Money Heist

Money Heist (La casa de papel)

Download Bengali Subtitle

Season 1

Release info

La casa de papel S01E04
A Commentary by SerialKiller
মাতৃভাষায় উপভোগ করুন, ২০১৭ এর অন্যতম আলোচিত স্প্যানিশ অ্যাকশন থ্রিলার টিভি সিরিজ "La Casa De Papel" 😊 গুগোল ট্রান্সলেটেড সাব হতে সাবধান! ❤ রানটাইম 00:51:22! ❤ ডাউনলোড লিঙ্ক: serialkillerbd.com ❤ ফলো করুন আমাদের ফেসবুক পেইজ: facebook.com/skbd2017 ❤

Tags

other
Published on: 2018-09-19
Downloads: 258
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

তারপর তোমাকেও মেরে ফেলবে।

তুমি অবশ্য এমনিতেও মরবে।

আরে, ধ্যাত।

আরে, ধ্যাত।

কথা শোনো বলছি।

-হাঁটু গেড়ে বসো। -না।

প্লিজ আমাকে মেরো না।

শনিবার দুপুর ১২: ৩০

আমার দিকে তাকিও না।

তাকিও না আমার দিকে।

-প্লিজ। -তাকাবে না আমার দিকে।

তাকাবে না বলছি।

এসব কী?

ডাকাতি শুরুর ২৬ ঘন্টা পরে।

হয়েছেটা কী?

খোদা, শান্ত হও!

একটু মাথাটা ঠাণ্ডা করো,

নইলে এখান থেকে বেঁচে ফিরতে পারবো না, বুকে একটু সাহস রাখো।

ধন্যবাদ।

চুপ করো, চুপ।

-ধন্যবাদ। -চুপ।

ওদেরকে বলো, তুমি আমাকে মেরে লাশ লুকিয়ে ফেলেছ।

-আমি লুকিয়ে থাকবো। -কোন গর্তে গিয়ে লুকাবে শুনি?

দুই নং ভল্টে।

আমার আঙুলের ছাপ দিয়ে ঢুকে যাবো, কেউ খুঁজেও পাবে না।

-ওদেরকে বলবে, আমাকে মেরে ফেলেছ। - কিন্তু এক ফোঁটা রক্তও নেই।

-প্রমাণ করার মতো একটা ফোঁটা রক্তও নেই । -এখানে গুলি করো।

-হাতে গুলি করো। -আজগুবি কথাবার্তা বাদ দাও!

-করো! -মাথা নষ্ট!

-কাঁধে করো। -কাঁধে?

কাঁধে গুলি করো।

কাঁধ ফুসফুসের বেশি কাছে, এটা সম্ভব না।

উরুতে করো, অনেক রক্ত বেরোবে।

আমার ভাইয়ের এখানে লোহা ঢুকে গিয়েছিল। অনেক রক্ত বেরিয়েছিল।

চাইলে আমার হাতে কামড় দাও।

আচ্ছা।

আচ্ছা।

-ঠিক আছে। -না!

দুইবার গুলি...

নিশানা খারাপ নাকি সোনালিচুলো দেখলে নার্ভাস হয়ে যাও?

ও যদি তোমার পায়ে ধরে বলে গুলি না করতে,

ব্যাপারটা অত সোজা না।

ওকে মারলে না কেন?

তুমি একটা বেজন্মা কুত্তা!

নিজের হাতে রক্ত না লাগিয়ে আমার হাতে লাগাও।

আরেকবার গায়ে হাত দিলে, খুন করে ফেলবো।

বেজমেন্টের কয়লার বয়লারে ওকে পুড়িয়ে ফেলো।

পরে এখানটা পরিষ্কার করবে।

Translated By SANJIDA PRITOM | AL MAKSUD TANJIDUL ISLAM SAKIB | ASIF NEWAZE | SAYEED BIN TARIQ KUDRATE JAHAN ZINIA

Edited By SARAH IQBAL

LCDP 104 :.:.: CABALLO DE TROYA :.:.:

পাওলা?

