The first 200 lines.
সাবটাইটেল বাই: AR SOUROV
হচ্ছেটা কী?
খালি ছুঁয়ে দেখ, জানে মেরে ফেলব!
শালার ব্যাটা!
এটা নিবি?
শালা! টাকাগুলো! আমার টাকাগুলো!
শালার ব্যাটা!
তোদের গলা টিপে ছিঁড়ে ফেলব!
শালারা সব টাকা হাতিয়ে নেয়!
জলদি আয়!
চুপ কর!
বাল।
- তোমার জন্য একটা উপহার এনেছি। - তাই?
নিজ হাতে বানানো...বেশ গোপনীয়। এমূহুর্তে আমার কাছেই আছে।
হয়ত জুতোর মধ্যেই লুকিয়ে রেখেছি।
যেকোনো মূহুর্তে ফেটে পড়বে।
শুনতে পাচ্ছো?
টিক-টক, টিক-টক, টিক-টক,
টিক, টিক, টিক, টিক, টিক ...বুম!
টাকাটা নিবে নাকি পুলিশকে কল করব?
দুঃখিত।
বারবার এখানে এসে অহেতুক ঝামেলা করো।
দয়া করে পুলিশকে কল কোরো না।
আমি দুঃখিত...
টাকাটা দিয়ে দাও।
এখানে আসা বন্ধ করো। বুঝেছো?
জি।
তুই যদি এই শটটা মিস করিস তাহলে আমার ধন চুষতে হবে।
আমার ধনটা ধরে এভাবে...
ধনটা মুখে নিয়ে গুণগুণ করবি...
তুই বরং এটা চুষে দেখ।
দে ধনটা দে, চুষে দিই!
মুখটা বন্ধ করবি? একদম চুপ থাক!
- এত হাসাহাসির কী হলো? - আমরা একটু মজা করছিলাম।
সেটা কী জনে জনে বলে বেড়াতে হবে? আমাকেও হাসাতে চাস?
- তেমনটা নয়। - বেশ, তাহলে চুপ থাক!
- মাথা খারাপ করে ফেলবে! - তুই কোন চ্যাটের বাল?
- ড্যান, বাদ দে। - এই তাকিয়ে কী দেখছিস?
তাকিয়ে কী দেখছিস?
ডাণ্ডার বাড়ি খাবি নাকি?
উত্তর দে!
এই ডাণ্ডার বাড়ি খাবি নাকি বল?
- নাহ। - বেশ।
তাহলে চুপচাপ মালপানি গেল আর নিজের চরকায় তেল দে!
ড্যান, সরে যা!
- আমাকে দেখে কি সমকামী মনে হয়? - না।
- দেখে কি সমকামী মনে হয়? - না।
- আমার ধনটা চুষবি? - না, এখানে কেবল একটু ড্রিংক করতে এসেছি।
- ধনটা চুষে দেখবি? - না!
- চুষে দেখ! - এমনটা কেন করছেন?
হ্যালো?
আপনি ঠিক আছেন তো?
কারো কাছ থেকে নিজেকে লুকাচ্ছেন?
- রেলিংটা একটু সরাবো? - না!
বেশ।
তবে এভাবে আপনাকে থাকতে দিতে পারব না।
আপনার নাম কী?
রবার্ট ডি নিরো!
চা খাবেন?
দূরে গিয়ে মরো!
আমি কি আপনার জন্য প্রার্থনা করব?
হে পিতা, হে ইশ্বর...অনুরোধ করছি, আপনি এই লোকটিকে আলিঙ্গন করে তার হৃদয়ে প্রবেশ করুন।
সে ভীষণ কষ্টে আছে।
নিশ্চয়ই আপনার ইশারাতেই এসেছেন, যাতে তাকে সাহায্য করতে পারি।
তাকে দেখে পথভ্রষ্ট মনে হচ্ছে।
সঠিক পথ খুঁজে পেতে সাহায্য করুন।
সেইসঙ্গে জানিয়ে দিন, যেটাই তাকে কষ্ট দিচ্ছে...
সেটা আপনার নিকট প্রাণ খুলে বলতে পারে এবং সাহায্যের জন্য প্রার্থনা করতে পারে।
ঠিক আছে।
সব ঠিক আছে।
এখন একটু ভালো লাগছে?
