200 rreshtat e parë.
শ্যাডিসাইড, আমেরিকার ছোট একটি শহর।
কিন্তু স্থানীয়দের মতে, কিছু ভয়ানক ঘটনার কারনে এ শহরের অন্য একটা নাম দিয়েছে সবাই
"আমেরিকার খুনোখুনির রাজধানী"
এবং গতকাল রাতে...
...আরেকটা ট্র্যাজেডি ঘটেছে
আমি আছি শেরিফ নিক গুড এর সাথে
শেরিফ, আমাদের কিছু জানাতে পারেন?
উম... এখানে সাতজন ভিকটিম ছিল
এগুলো কোন... কাকতালীয় ঘটনা নয়
ওহ খোদা!
এসব হত্যাকান্ডের সাথে সারাহ ফিয়ারের সংযোগ আছে
১৬৬৬, সারাহ ফিয়ারকে ডাইনি সন্দেহে ফাঁসি দেয়া হয়।
সে সাধারণ মানুষকে সম্মোহন করে খুনি বানিয়ে ছাড়ে!
এই শহরের উপর প্রতিশোধ নেয়ার জন্য।
যাও! যাও!
কিন্তু '৭৮ সালে একজন বেঁচে ফিরেছিল। সে হল সি. বারম্যান...
বাঁচার উপায় তার কাছ থেকেই জানতে হবে।
সব শেষ।
শেষ?
এসব কখনোই শেষ হবেনা,
স্যাম...
ছাড়ো!
আমি তোমাকে সুস্থ করে তুলব।
আমেরিকার খুনোখুনির রাজধানী।
হত্যাকাণ্ডের এক সপ্তাহ পর।
শ্যাডিসাইডের সেই নামটা এখনও স্বমহিমায় উজ্জ্বল।
হ্যালোইনের স্কাল মাস্ক পরিহিত,
শ্যাডিসাইড হাইস্কুল পাশ করা তরুণ, রায়ান টোরেস
এসব নির্মমতার শুরু করেছিল শ্যাডিসাইড শপিং মলে
বেদনায় মুষরে পড়া লোকজন এখন আবার একটা বিভৎসতার সাক্ষী হল।
শেরিফ ডিপার্টমেন্ট যেমনটা জানাচ্ছে, আরো একটা হত্যাযজ্ঞ ঘটেছে ইস্ট ইউনিয়ন হাসপাতালে
পুলিশের ধারণা খুনী মাদকাসক্ত ছিল,
স্থানীয় দুই কিশোর কিশোরী নাম সাইমন আর কেইট,
কে প্রাথমিকভাবে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে।
সর্বশেষ হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে Grab and Bag নামক স্থানীয় একটি গ্রোসারি শপ এ,
গ্রোসারি শপটিতে শেরিফ আশাভঙ্গ আর রক্তের ধারা একসাথেই বয়ে যেতে দেখেছেন।
অনুবাদ ও সম্পাদনায়: Facebook: ফাইয়াজ চৌ
মেজর! আস্তে!
ধুর বাল!
শয়তান, এতো অধৈর্য কেন তুই?
সানিভেইলে মানুষ স্বপ্ন দেখতে পারে,
কয়েক জেনারেশন ধরে এই শহরের বেড়ে উঠা দেখেছে আমাদের পরিবার,
আর এখন শহরের ভার আমার হাতে,
উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া...
...আমি আমার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আরো দুই বছর আপনাদের সেবা করব।
আমি জানি অনেক বাধা বিপত্তি আছে...
আমি সব শুনব..
চলুন একসাথে কাজ করে সানিভেইলকে আরো সমৃদ্ধ করি।
শোন! তুই এখানে থাক। আমরা নিরাপদ থাকব, ওকে?
- নড়াচড়া করলেই মরবে! - দাঁড়ান দাঁড়ান!
থামুন, প্লিজ! প্লিজ! আমরা কল দিয়েছিলাম।
হ্যালো, আমি ডিনা জনসন। আপনি কিভাবে বেঁচে ফিরলেন জানতে চাই।
হেই! আমাদের আক্রমণ করা হয়েছে, বুঝেছেন? খুনিরা আশেপাশেই আছে!
- ফোন ধরুন! আপনার সাহায্য লাগবে! - প্লিজ!
- হ্যালো? - তোমরা এখনো বেঁচে আছো?
সি. বারম্যান...
কি জন্য মরতে এসেছো এখানে?
না!
না! না! তোমরা এখুনি চলে যাও! বুঝতে পারছো না কি করছো তোমরা!
শুনেন! হ্যাঁ, ঠিক।
আপনিই একমাত্র যে বুঝতে পারছে আমরা কিসের মোকাবেলা করছি।
"এটাকে" আমার কাছ থেকে সরাও, "এটাকে" নিয়ে আমার বাসা থেকে বের হয়ে যাও।
ওর নাম স্যাম।
ছয়টার খবরে হয়ত, আমাদের মৃত্যুর খবর দেখতেন আপনি।
কিন্তু দেখেননি,
আমাদের কল ব্যাক করেছেন।
আমি এ বিষয়ে কোন সাহায্য করতে পারবনা!
