Mistari 198 ya kwanza.
সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি লাভারদের সাদর আমন্ত্রণ আমাদের ফেসবুক পরিবারে:
"ব্লকবাস্টার সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি লাভারস বাংলাদেশ গ্রুপ"
সা ☺
সাব ☺
সাবটা ☺
সাবটাই ☺
সাবটাইটে ☺
সাবটাইটেল ☺
সাবটাইটেল রূ ☺
সাবটাইটেল রূপা ☺
সাবটাইটেল রূপান্ত ☺
সাবটাইটেল রূপান্তর ☺
সাবটাইটেল রূপান্তর ও ☺
সাবটাইটেল রূপান্তর ও স ☺
সাবটাইটেল রূপান্তর ও সম্পা ☺
সাবটাইটেল রূপান্তর ও সম্পাদ ☺
সাবটাইটেল রূপান্তর ও সম্পাদনা ☺
সাবটাইটেল রূপান্তর ও সম্পাদনায় ☺
সা বটাইটেল রূপান্তর ও সম্পাদনায় ☺
সাব টাইটেল রূপান্তর ও সম্পাদনায় ☺
সাবটা ইটেল রূপান্তর ও সম্পাদনায় ☺
সাবটাই টেল রূপান্তর ও সম্পাদনায় ☺
সাবটাইটে ল রূপান্তর ও সম্পাদনায় ☺
সাবটাইটেল রূপান্তর ও সম্পাদনায় ☺
সাবটাইটেল রূ পান্তর ও সম্পাদনায় ☺
সাবটাইটেল রূপা ন্তর ও সম্পাদনায় ☺
সাবটাইটেল রূপান্ত র ও সম্পাদনায় ☺
সাবটাইটেল রূপান্তর ও সম্পাদনায় ☺
সাবটাইটেল রূপান্তর ও সম্পাদনায় ☺
সাবটাইটেল রূপান্তর ও স ম্পাদনায় ☺
সাবটাইটেল রূপান্তর ও সম্পা দনায় ☺
সাবটাইটেল রূপান্তর ও সম্পাদ নায় ☺
সাবটাইটেল রূপান্তর ও সম্পাদনা য় ☺
সাবটাইটেল রূপান্তর ও সম্পাদনায় ☺
সাবটাইটেল রূপান্তর ও সম্পাদনায় ☺ ফিহাদ আর-রহমান ☺
সাবটাইটেল রূপান্তর ও সম্পাদনায় ☺ ফিহাদ আর-রহমান ☺
সাবটাইটেল রূপান্তর ও সম্পাদনায় ☺ ফিহাদ আর-রহমান ☺
সাবটাইটেল রূপান্তর ও সম্পাদনায় ☺ ফিহাদ আর-রহমান ☺
সাবটাইটেল রূপান্তর ও সম্পাদনায় ☺ ফিহাদ আর-রহমান ☺
সাবটাইটেল রূপান্তর ও সম্পাদনায় ☺ ফিহাদ আর-রহমান ☺
সাবটাইটেল রূপান্তর ও সম্পাদনায় ☺ ফিহাদ আর-রহমান ☺
সাবটাইটেল রূপান্তর ও সম্পাদনায় ☺ ফিহাদ আর-রহমান ☺
হায় হায়! দেখো...
- কী হয়েছে? - একটা সবুজ গাড়ি ঢেক্কা মারছে, স্যার।
নাম্বার দেখেছেন তো?
- দূরে ছিল, দেখতে পারিনাই। - হায়রে! অনেক রক্ত পড়তেছে।
- তুলুন, তুলুন। - আমি আমার অটো আনতাছি।
- মধু, আমি আসতেছি। - ওর ফ্যামিলিকে জানিয়ে দিচ্ছি...
মারবো এক থাপ্পড়! লাল বাতি জ্বলে আছে দেখতেছেন না?
সরি, স্যার। একটু তাড়া-হুরোয় আছি। ইমারজেন্সি, স্যার।... সরি, স্যার।
মা, ইমার্জেন্সি! এক্সিডেন্ট হয়ে গেছে। জলদি আহেন...
থামুন...
- ওনার হাত সরাও। - স্যার, হাতটা ছাড়ুন।
পা...
ইনি আপনার কেউ হয়?