পাওলা সোনা! কোথায় তুমি?

পাওলা, তুমি কোথায়?

পাওলা সোনা!

পাওলা...

"এখন আমি আলমাজানে থাকি না, মাদ্রিদে থাকি।

শহরতলিতে যাবার বাসটার নম্বর ২১।

আমার দুই মেয়ে আছে, চাবিগুলো হলের ড্রয়ারে থাকে।

আমি রাকেল আর পাওলার সাথে থাকি। আমার ভাই অসুস্থ।

চাবিগুলো... আমার দুই মেয়ে আছে, রাকেল...

পাওলা সবসময়ই নিজের মতো চলে।

পাওলা বাবাকে আদালত থেকে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

পাওলাকে কখনো ওর বাবার সাথে যেতে দেবে না"

হ্যালো?

প্রফেসর, যেই এক ঘন্টা সময় দিয়েছিলাম, তা শেষ হয়ে গেছে।

তুমি কি আত্মসমর্পণ করবে?

ছোটকালে খেলার মাঠে কোন খেলা খেলতে?

দড়ি-ঝাঁপ,

বরফ-পানি, কানামাছি...

হাঁড়ি-পাতিল দিয়েও খেলতাম।

"আমি খেলতাম চোর-পুলিশ"

চিনতে পেরেছ?

কেউ কেউ পুলিশ সেজে বাকিদের ধরার চেষ্টা করত,

অনেকসময় ধরেও ফেলত, কিন্তু এমন একজনও ছিল না,

যে কী না ধরা পড়ার আগেই আত্মসমর্পণ করত।

খেলার মাঠের বাচ্চাদের আট থেকে ষোল বছরের জন্য...

জেলে যাবার ঝুঁকি নেই।

ঠিক বলেছ, এক্কেবারে ঠিক বলেছ।

তাই আমি আমার বন্ধুদেরকে জিজ্ঞেস করলাম।

"আমরা ভোট করলাম, আর জানো?"

আমরা উদ্যমশীল।

অবশেষে সিদ্ধান্ত নিলাম, কেউ জেলে যাবো না।

"রাকেল বলছি, ফোন ধরতে পারছি না।

জরুরি কিছু হলে, মেসেজ রেখে যাও।"

অনেকে কষ্ট পাচ্ছে, তোমাদের প্ল্যানটা কী?

কাগজ কলম নাও।

" আমার তিন অক্ষদন্ডের একটা লরি লাগবে"

সাথে একটা আঠারো টন ওজনের ট্রেলার,

দুইটা ট্যাংকার, সাথে ওটা চালানোর মতো প্রপেন গ্যাস।

আর সেন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড দ্য গ্রেনাডিয়ান্সের পতাকা লাগানো জাহাজ মালাইকা।

চিনতে পেরেছ?

নয়মাস আগে ২৮০০ কিলো কোকেনসহ ধরা পড়েছিল যেটা।

ফ্যারলের মিলিটারি পোর্টে রাখা আছে।

তোমার অনুরোধ রাখা এত সহজ হবে না।

নীতিগত বাধা ‌, সুরক্ষার জনিত ব্যাপার আছে।

কল্পনা করো,

"একটা বিল্ডিং ধ্বসে পড়ল, ভেতরে ৬৭ জন মানুষসহ

এই নিষ্পাপ মানুষগুলোর জীবন বাঁচাত,

তোমরা কতদূর কী করতে পারবে? ইন্সপেক্টর , একটা ব্যাপার পরিস্কার হয়ে যাক।

তোমার সামনে দুটো পথ খোলা আছে। এক, আমাদের শাস্তি দেওয়া। দুই, জীবন বাঁচানো।

আর অবশ্যই আপনি দুটোই করতে পারবেন না।

"একটা নতুন মেসেজ আছে।

মা, মাত্র কাজ শেষ হলো...