আপনিই শেষ ভরসা! ডাইনিটা...
না! আমি দুঃখিত!
আমার গার্লফ্রেন্ড কে ডাইনিটা সম্মোহন করায় তাকে ট্রাঙ্কে বেঁধে রেখেছি কিন্তু আপনি.....!
আপনি ডাইনিটাকে দেখেছিলেন এবং এখনো বেঁচে আছেন।
কি এমন করেছিলেন আপনি? প্লিজ..?
হয়ত এমন কিছু আপনার সাথে ঘটেছে, এমনকিছু... যেটা তাকে থামাতে আমাদের সাহায্য করবে।
এমনকিছু নেই! তোমরা একে থামাতে পারবে না।
পালিয়ে যাও, যত দূরে সম্ভব, যত দ্রুত সম্ভব!
বাঁচার একমাত্র উপায় এটাই!
শুনেন, আমি পালাতে পারব না!
দেখুন, স্যাম...
আমি তাকে মৃত্যুর কোলে ফেলে রেখে, চলে যেতে পারব না।
এটা সম্ভব না!
আমি তাকে ভালোবাসি!
প্লিজ!
তাকে কেবল আমার কুকুর এর কাছ থেকে দূরে সরিয়ে রেখো।
ব্যবস্থা করে এসেছি!
তাকে বাথরুম এ বেঁধে রেখেছি। তাই সে , আমার ধারনা,
ওখান থেকে ছুটতে পারবেনা, আমরা নিরাপদ!
হ্যাঁ নিরাপদ!
বসো।
শ্যাডিসাইডে,
অতীত কখনো অপ্রাসঙ্গিক হয়না।
এটা ১২ ই জুলাই ছিল...
'৭৮ সালের গ্রীষ্মের কথা...
ক্যাম্পে আমাদের প্রথম দিন
এক সপ্তাহ পরে আমার বোন মারা যায়
ধুর, বাল, ধুর, বাল, ধুর!
তোকে ফাঁসিতে ঝুলাবো, ডাইনী।
শেষ নিঃস্বাস ত্যাগের পূর্বেই ডাইনিটা..
পেয়ে গেল মৃত্যুকে ফাঁকি দেয়ার পথটা..
হায় খোদা!
কাটার মাধ্যমে তার অভিশপ্ত হাত সে আঁকড়ে রাখে আমাদের ভূমি দিনরাত।
সে উঠে আসে কবরের গভীর থেকে দুষ্ট দাস বানায় ভালো মানুষকে!
"সে তোমাকে রক্তাক্ত করবে, সাথে মাথাটাও যাবে, যতক্ষন না তুমি মরবে, সে পিছু ধাওয়া করবে।"
তাকে উপরে উঠা!
না, থাম! থাম! থাম!
আমাকে নিচে নামা, আবর্জনার দল! আমাকে নিচে নামা!
- আচ্ছা, আচ্ছা! কি পেলাম এগুলা? - শালী চোর!
না। না, সে চোর না।
তাকে ডাইনীটা সম্মোহন করেছে।
তার উদ্ভট আচরনের এটাই একমাত্র ব্যাখ্যা।
মারা খা তুই!
এখন সমান সমান হয়েছে।
তুই জানিস তারা সারাহ ফিয়ারের সাথে কি করেছিল?
তারা তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছিল
ঠিক এই গাছটা তে।
ডাইনি দের সম্পূর্ণরুপে মারতে হলে একটা কাজ করাই লাগে...
তাদের পুড়িয়ে দেয়া!
- তোর লাইটার টা দে! - কি?
দে আমাকে!
তার পা গুলো ধরে রাখ!
শিলা, আসলেই এটা করবি?
ধর!
না, না, না! থাম! থাম! থাম! থাম! থাম!
- চুপ কর, ডাইনী! - শিলা! তোর বিষয়টা সবাই বুঝেছে!
- না! না! - শীলা! মাত্র দশটা ডলারই তো!
আমরা আসলেই এটা করব?
- শীলা! - না, না, না!
শীলা!
- খাইছে! উইল, তোর ভাই! - এসব কি হচ্ছে এখানে? ওকে নামাও!
নিক, তোকে বুঝিয়ে বলি...
ওকে নামা, উইল! খোদার কসম, আমি আম্মুকে বলে দেব।
আমি কেবিনে ফিরছিলাম, গিয়ে দেখি দরজা খোলা!
আমার সব টাকা গায়েব আর জিগি দৌড়ে পালাচ্ছে!
