The first 200 lines.
ওহ বাল!
দুই সপ্তাহ হয়ে গেল চিহ্ন দিয়েছে, এখনও মাগীর গুদের মতো ভিজে আছে।
আহ, আমার হাতেও তো একই দাগ আছে ভাই।
আমি তো কিছু বললাম না।
হা, হা, হা।
মারার পর ঢাল নামিয়ে ফেলিস তুই।
এখন থেকে মাথায় রাখবো।
তোর মাথা এবার আমার।
কীভাবে কাটবো বল?
আজকে ভালোই খেলেছিস।
কিন্তু তুই পারলি না।
কী ভাবছিস বল তো?
আশুরকে দিয়ে অরেলিয়াকে চিঠি পাঠিয়েছিলাম।
১ সপ্তাহ হয়ে গেল, কোনো খবর নেই।
তুই প্রতি-উত্তরের আশায় আছিস?
যেই স্বামী তাকে বেশ্যা বলেছে,
তার কাছে সে কখনোই আসবে না।
আমি এরকম কিছু বলিনি।
মুখে বলিনি।
আর চিঠিটা মধুর ভাষাতেই লিখেছিলাম।
আমি স্বীকার করেছি, তার পেটের সন্তানের ব্যাপারটা
আমি খারাব চোখে দেখেছি।
এখন সে তোকে অপেক্ষা করাচ্ছে।
বোকামি করলে নারীরা আমাদের এভাবেই শাস্তি দেয়।
এটা সবসময় মনে রাখবি।
না হয় তোর ঘিলু বালিতে মিশে একাকার হয়ে যাবে।
অসাধারণ!
হ্যাঁ, প্রজন্মের পর প্রজন্ম এগুলো আমাদের পরিবারে শোভা পাচ্ছে।
তারমানে, এ ধরনের প্রদর্শনী কি প্রায়ই হয়?
- না। - উম।
কিন্তু যখন এ ধরনের অনুরোধ করা হয়,
তখন আমরা গুণমানের দিক থেকে সেরাটাই দেওয়ার চেষ্টা করি।
বাটিয়াতাস বাড়ি তো দেখি খুবই সমৃদ্ধ!
আমার এটা ভালো লেগেছে।
আহ, ডায়ানা, শিকারের দেবী।
খুবই রুচিশীল পছন্দ।
সে রাজি হবে তো?
অ্যাক্টেয়ন যখন তাকে গোসল করতে দেখে ফেলেছিল,
তারপর সে তাকে অভিশাপ দিয়ে হরিণে পরিণত করে ফেলে,
আর নিজের কুকুরকে সেটার উপর লেলিয়ে দেয়।
ওহ, আপনার নিজের পছন্দ মতো
একটা হরিণ বাছাই করতে হবে।
কাকে নিবেন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন?
আমি শুধু একজন পুরুষকেই
এই বিপদে জড়াতে চাই।
আমি স্পার্টাকাসকে নিতে চাই।
সেই মহা-বিজয়ীকে,
অবশ্যই।
কোনো সমস্যা আছে নাকি?
যদি আরো মুদ্রা লাগে তো...
না, না।
না, মার্কাস ক্র্যাসাসের কাজিন তো এমনিতেই,
থিওকোলেসের বধকারীকে পাওয়ার যোগ্য,
ন্যায্য মূল্যে।
ওহ, অর্থ কোনো বিষয় না।
কিন্তু আমার স্বামী যদি এই ব্যাপারে শুনে ফেলে,
যদি ঈশ্বররা নিজেও বলাবলি করে,
তাও আপনার স্বামী শুনতে পারবে না।
এই ধরণের কাজে আমরা
সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করি।
আর এই মুখোশই আপনার পরিচয় গোপন রাখবে।
আর আপনাকেও সতর্ক থাকতে হবে,
কাউকে বলা যাবে না।
ঠিক নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হবেন,
সাথে কাউকে আনবেন না।
কোনো দাসী বা সহচর ছাড়াই চলে আসব?