কল করতে ১ চাপুন।

কথা দিচ্ছি তোমাকে,

আমি ওই ৬৭ জন জিম্মিকে একদম সুস্থভাবে ফেরত পাঠাবো।

যখন আমরা আন্তর্জাতিক জলপথে নামবো।

তখন যদি আমাদের ধরার জন্য পিছু না নাও।

জেনে রাখো, এটা মোটেই আমার জন্য সুখকর নয়,

আমি সমুদ্র, মাছ আর সৈকতের বালি একদম অপছন্দ করি।

কিন্তু জীবন তো সবসময় আমাদের সোজা পথটায় যেতে দেয় না, তাই না ?

সকালে আমার মেয়ে একটা মেসেজ পেয়েছি , এই ফোন থেকে...

আসলে ... আমি রাকেল মারিল্লোর মা । আমি ওকে ফোনে পাচ্ছি না।

প্লিজ, আপনি কি জানেন সে কোথায় ? খুব দরকার ছিল।

ওদেরকে ওই ইঁদুরের খাঁচা থেকে বের করতে লরি আনছি।

খোলা ময়দানে আমাদের সুবিধা হবে।

গাড়িগুলো বিষাক্ত গ্যাস দিয়ে ভরে নাও।

- ওরা বের হবে না। - তুমি কীভাবে জানো ?

ওরা ভল্ট খুলেছে, কিন্তু কোনো অর্থ নেয়নি।

ওরা পুলিশের জন্য অপেক্ষা করেছে।

গুলি করেছে।

ইচ্ছে করে হাত থেকে দুটো ব্যাগ ফেলে,

রাস্তায় ইউরোগুলো ছড়িয়ে দিয়েছে।

- তো ? - ২ দিন ধরে করে আসা চুক্তিটা জিততে,

ভান করছে যে, ওরা আটকে গেছে।

কিন্তু ওরা ভেতরে নিজের ইচ্ছাতেই আছে।

মেশিন গান, লাল ওভারঅল, মাস্ক, সবকিছুসহ।

ভেতরে যাবার ২ ঘণ্টা পর অ্যালার্ম বাজিয়েছে।

আগে ভল্ট খুলেছে, তারপর।

ব্যাপারটাকে সাধারণ ডাকাতির মতো দেখাতে অর্থের ব্যবহার করছে, কিন্তু এটা মোটেও তা নয়।

রাষ্ট্রদূতের মেয়ে যেদিন ওখানে ছিল, সেদিনই ওরা ওখানে ঢুকেছে।

এজন্যই, কোনো সঙ্কোচ ছাড়াই লোকটা কথা বলে।

সে সব কন্ট্রোল করছে , কারন সে জানে, তার প্ল্যান মোতাবেকই সব হচ্ছে।

ভল্ট এর ৮০ লক্ষ নেওয়ার চেয়ে ভালো প্ল্যান কী হতে পারে ?

ওরা নিজেরাই ছাপহীন মুদ্রা ছাপাচ্ছে।

- এটা এখানেই তো, তাই না ? -হ্যাঁ, দাঁড়াও।

সাবধানে।

- এটা কাজ করছে না কেন ? - আঙ্গুল পরিষ্কার না তাই।

অন্যটার মতো এটাও খুলতে দেরি হয় ?

না।

-আচ্ছা। - এসো।

- আপনি আসতে পারবেন না। - আমি একটা খবর এনেছি...

