The first 200 lines.
অ
অন
অনু
অনুব
অনুবা
অনুবাদ
অনুবাদক
অনুবাদক :
অনুবাদক :-
অনুবাদক :- আ
অনুবাদক :- আল
অনুবাদক :- আলা
অনুবাদক :- আলাউ
অনুবাদক :- আলাউদ্দ
অনুবাদক :- আলাউদ্দী
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন র
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রা
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাস
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাসে
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাসেল
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাসেল।
অনুবাদ ও সম্পাদনায়... "মোঃ আলাউদ্দীন রাসেল"।
The Uncanny Counter, Season 01, Episode 02.
বল মেয়েটা কে?
- আমি বলতে পারবো না! - কেন পারবি না?
বলিস না তাহলে! তোর মুখ থেকে সত্যটা বের করেই ছাড়বো।
শয়তানের দল!
মুনকে ছেড়ে দে!
মুন, মেয়েটা কে? বল ওদেরকে!
না বললে ওরা তোকে মেরে ফেলবে।
অনেক হয়েছে!
এবার তো থাম!
চুপ থাক বাইঞ্চোদ! বল মেয়েটা এখন কোথায় আছে।
এবার সুদে-আসলে সব ফিরিয়ে দেবো।
শূয়ারের বাচ্চা!
খানকির পোলা কয় কি!?
- বাল রে! - উঠ, শালা!
তোর খেল খতম, বুঝেছিস?
কী বলছিলি? "থামো"?
তোর এত বড় সাহস, আমাকে থামতে বলিস?
এদিকে আয়!
কাহিনী চোদাবি আর!?
আজকে তোকে মেরেই ফেলবো।
- হয়েছে, হয়েছে! - চল এবার!
- হেই! - আরে ভাই, চল এবার।
বন্ধু, তুই ঠিক আছিস?
তোকে মেরেই ফেলবো, শূয়ারের বাচ্চা!
অনেক হয়েছে!
হেই, মুন!
মুন, তুই ঠিক আছিস?
মুন!
- হেই! - চোখ খোল!
মুন!
মরে গেলো নাকি?
- তোকে থামতে বলেছিলাম! - ধুর, শাউয়া!
পুলিশ চলে এসেছে!
এই বোকাচোদাগুলা আবার কারা?
পুলিশ?
তোদের সাথে একটু মজা নিলাম! ভয় পেয়ে গেছিস দেখছি!
তোরা আবার কোন বেজন্মার দল?
গালি দিস না, পিচ্চি!
কী চাস তোরা?
ছেলেটা আমাদের সংগঠনের সদস্য।
তোদের সংগঠনের সদস্য?
ইওনি গ্যাং!
তোর মত একটা বুইড়া খাটাস আর এই দাদীজানের গ্যাং?
আরে! ওই মেয়েটা না?
খোদা রে, ছেলেটাকে কী মারটাই না মেরেছ তোমরা।
এখনকার ছেলেপুলেরা এত নিষ্ঠুর কেন!?
এরকম মারলে মানুষ মারাও যেতে পারে।
পরে তোমাদেরকে জেল খাটতে হবে।
আমরা জেলে যাবো কোন দুঃখে?
জেলে তো যাবে এই শালি!
বড় হয়ে ছোটদের গায়ে হাত তুলে!
- আসতে বল তোদের পুলিশ বাপেদের। - ঠিক আছো?
শোন, আমার বাপ একজন সংসদ সদস্য।
হায়রে, খানকির ছেলে!
এজন্যই তো ভিক্টিমরা তোদের নামে থানায় রিপোর্ট করে না।
আমি নিশ্চিত, এদের বাপ-মাও এদের মতোই বেজন্মা!
আবার জিগায়! পুরাই বেজন্মা!
তুমি মুনের বন্ধু?
হ্যাঁ, আমি ওকে কাঁধে করে নিয়ে যাবো।
লাগবে না!
হেই! কী করছিস তুই?
কী করছিস তুই?
হেই!
হিসেব এখনও বাকি আছে! দাঁড়া!
তুই ওই মাগিটা না?
আরেকবার শুধু আমাকে মাগি বলে দেখ...
...তোকে এখানেই পুঁতে রেখে দেবো।
আমাদের কারো সাথে কেউ ঝামেলা করলে আমরা সেটা সুদে-আসলে ফিরিয়ে দেই...
কিন্তু যেহেতু তোরা সিভিলিয়ান, তাই তোদেরকে ছেড়ে দিলাম।
যাইহোক, আর যদি কখনও ওকে বিরক্ত করিস, তখন কিন্তু তোদেরকে ছাড় দেয়া হবে না।
আমি মজা করছি না!
তাই কথাটা ভুলে যাস না।
ওরে, আব্বারে! কী ভয়ঙ্কর কথাবার্তা!
ভয়ে আমাদের গলা শুকিয়ে যাচ্ছে!
- ভাই রে ভাই! - আরে, মো-তাক! ফাটাই দিছো!
দেখছোই তো, সব বাচ্চা পোলাপান!
মুন খুব উদার মনের ছেলে!
ও চাইলেই ওদেরকে মেরে তক্তা বানিয়ে দিতে পারতো...
...কিন্তু ও তা করেনি।
এটা নিতে ভুলিস না!
ল্যাংড়াটার এটা লাগবে।
এবার বেশি বেশি হয়ে যাচ্ছে কিন্তু!
- হেই! - হেই! সাবধানে!
মুন, তুই ঠিক আছিস?
- তুই ঠিক আছিস? - চোখ খোল!
- মুন, চোখ খোল, মুন! - তুই ঠিক আছিস?
আমার পা ভেঙে গেছে!
মুন, তুই ঠিক আছিস?
