি? দারুন পসরা তো
দাম কত এটার? বয়স কত তোমার? তোমার মা কোথায়?
- তোমার নামটা যেন কী? - Eleonora
কথা বলে খুব ভালো লাগলো, আমি রাজপুত্র Guido
রাজপুত্র?
হ্যাঁ, ঠিক তাই, আমি একজন রাজপুত্র!
আর এই পুরো সম্রাজ্যই আমার
এই পুরো এলাকা...
সব কিছুই বংশ পরিক্রমায় আমার
আমি এই এলাকার নাম পাল্টে রাখব আদ্দিস আবাবা! সব পাল্টে দিব আমি.
গরুর জায়গায় উট নিয়ে আসবো!
উট?
এমনকি কিছু জলহস্তীও!
আমার যাওয়া উচিত. এক শাহাজাদির সাথে আমার দেখা করার কথা
- কখন? - এখনই!
খোশ আমদেদ শাহজাদি!
কী ভয়ংকর ব্যাপার! আরেকটু হলেই গিয়েছিলাম. আপনার লাগেনি তো?
এটা কোন ব্যাপারই না
আপনি কি ঘর থেকে সবসময় এভাবেই বের হন?
আসলে মৌমাছির চাক পোড়াতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আচমকা একটা এসে হুল ফুটিয়ে দিল
মৌমাছি হুল ফুটিয়েছে? এখানে? দেখি তো
একটুও নড়বেন না রাজকুমারী
হুলের বিষ খুবই ভয়ংকর জিনিস
এটাকে বের করে ফেলাই উচিত
- শুয়ে থাকুন, একটু সময় লাগবে. - এখন সব ঠিক আছে, ধন্যবাদ
- অন্য কোথাও হুল বিধেনি তো? - না, ধন্যবাদ
জায়গাটা চমৎকার! এক কথায় বিস্ময়কর!
হাওয়ায় কবুতর ভাসে, আকাশ থেকে টুপ করে রমণী পড়ে. মন চায় এখানেই থেকে যাই!
সে এখানকার রাজকুমার! সে এখানে গরুর জায়গায় উট নিয়ে আসবে!
আসলেই তাই!
শাহাজাদা Guido, আপনার সেবায় নিয়োজিত শাহাজাদি
আসছি আমি!
তাহলে আসি
কী ভাবে যে আপনাকে ধন্যবাদ দিব?
কোন দরকার নেই
যদি ধন্যবাদ দিতেই চান...
সেই সুবাদে কিছু ডিম নিয়ে যাই, অমলেট বানিয়ে খাওয়ার সময় আপনার স্মৃতি চারনের জন্য
যা ইচ্ছা নিতে পারেন, আমি খুশি হব!
ধন্যবাদ!
দুইটা নিলাম... ছয়টা. ঠিক আছে? খুব যত্ন করে একটা অমলেট বানাবো
বিদায়, Eleonora! খোশ আমদেদ শাহাজাদি
বিদায়l
এই যে আমি এসে গেছি, Nuvolari! রাতের জন্য ডিম নিয়ে এসেছি!
এখানেই সব উট এনে রাখবো!
- কোথায় সেই ঘর? - বামে যাও, এসে গেছি প্রায়
তোমার চাচা কি আমাদের সাথে ঘুমোবে?
কী? ত্রিশ বছর ধরে সে হোটেলেই থাকে. সে সেখানকার হেড ওয়েটার...
ঘরটা সে আমাদের ভাড়ায় দিচ্ছে. সে এটাকে গুদাম হিসেবেই ব্যাবহার করে
এইযে, এসে গেছি
এটা হচ্ছে রবিন হুড, চাচার ঘোড়া
ওটা হচ্ছে চাচার ঘর,
আর ঘরের ভিতর আছে আমার চাচা
হ্যালো চাচা, আমরা এসে গেছি! চল দেরি হয়ে গেছে
আসলে গাড়ি খারাপ হয়ে গিয়েছিল!
আঙ্কেল Eliseo!
- জানোয়ার! - ওরা কারা?
- কেউ না, জানোয়ার. - সাহায্য চেয়ে চিৎকার করেন নি কেন?
নীরবতাই আত্মরক্ষার মুল কৌশল
ও ই কি তোমার কবি বন্ধু?
আমার নাম Ferruccio. আমি কাঠের কাজও জানি
তোমাদের এখানেই থাকতে হবে. ঘরটা আসলে পুরোনো জিনিসে ঠাসা
ঘর যেমন পুরোনো, জিনিসপত্র গুলোও পুরোনো!
এত হাবিজাবি কেন?
যতদিন ইচ্ছা এখানে থাকতে পারো. ওয়েটার হওয়া এত সহজ না
বিছানাটা এখানে. এ বিছানাতেই সম্রাট আকবর ঘুমোতো
জিনিস যতই পুরোনো হোক না কেন এর আলাদা দাম আছে
জানোয়ার
এখানকার টাউন হল পাশেই, চমৎকার জায়গা
এই হল বাথরুম,
এখানে কিছু বইও আছে, বিখ্যাত সব লেখকদের লেখা
রান্নাঘরটা সেখানে. ঘুরে বেড়াবার জন্য একটা সাইকেলও আছে
আমাকে হোটেলে ফিরতে হবে, চাবি একটাই, আবার হারিয়ে ফেলো না
কথা বলে অনেক ভালো লাগলো!
আমি আসছি, Robin Hood!
চাচা বটে একখান!
দেখ কী অবস্থা!
তোমাকে বলেছিলাম না? আমরা এখন শহরে, তোমার যা মন চায় কর
আমরা এখন মুক্ত, যা মন চায় তা ই করতে পার এখন
দৌড়াইতে মন চায়? চিল্লাইতে মন চায়? জোরে চিল্লাও!
