The first 60 lines.
LOVE DEATH AND ROBOTS
LOVE DEATH AND ROBOTS
...EPISODE FOURTEEN...
ZIMA BLUE
Translated By SANJIDA PRITOM
Edited By FUAD ANAS AHMED
আরও শত কোটি মানুষের মতোই
আমিও শুনেছিলাম যে, জিমা উন্মুক্ত করতে চলেছেন তার শেষ শিল্পকর্ম।
বিগত বছরগুলোয় বহুবার ইন্টার্ভিউয়ের সুযোগ চেয়েও আমার নিরাশ হতে হয়েছে!
অথচ এখন কোনো এক অজানা কারণে-
জিমা ব্লু নিজেই আমার উপস্থিতি কামনা করেছেন!
বুঝতে পারছিলাম না, এই নীল কি আকাশের সাথে বেশি মিলে?
নাকি সমুদ্রের সাথে?
কোনোটাই না আসলে।
জিমা ব্লু পুরোপুরি স্বতন্ত্র কিছু!
জিমার ইতিহাস সম্বন্ধে খুব বেশি কিছু জানা নেই কারো!
লোকে বলে, ক্যারিয়ারের শুরুটা তিনি করেছিলেন পোর্ট্রেইট আঁকার মধ্য দিয়ে।
কিন্তু জিমার কাছে, মানব রূপের বিশালতা ছিল সামান্য!
আরও গভীর অর্থ খোঁজার প্রবণতাই তার নজর আরও দূরে সরাতে বাধ্য করলো!
নজর পড়লো বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে!
এভাবেই হলো তার দেয়াল চিত্র অঙ্কনের সূচনা।
নিঃসন্দেহে, সেগুলো অসাধারণ ছিল।
একদিন, জিমার প্রকাশিত একটি দেয়ালচিত্রে দেখা গেল ভিন্ন কিছু!
ক্যানভাসের ঠিক মাঝখানটাতে ছিল এক ছোট্ট নীল বর্গক্ষেত্র!
আর সে ছিল কেবল ছিল সূচনা।
পরবর্তী কয়েক শতাব্দীতে
বিমূর্ত আকৃতি বৃদ্ধি পাবার সাথে সাথেই বাড়তে থাকে তাদের দৃঢ়তা!
সব পাল্টালেও, পাল্টায়নি শুধু সেই নীল রঙ!
এই ছিল জিমা ব্লু!
কিছুদিনের মধ্যেই জিমা প্রকাশ করলেন তার প্রথম পূর্ণ নীল দেয়াল চিত্র!
সবাই ভেবেছিল, এর বেশি হয়তো আর তার দেয়ার নেই!
কিন্তু সে ধারণা ভুল ছিল!
লোকে সাধারণত তার নীল সময়কাল বলতে বোঝায়
সেই সময়টাকে, যখন সত্যিকার অর্থেই দেয়াল চিত্রের আকার হতো দানবীয়...
কিন্তু জিমার কাছে সেসব ছিল কেবল শুরু!
খ্যাতি তখন ধরা দিয়েছে জিমার হাতের মুঠোয়!
এমনকি শিল্পকর্মে যাদের সামান্য মাথাব্যথাও কখনো ছিল না
তাদের কাছেও জিমা এক সুপরিচিত নাম!
কিন্তু খ্যাতি অর্জন কখনোই জিমার লক্ষ্য ছিল না।
এত সাফল্যের পরও জিমা সন্তুষ্ট হতে পারেননি।
আর তারপর তিনি যা করলেন, শিল্প কর্মের প্রতি এমন আত্মত্যাগ খুব কম লোকের পক্ষেই করা সম্ভব!
তুমি আসায় খুব খুশি হয়েছি, ক্লেয়ার।
আসতে কোনো অসুবিধে হয়নি তো?
রিল্যাক্স, ক্লেয়ার।
হাই!
প্রথম দেখায় অনেকে আমাকে ভয় পেলেও সে ভয় দ্রুতই কেটে যায়!
শত বছরেরও বেশি সময় পর...
কোনো সংবাদমাধ্যমের সাথে কথা বলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি!
আর তোমাকে এখানে ডেকেছি কারণ...
আমি চাই, আমার গল্পটা বলতে তুমিই আমাকে সাহায্য করবে।
হাঁটতে হাঁটতে কথা বলা যাক?
তিনি সত্যিই হ্যান্ডসাম ছিলেন। এত পরিবর্তনেও তাতে সামান্য ভাটা পড়েনি।
কারকভ এইট নামক এক গ্রহ ছিল।
অবৈধ সাইবারনেটিক মোডিফিকেশনের জন্য যে গ্রহ ছিল বিখ্যাত।
সেখানে তিনি নিজের দেহে আমূল জৈবিক পরিবর্তন আনেন।
যা তাকে দেয়, চরম বৈরী আবহাওয়া সহ্যক্ষমতা।
যাতে প্রয়োজন হতো না কোনো নিরাপত্তা পোশাক!
আমাদের চেনা যে কোনো বর্ণালীতেই স্পষ্ট দেখতে পেতেন!
শ্বাসকার্যে অক্সিজেনের প্রয়োজনও আর হতো না তার!
চামড়ার বদলে তার দেহের উপরিভাগে জায়গা করে নিয়েছিল পলিমার।
No comments yet. Be the first to leave one.