The first 200 lines.
ছাড়! বাইনচোদ! ছাড়!
ছাড়! ছাড়!
আমি কোথায় ছিলাম? জানতাম না।
এখানে কে এনেছে? জানতাম না।
কেনো এনেছে? জানতাম না।
জীবন যেনো হারাম হয়ে যাচ্ছিল, সর্দারজী।
যেটা এখন আপনার হতে যাচ্ছে।
বাইনচোদ!
জয় হিন্দ, স্যার
Bibinka623 সক্রিয় হয়ে গেছে।
তারা চায় না...
বৃহত্তম কোটিপতি। অবশেষে তিনি মন্ট্রিয়েল যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
400 মিলিয়ন ট্যাক্স বাঁচানোর জন্য।
স্যার, Bibinka623 সক্রিয় হয়ে গেছে।
বাইনচোদ 😤
চল্লিশ দিন পর যখন অন্ধ কুয়া থেকে বের হই,
মাথায় শুধু একটা কীটই নাচ্ছিল।
আমার শুধু পুটকি মারতে হবে!
যেই আমার সাথে এটা করেছে...
ঈসা, পাড়ুলকার, সবার!
বের হবার পর বুঝতে পারলাম খেলাটা
সব বাটপার থেকে... আপনার থেকে...আমার থেকেও অনেক বড়।
আমার বার্তা কখনো ভুল হয় না সর্দারজী।
আমি বলেছিলাম ত্রিবেদী বেঁচে যাবে।
কসম করে বলছি, সত্যই বলেছিলাম।
এই ধাঁধার সমাধান করো...
সব উত্তর পেয়ে যাবে।
সাবটাইটেল নির্মাতা : অরিত্র কুমার। নির্মাণে সাপোর্ট এবং সহযোগীতা করেছেন : রাজদীপ দাস এবং তীর্থঙ্কর সরকার।
মন খুলে উপভোগ করুন। ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো। ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন।
"মৎস্য" 🐟 ( মাছ )
স্যার, বাঙ্কার থেকে এই প্রচারপত্রটা পেয়েছি।
এটা তো আউটফিট রিক্রুটমেন্টের পোস্টার লাগছে।
সাধারণত তারা যখন কোনো বড় অ্যাটাক করে,
তো এরকম পোস্টার বানায়।
আর এখানে লেখা আছে, যুদ্ধের সময়ে এসে গেছে।
আইসিস তো ইন্ডিয়াতে ঢুকার চেষ্টা করছেই,
- হয়তো কোনো স্প্লিন্টার গ্রুপ (ছোটো দল) - না।
স্টেট লেভেলে আমরা আইসিস এর উপর কঠিন নজর রেখেছি।
সেখানে সন্দেহের কিছু নেই।
আমাদের এজেন্ট... অঞ্জলি মাথুর...
সে হিজবুদ্দীনে পড়াশুনা করছিল।
একটা টিপ অফ পেয়েছিলাম বেলুচিস্তান থেকে...
- মারিও, - স্যার.
...এসআইটি (বিশেষ তদন্ত টিম) সাজাও এটার জন্য।
লশকার, আইসিস, এবং হিজবুদ্দীন...
- আপাততঃ এদের উপর চোখ রাখো। - অবশ্যই, স্যার।
সরতাজ... ভালো করেছো.
SIT (Special Investigation Team) তে কাজ করতে চাও ?
হ্যাঁ, স্যার.
স্যার...
...ইন্সপেক্টর মজিদ খান তো টেরর সেলে অভিজ্ঞ।
অবশ্যই।
মজিদ, সরতাজ এই কেসটা পরিচালনা করবে..
হ্যাঁ, স্যার।
বস হয়ে গেলি তুই।
পার্টি দিয়ে দে।
এত বড় চালান ভোসলের এনজিওর সাথে জড়িত ...
মাঝখানে হিজবুদ্দীন কোত্থেকে আসলো?
ভোসলে কি অন্যের জন্য কাজ করতে পারে না?
তোর মনে হয়?