ইন্সপেক্টর মারিল্লোর জন্য, রাকেল মারিল্লো।

- ঠিক আছে। - এটা ব্যক্তিগত ও জরুরি।

- এটা জরুরি। - আচ্ছা, যান।

- থ্যাংকস। - হাত সোজা করুন।

আমার সাথে চলুন।

-একটা কল এসেছে -রেকর্ড করো।

রেকর্ড হচ্ছে

আলমানসার সাথে কমান্ড পোস্ট এর দিকে একজন মানুষ যাচ্ছে।

উনি ইন্সপ্যাক্টর এর সাথে দেখা করতে চান , জরুরি কথা আছে নাকি।

ইন্সপেক্টর , আপনার মা ফোন করেছিলেন।

আপনি আমার ফোন থেকে ফোন করেছিলেন তো।

বোধহয় আপনার মেয়ের ব্যাপারে কিছু বলতে চান।

-হ্যালো ? - সোনা ?

- মা, কী হয়েছে? - রেকর্ড বন্ধ করো।

-পাওলার বাবা ওকে নিয়ে গেছে। - মানে?

- ও আমাকে বলল, একটু সময়ের জন্য নিচ্ছে। - মা, করেছটা কী তুমি ?

- ওরা এখনো আসেনি ফিরে। - আলবার্তোকে আদালত নির্দেশ দিয়েছে,

ও শুধু পাওলাকে ১৫ দিন পর পর দেখতে পারবে, তবে বাসায় ঢুকতে পারবে না।

-আমি জানি, সোনা । - রেকর্ড বন্ধ করো , ঈশ্বর!

- পারছি না। - তাহলে আওয়াজ কমাও।

আমি পারিনি...

মা । মা

- কতক্ষণ আগে গিয়েছে ওরা ? -২ ঘণ্টা হবে।

আচ্ছা,আমি আসছি, দাঁড়াও।

- ভালোই ঝামেলায় আছেন দেখছি। - আলমানসা উনাকে নিয়ে যাও।

যে গুলির শব্দ তোমরা পেয়েছ , ওটা পুলিশের গাফিলতির হন্য হয়েছে।

একজন জিম্মি আমার কথা শুনছিল না বলে এমনটা করতে হয়েছে।

সে নিজের ফোন ব্যবহার করার...

আমি ভাবছি ...।

আমার কাছে যদি মিস গাসতামবিডের ফোন থাকে,

তাহলে এটা কার ?

এই টিউন কার পরিচিত ?

কী হয়েছিল ?

কী করছ ?

আমরা সবাই গুলির শব্দ পেয়েছি।

আমি তোমাকে জিজ্ঞেস করছি, ঘটানাটা কী ঘটেছে।

এখানে না।

কথা ছিল, কেউ ভিকটিম হবে না।

ওর কাছে একটা ফোন ছিল, আমার আর কী করার ছিল?

ভয় দেখাতে, তাই বলে মেরে ফেলবে ? একটা কান কেটে দিতে, মুভিতে যেমন করে।

ও যদি পুলিশকে বলে দিত, আমরা কতজন আর কোথায় অবস্থান করছি,

তাহলে এখন গুলিটা তুমি খেতে।

তবে কানটা সহিসালামত থাকত।

কে গুলি করেছে ?

ডেনভার।

ওর মাথায় সহজে রক্ত চড়ে যায়।

প্রফেসর রক্তপাত না ঘটাতে মানা করেছিলেন।

- ওটাই ছিল নিয়ম। - জিম্মিদের সামাল দিতে গিয়ে...

একটু পরিবর্তন হয়েছে আর কি।

বুঝেছ ?

শান্ত হও , আম জনতা আমাদের পক্ষে, আর সেটা বদলাবে না।

যখন ওরা দেখবে, একজন জিম্মি কম আছে, আমরা এখানে থাকবো না।

আমরা অনেক দূরে চলে যাবো।

প্রফেসর জানে এ কথা ? হ্যাঁ ?

জানে প্রফেসর যে, একদম প্রথম নিয়মটাই তুমি ভেঙ্গে ফেলেছ?

তুমি আমাকে নিয়ম শিখাচ্ছ ?

যার প্রেমের চক্করে একটা পুলিশ প্রায় মরে যেতে বসেছিল ?

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left