Coherence

Coherence

Download Bengali Subtitle

Release info

Coherence (2013) BluRay Runtime 1:27:53 Framerate 24 00
Coherence 2013 720p BluRay X264-iNVANDRAREN
Coherence 2013 720p BluRay x264 YIFY
Coherence 2013 1080p BluRay x264 YIFY
Coherence BRRip 250mb worldfree4u (Runtime 1:26:28)
Coherence (2013) BluRay 720p 650MB Ganool AG
https://movielinksbd com/coherence2013-480p-720p-700mb-1-2gb-with-google-drive-link-and-upcoming-bsub/
YouTube (Channel name: Alyna Cruz): Coherence (Subtitulada)
A Commentary by Fihad
প্যারালাল ইউনিভার্স হাইপোথিসিসের উপর নির্মিত সবচেয়ে ইনফ্লুয়েন্সিয়াল সিনেমা... নির্জন এক রাতে ডিনার পার্টিতে বসেছে আটজন বন্ধু-বান্ধবী। একটা ধুমকেতু উড়ে যাচ্ছে মাথার উপর দিয়ে। হঠাৎ তারা আবিস্কার করে রাস্তার ওপারে ঠিক তাদেরই মতো আরেকটি বাড়ি, বাড়ির ভেত

Tags

BluRay
x264
720p
720
1080
brrip
ganool
Published on: 2018-06-20
Downloads: 227
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

ভাবলাম হাতে প্রচুর সময় আছে, তাই...

বুঝেছি...

সমস্যা নেই, ঠিক আছে...

হ্যাঁ... আমরা... হাইওয়ে থেকে নেমে এসেছি...

তাই?

হিউঘের গাড়ি করে ফিরছো অফিস থেকে, নাকি...

হ্যাঁ, ও ওকল্যান্ড থেকে ফিরছিল।

ফিরতে দেরি করে ফেলেছিল, তারপর ওর গাড়িতে উঠি...

আর তারপর... ও একটা উকিলদের আড্ডায় নিয়ে যায় আমাকে।

উকিলদের আড্ডা?

হ্যাঁ, উকিলদের আড্ডা, অনেকটা সেরকমই।

ঠিক জানি না, তবে সেখানকার সবাইকে দেখে উকিলই মনে হচ্ছিল।

একমাত্র আমারই টাই ছিল না ওখানে।

তোমার এবার একটা টাই কিনে ফেলা উচিত।

- হ্যাঁ, মাঝেমধ্যে প্রয়োজন পড়ে। - হ্যাঁ।

যাইহোক, হাইওয়ে ধরার চেষ্টা করেছিলাম...

কেভিন?

শোনা যাচ্ছে না ভালোভাবে।

এবার ঠিক আছে?

খুব একটা না।

তুমি কোথায়? পৌছে গেছো?

হ্যাঁ, আমি... এইতো গাড়ি থেকে নামব এখন...

একদম কাছাকাছি...

হ্যাঁ, পৌছালাম মাত্র।

শোনো, এখন গাড়িটা পার্ক করতে হবে, ফোনটা একটু রাখো।

ঠিক আছে।

সমস্যা নেই তো?

না...

তবে, একটা কথা আছে...

তোমার গাড়ি পার্ক করার আগে একটা ব্যাপারে কথা বলতে চাই।

ঠিক আছে।

কথাটা এখনই বলবে, নাকি...?

হ্যালো?

কেভিন?

শোনা যাচ্ছে না...

বেবি?

এটা কী হলো!

অলিভ অয়েল দিলে ভালো হবে, আরও একটু...

- সামান্য খানেক... - আরেকটু।

- তোমার উত্তেজনা জাগছে নাকি? - একদম ঝাকাস!

তুমি ঠিকভাবে কাটতে পারছো না, দেখো...

- রুটিটাই ভেজা ভেজা, সোনা। - তোমরা দুজনই ছুরি চালাতে শেখোনি...