মেয়েটার মা-বাবাকে খবর দাও। ও মারা গেছে। ভেতরে নিয়ে যাও।
স্যার, সোজা গিয়ে ডানে...
স্যার, আমার মেয়ে কই?
- কই ও? - সরি, স্যার। ও আর নেই। - না...
না, ডাক্তার স্যার। আমার মেয়েটাকে বাঁচান।
আমার মেয়েটাকে বাঁচান, স্যার।
আপনার পায়ে পড়তেছি, স্যার।
- স্যার, উঠুন। - আমার মেয়েটাকে বাঁচান...
ঈশ্বর, আমার মেয়েটাকে আমার থেকে নিয়ে যাস না...
চাইলে আমার জান নিয়ে নে... ভবানী, মা আমার!
- স্যার, উঠুন। - আমার দেবীকে নিয়ে যাবেন না...
স্যার, হাত জোড় করতেছি... ওকে বাঁচান।
মেয়েটাকে বাঁচান, স্যার।
ও মা-মরা মেয়ে। ও ছাড়া আর কেউ নেই আমার...
ভবানী, সোনা মা আমার...
কিছুদিন পর...
এ! বাজাতে বাজাতে একে ভূতে ধরলো নাকি?
- যোগী, কে রে এই মিউজিক ডিরেক্টর? - সরি, স্যার।
এ, সিদ্ধার্থ!
গান: Pogum Paadhai কন্ঠ: Uthra Unnikrishnan কথা: Thamizhachi Thangapandian
কল শিটের জন্য ৯০০০ টাকা, সেটা করিসনা, আবার এখানে ভিক্ষা করতে আসছিস!
তোর জন্য আমিও চাকরি হারাবো!
স্টুডিওতে ওইরকম কেন করলি?
থাম!...
মেরে-টেরে পালাবি?
এই!
- দেখতে পাইনি, স্যার... - ছাড় রে...
ছেড়ে দে...
কীসের সরি? ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যাবি?
কীসের সরি? মাফ চাচ্ছিস তুই?
লোকটা মারা গেলে তোর সরি দিয়ে বেঁচে উঠবে?
তোদেরকে রাস্তায় ফেলে রেখে ট্রাক চাপা দেওয়া উচিত!
সর তুই।
সর!
কী হইছে তোর? তোকে ভূত ধরছে নাকি হঠাৎ?
- কেউ একজন রাস্তায় পড়ে আছে... - কেউ একজন না!
মরা মেয়েটার নামও জানিস তুই?
কেউ একজন মেয়েটাকে ধাক্কা দিয়ে গেছে বলে যাকে-তাকে রাগ দেখাবি?
- মেয়েটা... - মারা গেছে! আর ফিরে আসবে না।
যা। দুই বোতল বিয়ার নে।
খেয়ে-দেয়ে বোতলগুলো ভেঙে ফেল, মেয়েটাকেও ছুঁড়ে ফেল।
যা!
এই যে আমাদের জীবন... জীবনের কী অর্থ?
তুই জন্মেছিস কেন?
তুই কলেজে কেন যাচ্ছিস? আমি এখানে কথা কেন বলছি?
ওইতো... যে লোকটা আসছে... ওর গান বাজানোর মানেটা কী?
তো... সিগারেট আছে?
এক মিনিট...
আপনার বাজানো শুনেছি আমি।
স্বর্গীয়! সেটা নিয়েই কথা বলছিলাম।
১০০ টাকার খুচরা আছে?
মদ খাওয়াটা কি ঠিক?
আমার প্রশ্নের কেউ পাত্তাই দেয় না!
- হাই মগেশ! - হ্যালো বলো।
মগেশের মা, লিফ্ট কবে ঠিক হবে?
প্রত্যেকদিনই তো ঠিক করতে আসে। ঠিক তো হয়না!
কেবলই আসলাম। খাইনি এখনও।
কী খাবো সেটাই ভাবতেছি। তখন ফ্রিজে...
এখানেই ওপেনার রাখলাম না?
ফোন রাখো, মা। পরে কথা বলছি।
কে?
এ মগেশ?
কী করিস? ঘুমাসনি?
আয়।
কী দেখতেছিলি?
এ মগেশ?
কেউ দরজায় ঠকঠক করতেছে...
এ, মগেশ! কোথায় গেছিলি?
এই সময়ে গেছিলি কোথায়?