বিদায়।
- এতরাতে এখানে কী করছিস ? - মায়ের জন্য অপেক্ষা করছি।
তোকে রেখে বাইরে গিয়েছেন?
না। প্রেমিকের সাথে রুমে আছেন।
ব্লুয়ি কোথায়?
মারা গেছে।
কীভাবে?
গাড়ির নিচে চাপা পড়েছিলো।
খারাপ লাগছে?
হ্যাঁ।
যিনি চাপা দিয়েছেন তাকে কি মারবেন?
চাপা দিয়েই তৎক্ষণাৎ পালিয়েছে। পুলিশ ধরার সুযোগ পায়নি।
- আহা! কুকুরটা আমার খুব পছন্দের ছিলো। - আমারও।
- কুকুরটা বাইরের ঘরে ঘুমাতো কেন? - আমার স্ত্রী ওকে পছন্দ করতো না।
উনি তো মারা গিয়েছেন। এরপর তো ভেতরে রাখতে পারতে।
পুরনো অভ্যাস।
স্যাম, ভেতরে আয়!
- শুভরাত্রি। - শুভরাত্রি।
কিরে চোদনা!
আরে ও তোকে কামড়াবে না, কেবল আস্ত গিলে ফেলবে!
কিরে বুইড়া, তাকিয়ে কী দেখছিস?
হ্যালো।
দুঃখিত।
শাটারের সঙ্গে গা ঘেঁষে শুয়েছেন। দোকান খোলার সময় হয়েছে।
ভেতরে আসতে চান?
আমি তাহলে খুলছি।
এই নিন।
আপনার কী হয়েছিলো?
বাইক থেকে পড়ে গেছিলাম।
আপনার তো হাসপাতালে যাওয়া উচিত।
ওসব আপনাআপনি সেরে যাবে।
গতরাতে আপনার জন্য প্রার্থনা করেছিলাম।
দেখতেই পাচ্ছেন, প্রার্থনায় কোনো কাজের কাজ হয়নি।
না, সম্ভবত কাজ করেছে।
মনে হয় না, উনি আপনার কথা শুনেছে।
এখানে কেন এসেছেন?
এমনি এদিক দিয়ে যাচ্ছিলাম।
কোনো কারণ তো রয়েছেই। ইশ্বরের কাছে সেটা বলতে চান?
ওর কাছ থেকে কিচ্ছু চাই না।
- ইশ্বর আপনাকে ভালোবাসেন। - এখনো?
আপনি তো তারই সন্তান।
ইশ্বর আমার বাবা নন।
আমার বাবা ছিলো বদমাশ, বাবা সেটা ভালো করেই জানত।
ওদিকে ইশ্বর এখনো নিজেকে খোদা দাবি করে। কে ওকে বোঝাবে?
- ইশ্বরের ওপর এত ক্ষোভ কেন? - আপনি এত বোকা কেন?
সারাজীবন আপনার মতো কিছু মানুষ দেখেছি।
সাধু সাজার ভান করে।
কিছু দান খয়রাত করে।
কেক বানায়। অসহায় আত্নাদের শুশ্রূষা করে!
কখনো বাসি পান্তা খাননি।
বাইরের জগত সম্পর্কে বিন্দুমাত্র কোনো ধারণাও নেই!
- থাকেন কোথায়? - কী?
বললাম, থাকেন কোথায়? সহজ একটা প্রশ্ন করেছি। বধির নাকি?
ম্যানর্স এস্টেট।
ওরে বাপরে, ম্যানর্স এস্টেট!
ওখানে দিনকাল কেমন চলছে?
পাঁচ বেডরুম, ডাবল গ্যারেজ, সুন্দর করে ছাঁটা লন, সকালের মধুর কফি... সবকিছু মিলিয়ে জীবন কেমন কাটছে শুনি?
ওখানে কেমন কাটছে? ভালোই কাটছে নিশ্চয়ই?
এত বিলাসবহুল জীবন ছেড়ে এখানে কী করছেন?
এই দোকান চালিয়ে কী করেন?
কম বয়সি নারী। পরিবার আছে? বাচ্চাকাচ্চা আছে?