এদেরকে এখানে মারলে তেমন মজা পাবো না।
- বাই! - উঠ!
- পুরাই ফাটিয়ে দিয়েছিস! - বাই!
দুঃখিত, মাফ করবেন!
আমরা যাচ্ছি!
মো-তাক!
চিন্তা কোরো না!
আমার তোকে ডাকা উচিত হয়নি। আমি দুঃখিত, মুন!
কান্না থামাও!
এতে তোমার কোন দোষ নেই।
একটা করে ঘুসিই যথেষ্ট!
এভাবে মাফ চায়?
কীভাবে মাফ চাইতে হয় সেটাও জানিস না তোরা?
আরে, ছেড়ে দাও বেচারাদের!
আমাদের শক্তি চলে যাওয়ার আগে ওদের স্মৃতি নষ্ট করে দাও।
না, ওদেরকে আরও কিছুক্ষণ কষ্ট পেতে দাও।
শুয়ারের বাচ্চাগুলো বুঝুক কষ্ট কাকে বলে!
বাসায় চলে যাও!
আমিও তোমাদের সাথে যাবো।
অনেক রাত হয়ে গেছে।
জ্ঞান ফিরলে ও তোমাকে কল দিবে।
এদেরকে এত স্বাধীনতা দেয়া উচিত না।
এদেরকে স্কুলেই বা ঢুকতে দেয় কেন?
এগুলারে বহিষ্কার করা উচিত!
ওর বাবা একজন সংসদ সদস্য!
জলিমদেরকে ছাড় দেয়ার ব্যাপারে কোরিয়া সারাবিশ্বে এক নাম্বারে আছে।
আমার হাত ভেঙে গেছে! আমি শেষ!
সিভিলিয়ানদেরকে মারার কারণে আমাদের ক্ষমতা হারাতে পারে।
ধুরো, ইয়াং-এর হারামজাদাগুলোর উচিত আমাদেরকে একটু স্বাধীনতা দেয়া।
তারা জানতেও চায় না যে, কাজ করতে গিয়ে আমাদেরকে কিসব ঝামেলার সম্মুখীন হতে হয়।
দেখি তো, বাবু সোনা!
না, প্লিজ! না!
- না! - ঘুমিয়ে পড়ো!
না!
ঠিক আছে! এরপর তোমার পালা!
আমাকে মারবেন না! প্লিজ, আমার জীবন ভিক্ষা দিন।
- আমি আবার কখন বললাম যে, তোমাকে মেরে ফেলবো? - আমি দুঃখিত।
আমি দুঃখিত!
এটা মুনকে বলা উচিত ছিল।
তোমাদের চেয়ে শক্তিশালী বলে আমাদের কাছে ক্ষমা চাইতে এসো না।
ক্ষমা চাইবে তার কাছে, যার সাথে তুমি অন্যায় করেছ।
বুঝতে পেরেছো, সংসদ সদস্যের বাচ্চা?
আমি দুঃখিত!
আমাকে ক্ষমা করে দিন...
পরেরজন!
আমার বাবা মেয়র!
আমার বাবা জুংজিনের মেয়র।
আমার সাথে ঝামেলা করবে না বলে দিলাম।
জুংজিনের রাজা, মেয়র শিন-মিয়েং-হুই?
হ্যাঁ, উনি আমার বাবা! আমার বাবা...
ওকে, শুনতে পেয়েছি তোর কথা।
যেখানে একজন ভাল লোক হিসেবে লোকজন তোর বাবার তারিফ করে...
...সেখানে তুই বাঁদরামি করার জন্য ডান-বাম দুই গালেই থাপ্পড় খাচ্ছিস।
জেগে উঠার পর আমাদেরকে আর মনে থাকবে না তোদের।
কিন্তু আশা করি, এ ছোট্ট শাস্তিটা তোদের মনে পড়বে...
...যাতে ভবিষ্যতে তোরা ভাল মানুষ হতে পারিস।
আমাদের ক্ষমতা বলয় অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে।
আমার মুনকে সুস্থ করতে যেতে হবে।
ওদেরর স্মৃতি নষ্ট করা হয়ে গেছে, তাই এখান থেকে চলো এবার।
তুমি ওদেরকে যমপেটা করেছো।
আহারে!
ও মারে!
বয়সের সাথে সাথে কাজটা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
সুস্থ করার পাওয়ারটা আমাকে দিলে কী হয়?
এটা তোমার জন্য বেশি হয়ে যায়।
আমাদের ব্যক্তিত্বের সাথে যেটা যায় সেই ক্ষমতাটাই আমরা পেয়ে থাকি।
তুমি শক্তিশালী! যদিও গাধার মতো কিন্তু শক্তিশালী একজন যোদ্ধা।
এটা কী প্রশংসা ছিল?
অবশ্যই, এটা প্রশংসা!
ও মারে! ও খোদা!
দেখি তো! ও মারে!
- এই পাশে না! - ও আচ্ছা!
ঠিক আছে! হায় রে, গর্দভ কোথাকার!
ও জেগে উঠেছে!
আমি... আমি এখানে কীভাবে আসলাম?
তুমি মার খেয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে ছিলে। তাই আমরা তোমাকে এখানে নিয়ে আসি।
আসো নুডলস খাও!
- অউচ! - খোদা রে!
কী করছো তুমি?
না মানে...
কী অদ্ভুত!
কিভাবে হাটতে হয় সেটাই ভুলে গেছো?
আমি কিন্তু তোমার পা ঠিক করে দিয়েছি।
- অও! - হায় রে!
আসো!
আমি হাঁটছি!
আমি হাঁটতে পারছি!
আমি আরও জোরে হাটবো।
No comments yet. Be the first to leave one.