The first 200 lines.
LOVER TAMIL
ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী
রম্যা, এবার তোর পালা।
তুই কতজনকে চুমু খেয়েছিস?
- আমাকে বিরক্ত করিস না! - সত্যি কথা বল!
বাচ্চাদের গালে চুম্বন করা কি গণনাযোগ্য হবে?
কেটে পড়!
দিব্যা, তোর পালা!
কিভাবে তোর ভালোবাসার দেখা পেলি?
সুপার! এটা ভিকির প্রিয় বিষয়।
কেন তুমি আমাকে এর মধ্যে টানছো?
ঠিক আছে, আমাকে ছাড় তাহলে।
আরেকবার এটা ঘোরাচ্ছি না কেন?
-আরে... - এটা প্রতারণা!
তোকে অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।
আরে, দিব্যা, আমাদের বল। আমরা তোর গল্প জানি না।
জবাব দে!
বলে ফেল, দিব্যা!
শোনা!
কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সময়...
আমি প্রথমবার তাকে দেখি।
এর পর মঞ্চে আসছে অরুণ।
সে একটি জলপাই সবুজ ম্যান্ডারিন কলার শার্ট, কালো জিন্স এবং...
এবং সাদা স্নিকার্স পরেছিল!
সে যখন মঞ্চে উঠলো, লোকেরা তাকে করতালি দিয়ে স্বাগত জানালো।
মনে হয়েছিল, কলেজে তার একটি বিশাল ফ্যান ফলোয়িং আছে।
ধন্যবাদ!
সে বিজয় সেতুপতির কণ্ঠে কথা বলতে শুরু করলো।
অডিটোরিয়াম বন্য হয়ে গেল।
বল উঠে গেল...
আমি বল ধরতে পিছনে গিয়েছিলাম।
ক্যাচটা ফেলে দিলাম। আর আমি পড়ে গেলাম।
ঠিক আছে, ঠিক আছে, ঠিক আছে। আমি এখানে আঘাত পেয়েছি।
মেয়েটি কে? কেন সে ভূতের মত মেকআপ করেছে?
বাহ!
প্রতিযোগিতায় সে প্রথম পুরস্কার জিতেছিল।
পুরো কলেজের মনোযোগ ছিল তার দিকে।
তবুও, আমি অনুভব করেছি যে সে ...
আমাকে লক্ষ করছিল।
সেই দিনের পর, আমাদের মধ্যে শুধু চোখাচুখি চলছিল ।
পরে জানতে পারি, সে আমার বিভাগের অবিনাশের বন্ধু।
তো, তার সাথে আমার পরিচয় হল।
আমরা ক্যান্টিনে আড্ডা দিতে লাগলাম।
তারপর আমরা নম্বর বিনিময় করলাম।
আমরা আমাদের বন্ধুদের চারপাশে লুকোচুরি শুরু করলাম।
আমরা ভালোবাসায় ভেসে যাই।
ল্যাবের পরে, আমার জন্মদিনে, আমি আমার ক্লাসরুমে যাচ্ছিলাম...
আমি টেবিলে আমার জন্য রাখা একটি ঝুড়ি দেখতে পাই।
সেদিন ছিল আমার ২১ তম জন্মদিন।
ঝুড়িটিতে আমার পছন্দের ২১টি উপহার ছিল ।
তাতে একটি কার্ডও ছিল।
যাতে লেখা ছিল, "আমার স্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।"
- তার পর? - যা স্বাভাবিক, সেটাই।
একটি গান!
শুধু এখন সবকিছু ঠিক আছে, দলের সাথে তোমার ভালো সম্পর্ক আছে।
ভিকি ভাই, এখন চলে যাচ্ছো কেন?
আমাকে সেখানে যেতে দাও এবং তোমাদের সবাইকে যুক্ত করতে দাও।
ঠিক আছে?
আরে না ভাই, আমি এই জায়গা ছেড়ে যাব না।
কোনো সাইকো তোমার পরিবর্তে এসে আমাদের নির্যাতন করবে।
মনে রেখো, আমাদের অভিশাপ তোমাকে তাড়িত করবে।
- অন্তত তুমি তো কাজ করবে, রম্যা। -সঠিক !
- সে ঠিক বলছে। - সেটাই যেন হয়।
- সুপ্রভাত, প্রিয় - সুপ্রভাত!
তুমি কোথায়?
আমি সৌম্যর বাসায় আছি।
আপনি তার বোনের সাধের উল্লেখ করেছিলে।
কোন এলাকার কথা বলছো?