আয়!
তোমার ওখানে গেছিলো?
- আমার দরজায় দাঁড়িয়েছিল, স্যার। - দরজায় দাঁড়িয়েছিল?
- যাই হোক, থ্যাঙ্কস। - ব্যাপার না, স্যার।
মামা!
আমাদেরকে একটু রাস্তা পর্যন্ত ছেড়ে দেবে?
কেন? তুই-ই তো রোজ নিয়ে যাস সবাইকে?
থামলি কেন, বাবা?
এতো তাড়া-হুড়ো করতেছিস কেন?
- ব্যাগ দে! - ভাইজান, ব্যাগ নিয়েন না...
ব্যাগ টানিয়েন না, ভাই।
- এ, কত পাইলি? - এক বোতল হইবো!
আচ্ছা, যেতে দাও...
আবার ঘুইরা আইলো ক্যান?
ব্যাগটা ফেরত দে।
কী? হিরোগিরি?
ভাই, ধরুন তো।
পা ধরে থাক!
ওপরে তোল!
থিলোতমা...
এই থিলোতমা, আয়!
যা! আমি কি বাইন্ধা রাখছি তোরে? যা!
ভেবেছেন আপনার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর কেউ নেই?
কে আছে? কে আইবো?
এ, কী দেখতাছোস? যা!
- ওকে কেন...? - 'ও'?!
- কেডা 'ও'? - আমি ওকে চিনিনা।
ওর লাইগা দরদ উছলাইয়া উছলাইয়া পড়তাছে?
এ মগেশ! একা একা কতক্ষণ খেলবি?
আয়, যাই।
- সিদ্ধার্থ? - মগেশের মা, একটা ওপেনার দিন তো।
- বাড়িটা কবে কিনছিলি? - তিনবছর আগে। কেন?
না... তুই আসার আগে কেউ এই বাড়িতে গলায় দড়ি দিছিলো নাকি?
এটা নতুন বাড়ি রে। আমরাই প্রথম।
কেউ অপূর্ণ আশা নিয়ে আত্মহত্যা করলে...
তোকে এখানে আসতে বলছি যেন আমি সাহস পাই!
ভয় করতেছে রে!
আমি আছি না! ভয় পাস না।
- তুই এক্সেসরিস্ট দেখছিস? - হুম।
ওইটাতে ভূত সিঁড়িতে উল্টো হয়ে আসে...
চুপ করে ঘুমা, নয়তো...
ধাক্কা মারিস না রে...
আমি মারিনাই।
বললাম না ধাক্কাস না?
আমি কই ধাক্কালাম?
- তুই ধাক্কা মারিসনাই? - আমি মারিনাই!
এইদিকে আয়...
আয় আয়...
কারা তোরা? কী করতেছিস রাস্তায়?
স্যার, আমরা ভদ্র ঘরের ছেলে।
...জাঙিয়া পরে?
আমার বাড়িতে ভূত আছে, স্যার।
- হা? - হ্যাঁ, স্যার।
এক্সেসরিস্টে যে উল্টো হয়ে চলে, সেই ভূত?
আমাকে মাতাল পাইছিস?
স্যার, একটু মোবাইলটা দিবেন?
কেন?
বন্ধুকে ফোন করে কাপড় আনতে বলবো, স্যার।
বিশ্বাস করেন, স্যার।
ওখানে আবার কী?
৩০৪, পাগলা-গারদে ফোন করে বল দুইজন পালায়ে আসছে।
স্যার, আমরা ভায়োলিন বাজাই।
- ইলায়ারাজার সুর বাজাই, স্যার। - এখন এইটা!
স্যার, আপনার মোবাইলটা দিন না...
নাম্বার বল।
চা খাওয়া হইয়া গেলে বিদায় হন। আবার পেপার পড়তে বইছেন!
সাংবাদিকরা কী লেখছে জাইনা আমাগো লাভ কী?
নেন। ধরেন!
- ঠিক করা যাবে। - কীভাবে রে?
একটু দাম লাগবে।
টাকা-পয়সা কোনো ব্যাপার না রে। ভূতটাকে দূর করা নিয়ে কথা।
কীভাবে ঠিক করবি রে?
আমালা ওঝা!
৫০,০০০ টাকা এনে টেবিলে রাখ।
No comments yet. Be the first to leave one.