দুসপ্তাহ ধরে রুটি-টুটি খাইনি আমি। আমি আসলে ডায়েটে আছি।

কতদিন থেকে ডায়েট করছো?

প্রায় একুশ দিন।

শুধু জুস আর দুধ খেয়েছি আজ সকালে...

মনে হচ্ছে খুব...

- পাতলা হয়ে গেছি... - একটু দুর্বলও হয়ে গেছো হয়তো?

কিন্তু আজ রাতে ইচ্ছেমতো খাব, ইচ্ছেমতো গিলবো, কোনো বাঁধা নেই।

- হেয়! - কেমন আছো সবাই?

ভীষণ খুশি হলাম তোমাকে দেখে।

- আমার চেয়ে অনেক বেশি লম্বা তুমি। - হুম...

তো, কেভিনের সাথে ফোনে কথা বলতে বলতে হঠাৎ এই অবস্থা হলো...

ফেটে গেছে ফোনটা... ওর সাথে কথা বলতে বলতে।

- হাত থেকে পড়ে গিয়েছিল? - না, পড়ে যায়নি। হাতে থাকতেই ফেটে গেছে।

ইন্সুরেন্স আছে তো?

থাকলেও সে ব্যাপারে জানি না আমি।

স্কাইপে এপটা আছে না তোমার ফোনে?

না, সমস্যা নেই। ও শুধু কী যেন ব্যাপারে একটু কথা বলতে চেয়েছিল।

কিন্তু সব জায়গায় তো এখন ধুমকেতু নিয়েই কথা হচ্ছে।

- হ্যাঁ। - মিলারের ধুমকেতু...

এরকম অদ্ভুত ব্যাপার-স্যাপার নাকি ঘটতেই পারে এ সময়।

হ্যাঁ, এখন সব দোষ ধুমকেতুকে দিও না। স্কাইপে থাকলে ওয়াই-ফাইয়ে কানেক্ট করো।

এমনটা ঘটতেই পারে...

মদ খাবে নাকি একটু?

আমির বলেছে তোমাকে?

ও লরিকে আনছে...

...আজকের ডিনারে?

ও লরিকে আনছে?

হ্যাঁ, সেই লরি‌।

না, আমি কিচ্ছু জানতাম না এ ব্যাপারে।

- লরিটা কে? - আমির আনছে ওকে।

- তুমি তো চেনো লরিকে। - ওহ মাইক!

ঘন কালো চুল, একটু খিটখিটে...

জব্বর দেখতে!

- ওহ! - একটু অদ্ভুত, রহস্যময়ী।

- ভীষণ টাইট টাইট পোশাক পরে। - শোনো...

আমার কোনো সমস্যা নেই। পুরোটাই আমিরের ব্যাপার।

আমার কাছে একটা জিনিস আছে, বন্ধুরা...

এটা আমার নিজের আবিষ্কৃত জীবন রক্ষাকারী প্রতিষেধক!

- কী? - বহুকিছু মিশিয়ে বানানো।

- কোনো ক্ষতির ঝুঁকি নেই আশা করি। - ইনজেকশন দিয়ে নিতে হয়?

পানিতে মিশিয়ে খেতে হবে...

দুশ্চিন্তা দূর করতে বেশ কার্যকরী।

আমি শুধু দেখাচ্ছি, চাইলে নিতে পারো। এতে আছে বিভিন্ন লতা-টতা, বনফুল, মিষি...

আর কেটামিন ড্রাগ।

- সব প্রাকৃতিক তাহলে? - কেটামিন?

তাহলে প্রাকৃতিক কী করে হলো? কেটামিন পশুদের ঘুমের ওষুধ।

হ্যাঁ, শুধু এক চিমটিই কেটামিন মেশানো আছে।

- ভাবলাম একটু মজা-টজা হবে... - এটা আমাকে দিচ্ছো লরি আসছে দেখে?

আমি শুধু বলছি কী...

- একেই বলে পার্টি! - কেকের বদলে কেটামিন!

এটা এখানেই রাখছি, পরে মন বদলাতেই পারে। এটা দারুণ তো...

