The first 200 lines.
❇অনুবাদ অংশগ্রহণে❇ মোঃ রানা সরকার কবির হোসেন তইবুর আহমেদ জয়নুদ্দিন তানভীর খান
সম্পাদনায় মোঃ রানা সরকার
আহা! অনেক সুন্দর লাগছে, মা!
এই সৌন্দর্যের সামনে কেউ টিকতে পারবে না.
কি ঠাকুমা? এই বিয়ে হচ্ছে তো?
আহ! চুপ কর!
তোর ছেলে এখনি এসে বিয়ে করে উঠিয়ে নিয়ে যাবে।
আরে! বর এসে গেছে!
দেখ?
ঘোড়ায় চড়ে এসেছে!
এসব কি দাদী?
গ্রামের মানুষ কি স্বাদে তাকে 'অভাগী সখি' বলে ডাকে?
দেখো, আমার ছেলের কি হাল হয়েছে!
সব আমার জন্য হয়েছে।
আপনি এখন আসতে পারেন।
অবশ্যই, যাব!
অনেক হয়েছে
মনে সাহস রাখ, মা।
যুবরাজ শীঘ্রই এসে তোর ভাগ্য পরিবর্তন করে দিবে।
গুড লাক সখি
স্বাগতম, কর্নেল স্যার।
আহ...
আপনার জন্য ঘর প্রস্তুত করেছি।
মানে, সে করেছে।
কি করে জানলে এখানে থাকব? ফোনেত জানাইনি!
এখানকার বাতাসই সব বলে দেয়।
আপনি বিবাহিত বলে মনে হচ্ছে না.
আমাদের শঙ্কর আপনার দেখাশোনা করবে।
তা বাতাস আর কি বলেছে?
বলেছে, আপনি সেনাবাহিনী ছেড়ে দিয়েছেন...
যেহেতু আপনি শহরে থাকতে চাননি, তাই নিজ গ্রামে ফিরে এসেছেন।
তাই, আপনার নামের পরিবর্তে 'কর্নেল' ডাকলে পছন্দ করেন।
এ নাম কি আমার সম্মতি ছাড়াই দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু আমি 'কর্নেল' পদ অর্জন করেছি।
যা আমার নয় তা নিয়ে চিন্তা করি না।
সেই ক্ষেত্রে, তুমি জীবনে কিছুই অর্জন করোনি!
ঠিক বলেছেন।
লাগেজ নিয়ে আয়।
- প্লিজ আসুন, কর্নেল স্যার। -ঠিক আছে।
স্যার... কতদিন থাকবেন?
কিছু সময়ের জন্য.
বলতে চাচ্ছি, এক সপ্তাহ, এক মাস না এক বছর।
পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে।
পরিস্থিতি? মানে?
আর্মি ছাড়ার সময়ও কেউ এত প্রশ্ন করেনি।
শুধু নিশ্চিত হওয়ার জন্য, থাকতে কোন অসুবিধা যাতে না হয়।
আরে... কালো ব্যাগটা ওখানে রেখে দাও।
- আমরা আসি? - অবশ্যই।
আমি যাচ্ছি, স্যার।
আরে!
কালো ব্যাগটা ওখানে রাখতে বলেছি না!
- স্যার... - বলো, শঙ্কর।
কিছু একটা গাবলা মনে হচ্ছে, স্যার.
- সে বাড়ির চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। - তাই নাকি?
এছাড়াও, তার সাথে কালো ব্যাগটা।
কালো ব্যাগ?
আলমারিতে লুকিয়ে রেখেছে।
কি আছে জেনে নে!
দ্রুত ! নইলে খুব টেনশনে থাকবো। তুই তো আমার সম্পর্কে জানিসই?
ঠিক আছে.
ওগো,
তোমার অনুসন্ধানে তাড়াহুড়া করা, যা শ্বাসকষ্টের দিকে নিয়ে যাবে...
আর তাতেই হাঁপানি বাড়বে।
এতে তোমার জীবন চলে যেতে পারে।
সে পাগল. সে সকল সর্বনাশের মূল.
প্রথম বর।
দ্বিতীয় বর।
- তৃতীয়। - চার নাম্বার.
এবার ক্ষয়ক্ষতি...