আরে থামো! পাগল হয়ে গেলে নাকি?
আমরা এখন শহরে. এখানে গাইয়াদের মত আচরন করো নাতো!
তিন ঘন্টা ধরে পাগলের মত চিল্লাচ্ছো! বন্ধ কর!
মেরি! চাবি!
দেখলে? চিল্লাইলে এভাবে চাবি ছুড়ে মারবে
বুঝলে? কবিতা নিয়ে আজগুবি চিন্তা বাদ দাও...
তাহলেই একমাত্র তোমার বাবার থেকেও বেশি টাকা কামাতে পারবে
ঠিক বলেছেন, Oreste, আমিও তাকে একথাই বলেছি:
নিজ পায়ে দাড়াতে হলে টাকা কামাতে হবে!
দারুন ক্যাপতো! কেমন লাগছে দেখতে?
- দারুন? কেমন লাগছে দেখতে? - দারুন, কিন্তু ক্যাপটা আমার
আমি কাজে লাগবো কখন?
লাগার কথাতো অনেক আগেই ছিল! ঐ যে!
চেয়ারটা ল্যাবরেটরিতে নিয়ে যাও
- অইটা? - হাঁ, সাবধানে নিও!
আচ্ছা, আমি টাউন হল যাচ্ছি. বিদায়
বিদায়, আর ভালো হতে পয়সা লাগে না
কারন সময়টা এখন খারাপ...
খারাপ, অনেক খারাপ সময়!
আসলেই খারাপ নাকি?
কেন? জার্মান কি আমাদের আক্রমন করবে?
Benito! Adolph! ফাজলামো বন্ধ কর!
কী বলছিলে তুমি?
বলছিলাম... সময়টা কেমন যাচ্ছে?
আচ্ছা আসি তাহলে
করছ কী তুমি, পায়াটা ভাঙবে তো!
বায়!
মদন বানিয়ে গেলো. বদমাশটা আমার ক্যাপ নিয়ে ভেগেছে
Benito, চটকনা খাবি বলে দিলাম!
বইয়ের দোকান খোলার জন্য আমার একটা লাইসেন্স লাগবে
- খুব বেশি সময় লাগবে কি? - এই ধরেন বছর খানেক
তাহলে এখনই ফাইল তৈরি শুরু করে দিন
প্রথমেই আপনার আবেদন পত্রে অফিসারের স্বাক্ষর লাগবে
সেক্ষেত্রে আসলে...
আরেকটু হলেই ডিমগুলো ভাংতো! গতকাল থেকেই পকেটে নিয়ে ঘুরছি!
আমিতো ভুলেই গিয়েছিলাম. ভাগ্যিস একটাও ভাঙেনি
আপনি ফর্মটা পুরন করুন, আমি Guido Orefice...
- আবেদন করছি যেন... - অফিসার এখন স্বাক্ষর করতে পারবেন না!
কী হচ্ছে এখানে?
একটা বইয়ের দোকান খোলার জন্য আপনার একটা সাক্ষর লাগবে
- কী হচ্ছে এসব? - Mr. Rodolfo, আমি তাকে বলেছি
- একটা মাত্র স্বাক্ষর. - না, আমি এখন পারবোনা
এক ঘণ্টা পর আমার সহকারী আসবে, তাকে বলো
- শুধু একটা স্বাক্ষর মাত্র. - ১টায় এই অফিস বন্ধ হয়ে যায়!
এখনতো দশ মিনিট বাকি
মন চাইলে আমার নামে অভিযোগ পত্র লিখ!
তিনি এমন জাঁদরেল কেন!
একটা কাগজে একটা দস্তখত করতে এত গড়িমসি!
এখন ঐ সহকারীর জন্য একটা ঘণ্টা বসে থাকতে হবে
তার নামে আমি আসলেই অভিযোগ করব, লিখুন: আমি Guido Orefice অভিযোগ করছি...
ফাটাফাটি নিশানাতো!
আপনার কি লেগেছে খুব? আমি সাহায্য করছি
আসলে, এটা আমি ইচ্ছে করে করিনি
আমাকে ছুবে না!
সাত জনমেও তোমার বইয়ের দোকান খোলা হবে না!
না, আমার ডিম গুলো...
শালা বদমাশ, তোরে আমি খাইছি!
রাস্তা থেকে সরে যাও!
খোশ আমদেদ শাহাজাদি
আমাদের কপালে মনে হয় সব সময় এই রকম ধাক্কার সাক্ষাতই লিখা!
মাফ করবেন, আমি একটু তাড়ায় আছি
বিদায় শাহাজাদি!
- মুরগী. - খুবই সহজ
এটা পুরো প্লেটে সাজানো হয়
এটা কি কেটে দিব? অবশ্যই
পাখনার এখান থেকে সুন্দর করে কেটে...
তাতে সস মেখে
টুকরো গুলো সামনে পরিবেশন করা হবে
চামড়াতো আগে থেকেই ছোলা থাকবে
লবস্টার
এত সহজ প্রশ্ন করে কেউ, Eliseo চাচা
পায়ের নিচ দিয়ে পাখনা গুঁজে...
পা গুলো ছাড়াতে হবে, আর তারপর...
তা হয়ে যাবে একটা মুরগী
ভেতরে মসলা ঢুকানো...
পরিমান মত
আর মুরগীতে যে স্বাদ, তা লবস্টার কোথায়?
এজন্যই বলি, মুরগী খান...
সেটা লবস্টার থেকে অনেক সুস্বাদু
তাই সেটা কেউ খেতেও চাইবে না
No comments yet. Be the first to leave one.