- কারন তুই আমাকে ধাওয়া করছিলি। - জিগি! আমি না বললে চুপ করে থাকবে।
- তুই চুরি করতে দেখেছিস? - সবাই দেখেছে
- সবাই - বুঝতে পেরেছি
ঠিক আছে, এটাই, বারম্যান। পাঁচটা ভুল করেছো। তুমি বাদ।
- আমি বাদ? তারা আরেকটু হলে আমাকে খুন করে ফেলছিল! - হ্যাঁ সেই বোঝাপড়া আমি করব।
কিন্তু প্রথমে, ক্যাম্পে ফিরে আম্মুকে কল দাও কারন এখানে তোমার কাজ শেষ।
- আমি এটা করি নি - ওহ, তাই?
ক্যাম্পের পতাকায় আগুন তাহলে ভুতে লাগিয়েছে?
- বিজ্ঞান ঘরের খরগোশ ছেড়ে দেয়া? - কিংবা আউটহাউজে আঁকিবুঁকি করা?
- তোমাকে সাবধান করেছিলাম... - কার্ট
এটা তার দোষ না, আসলেও।
- সারাহ ফিয়ার তাকে সম্মোহিত করে ফেলেছে। - হায়রে তুই...
- হেই হেই হেই! - হেই হেই!
আমরা তাকে বের করে দিলে যদি কেউ তার হাত পোড়ার ব্যাপারটা জেনে যায়,
তাহলে বিপদে কারা পড়বে? হ্যাঁ?
আমরা তাকে আরেকটা সুযোগ কেন দিচ্ছি না? হ্যাঁ?
ঠিক আছে। আরেকটা ভুল করলেই চিরতরে বের করে দিব? বুঝেছো বারম্যান?
শেষ সুযোগ।
বাহ! গুড ফ্যামিলির মাতব্বরি!
কিছু স্বভাব কখনো পাল্টায় না।
খোদা! আমি এই চুতমারানি কে ঘৃণা করি।
হেই,
- নার্স লেইন কে পোড়াটা দেখাও। - আমি চাই এটায় ইনফেকশন হয়ে মরে যাই।
একটা ধন্যবাদ তো পাই?
ওহ!
আমি দুঃখিত! ভুলে গেছিলাম।
ধন্যবাদ। সানিভেইলের বস।
ভবিষ্যৎ শেরিফ, নিক গুড।
আমার মতো অসহায়, দুর্দশাগ্রস্ত শ্যাডিসাইডবাসী কে উদ্ধার করায়।
আমি কিভাবে আপনাকে এর জন্য খুশি করতে পারি?
ওহ বুঝেছি। আমি আপনাকে প্রেম নিবেদন করব আর সব মাথামোটা মেয়েদের মতো!
ভউ!
আজ রাতে রঙ যুদ্ধ, বন্ধুরা! লাইনে দাঁড়িয়ে একটা করে শার্ট নিয়ে যাও। তুমি পেয়েছো?
নীল হল নীলাভ সৌন্দর্যের শ্যাডিসাইডার দের।
লাল হল লালচে দ্যুতি ছড়ানো সানিভেইলার দের।
রঙে পার্থক্য থাকলেও আমরা সবাই নিঁখুত!
এমনকি তুইও, জিগি বারম্যান!
এই আঠালো জিনিসটা কি?
এটাতো দেখি... পরিষ্কারই হচ্ছেনা।
এটা জীবনেও পরিস্কার হবেনা, সোনামণি। বাদ দাও।
- টমি! - সরি! সরি!
তুমিই ঠিক। জানোই তো, রঙ যুদ্ধ হবে আজ রাতে।
আমার মনে আছে।
মেস হল টাও আমাদের পরিষ্কার করা লাগবে।
ছিঃ
হায় খোদা! এই বালের শেওলা!
এটা...সারা শরীরে লেগে গেছে!
আরেহ কি হল! এইটা আর এমন কি?
কি? নাহ...এটা অনেক কিছু! এটা..এটা.. দাগ পড়ে গেছে।
আউটহাউজ পরিষ্কার করেও ময়লা লাগবে না, এটা কেবল সিন্ডি বারম্যান ই আশা করতে পারে।
এটা মজার কিছু না!
কিছুটা মজা তো পাচ্ছিই!
হেই!
- কি নিষেধ করেছিলাম তোমাকে? - আমি দুঃখিত! আমি দুঃখিত!
দুঃখিত হওয়াই উচিৎ।
কি হল?
শয়তান গুলো কোথায়?
জোরে!
খাইছে আমারে!
ওহ!...ওহ খোদা!
হেই!
- কি করছিস তোরা? - তিনটা অপশন দে!
হেই! সাবধানে!
তার ভার্জিন কান কে এসব বলা ঠিক হবে না তোমার।
সবাই মিলে প্রাণপণ চেষ্টা করছি রঙ যুদ্ধের জন্য! আর তোরা এখানে...
আউটহাউজ পরিষ্কারের কাজ শেষ করতে হবে।
পুরো গ্রীষ্মকাল টাই গেছে গু মার্কা কাজ করে করে। আর এখন আসল গু পরিষ্কার করা লাগবে? সম্ভব না।
- দুঃখিত, আর কোন উপায় নেই হাতে। - ধ্যাত!
No comments yet. Be the first to leave one.