Lincoln

Lincoln

Download Bengali Subtitle

Release info

Lincoln (2012) BRrip 720p Bengali
A Commentary by Mamun_Abdullah

Tags

brrip
720p
720
Published on: 2016-06-29
Downloads: 90
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 195 lines.

মানুষঃ ২য় ক্যানসাসে আমাদের অনেকেই শাদা আর কালো ছিলো।

জেকিন'সের ফেরীতে আমরা এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত লড়েছিলাম।

প্রত্যেকটা নিগ্রো সৈন্যদের হত্যার ঠিক পরেই

পয়জন স্প্রিংসে তাঁরা বন্দী করে ফেলেছিলো।

তাই জেকিন'সের ফেরীতে,

আমরা সিদ্ধান্ত নিই, কোন বিদ্রোহীকে বন্দী করবো না।

এবং তাদের কাউকে জীবিতও ছেড়ে দিবো না।

সেই দিন থেকে আমাদের কেউ মারা যায়নি,

আমরা কেন্টটাকির ক্যাম্প নেলসনে

রাঙিন ব্যাটলিয়নে যোগ দিই, স্যার।

লিংকনঃ: নাম কি তোমার, জাওয়ান?

প্রাইভেট হারল্ড গ্রীন, স্যার।

আমি করপোরাল ইরা ক্লার্ক, স্যার।

পঞ্চম ম্যাসাচুসেটস ক্যাভালরী।

আমরা ওখানে অপেক্ষা করছিলাম।

ঘোড়াগুলোকে পিছনে ফেলে এসেছি

আর ২৪তম ইনফ্যান্ট্রির সাথে ভেসে এসেছি

আগামী সপ্তাহে উইলমিংটনের যুদ্ধের জন্য।

লিংকন: সৈনিক হিসেবে কতদিন ধরে আছো?

দুই বছর, স্যার।

লিঙ্কন: সেকেন্ড ক্যানসাস রঙিন ইনফ্যানট্রি,

তাঁরা জেকিন'স ফেরীতে সাহসিকতার সাথে লড়েছিলো।

জ্বী, স্যার।

তাঁরা হাজার খানেক বিদ্রোহী সৈন্যদের হত্যা করেছিলো, স্যার।

ওরা খুব সাহসী।

কালোরা শেতাঙ্গ সৈনিকদের থেকে মাত্র তিন ডলার কম আয় করে।

US ২য় ক্যানসাসের...

এছাড়া তিন ডলার পোশাকের জন্যও কাটা হয়।

জ্বী স্যার, সত্য, কিন্তু বদলে ফেলা হয়েছে।

এখন সমান দেয়, কিন্তু এখনও নিগ্রো অফিসারেরা কোন কমিশন পায় না।

লিংকন: আমি সেটা জানি, করপোরাল ক্লার্ক।

জ্বী। এটা একটা ভালো বিষয় যে আপনি জানেন...

উইলমিংটন আক্রমন...

এখন শেতাঙ্গরা নিগ্রোদের হাতে বন্ধুক দেখে

অভ্যস্থ হয়ে গেছে।

তাদের সঙ্গি হিসেবে লড়ছে।

এবং তারা সহ্য করতে পারছে যে

নিগ্রো সৈন্যরা তাদের সমান বেতন পায়।

সম্ভবত কয়েক বছরের মধ্যে তারা

নিগ্রো লেফটেন্যান্ট বা ক্যাপ্টেনও মেনে নিবে।

পঞ্চাশ বছরের মধ্যে নিগ্রো কর্নেলও।

একশো বছরের ভিতর ভোটও।

যুদ্ধের পর কি করবে করপোরাল ক্লার্ক?

কাজ করবো স্যার।

সম্ভবত আপনি আমাকে ভাড়া করবেন।

হয়তো করবো।

কিন্তু আপনাকে জানতে হবে, স্যার,

আমি কালো বুটের গন্ধে অসুস্থ হয়ে পড়ি

আর চুল কাটি না।

তাহলে চুল কাটার জন্য আমাকে একটা নাপিত খুঁজতে হবে

যাতে আমাদের আলাদা দেখায়।

ইরা: আপনার বাবরী চুল আছে।

হ্যাঁ, আছে।

আমার আগের নাপিতটা আত্মহত্যা করেছিলো।

তার আগের জনও।

উইলে সে আমাকে তাঁর কেঁচিটা দিয়ে গিয়েছিলো।

যুবক ১: প্রেসিডেন্ট লিংকন, স্যার।

শুভ সন্ধ্যা, ছেলেরা।

যুবক ২: আমরা আপনাকে দেখলাম, আর...

