The first 200 lines.
অ
অন
অনু
অনুব
অনুবা
অনুবাদ
অনুবাদক
অনুবাদক :
অনুবাদক :-
অনুবাদক :- আ
অনুবাদক :- আল
অনুবাদক :- আলা
অনুবাদক :- আলাউ
অনুবাদক :- আলাউদ্দ
অনুবাদক :- আলাউদ্দী
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন র
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রা
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাস
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাসে
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাসেল
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাসেল।
- কি রান্না করবে? - তোমার প্রিয় জিনিস!
কী, আবার?
- এটাই শেষ! - কী, টমেটো শেষ?
এমনিতেও তোমার কাছে পর্যাপ্ত টমেটো ছিল না।
তার পরিবর্তে...
আমাদের কাছে পাঁচ কৌটা ছোলা আছে।
এগুলো দিয়ে অন্তত পাঁচ বছর চলে যাবে।
- এক গ্লাস ওয়াইন হলে কেমন হয়? - অসাধারণ হবে।
ভাগ্য ভাল আমাদের!
খাওয়া যাবে।
- জানু, তুমি ঠিক আছ? - হ্যাঁ, ঠিক আছি।
আসলে, আমি ঠিক নেই, সব শেষ হয়ে গেছে...
- আমাদের বাচ্চারা নিরাপদে আছে, তাই না? - হ্যাঁ, অবশ্যই!
ঈশ্বরের কৃপায় আমরা ওদের শিক্ষা সফরের টাকা দিতে পেরেছিলাম।
ভাবো তো, যদি না দিতে পারতাম তাহলে কি হতো?
না, আমি পারব না! আমি এটা ভাবতেও পারব না।
আর আমি ভাবতে চাইও না... শোনো, ওরা অনেক অনেক দূরে আছে।
আর ওরা একদম নিরাপদেই আছে।
ওকে?
- হ্যাঁ! - হ্যাঁ!
ওকে!
চিন্তা কোরো না...
সুন্দরী!
বিরক্ত করিনি তো?
না!
এটা নিচতলায় পেলাম।
আমি এটার কথা ভুলেই গিয়েছিলাম। ভাবলাম, ডিনারের পর সবাই মিলে খাওয়া যাবে।
হ্যাঁ!
- আহ, কি সুঘ্রাণ! - আর এটা কি ওয়াইনের বোতল নাকি, ডন?
- হ্যাঁ, জিওফ! - ধন্যবাদ!
তোমার দয়ালু স্ত্রীর সৌজন্যে ডিনারের পর সবার জন্য চকোলেটের ব্যাবস্থা রয়েছে।
আমাদের কাছে কী আছে? ব্লাকবেরী...
ভ্যানিলা, নোটস অফ অটম!
ক্যারেন?
সে ক্ষুধার্ত থাকবে।
ফিরে আসার পর সে কিছু খেতে চাইবে।
- আবার শুরু হয়েছে। - জ্যাকব, থামো!
শোনো সুইটহার্ট, তোমাকে একটা কথা বলছি...
পাঁচদিন হতে চলল তোমার বয়ফ্রেন্ড আমাদের সাথে নেই।
যদি সে এখনও বেঁচেও থাকে, তাহলে সে পাস্তা খেতে চাইবে না...
জ্যাকব!
- সে তোমার ঘাড়ের মাংশ ছিড়ে খাবে। - এরকম বলো না!
- বাদ দাও, জ্যাকব! - কেন?
আমরা সবাই জানি এটাই সত্যি। যত তাড়াতাড়ি ও এটা মেনে নিতে পারবে, ততই সবার জন্য মঙ্গল।
কেউই বেঁচে নেই।
শুধু এখানে আমরা আছি আর বাইরে ওরা আছে।
- স্যাম? - চুপ!
দাঁড়াও, দাঁড়াও, দাঁড়াও!
আমরা জানিনা বাইরে কে আছে।
প্লিজ, আমাকে ভিতরে ঢুকতে দিন।
ডন, একটা বাচ্চা!
সাহায্য করুন! ভিতরে ঢুকতে দিন।
বালের মাথা!
প্লিজ, আমাকে ভিতরে ঢুকতে দিন।
খুলছি, খুলছি...
আমাকে ভিতরে ঢুকতে দিন।
প্লিজ! সাহায্য করুন।
প্লিজ!
ভিতরে আসো, ভিতরে আসো।
তাড়াতাড়ি, ভিতরে আসো!
তুমি ঠিক আছ?
হ্যাঁ!
তুমি কোথা থেকে এসেছ?
স্যানফোর্ড!
স্যানফোর্ড নদীর ওপাশে কয়েক মাইল দূরে।
এখানে কিভাবে এসেছ?
ওরা আমার পিছু নিয়েছিল।
প্রচন্ড চিৎকার করছিল।
আমি ভয় পেয়ে যাই আর দৌড়াতে থাকি।
আমি অন্য বাড়িগুলোতেও ঢুকার চেষ্টা করি।
কিন্তু ওগুলো খালি ছিল।
আমি বনের মধ্য দিয়ে আসি...
কে তোমার পিছু নিয়েছিল?
আমার আম্মু-আব্বু...
ওরা আমাকে মেরে ফেলতে চেয়েছিল।
ওখানে আরও অনেকে ছিল।
কতজন?
অনেক!
স্যাম!
ও আমার হাত ধরে ফেলেছে।
বাঁচাও!