কোত্থেকে কিনেছ?

গ্যালাক্সি, সেই সস্তা দোকানটা...

- ওহ, বেশ কাজের দোকান। - হ্যাঁ, সত্যিই।

- হাই বেবি... - কী ব্যাপার?

- আয় বুকে আয়... - এইতো!

জানের জিগার!

- কেমন আছো তুমি? - ভালো।

- মদ চলবে তো? - অবশ্যই।

চিজ? কেটামিন?

লেদার জ্যাকেটে তোকে ভালোই মানায়।

হায় খোদা!

একটু পানি দাও তো...

তুমি কি জানতে যে...

...লরি আসছে এখানে?

না তো।

- লরি আসছে? - হ্যাঁ।

তোমার মুখে হাসি ফুটল কেন?

এটা সেই হাসি না...

- হঠাৎ লরি আসছে কেন? - আমির নিয়ে আসছে।

আমিরের আর জ্ঞানবুদ্ধি হলো না।

নিজের জ্ঞানবুদ্ধির কৌটোটা খোলা রেখো, তাহলেই হবে।

তো আমির কথাটা বলেছে কে?

ও ইমেইলে বলেছিল যে ডিনারে নাকি একজনকে সঙ্গে আনবে।

আমিরও সঙ্গে কাউকে পেয়েছে দেখে তো মাথা ঘুরে গিয়েছিল!

আজকেই সিদ্ধান্ত দিতে হবে?

আমার এসিস্ট্যান্ট কালকেই হোটেল আর ফ্লাইট বুক করবে।

তাই আজকেই সব জানিয়ে রাখতে হবে।

সিদ্ধান্ত আজ রাতেই দিতে হবে।

কিন্তু তুমি জানো আমি...

আমাকে ব্যাপারটা আরেকটু ভেবে দেখতে হবে...

যেন ভুল সিদ্ধান্ত না নিয়ে ফেলি।

অল্প সময়ের জন্য আসতে পারো না?

ধরো মাত্র একমাস। পুরোপুরি চারমাসের দরকার নেই, অন্তত একমাসের জন্য চলো।

একমাসও একটা লম্বা সময়। আর আমি এখনই না তো বলছি না।

বেবি, হ্যাঁ না বললে সেটা না-ই হয়ে যায়।

শীত আর ক্ষুধায় পাথর হয়ে গেছি...

- আমির, দারুণ দেখাচ্ছে তোকে। - ধন্যবাদ।

- হাই। - ওকে মনে আছে তো তোমার?

আমির বলেছিল সবাই এখানে...

- জাঁকাল পোশাক পরে আসবে। কিন্তু দেখছি... - না না...

সাদামাটা পোশাক পরাটা আমাদেরই ভুল!

- কেমন আছো তুমি? - ভালো।

- বেথ, লরিকে মনে আছে তোমার? - হ্যাঁ।

- আবার দেখে খুশি হলাম। - তাহলে হাই-হ্যালোর পাঠ চুকে গেল...

তুমি কেমন আছো? খুব খুশি হয়েছি দেখে।

রেড ওয়াইন চলবে সবার?

হ্যাঁ, চলবে না, দৌঁড়াবে!

- লি? - আমি রান্না-বান্নায় ব্যস্ত ছিলাম।

- কেমন আছো তুমি? - আমি আছি ভালোই...

- তুমি? - আমি দারুণ আছি।

হ্যাঁ, জীবনটাকে অন্যভাবে দেখতে শিখেছি...

- ভালোই হয়েছে। - বেশ। তাহলে তো ভালোই।

- এই নাও তোমার গ্লাস। - ধন্যবাদ।

- কারও ফোনেই কি নেটওয়ার্ক নেই? - আমার ফোন তো ভেঙ্গেই গেছে।

ফোন-টোনের প্যারায় নেই আমি, তাই...

- নেই। - আমার ফোনেও নেই।

অদ্ভুত! টাওয়ার ধসে গেছে না তো?

টাওয়ার ধসে গেছে?

