Release info

Uppu Kappurambu (2025) BSub by Suhan Ahmed
A Commentary by Luca

Tags

webdl
Published on: 2025-08-24
Downloads: 43
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

সুপ্রিয় বন্ধুগণ!

লেডিস এন্ড জেন্টেলম্যান!

ও অপরিচিতগণ!

আজ আপনাদের শুনাবো এক কাল্পনিক গল্প।

মনোযোগ দিয়ে শুনুন।

একদা এক সময় ১টা গ্রাম ছিল।

"চালামাভারিপাল্লি"

পাশেরটা...

"মেলধুলাপেটা গ্রাম"

তারপরেরটা...

"বাগুরাম্মাগিরি গ্রাম"

পাশাপাশি অনেকগুলা গ্রাম ছিল।

তবে ১টা গ্রাম ছিল খুব স্পেশাল।

"চিট্টি জয়পুরাম-এ স্বাগতম"

সেটা চিট্টি জয়পুরাম।

নাম শুনে হেসে উড়িয়ে দিবেন না।

গ্রামের ১টা বিখ্যাত ইতিহাস আছে।

অনেক বছর আগে... রাজাদের যুদ্ধকালীন শাসনামলে,

চৈত্রগিরি নামে এক রাজ্য ছিল।

"চৈত্রগিরি"

যা শাসন করতো জয়সুরা মহারায়া নামক এক বড় গোঁফওয়ালা রাজা।

তবে দুর্ভাগ্যবশত, সেখানে টানা তিন বছর বৃষ্টি হচ্ছিল না।

সেজন্য রাজ্যে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়।

খাওয়ার জন্য ছিল না খাবার পান করার জন্য ছিল না পানি।

অনাহারে চৈত্রগিরির মানুষ পাখির মতো মারা যাচ্ছিল।

সেই ভয়ংকর সময়ে...

টাক মাথার একজন সাধু রাজাকে পরামর্শ দিতে আসলেন।

দেশ তোমার জন্য কী করেছে সেসব কথা জিজ্ঞেস করো না।

দুঃখিত, সেটা ছিল আব্রাহাম লিংকন।

সাধু বাবা বললো,

পৃথিবী আমাদের কতোকিছু দিল বিনিময়ে আমরা কিছু ফিরিয়ে দিয়েছি?

রাজা ঘোষণা দিল... তিনি সিংহাসন দান করবেন।

সাধু বাবা উত্তর দিল... সিংহাসন দিয়ে পৃথিবী কী করবে?

পৃথিবী আমাদের সমৃদ্ধ করে।

তাই, আমাদের উচিৎ গ্রামের উত্তরে সকল মৃতদের দাফন করা।

রাজা ও প্রজাগণ প্রস্তাবটা মানলো ও সেই মোতাবেক দাফন কার্য করতো।

কথা মতো কার্যক্রমে নদী হয় পরিপূর্ণ আর মাঠের জমি ভরে যায় ফসলে।

সবাই ভালো-মন্দ খাবার খাচ্ছিল আর রাজ্যে সুখ সমৃদ্ধি আসলো।

পরবর্তীতে কিছু লোক বিদ্রোহ করে ও পূর্বের কথামতো মৃত দাফন করতে অসম্মতি জানায়।

জানি না সেই কারণেই কিনা,

হঠাৎ করে বৃষ্টি আবার বন্ধ হয়ে যায়।

তারপর সাধু বাবা এসে জানায়... তোমাকে তো বলেছিলাম!

সবাই চুপচাপ সব মেনে নিল।

রাজাদের যুদ্ধকালীন শাসনামল পর্যন্ত।

এদিকে রাজ্য না থাকলে মানুষ এখানে কেন থাকবে?

তাই সবাই বিভিন্ন জায়গায় চলে যায়।

ঐ রাজ্যের কিছু মানুষ,

ছোট্ট এই তেলুগু রাজ্যে বসতি গড়ে।

"চিট্টি জয়পুরাম-এ স্বাগতম"

এই হল আমাদের চিট্টি জয়পুরাম।

এজন্য তাদের রীতিনীতি ও ঐতিহ্য চলে।

"মিঃ পেদ্দি চন্দ্রায়া"

তাই সবকিছুই একই রকম।

পার্থক্য কোথায় জানেন?