ঘাড়, বাম হাত আর দুই হাঁটু।
পাছার কথা ভুলে গেলি?
তৃতীয় পুতুলটা আসতে দে। তোমাদেরকে মজা দেখাব.
স্যার... কিছু লোক সরঞ্জাম আর একটা টেবিল নিয়ে এসেছে।
তারা বাড়ির উঠোন মাপছে।
তারা কিছু নির্মাণের পরিকল্পনা করছে।
কাজ.
এই ফোনটাতে ক্যামেরা আছে। এটা দিয়ে ছবি ক্লিক কর.
ওগো. তুমি যদি সারাক্ষণ ফোন নিয়ে পড়ে থাক...
বিকিরণ মস্তিষ্কে চাপ সৃষ্টি করবে।
তা ব্লাষ্ট হয়ে,তোমার জীবন চলে যেতে পারে।
সে সবসময় আমার মৃত্যু নিয়ে চিন্তিত।
জী, স্যার.
জাতিকে রক্ষার জন্য আমাদের এটা করতেই হবে। খোল.
এই ব্যাগ.
এর মধ্যে বোমা থাকতে পারে, স্যার!
ঠিক আছে.
জাতির জন্য আমাদের প্রাণ কিছুই না।
আমার অনুমানই ঠিক.
আমি এটাই অনুমান করেছিলাম, শুরু থেকেই।
এ বন্দুক দেখতে কিছুটা অদ্ভুত
খোঁজ, আর কি লুকিয়ে রেখেছে?
তো, তোমরা আমার সিক্রেট খুঁজে নিলেই.
হাত উপরে, স্যার.
ঘুরে দাঁড়ান. আপনার হাত পিছনে রাখুন।
হাঁটু গেড়ে বসুন.
প্রথমে কোনটা করব?
প্রথমে,হাত উপরে তুলুন, স্যার। পরে, বাকিটা দেখা যাবে.
এটা লোড নয়.
- কি? - এতে গুলি নেই।
আপনার পরিকল্পনা জানতে পেরেছি.
- তাই নাকি? - হ্যাঁ.
ডিআইজিকেও ফোন করেছি তিনি এখানেই আসছে।
- কখন? - আমি বলেছিলাম, গাদা!
আমার সাথে কথা বলা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারলে না?
ঠিক আছে, থাক, আমার সাথে আসো।
প্রথমে বন্দুক নামিয়ে রাখো। এগুলো ব্যয়বহুল।
আসবে নাকি না?
এটা কি স্যার?
ঘাবড়ানোর কিছু নেই। কোন যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছি না।
শুটারদের প্রশিক্ষণ দিতে যাচ্ছি, যারা জাতিকে গর্বিত করবে।
ভিতরে আসো.
দান্দুলুরু গ্রামের বাসিন্দাদের জন্য বিষেশ ঘোষণা!
অনন্তপুরমের একটা দল বিনোদনের জন্য 'কুরুক্ষেত্র' নাটক করবে।
কৃষ্ণ, অর্জুন, কর্ণা, ভীম...
আর অন্যরা প্রচণ্ড যুদ্ধে লিপ্ত হবে।
আজ রাতে!
তার চারশো।
কি শুনলাম জানেমন? পঞ্চম বরও নাকি পালিয়েছে?
এভাবে ডাকবে না। আমি পছন্দ করি না.
কিন্তু আমি পছন্দ করি, সোনা!
রাতে কুরুক্ষেত্র নাটক আর রেড্ডি স্যারের খাট,খেলবে নাকি?
হেই! সেখানে তোর স্ত্রীকে নিয়ে যাস না কেন?
আমার স্ত্রী, জানেমন! সে কি বুঝবে।
কী বলো জ্যোতি? কিছু মনে কর না!
তোর কি লজ্জা-সরম নেই?
কি করব? আমি অসহায়।
- আমি একজন পুরুষ. - আরে!
বাজে কথা বন্ধ করে ব্যাগ চেক করতে যা. এখনি!
আমি এমনিতেই বলেছি। কিছু মনে করিস না।
ঠিক আছে, সোনা.
সে শুধুই কুকুরের মতো ঘেউ ঘেউ করে। কামড়াতে পারে না।
তাই নাকি? চল যাই.
রথের চাকা তোলা অসম্ভব।
তুই কি যুদ্ধ করতে চাস... নাকি যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে চলে যেতে চাস?
