The first 200 lines.
অনুবাদক: আশিকুর রহমান
এতক্ষণে সব পরিষ্কার হলো।
কে জানতো, একজনে এত খুন খারাবি করতে পারবে?
রান্নার থেকে সাফ এর কাজে তুমি বেশি দক্ষ। তোমার ছেলে কবে ফিরবে?
চার গুপ্তঘাতক!
কি সৌভাগ্য আমার! খাবারের জন্য কিছু নিয়ে আসবো?
একজন সামুরাই এখানে এসেছিল।
যুবক এবং অহংকারী।
একটা নাম জানার জন্য চারটা আঙুল কেটেছিল।
- তার ব্যাপারে যা জানো বলো। - চুপ থাকো।
আমরা খাবার খাচ্ছি।
সে দুদিন আগে এখানে এসেছিল। এখানে রক্তারক্তি কান্ড করেছিল।
এতে কোনো সমস্যা নেই।
তারপর চলে যায়। এবং সাথে করে আমার প্রতিবন্ধী ছেলেটাকে নিয়ে যায়।
ব্যস এটুকুই জানি।
ওহ!
তুমি এতটা মোটা তাজা হয়েও তোমার অস্তিত্ব কোন টের পাই না।
আমি প্রাকৃতিকভাবেই এমন।
হয়তো অতটাও না। দোকানে কাজ করার সময় শব্দ করলে বাবা আমাকে ধরে মারত।
এজন্য নিনজাদের মত চুপচাপ থাকা শিখেছি।
আমার আশেপাশে তোমাকে দেখতে চাই না।
- আমার থেকে দূরে থাকো। - আমার নাম রিংগো।
আমি পরোয়া করি না।
কিন্তু আমি কাজে লাগতে পারি। দেখলে?
শুনেছি সাদা চামড়ার মানুষ রোদ সহ্য করতে পারে না।
নীল চোখের মানুষ অন্ধকারে দেখতে পারে, এটা কি সত্যি?
আর এটাও কি সত্যি তারা পশুর দুধ পান করে?
হুম।
জানি আমাকে কেন আশেপাশে দেখতে চাও না, তাও আমার উপর ভরসা করতে পারো।
আমি কখনো কাউকে তোমার গোপনীয়তার ব্যাপারে বলবো না।
যদি কেউ আমার চামড়ার ছাল তুলে ফেলে
বা জোর করে বেগুন খাওয়াই তারপরও বলব না।
আমি কখনোই বলবো না, যে তুমি একজন মেয়ে...
তোমাকে আবার দেখলে,
মেরে ফেলতে দ্বিতীয়বার ভাববো না।
লাইন ধরে সামনে আগাও!
ছাড়পত্র ছাড়া কেউ ঢুকতে পারবে না।
পরের জন।
জলদি, জলদি। তোমার ছাড়পত্র দেখাও।
পরেরজন!
জলদি।
এটা কী? ঘুষ দিচ্ছ?
আমাকে ঘুষ দেবার চেষ্টা করছিস? তাকে ধরে কেলানি দে কয়টা!
না!
না! দয়া করুন!
হেই, তোমার ছাড়পত্র কোথায়?
এখানে।
দুজনের জন্য ছাড়পত্র।
আমরা দুজন ছেলে, সবসময় একসাথে ভ্রমণ করি।
আমাকে এক সবজি চাষীর সাথে দেখা করতে হবে যে হোরোকানাইতে থাকে
সে অনেক ভালো! এবার তুমি, চলো।
সে আমার শিষ্য। তার বুদ্ধি শুদ্ধি একটু কম।
পরের জন!
কাজে লাগতে পারি! বলেছিলাম।
আমার সাথে থেকে জিন্দেগীতেও তুমি জীবনের উদ্দেশ্য হাসিল করতে পারবে না।
আমাকে একটা প্রতিশোধ নিতে হবে, যেটা আমি যেকোনো মূল্যে করব
হাহ! প্রতিশোধ নিতে আমিও ভালোবাসি!
এই রাস্তায় কেবল বিপদ এবং মৃত্যু ছাড়া কিছুই নেই।
আমি কোনো কিছু ভয় পাই না। আমি প্রশিক্ষন নিয়ে তোমাকে সাহায্য করতে পারব।
আমি একটা জিনিসে ইতোমধ্যেই দক্ষতা অর্জন করেছি। যুদ্ধ করাও শিখে নিব।
নুডলস রান্না করা কোনো যুদ্ধ না।
আমি সারাজীবন যুদ্ধ করতে করতে পার করেছি।
আমি তাহলে শিষ্য হয়ে গেলাম!
তো, প্রতিশোষ নিতে কোথায় যাচ্ছি আমরা?