যদি এই গ্রামে কেউ মারা যায়,

তার জাত-ধর্মের পরোয়া করা হয় না কারণ সবাই খুব মিশুক প্রকৃতির।

মৃত ব্যক্তিকে গ্রামের উত্তরের কবরস্থানে দাফন করা হয়।

আর মারা যাওয়া ব্যক্তির,

নাম, জন্ম ও মৃত্যুর তারিখ সমাধিফলকে লিখে রাখা হয়।

তবে মজার ব্যাপার হল,

অন্যসব তথ্যের পাশাপাশি উনি কিভাবে মারা গেল সেটাও লিখা থাকে।

অতিরিক্ত চুল পড়ার শোকে মারা গেছেন।

আরেকটা ব্যাপার কী জানেন? এখানে, মহিলারাও কবরস্থানে যায়।

যা মহিলাদের জন্য এক স্পেশাল সুযোগ।

- নমস্কার, স্যার! - চল।

আমি খুব বিপদে আছি একটু সাহায্য করুন।

- কেমন আছেন, ভাই? - নমস্কার।

- গাড়ি থামা। - কী হয়েছে?

কেউ তো পাত্তাই দিচ্ছে না।

- শিনু! নাম তো। - আচ্ছা, ভাই।

আন্টি, কেমন আছো?

সরো তো, আমি করছি।

সরো।

এই নাও।

নাও।

আসো।

দেখলি! আমার চালাকি?

- মধুবাবু, তুমি খুব চালাক। - তা আর বলতে, কী ভেবেছিলি?

তারা কেউ পাত্তা দিচ্ছিল না দেখে নিজেই হিরো আলম সাজলে।

বোকাচোদা, চল যাই।

ইনি মিঃ সুব্বারাজা।

গ্রাম প্রধান ছিলেন। হঠাৎ মারা যান।

তার শেষকৃত্যে গ্রামের সবাই আসে।

আমাদের গ্রাম প্রধান, সবার প্রিয় সুব্বুরাজা।

আজ আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন যা এক হৃদয়বিদারক ঘটনা।

তার উদারতা বলে শেষ করা যাবে না।

তিনি এই গ্রাম ও মানুষের জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছেন।

কুয়াশায় ১টা সাপ বেরিয়ে আসলো...

উনার জন্ম হয়েছিল ১৯৩২ সালে,

সেই থেকে জীবনের শেষ দিন অব্দি মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন।

কী?

নে খা, ল্যাওড়া।

কী ধোন মিশিয়েছিস?

টুথপাউডার, বাদামের তেল আর ওয়াশিং সোডা মিশিয়েছি, খা বেডা।

- মজা আছে, খা। - কী বলছিস এসব!

বাপরে! কী মসৃণ!!

এদিকে আয়।

সাবধানে তোল।

ওরে বাবা!

এটা কী দেখলাম?

এতো বড়?

শোক পরেও করতে পারবেন আগে এদিকে আসুন।

উনি কিভাবে মারা গেল বলুন আমি সুন্দর করে লিখে দিচ্ছি।

তুমি বলো।

উত্তরসূরিকেই বলতে হবে এমনটাই আমাদের নিয়ম।

গতরাতে উনি মায়ের বানানো উপমা খেয়ে মারা গেছে।

পদ্মাম্মা! উপমা?

বানানটা কী "ইউ" নাকি "ভিইউ"?

চুপ কর, গাধা।

এসব কী বলছিস?

সবাই ভাববে আমি মেরেছি, মা।

- তুমি মারোনি? - না।

ভালো করে ভেবে বল কী হয়েছিল।

লিখা হয়ে গেলে বদলানো যাবে না।

গতরাতে, উনি ঘুমাতে যাবার আগে মায়ের বানানো উপমা খেয়েছিল।

আবার উপমা?

তারপর কী হয়েছিল সেটা বল, ব্যস।

তারপর উনি ঘুমাতে যায় আর ঘুমের মধ্যেই শান্তিতে মারা গেল।

তাঁরা বা চাঁদ আঁকবো?

দাঁড়া!

গাধা কোথাকার!

দাঁড়া, যাস নে, মা।

গ্রাম প্রধান ছিল তো। চাঁদই আঁক।

গ্রামের সবচেয়ে বড় সমাধিফলক, স্যার।

আমার সমাধিফলক এরচেয়ে বড় আর মসৃণ হতে হবে।

- বুঝেছিস? - জি, ভাই।

এখন কী ও আমাদের গ্রাম প্রধান?