তার আপনার অনুগত, আপনাকে ধরিয়ে দিতে পারে।
আমি আপনার বা আমাদের লুডুসের
কোনো ঝামেলা চাই না।
ইলিথিয়া।
ওহ।
দুঃখিত।
তাড়াতাড়ি চলে এলাম নাকি?
কীসের জন্য?
তুমিই তো আমাকে দুপুরের খাবারে নিমন্ত্রণ করেছিলে।
আসলেই?
হ্যাঁ, কিন্তু সেটা তো কালকে।
ওহ, তাই বুঝি?
আশা করি তোমাদের গুরুত্বপূর্ণ কাজে বাঁধা দেইনি।
ওহ, না না, একদমই গুরুত্বপূর্ণ না।
আমরা শুধু তোমার গ্ল্যাডিয়েটরকে নিয়ে
কথা বলছিলাম।
কী যেন নাম ছিল তার?
সেগো...
সেগোভ্যাক্স।
হ্যাঁ, সেগোভ্যাক্স।
বেচারা।
সামনে থেকে ২,৩টা কিনে রেখো।
যাতে নিজের কাজটা হাসিল করতে পারো।
প্রক্রিয়াটা একটু কঠিন।
সবাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে যুদ্ধের ময়দানে পদার্পণ করতে পারে না।
কিন্তু আমার স্বামী শুধু সেরাদেরই চায়।
সেটা আমরা সবাই চাই।
তাড়াহুড়োর জন্য দুঃখিত, কিন্তু আমার স্বামী আমার জন্য অপেক্ষা করছে।
পরবর্তী দেখা হওয়ার অপেক্ষায় রইলাম।
সে তোমার উপকার করেছে।
আর আমি তার।
দেখা ভালো লাগছে যে,
আমার জন্যই এটা সম্ভব হলো।
এই জন্যই তো তোমার কাছে আমি চির-কৃতজ্ঞ।
তোমাকে আরো সাবধান হতে হবে।
লাইকেনিয়ার সাথে।
সে কিন্তু তোমার চেয়ে অনেক বড় ঘরের মেয়ে,
আর তার মন পাল্টালে, সুযোগ পেলেই এটা সে
তোমাকে মনে করিয়ে দিবে।
তার মন কিন্তু খুব দ্রুত পাল্টে যায়।
এই ধরণের মানুষদের কীভাবে সামলাতে হয় সেটা আমার ভালো করেই জানা আছে।
তা তো থাকবেই।
তো, আমি কি নিমন্ত্রিত?
নিমন্ত্রিত?
কীসে?
ছদ্মবেশের এই উৎসবে।
তুমি ভেবেছ সে যে মুখোশটা লুকাতে চেয়েছিল,
সেটা আমি দেখিনি?
তুমি ভুল ভাবছ।
ছদ্মবেশের কোনো উৎসব হবে না।
ডায়ানার মুখোশটা সে এমনি পরে দেখতে চেয়েছিল।
এই জন্যই "কোনো ঝামেলা চাও না"?
একজন সম্পদশালী সতী নারী লুডুসে এসে...
মুখোশ নিয়ে ঝামেলা এড়িয়ে কিছু করতে চাইছে।
যদিও আমি তেমন কিছু শুনিনি,
কিন্তু আমার ধারণা,
- সে এখানকার কোনো গ্ল্যাডিয়েটরের কাছে চোদা খেতে চায়। - ইলিথিয়া।
ঠিক বলেছি না?
ওহ, মাগী একটা!
শুধু উপরেই ভদ্র সাজে।
আমি লুকিয়ে রাখার কথা দিয়েছি,
এই ব্যাপারে যেন কেউ কিছু জানতে না পারে,
জানবে না।
তুমি আমার খুবই মূল্যবান বান্ধবী।
আর এটা আমাদের ছোট্ট একটা সিক্রেট হয়ে থাকবে।
আমি তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারব।
ইলিথিয়াকে?
যেমনটা তুমি তাকে আর তার সেগোভ্যাক্সকে করেছিলে?