আমার একটা নৌকা লাগবে।
ওওহ! প্রতিশোধ ওয়ালা নৌকা।
আহ!
এটা এতটাও খারাপ দেখাচ্ছে না।
সামনে থেকে খানিকটা চুল কাটলেই হবে। সব রাজকুমাররা এমনটা করে।
তোমাকে বেশ মানাবে।
সে আমাকে মারেনি কেন?
- হয়তো ইশ্বর তোমাকে দীর্ঘ জীবন দান করেছেন। - আহ।
আমি এখনো তোমার পাশে আছি।
- আমরা বিয়ে করব, এবং... - তোমার বাবা কখনো রাজি হবে না।
আমি তাকে রাজি করাব।
আর তারপর সবাই আমাকে নিয়ে মজা করবে?
তার থেকে আমি আত্মহত্যা করব।
অনেক দক্ষতার সাথে কেটেছে।
একটুও এদিক ওদিক হয়নি।
তুমি তাড়াহুড়ায় কোন দানবের সাথে লড়াইয়ে হেরে আত্মহত্যা করতে পার না।
এটা কোন লড়াইয়ের কাতারেই পড়ে না।
অতর্কিত হামলা ছিল। সে কী তোমাকে চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল?
অগৌরবের মাধ্যমে কখনো জয় অর্জন হয় না।
তাছাড়া, তুমি তো হেরে যাওনি।
সে তোমাকে চ্যালেঞ্জ দিলে, এতক্ষণে মারা পড়ত।
তুমি তাকে লড়াইয়ের জন্য চ্যালেঞ্জ দিবে
সে কুত্তার মতো দৌড়ে আসবে।
তোমার মুখোমুখি হবে।
একজন ডাইনি। নীল চোখের দানব।
কিন্তু তোমার বীরত্ব তাকে পিছু হটতে বাধ্য করবে।
তুমি তোমার গৌরবময় তরবারি বের করবে।
আকেমি।
- তুমি নিশ্চিত তো? - চুপ।
সে তোমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে,
কিন্তু তোমার তরবারির সমনে টিকতে পারবে না।
তোমার তরবারি দিয়ে তাকে আঘাত করবে।
তাকে ছিড়ে ফেলবে।
তার চোখ উত্তাল সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো।
সে তোমাকে নিজের দিকে টানতে থাকবে, অনেক শক্তিশালী।
তোমার তরবারি তার ভেতরে চালান করে দিবে।
বার বার চালান করতে থাকবে।
শেষবারের মতো আঘাত করবে।
তার গরম রক্তের ফিনকি অনুভব করতে পারবে।
শেষমেশ জিতে যাবে!
মম।
এবার চলো তোমার চুল কেটে দি।
না।
তুমি ঠিক বলেছ।
দানবটা নিয়মমাফিক লড়াই করেনি।
তারমানে আমার হারানো সম্মান আবার ফিরে পেতে পারব।
তাকে খুঁজে বের করে,
চ্যালেন্জ দিয়ে সবার সামনে খুন করব।
কিন্তু আমাদের বিয়ে করতে হবে। তুমি যেতে পারবে না।
সে যে-কোন জায়গায় থাকতে পারে। তাকে খুঁজে পেতে কয়েক মাস লাগবে
সে হেইজি শিন্ডোর খোঁজ করছে। তার অহংকার তাকে ওখানে নিয়ে যাবে
তার নিশ্চিত একটা নৌকার দরকার পড়বে।
মিহোনোসেকি!
সে নিশ্চিত কোন সূত্র ছেড়ে গেছে।
কিন্তু যদি এবার সে তোমাকে মেরে ফেলে?
বুম, সবজায়গায় শুধু রক্ত দিয়ে ভরা ছিল।
এজন্যই কসম করেছিলাম কখনো বেগুন খাব না
তো, নৌকার ব্যাপারে বল।
নৌকায় চড়লে কী আমি অসুস্থ হয়ে পড়ব।
গোসলখানায় বেশিক্ষণ থাকলে অসুস্থ হয়ে পড়ি।
আহ!
প্রাকৃতিকভাবেই এমন।
তোমার ওখানে না গেলেও চলবে।
আর হেইজি শিন্ডোকে মরতে দেখা মিস করব?
তাকে মারব না।
পশ্চিমের এক দ্বিপে সে একজন সাদা চামড়ার লোককে সুরক্ষা দিচ্ছে।
সমুদ্রের রাস্তা দিয়ে সেখানে যাব এবং সূর্য অস্ত যাবার আগেই তাকে মারব।
প্রতিশোষ।
সবাই গেল কোথায়?
হ্যালো?