যে কিনা বাচ্চাদের মতো কাঁদে!

জীবনটা বেদনা!

- নিয়ে আয়। - চিন্নাকে ছাড়া?

ধর, ইনি গ্রাম প্রধান মানুষ অপেক্ষা করা যাবে না।

- কার জন্য অপেক্ষা করবো? ধর। - তোল তো।

রশি ধর।

সাবধানে, লুঙ্গি খুলে যাবে।

- আন্ডারওয়্যারও পড়িনি। - সাবধানে!

ও খোদা!

রশি টান।

হায়রে! মানুষটা পড়ে গেল।

তোরা করছিস কী! তোল।

নে শয়তান।

বের কর।

- উপরে তোল। - শক্ত করে ধর।

চিন্নাকে ডাক দে।

ওই, চিন্না!

translated by Suhan Ahmed

চিন্না!

এটা কী করলে, চিন্না? সামনে থেকে আসা উচিৎ ছিল।

ধূলাতে আমার এলার্জি আছে তাই এদিক দিয়ে এসেছি।

- চিন্না কোথায়? - কোথায় ছিলি তুই?

- এখানে থাকার কথা ছিল না! - মরা হয়তো সহজ...

...কিন্তু দাফন করা কঠিন আপনাদের কী মনে হয়?

বলদের দল ফেলে দিছে।

এই দেখ।

আমাকে ছাড়া শুরু করলি কেন?

দেখ লোকটার কী হাল করেছিস।

এজন্য মানুষ বলে... যে বাল পারো সেটা করো।

রশি বাঁধায় তো হয়নি, গাধারা।

বাল।

সমু, একটু সামনে আয়।

তুই একটু পিছে যা।

- আমি কী করবো? - ঐখানেই দাঁড়া।

এবার উপরে তোল।

তোল।

এতো ভারী কেন?

মনে হয় খাইতে খাইতে মরছে।

যাই হোক, কাজটা শেষ করি।

মালার কথা ভুলেই গেছিলাম।

প্রভু! রাতে যেন ভয় না লাগে।

এতো ভারী লাগলো কেন?

সবাই শেষবারের মতো দেখছেন?

- সুব্বুরাজা... - অমর হোন।

- সুব্বুরাজা... - অমর হোন।

- সুব্বুরাজা... - অমর হোন।

আমি না যাওয়া পর্যন্ত কোন কাজই হয়নি।

সবগুলা বোকার মতো দাঁড়িয়ে ছিল।

সবসময় আমাকেই সব সামলাতে হয়।

- রাখ তোর চাপাবাজি। - সত্যি বলছি।

জানো, বাক্সটা গর্তে আটকে গেছিল?

বাক্স? বাক্সে দেহ রাখা আসলেই মুশকিল।

আরেকটু আচার দিব?

- আমাকে আরেকটু দাও, মা। - আচার শেষ।

বাড়ির মুরব্বিরা বলতো...

দেহ ভালোভাবে কাপড়ে মোড়ানো থাকলে,

সেই দেহ দাফন করলে তা সহজেই মাটিতে মিশে যায়।

তবে আর কোন ঝামেলা থাকে না জানি না বাক্স প্রথা কে চালু করলো!

আরেকটু দুধ নিবি?

লাগবে না, মা।

বাক্সের কথা বাদ দাও সমাধিফলকটা যদি দেখতে!

এটা আবার দেখার কী আছে?

ওটা মাদ্রাজ থেকে এসেছে।

জিনিসটা যেমন সুন্দর তেমন মসৃণ।

মসৃণ! পাথর কিভাবে মসৃণ হয়?

যদি এতোই মসৃণ হয় তবে প্রতিদিন তার উপরে পিছলা খাস।

আমি এসবে নাই।

তাতে কী যায় আসে!

খুব বেশি দূরেও তো না তার উপর গ্রাম প্রধান, তাই না?

কবরস্থানের মাঝখানে দাফন করেছি।

হইছে! আর কতো কাঁশবে?

তুই গিয়ে খেয়ে নে।

যাচ্ছি তো, আজকে তো ভালোই গতকাল রক্ত পড়াই বন্ধ হচ্ছিলো না।

Uppu Kappurambu subtitles in other languages

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left