সেটা হচ্ছে না কৃষ্ণা। কর্ণা কখনো পিছপা হয় না।
আর ভাবিস না, অর্জুন!
শত্রু কর্ণাকে এক্ষুনি হত্যা কর।
কীভাবে একজন নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করবো ভাই?
তোর ছেলেকে হত্যা করার সময় এই মনোবল কোথায় ছিল?
না ভাই।
তোকে তীর মারতেই হবে
পারবো না, ভাই।
তীর মার, ভাই।
হেই বেবী!
আমি পারব না।
ওকে তীর মার!
আমি পারবো না ভাই। আমাকে ছেড়ে দাও।
এখন ভেবে লাভ নেই, অর্জুন!
বিশ্বাসঘাতকতার উত্তর বিশ্বাসঘাতকতাই।
তীর মার!
লক্ষ্য যদি অটল থাকে বিজয় আমাদেরই হবে।
থাম...
লক্ষ্য যদি অটল থাকে বিজয় আমাদেরই হবে।
গোলি রাজু!
গোলি রাজু!
কেরে?
ঘোড়া, সৈনিক, বানর, নকুল ও সহদেব।
ছয় বছর কঠোর পরিশ্রম করে এই চরিত্রে অভিনয়ের জন্য।
অবশেষে, আমি অর্জুনের চরিত্রে অভিনয় করতে পেরেছি আর ও সবকিছু নষ্ট করে দিল!
- এমনকি যুধিষ্ঠিরও। - হ্যাঁ।
- ভাই... - হ্যাঁ।
তোমার চিৎকার আমার সমস্ত খ্যাতি নষ্ট করে দিয়েছে, যা কঠোর পরিশ্রম করে পেয়েছিলাম।
ভুল বুঝো না, রাজু।
তোমাকে এত বছর পর দেখে আনন্দে চিৎকার করে উঠলাম।
বিশ বছর অপেক্ষা করেছিলে। আর এক ঘন্টা করতে পারলে না?
সরি, গোলি রাজু।
কিসের গোলি রাজু?
দেখো, আমার নাম পরিবর্তন করেছি। আমার মঞ্চের নাম রামা রাও।
উহু! তুমি যদি রামা রাও হও, আমি সাবিত্রী।
রেড্ডি স্যার!
- অনেক ভালো অভিনয় করেছো, রামা রাও। - ধন্যবাদ, স্যার.
কিন্তু তার পিছনে তীর মারা উচিত হয়নি।
- দুঃখিত, স্যার. - ঠিক আছে,
আশেপাশের জেলাগুলোতে তুমি সুপার স্টার!
- ধন্যবাদ. - যাই হোক...
আমার মেয়ে আমাকে নতুন ফোন কিনে দিয়েছে।
এখন, আমি সেলফি এক্সপার্ট।
চল একটা সেলফি তুলি। ঠিক আছে?
ঠিক আছে.
চমৎকার, স্যার.
শোন, কাল সকালে তোমার জন্য আরেকটা অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করেছি।
- তোমাকে ফাটিয়ে দিতে হবে। - অবশ্যই।
আর শোন তীরটা যেনো ঠিক জায়গায় লাগে।
- ঠিক আছে, রেড্ডি স্যার। - আমি যাচ্ছি ।
এখন চলে যাব.
তুমি এত বিখ্যাত হয়ে গেলে গোলি রাজু?
অবশ্যই! আগামীকাল ভক্তদের নিরাশ করা উচিত হবে না।
আমায় ফাটিয়ে দিতে হবে।
- হ্যা রাজু. - মহড়ার ব্যবস্থা কর।
ঠিক আছে, আমি চলে যাচ্ছি।
- এখন খেল! - থাম।
ভাই, এই মেয়ে শেষ দান মারবে।
মেয়েরা খেলতে পারবে না।
তুই কি মেয়ের সাথে খেলতে ভয় পাচ্ছিস?
সে তো একটা বাচ্চা, ভাই!
ঠিক আছে, তাকে খেলতে দে।
সে যেহেতু মেয়ে তাই কাছ থেকে মারতে পারবে।
থাম।
এটা কি রাজু?
এগুলো ধর.
No comments yet. Be the first to leave one.