- আমরা ছিলাম... - গেটিসবার্গে ছিলাম।

তোমরা গেটিসবার্গে যুদ্ধ করেছো?

না, যুদ্ধ করিনি, আমরা গত মাসে যোগ দিয়েছি।

উনাকে দুই বছর আগে গোরস্থানে দেখেছিলাম।

হ্যাঁ, আপনার বক্তিতা শুনেছি... ধ্যাত...

যাই হোক আপনি কত লম্বা?

জিজ, থামো।

আমি কি বলেছি শুনেছো?

যুবক ১: বেশি শুনিনি স্যার।

এটা ছিলো...

"চার কুরি এবং সাত বছর আগে,

আমাদের পূর্বপুরুষেরা অন্য মহাদেশ থেকে এনেছিলেন

একটি নতুন জাতি, এবং স্বাধীনতা

যা এই মর্মে বিবৃতি প্রদান করা হয়েছিলো

যে সকল মানুষ সমানাধিকারে সৃষ্টি হয়েছে।"

খুব ভালো, ধন্যবাদ।

"এখন আমরা একটি গৃহ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছি,

বিবেচনা করছি এই জাতি বা অন্য কোন জাতি

এতটা প্রকাশিত আর সমর্পিত কিনা,

কতটা সহ্য করা যায়।"

"আমরা বিশাল যুদ্ধের ময়দানে পরিচিত হয়েছিলাম।"

খুব ভালো, ধন্যবাদ।

যুবক ২: "আমরা ঐ ময়দানের

প্রতিদান দিতে এসেছি

যারা সর্বশেষ এখানে

প্রাণ দিয়েছিলো এই মহান দেশটির জন্য।"

তাঁর চাচারা যুদ্ধের দ্বিতীয় দিনেই মারা গিয়েছিলো।

আমি শেষ অংশটা জানি। এটা...

অফিসার: কোম্পানী এগোও!

ভালো হয় যদি তোমারা কোম্পানীতে ফিরে যাও।

- আর ধন্যবাদ। - ধন্যবাদ, স্যার।

- আল্লাহ আপনার সহায় হোন - তোমাদেরও সহায় হোন।

গড ব্লেস ইউ।

"আমরা ঐ জীবনগুলোর বিনিময়ে উপযুক্ত প্রতিদানের জন্য এসেছিলাম

এছাড়া তাদের মারা যাওয়াটাই বৃথা।"

"এই দেশে, ইশ্বরের নিয়ন্ত্রণে,

স্বাধীনতার নব জন্ম হবে

এবং সরকার জনগণের হয়ে, জনগণের তরে,

জনগণের জন্য

পৃথিবী থেকে মুছে যাবে না।"

লিংকন: রাতের বেলা।

জাহাজ কোন এক পৈশাচিক শক্তিতে

দুর্দান্ত গতিতে এগোচ্ছে।

আর অদেখা অন্ধকারের চিরে চলে যাচ্ছিলো,

আমার ষষ্ঠ ইন্দ্রীয় বলছে আমরা তীরের দিকে এগোচ্ছি।

কেউই নেই যে এই জাহাজের বাহিরে আছে।

আমার একাকিত্বের জন্য আমি উদ্বীগ্ন।

"আমি বাদামের খোসায় বন্দী হয়ে থাকতে পারি

আর সীমাহীন রাজ্যর রাজাও হতে পারি

অথবা এটা দুঃস্বপ্ন ছিলো।"

হুম।

লক্ষ্য করলাম এই গতিবেগ আমার জন্য বেশ অদ্ভুত।

ভেবে দেখলাম পরম শান্তির ভিতর দিয়ে যাচ্ছি।

মোলী, তোমাকে ছাড়তে হবে।

আমার স্বপ্ন বলতে পারবো না।

তুমি না চাইলেও তোমাকে ছাড়ছি না।

আর তুমিও কিছুতেই ছাড়ছো না।

সম্ভবত এটা...

এটা উইলমিংটন পোর্টের আক্রমন।

যুদ্ধের আগে তুমি সচরাচর স্বপ্নে একটি জাহাজ দেখো।

মাথার অবস্থা কি?

খুব খারাপ।

প্রায় দুই বছরে, কিছুই ঠিক করা হয়নি।

যুদ্ধের আরেকটি নৃশংসতা।

কে একজন অন্তঃস্বারশূন্য নারীর কথা শুনতে চায়

কে তার মানসিক বিদ্ধস্ততায় গোঙাবে?