সে আমাদের লোক দিয়েই স্পার্টাকাস মারতে চেয়েছিল,
তাও আবার তোমার নিজ বাড়িতেই।
আর তুমি তাকে নিয়ন্ত্রণ করার কথা বলছ?
স্পার্টাকাস বিনা কারণে তাকে রাগিয়ে দিয়েছিল।
লাইকেনিয়ার ব্যাপারটা আলাদা।
এমনকি ইলিথিয়াও জানে
মার্কাস ক্র্যাসাসের কাজিনকে দিয়ে আমাদের অনেক উপকার হবে।
তা তো জানবেই।
লোকটার ধন সম্পদের অভাব নেই!
রোমে এমন এক মিত্রের অনুগ্রহ পেলে,
আমি খুব সহজেই...
তবে ছোট একটা কাজ করতে হবে।
লাইকেনিয়া আমাদের মহা-বিজয়ীর ছোঁয়া চায়।
হা, স্পার্টাকাস?
তেমন কঠিন হবে না।
ওহ, সে সবসময় একটা না একটা ঝামেলা বাঁধায়।
আগের পরিস্থিতি এখন পাল্টে গেছে।
এখন আমি যেটা আদেশ করব...
সেটাই হবে।
কাপুয়ার মহা-বিজয়ী চলে এসেছে!
যাকে ভয় পায় স্বয়ং ঈশ্বর,
মেঘ ভেঙে যে নামিয়ে আনে বৃষ্টি!
আমার গৌরব তো কেবল আমার ডোমিনাসের প্রতিফলন।
এতো প্রশংসা করার দরকার নেই!
আমি শুধু প্রতিদান দিলাম।
ঈশ্বরও এর সাক্ষী হয়ে রইল।
যখন ভাবলাম, আমরা হয়তো সমস্ত সম্মানের অধিকারী হয়ে গেছি,
ঠিক তখনই স্বর্গ থেকে আরেকটা সুযোগ এসে পরলো আমাদের হাতে।
লাইকেনিয়ার কথা বলছি, মার্কাস ক্র্যাসাসের কাজিন,
সে তোমাকে চেয়েছে।
ক্র্যাসাস?
এই দেশের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি।
এ তো খুবই সম্মানের ব্যাপার।
আমার প্রতিপক্ষ কে হবে?
প্রতিপক্ষ?!
লড়াই দেখার প্রতি লাইকেনিয়ার কোনো আগ্রহ নেই।
সে একটু...
ঘনিষ্ঠতা চাইছে।
তার সাথে শুতে হবে?
আর সকল পুরুষের চেয়ে ভালো করে করতে হবে।
মহা-বিজয়ীকেও কি এই ধরনের কাজ করতে হয়?
হয়।
কোনো সমস্যা আছে?
না।
আমি কাপুয়ার মহা-বিজয়ী।
আমার প্রতি যে সকল কর্তব্য বর্তাবে, সকল কিছু পালন করা আমার দায়িত্ব।
তাকে সর্বোচ্চ সুখ দেও।
আর তোমার ধোন দিয়ে আমাদের আরো সমৃদ্ধশালী করে তুলো।
ভিতরে চুলকায় নাকি?
না।
প্রশিক্ষণে কখন ফিরতে পারব?
তুমি যে এখনো বেঁচে আছো,
সেটাই তো আশ্চর্যের ব্যাপার।
কয়দিন লাগবে?
এক সপ্তাহ।
দুই সপ্তাহও লাগতে পারে...
কাল।
না, এতো দ্রুত সম্ভব না।
কাল।
বেশ তবে, কালই।
বহুদিনের প্রতীক্ষার পর, আজ এই গৌরবময় দিন এলো।
ক্রিক্সাস!
মৃত্যুকে হারিয়ে ফিরে এসেছে!
আর আশুর, সমস্ত বন্ধন ছেঁড়ে,
আবার তলোয়ার তুলে নিবে!
তুমিও আবার প্রশিক্ষণে ফিরবে?
No comments yet. Be the first to leave one.