- আম্বাত্তুরের কাছে... - আম্বাত্তুর, তুমি বললে।
ঠিক আছে, আমাকে তোমার লাইভ অবস্থান পাঠাও।
কেন?
তোমার জন্যে কিছু বিশেষ আছে। কাছাকাছি আছি। শেয়ার করো।
হ্যালো!
আমি এখান থেকে শীঘ্রই চলে যাবো।
ঠিক আছে, আমি তোমাকে তুলে নেবো। আমাকে লোকেশন পাঠাও।
তুমি কি আমবাত্তুরে নেই?
এই, তুই কি স্টোরি পোস্ট করেছিস?
-আরে! হ্যালো? -দুঃখিত, দুঃখিত, দুঃখিত, দিব্যা।
-আমি দুঃখিত। -দিব্যা?
-আচ্ছা, যেতে দাও। -কি হয়েছে, রম্যা?
হ্যালো?
-আরে! -অরুণ...
- আমি তোমাকে পরে ফোন করবো। -কি জন্য?
আমাকে কি বোকা মনে হচ্ছে?
অরুণ, আমি তোমার সাথে দেখা করে বুঝিয়ে দেব।
-তুমি কি ব্যাখ্যা করতে চাইছো? -আমি ব্যাখ্যা করবো!
-কি ব্যাখ্যা? -আমি এখন কথা বলতে পারবো না।
আমি তোমাকে অবস্থান পাঠাতে বললাম। তুমি কোথায়?
অরুণ, কাল ভিকির শেষ দিন, আমি বিদায় অনুষ্ঠানে যোগদান করেছি।
আমি অনেক ভেবে দেখলাম।
-আমি তোমাকে কল ব্যাক করব-- - তার চোয়াল ভাঙা কি যথেষ্ট হয় নি?
আরে, কে তোমাকে তার সাথে দেখা করতে বলেছে?
অরুণ, বাসায় গিয়ে কথা বলবো।
-প্লিজ... -আরে, আমি এখন কথা বলতে চাই!
আমি এখন কথা বলতে চাই, আর তুমি বলছো, পরে কথা বলবে।
- এখন কথা বলতে পারছি না, অরুণ। -কেন?
- পরে কথা বলবো, প্লিজ। -কেন কথা বলতে পারছো না?
ফোন রেখে দিলে, আমাদের সম্পর্ক থাকবে না ।
তুমি কোভালামে--
আরে!
বন্ধু, তুই কোথায়?
-আমার চালাতে দে। -ঠিক আছে, আমি চড়ব।
একপাশে সরে যা।
আমরা কোথায় যাচ্ছি?
ভাই, আমরা পাংচারের দোকানের পাশ দিয়ে গেলাম।
ফেরার পথে এটা ঠিক করব।
ফেরার পথে! আমরা কোথায় যাচ্ছি?
-কোভালাম ! -কেন কোভালাম?
আমার সতর্কতা সত্ত্বেও, সে তার সাথে দেখা করতে গিয়েছে।
কার ব্যাপারে বলছিস?
আমি যার প্রেমে পড়েছি।
সে সেই বদমাশ, ভিকির সাথে কোভালামে আছে।
ভিকি কে?
একটা ফটোশুটের জন্য বদমাইশ টা তাকে মাহাবসে নিয়ে গেছে।
সেইই বদমাইশটা?
যার জন্য তোমাকে প্রায় গ্রেপ্তার হতে হয়েছিল।
আমি তার চোয়াল ভেঙ্গে দিয়েছিলাম, তবুও সে চরে বেড়াচ্ছে।
সে কি তার সাথে একা গেছে?
-তার সহকর্মীরাও তার সাথে আছে। -তাহলে তোমার সমস্যা কি?
আমি যখন তাকে প্রশ্ন করলাম, সে বলেছিল সে ব্রেক আপ করতে চায়।
- তাকে একটা শিক্ষা দেওয়া উচিত। - মাচান !
মাচান, আমার দিকে তাকা।
মাচান, গাড়ি সাইডে কর।
আমার কথা শোন। আমার বলার কিছু আছে।
-কি? -তুমি কথা শুনিস না।
- কি ব্যাপার? - গাধার মত কাজ করিস না!
তার বন্ধুদের সামনে তাকে অপমান করলে...
অবশ্যই, সে তোর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করবে।
- আমি পাত্তা দিই না। আমি আর নিতে পারছি না। - দয়া করে আমার কথা শোন।
আমার একটা পরিকল্পনা আছে। আমার কথা শোন।
- কি ব্যাপার? - অপেক্ষা কর।
আমার দিকে তাকা।
চল, একটু মাল খাওয়া যাক...