- আমি। - থামো!

তোমার স্বপ্ন বলবে, ব্যাস।

আমি তোমার জ্যোতিষী।

আমার মূল্য এতটুকুই।

আমি বিশ্বাস যোগ্য নই।

তারপরও যদি এটা গাড়ি দূর্ঘটণা না হয়ে থাকে।

যদি হত্যার প্রচেষ্টা হয়ে থাকে

খুব সম্ভবত দুর্ঘটনা হবে।

স্বপ্নটা গুপ্তহত্যা ছিলো যেখানে তোমাকেই নিশানা করা হয়।

শুধু গোলমালকে কেন্দ্র করে প্ল্যান হতে পারে?

জলদস্যুদের নিয়ে কথা বলতে চাই না।

তুমি জলদস্যুদের পরোয়া করোনা।

খুব একটা না, কিন্তু ওরা পথের কাটা।

জানি।

জানি কি নিয়ে জাহাজটা

উইলমিংটন পোর্ট নিয়ে না। সামরিক অভিযান নিয়েও না।

এটা দাস প্রথা বিলোপ সংস্কার নিয়ে।

আমাকে কেন আরও বেশি সংস্কার পন্থীদের

বাড়িতে আমন্ত্রণ জানাতে বাধ্য করছো না?

তুমি সংসদ ভবনে সংশোধনী

পাস করাতে চাইছো

মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার আগেই?

অভ্যর্থনার আগেই?

এই ছাই করতে গিয়ে বেশি খরচ করে ফেলিও না।

কেউই তোমার মত ভালোবাসে না।

কেউই জনগণের এতটা ভালোবাসা পায়নি।

এখন যা খুশি করতে পারো।

সংশোধনী আইনের নিশ্চিত বিজয়ে

...কিছুতেই ক্ষমতার অপব্যবহার করবে না।

অভ্যর্থনার জন্য রবার্ট বাড়িতে আসবে মনে আছে?

হুম

জানতাম ভুলে যাবে।

ঐ জাহাজেই তুমি ভেসে যাচ্ছিলে,

১৩'তম সংশোধনী।

তোমার বলারও দরকার নেই যে আমি সঠিক।

ওহ!

দেরী হয়ে গেছে, মিসেস কেকলী।

রবার্টের অভ্যর্থনার জন্য এটা লাগবে।

আস্তে নাড়াতে হয়।

শুভ রাত্রি।

উনাকে স্বপ্নের কথা বলেছেন?

- বাবা। - হুম।

আমি উইলিকে দেখতে চাই।

লিংকন: আমিও, টেডি, কিন্তু পারবো না।

টেড: কেন না?

লিংকন: উইলি চলে গেছে।

তার যাওয়ার তিন বছর হয়ে গেছে।

আমার কাজ হলো পতাকা উত্তোলন করা।

যদি যন্ত্রটাতে কোন সমস্যা না থাকে তাহলে পতাকা তুলবো।

যখন উপরে উঠবে

জনগনের জন্য এটা উপরেই ধরে রাখতে হবে।

এটাই আমার বক্তব্য ছিলো।

যদি সংসদের প্রত্যেকটা রিপাবলিকান "হ্যা" ভোট দেয়,

তারপরও গ্যারান্টি দেওয়া যাবে না। আমাদের দল কোনদিন

সর্বসম্মতিক্রমে সবকিছু সমর্থন করেনি।

অথচ আপনি বলছেন সব রিপাবলিকান সদস্য "হ্যাঁ" ভোট দিয়েছে।

এখনও বিশটা ভোট কম আছে।

মাত্র বিশটা?

"বিশটা?"

বিশটা ভোট ব্যাপার না।

বিশজন ডেমোক্র্যাটস যারা দাশপ্রথা বিলোপে ভোট দিবে?

আমার মতামত হলো....

যা সব সময়ই শুনে থাকি।

- অথবা নালিশ হিসেবে। - আমার তিনটি কান দিয়েই।

শিঘ্রই একটি যুদ্ধ জিতবো।

এটা ছাড়া যাবে না, যাবে কি?

আমরা এখনও জিতিনি।

আপনার আল্লাহর দেওয়া উচ্চতার সাথে দ্বিতীয় মেয়াদ শুরু করতে যাচ্ছেন।

ভাবুন শান্তি আসার সম্ভবনা আছে।

সংসদের সাথে দ্বন্দে জড়িয়ে কেন

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left