জলদি এখান থেকে চলো।
ডন!
সবাই পালাও!
জিওফ, আমি কিছু দেখতে পাচ্ছি না।
আমার হাত ধরে থাকো।
দূরে যা!
ফিরে এসো!
হে, ঈশ্বর!
জ্যাকবের সাথে যাও।
যাও বলছি! সোনা, হাতে সময় নেই।
আসো! আসো!
খোদাই দোহাই লাগে, যাও।
বাল!
কোথায় তুমি?
এলাইস! এলাইস, না! এলাইস!
জিওফ, চলে আসো।
জিওফ!
আমার হাত ধরো! আমার হাত ধরো, শেলী।
জিওফ! না! না!
বাঁচাও!
এলাইস! এলাইস!
কোথায় তুমি?
ওর কথা বাদ দাও!
আমি ওকে দেখেছি।
- ওর কথা বাদ দাও! - ছাড়ো আমাকে।
ডন! সাহায্য করো!
ডন!
সাহায্য করো!
ডন!
ডন!
ডন!
জ্যাকব!
চলো!
- জ্যাকব! - ডন!
ডন!
জ্যাকব!
ওরে বাল! ওরে বাল!
- অনুবাদ ও সম্পাদনায় - আলাউদ্দীন রাসেল। --
লন্ডনে স্বাগতম!
হেই, ডোয়েল, খুব মজায় আছ মনে হচ্ছে?
আমার পাছায় চুম্মা দিয়া যাও।
এটা আমার দেখা সবচেয়ে বাজে যুদ্ধ।
এখানে যুদ্ধ কোথায় দেখলে তুমি?
হ্যাঁ, আমি তোমার কথা শুনতে পাচ্ছি।
গুলি করার মতো কিছু একটা দাও আমাকে।
খুবই সহজ!
মেডিক্যাল সেন্টারের উত্তর-পূর্বদিকে,
২০ তলায়, তিন নাম্বার জানালা বরাবর।
মোটকু শালায় টয়লেটে হাত মারছে।
ওহ, ওই পাগলটা... ওর কথা বলছ... আমি ওকে গতকাল দেখেছি।
আমি ওকে দেখতে পাচ্ছি না।
বলদচোদাটা কোথায়?
ওহ, তোমার বয়ফ্রেন্ড?
ঐ তো সে, ২০ তলায় ধোন হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
হ্যাঁ, ফায়ার এক্সিটের সাথেই।
ওরে বাল!
আমার মনে হয়, হাত মারার জন্য তার একজন সঙ্গী প্রয়োজন।
হেই, ডোয়েল, তুমি তো হাতের কাজে অভিজ্ঞ।
- আমি খাটের কাজেও অভিজ্ঞ। - চুপ থাকো মিয়াঁ!
আমি ভেবেছিলাম ওটা তোমার বাপজানে ভালো পারে, ডোয়েল।
- ওহ! - ভরে দিলা একদম!
বাল!
কর্নেল ফিলিপস বলছি।
তোমার বর্তমান অবস্থা বলো।
শুভ সকাল, কর্নেল।
শুভ সকাল!
কর্নেল, আমি নতুন আগতদেরকে প্লেন থেকে নামতে দেখছি।
হ্যাঁ, মেজর!
ওদেরকে পরীক্ষা করতে পুরো সকাল লেগে যাবে।
কপি!
বাচ্চাদেরকে আনার ব্যাপারে কেউ আমাকে কিছু জানায়নি।
ডানদিকে যেতে থাকো।
সবুজ এবং বাদামী!
চোখের ধরণ বেশ বৈচিত্র্যময়।
সাধারণত বংশানুক্রমে এরকম হয়।
তোমার বাবা-মা কারো কী এমন আছে?
আমার আম্মুর আছে।
তোমার বয়স কত, এন্ডি?
১২!
আমার মনে হয়, বর্তমানে তুমিই দেশের সর্বকনিষ্ঠ নাগরিক।
আচ্ছা, তোমার ব্লাড-প্রেসার ঠিক আছে...
এবং যেকোন ধরণের মারাত্মক রোগব্যাধি থেকে তুমি নিরাপদ।
আমার মনে হয়, তুমি ভিতরে যেতে পারো।
ব্রিটেনে স্বাগতম!
আমরা গ্রীন জোনের উদ্দেশ্যে...
রওনা দিয়েছি। আমাদের নিরাপত্তা...
এবং পুনর্গঠনজনিত এলাকা। যেটাকে ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান বলা হয়।
ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান 'আইল অব ডগসে' অবস্থিত।
যদিও 'আইল অব ডগস' সম্পূর্ণভাবে নিরাপদ,
কিন্তু লন্ডনের বাকি এলাকা এখনও নিরাপদ নয়।
এখনও অনেকগুলো লাশ সরাতে হবে।
মূল মহামারীর সময় যারা মারা গিয়েছিল।
কুকুর এবং ইঁদুরও সংক্রমনের আওতাভুক্ত।
নতুন আগতদেরকে তাদের নিজেদের নিরাপত্তার খাতিরে মনে করিয়ে দেয়া হচ্ছে যে,
সিকিউরিটি জোন ছেড়ে নদী পার হওয়া সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
আপনারা ১৫০০০ সিভিলিয়ানের সাথে যোগ দিবেন...
যারা ইতোমধ্যে ডিস্ট্রিক্ট ওয়ানে বসবাস করছে।
No comments yet. Be the first to leave one.