তারপর, আমরা শান্তভাবে পরিস্থিতি সামাল দেবো।
তুই কি বলিস?
মাত্র ১০টা বাজে।
কি যায় আসে।
সে খুব বাধ্য মেয়ে ছিল।
কলেজে, আমার অনুমতি ছাড়া সে কখনই কিছু করেনি।
অফিসে জয়েন করার পর থেকে... তার সহকর্মীরা তাকে প্রভাবিত করেছে।
আমি বুঝতে পারছি না, মাচান।
যদি সে আমার কথাকে সম্মান না করে, কেন আমরা একটি সম্পর্কে থাকবো?
ফোনটা গাড়ির স্পিকারের সাথে সংযুক্ত। বাড়ি ফিরে তোমাকে কল করবো।
আরে! কি হল...
আমি এখানে চিন্তা করছি, এবং সে আনন্দে ব্লুটুথে গান শুনছে।
শুনুন, কথাগুলো মনে রাখিস।। বেশি বাড়াবাড়ি করিস না।
এখানে অপেক্ষা কর।
সাহায্যের দরকার হলে চিৎকার করে ডাকিস।
হাই, আন্না!
দিব্যা !
আমি নিচে তোমার জন্য অপেক্ষা করছি।
আরে, সে মাতাল।
অরুণ থামো!
অরুণ, ভিতরে এসো।
শেষবার, বিল্ডিঙে ঝামেলা করেছিলে।
তাই হোক!
আমার এটার দরকার নেই, দিব্যা!
তুমি এক সেকেন্ডের জন্য নিচে এসো।
অরুণ থামো! আমার কথা শোনো।
অরুণ !
অরুণ, থামো।
অরুণ, যাই হোক না কেন, চল উপরে গিয়ে কথা বলি।
তুমি কতবার আমাকে মিথ্যা বলেছো?
-তুমি ভুল বুঝেছো, অরুণ! -দয়া করে বোঝাও!
এইটা কি? তুমি নাকি সাধে যোগ দিয়েছিলে?
সাধ কি সাগরে হয়েছিল?
এই সপ্তাহে অফিসে তার শেষ দিন।
-এটা ছিল তার বিদায়ী পার্টি-- -তুমি আমাকে বলোনি কেন?
তুমি এটা গোপন রেখেছো কেন?
তুমি কি আমাকে যেতে দিতে?
তুমি আমার অনুমতি কেন চাওনি?
এটা তোমার সমস্যা। জানালেও তুমি অশান্তি করতে।
তুমি চাও, আমি অনুমতি চাইবো।
- এটা আমার জন্য কাজ করে না। - বুঝলাম না!
আমার কি জিজ্ঞাসা করা উচিত নয়, তুমি কোথায় যাচ্ছো?
তুমি জিজ্ঞেস করছো না, অরুণ। অর্ডার করছো!
- জাহান্নাম! এটা করতে পারো না তুমি। গালি বন্ধ কর, অরুণ।
আমি তোমাকে হাজার বার বলেছি,
যে তার উদ্দেশ্য ঠিক নয়।
তুমি অফিসে তার সাথে দেখা করলে, আমার কোনো সমস্যা নেই।
-অরুণ, আমি... - তুমি আড্ডা দিতে বেরোলে কেন?
অরুণ, আমি বাচ্চা নই।
মানুষের উদ্দেশ্য বোঝার মত বয়স আমার হয়েছে।
তুমি বা* বোঝো!
শুধুমাত্র পুরুষরাই অন্য পুরুষদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বোঝে।
অরুণ, চিৎকার বন্ধ করো!
সে যদি সত্যিই আড্ডা দিতে চাইতো, কেন সে আইশুকে সাথে নিলো না?
সে অন্য কারোর সাথে যাবে!
আমার বন্ধু সম্পর্কে তোমার কিছু বলার অধিকার নেই।
আমার কাছে লুকিয়ে রাখলে কেন?
আমাকে মিথ্যে বলেছিলে কেন?
এখন আমাকে বলো!
-অরুণ, আমার মাথাটা ঝিমঝিম করছে। -তুমি মিথ্যা বলেছিলে কেন--?
-আমাকে মিথ্যে বলেছিলে কেন? আরে! -দয়া করে চলে যাও!
থামো!
আরে দিব্যা! আরে!
দিব্যা থামো!
জাহান্নাম!
অরুণ !
অরুণ !
No comments yet. Be the first to leave one.