আমি তো বলছিই...

- টাওয়ারের কিছু হয়নি। - শহরে ঢাক-ঢোল পেটাত তাহলে।

ধুমকেতুটার জন্য হচ্ছে এসব।

- মিলারের ধুমকেতু। - হ্যাঁ, সেটাই।

ত্রিশের দশকের একটা ধুমকেতুর ব্যাপারে পড়লাম সকালবেলা।

ফিনল্যান্ডের ঘটনা...

সব মোবাইল টাওয়ার উড়িয়ে দিয়েছিল নাকি?

আসলে সেটা ১৯২৩ সালের ঘটনা।

হ্যাঁ, ফিনল্যান্ডেই ঘটেছিল।

উইকিপিডিয়া গিলে এসেছে দেখছি!

ধুমকেতুটা চলে যাওয়ার পর অনেকেই অদ্ভুত ব্যাপার লক্ষ করেছিল...

অনেকে হারিয়ে গেছে...

...ভুল বাড়িতে এসে পড়েছে, স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেছে।

আশেপাশের কিছুই চিনতে পারছিল না।

তখনকার এক মহিলার ব্যাপারে পড়েছি আমি...

সে পুলিশকে কল করে বলেছিল...

"বাড়িতে যে লোকটা আছে সে আমার স্বামী না।"

পুলিশ যাচাই করে বলে "সে-ই আপনার স্বামী।"

মহিলাটা বলে, "না...

- ...আমার স্বামীকে কাল খুন করেছি আমি।" - বলো কী!

"এটা আমার স্বামী হতেই পারে না।"

কিন্তু মহিলাটাকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি কারণ তার স্বামী তো সামনেই দাঁড়িয়ে ছিল।

এর পেছনে কোনো ব্যাখ্যা দাঁড় করানো গেছে?

মহিলাটার কী ভাগ্য স্বামীকে আরও একবার খুন করতে পারবে!

মহিলাটার মাথায় গণ্ডগোল ছিল।

- ফিনিশরা এমনই। - ফিনস হবে উচ্চারণ।

ফিনস নাকি ফিনিশ?

- তোমাদের হ্যালির ধুমকেতুর কথা মনে আছে? - হ্যাঁ।

অনেক হুলস্থুল উঠেছিল সেটা নিয়ে। আমরা তো কলেজে হ্যালির ধুমকেতু নিয়ে নাটকও করেছিলাম!

কলেজের সবাই একটা করে রোল পেয়েছিলাম।

আমার বোন হ্যালির ধুমকেতুর রোল পেয়েছিল। ওর উপর হিংসে হয়েছিল খুব।

আমি কখনও দেখিনি তোমার বোনকে। অন্য কেউ দেখেছো?

ওর একটা ছবি আছে ওই তাকে...

ধুমকেতুর মতোই উড়ে বেড়ায় ওর বোন।

- ওটা তোমার বোন? - ছবিটা ওখানে রেখেছো কেন?

ওই দরজাটা তো কোনো কাজে লাগে না।

চাইনিজ জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, এমন একটা অকেজো দরজার সামনে...

...তোমার বনিবনা হয় না এমন কারও ছবি রাখলে...

...এটা অপশক্তি প্রবাহের জন্ম দেয়। আমার এখানে দাঁড়াতেই কেমন জানি লাগছে।

- অস্বস্তিকর! - ওখানে দাঁড়িয়ে থেকো না তাহলে।

আমি এসব ব্যাপারে একটু সংবেদনশীল। কেমন একটা অস্বস্তিকর আবহ অনুভব করছি...

শেষ কবে এমন একত্র হয়েছিলাম আমরা?

গত নভেম্বরের দিকে...

তবে আমাদের সবাই ছিল না সেসময়।

লরা ছিল না তখন।

- লরি নাম। - লরি!

লরি, আমাদের এসব গল্পে বিরক্ত হলে কিছু মনে কোরো না।

তো লরি, কী করো ইদানিং?

- আমি... - কাজে ব্যস্ত খুব?

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left