আমাদের বাচ্চা হয় না।
হয় না নাকি নিতে চান না?
তো আসল সমস্যা এখানেই?
ভাবছেন, ভালো কাজ করলেই ইশ্বর সকল সমস্যার সমাধান করে দিবেন?
থামেন।
নাকি আপনার স্বামী অক্ষম?
চায়ের জন্য ধন্যবাদ।
আপনার জন্য প্রার্থনা করবো।
আমার সমস্যা কী?
আস্ত একটা নির্লজ্জ আমি!
শালার পুরাই...
সব ঠিক আছে তো, জোসেফ?
হ্যাঁ, আমি ঠিক আছি।
হান্নাহ?
হান্নাহ।
হান্নাহ।
হান্নাহ!
হান্নাহ!
- বিছানায় আসোনি কেন? - সোফায় ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।
- তাহলে এখন চলে এসো। - গোসল করে ফেলেছি।
- ফের নাহয় গোসল করে নিবে। - নাহ! অনেক কাজ পড়ে আছে।
- এসব আবার কাজ হলো নাকি? - এখন না!
বেশ, তাহলে একা একা একটু সময় কাটাই।
হ্যালো, জোসেফ।
চিয়ার্স।
তুমি যখন ছোট ছিলে, আমি আর তোমার বাবা...
কিছু বললে?
আমি শেষ।
সব তছনছ করে ফেলেছি।
- মেরি আমাকে ঘৃণা করে। - মোটেও না।
না, ও আমাকে ঘৃণা করে।
ও তোকে ভালোবাসে। আমরা সবাই তোকে ভালোবাসি।
আমি নরকে যাচ্ছি।
- না, না। - আমি নিশ্চিত।
- অনেক খারাপ কাজ করেছি। - সেটা আমরা সকলেই করেছি।
কিন্তু...
- সাহায্য লাগবে? - না, ঠিক আছে।
শুনো সুন্দরী, তো যেটা বলতে এসেছিলাম...
আমার নাম হান্নাহ।
আসলে গতকালকের জন্য আমি দুঃখিত।
ওভাবে কটু কথা বলাটা ঠিক হয়নি।
বাহিরে কোথাও কথা বলা যায় না?
তোমার ধর্মে তো এসব বারণ, তাই না?
- বিয়ার পানের কথা বলছি। - একরকম তাই।
ভয় নেই, ওপরওয়ালাকে বলব না।
তো এটাই তোমার দুনিয়া?
অনেকটা তাই বলতে পারো।
আর পরিবার?
- কেউ নেই। - কেউ না কেউ তো আছেই।
কেউ নেই। ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলো, ক্যান্সারে ধুঁকে মরছে!
পোষা কুকুরটাকে মেরে ফেলেছি। আমি শেষ।
মেরে ফেলেছো?
পাঁজরের হাড় ভেঙ্গে ফেলেছিলাম।
এভাবে মারলে কেন?
জুয়া খেলতে গিয়ে মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। ফিরে এসে সমস্ত রাগ ওর ওপরে ঝাড়ি।
আমার ছোট্ট ব্লুয়ি।
জোসেফ, বালামরির কাহিনী কী?
ঠিক আছে, টমি।
ঐ পাকিস্তানিদের সঙ্গে কী করেছিলে তা কিন্তু শুনেছি।
আর তোমার সঙ্গে যা করেছে সেটাও।
ওদের শায়েস্তা করতে কিছু পোলাপান জড়ো করছি।
আমি আমার লড়াই নিজেই লড়ি।
ওরা কেবল তোমাকেই নয় বরং আমাদেরও অপমানিত করেছে।
ওদের সেই কুটিল দৃষ্টি... একটা শুকরের মাথা রেখে দিয়েছি।
- সময়মতো ওদের নিকট পাঠিয়ে দেবো। - থাক, বাদ দাও।
নাহ, ওরা নিজেদের মধ্যে মিল রেখে দল বেঁধে চলে।
আমাদেরও দল বেধে চলতে হবে।
একটা শিশু আগুনে পুড়ে মরলেও ওরা এগিয়ে আসবে না।
No comments yet. Be the first to leave one.