শহরের সবাই কোথায় গেছে?
আহ!
আমরা এখানে মজা করতে না, নৌকার জন্য এসেছি!
অবশ্যই, সেখানে নিয়ে যেতে পারব।
- ধন্যবাদ। - হোয়া, হোয়া, হোয়া, হোয়া।
আজকে না। কালকে।
কিন্তু কাল দেরি করে আসবে।
আমাকে এখনই যেতে হবে।
হাডাকা মাটশুরিী সময়? তাহলে সাঁতরে যাওয়া লাগবে।
আজকে সবার ছুটি! আমাদের নিজেদেরকে পরিশুদ্ধ করতে হবে
এবং কেমি পূজা করতে হবে, নইলে আগামী বছরটা খারাপ কাটবে
তুমি নিশ্চয় চাও না বছরটা খারাপ কাটুক, তাই না?
ঠিক আছে। কাল দেখা হবে।
দারুণ। এবার মজা কর!
শিঙ্গিতে যেতে পার।
ওখানে গোসল করলে আত্মা শুদ্ধ হয়। ওটা মিস না করাই মঙ্গল হবে।
এবং ড্রামের আওয়াজ শোনা মাত্রই, দৌড় দিবে।
তাহলে কাল সকালে দেখা হবে।
দেরি করে আসবে!
দুঃখিত। ফুর্তিবাজ মানুষ
অনেক ফুর্তিবাজি দেখিয়েছ।
এখানে এমন কিছু আছে যেটা করতে তোমার ভালো লাগবে।
জুয়া খেলা? এখানে আমরা নুডলসও খেতে পারি!
শিঙ্গি! ওটাতে অংশগ্রহণ করতে পারি।
পা দেখাও।
এটা কখনো পা থেকে খুলবে না।
এটা পা থেকে খোলা মাত্রই, তোমার প্রশিক্ষন দেওয়া বন্ধ হবে।
বুঝেছ?
এখন আমি অনুশীলন করবম
তুমি অনুশীলন করবে? তুমি তো লড়াইয়ে অনেক দক্ষ।
ঠিক। অনুশীলন করা জরুরি।
মজা করতে না পারলেও সমস্যা নেই। সামুরাই কখনো মজা করে না। মজা করা খারাপ কাজ।
আমি পূর্বদিকের খাঁড়া বাঁধে থাকব।
রিংগো, তুমি এখানে থেকে মজা কর।
যতক্ষণ ইচ্ছে থাকো। চাইলে সারাজীবন থাকতে পার।
এখানে সংসার করে জীবন শুরু করাতে কোন লজ্জা নেই।
আহ-হাহ। একজন শিষ্য সবসম তার মাস্টারের পাশে থাকে।
আজকে খানিকটা মজা করব। কিন্তু কাল থেকে...
ইয়া-হু।
একইভাবে কেটেছে।
আসলেই সূত্র রেখে গেছ।
তাকে যেতে দাও। তাকে যেতে দাও।
অস্ত্র রেডি কর! গেটে তালা লাগাও!
সামুরাইকে মারার পর ওখানে আগুন জ্বালানোর কথা ছিল।
তাদেরকে টাকা এজন্য দিয়েছ যাতে এটা নিয়ে চিন্তা না করতে হয়,
তাই চিন্তা করার দরকার নেই।
টাকা দেবার এটাই মূল উদ্দেশ্য।
সবাইকে বিশ্বাস করা ঠিক না।
এটা তোমার উপরেই বেশি খাটে।
প্রতিবছর, আমি এমন কিছু দি যা আপনার কল্পনার বাইরে।
প্রতিবছর, তা পালন করি।
আমার কল্পনাশক্তি প্রসারিত হচ্ছে।
বসন্তের তির্থযাত্রা বছরের একমাত্র সময়
যখন এই বালের দ্বিপ ছেড়ে যাবার সুযোগ পাই।
তারজন্য এক মাস ধরে ব্যবস্থা করছি।
এখান থেকে এডো যাবার পথে অনেক চমক পাবেন।
হুম। আর এডো কখন পৌঁছাতে পারব?
শোগানের জন্য আমাদের চমক ব্যাস তৈরী হয়ে এলো বলে।
এসবের পর, আপনি যেখানে ইচ্ছে যেতে পারবেন।
যে-কোন সময় যেতে পারবেন।
হুম।
হয়ে গেছে।
হুম। এতগুলো বছর অনুশীলনের পর,
আপনি এটাতে দক্ষতা অর্জন করেই ফেলেছেন।
আমার পেইন্টিং পছন্দ না।
এবং কাঠের কারিগরি এবং চিনামাটির কারিগরি
No comments yet. Be the first to leave one.