বড় কেসে তো ঢুকিসনি তাই জানিস না শহিদ খান কী মাল।
93 ব্লাস্ট থেকে কান্দাহার হাইজ্যাকিং পর্যন্ত,
সবগুলাতে ওর হাত আছে।
চেক তো করতেই হবে।
তুই শহীদ খান কে খোঁজ।
আমি গাইতন্ডের তৃতীয় বাপরে খুঁজি।
ব্যাস!
ব্যাস! ব্যাস!
25 দিনে কী হতে চলছে?
আমার বাপ সবার পুটকি মারতে যাচ্ছে।
কিন্তু আমি ত্রিবেদী কে বাচাবোই।
কোন বাপ?
ওই গ্রামের পণ্ডিত?
না, স্যার। তিনটা বাবা আমার।
শালা এই বাপগুলার সাথেই তো আমার ভেজাল।
প্রথম বাপ আমাকে ভয় দিছে, দ্বিতীয়টা সাহস।
আর ঐ তৃতীয় জন যাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতাম, সেইই ধোঁকা দিয়েছিলো আমায়।
সময়কে জয় করা সম্ভব…
কারণ সময় তেজস্ক্রিয়।
সময়ের সর্বদা ক্ষয় হচ্ছে… এবং সময় সর্বদাই থাকছে
সময় একটি বৃত্ত।
যে বৃত্তটি বিভক্ত হয়ে আছে
চারটি যুগে।
চার যুগ। ( সত্য, ত্রেতা, দ্বাপর আর কলি)
মেঘা?
মেঘা!
হ্যাঁ?
আমরা আবার চেষ্টা করতে পারি?
কি বকছো।
আমি সিরিয়াস।
সিরিয়াস?
ঠিক আছে।
তো সিরিয়াসলি কথা বলি।
এখন কেনো?
কারন...
আমার দ্বারা হচ্ছে না আর।
এক এক করে...
সবাই চলে যাচ্ছে আমার জীবন থেকে।
একদম একাকীত্ব অনুভব করছি।
এখন ভয় লাগছে যেনো...
তুমিও চলে যাবে।
আমি চলে গেছি , সরতাজ।
না, মেঘা, দয়া করে...
দয়া করে, এসব বলো না।
আমরা শুধুই আবার লড়বো।
না।
অনেক দেরী হয়ে গেছে।
বুঝেই আসে না সর্দারজী,
কোথায় যাবে কাহিনী ?
আমারো আসতো না।
আজব জীবন ছিল সেখানে।
নৌকার গার্ড কে মারতে মারতে মেরেই ফেলেছি ,
কিন্তু ও তখনো বলে নাই দুনিয়ার কোন প্রান্তে আমি।
এখন মৃত্যুর পর আর কী বলবে।
বদলা নেওয়ার জন্য মাথা এতই গরম ছিলো যে
আমি ঠান্ডা পানিতেই সাঁতরাচ্ছিলাম , মুম্বইয়ের দিকে।
আমি প্রতিদিন সাঁতারাতাম পিছনের দিনগুলির থেকে একটু বেশি।
রোজ মুম্বইয়ের আরেকটু কাছে।
এই বোটে কিছু করারও ছিল না।
রোজ সাঁতরাও,
জঘন্য মাছ খাও,
আর গোপাল মাঠ মনে করে হাত মারো।
এটাই আমার জীবন ছিলো।
তারপর একদিন, দূরে দেখলাম,
তো জবাব নিকটে আসছিল।
এটা ধর।
আস্তে স্যার।
আপনার ব্যাগ।
আগে আমাকে কথা বলতে দিন।
আর কিছু ?
ম্যাডাম আপনি জানেন না
বহুত পাগলাটে লোক উনি।
একজনের জান চলে গেছে উনাকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য।
কোথায়?
এখানেই তো, ঘুমাচ্ছিল।
ঘরে কেউ আসেনি তো ?
- আমি জানি না। - গণেশ! গণেশ!
মাদারচোদ, হোগা দিয়া ভরমু তোর ওই চাবি।
আয়, নিয়ে নে তোর চাবি।
ঢুকায় দে যার হোগায় ঢুকাবি।
এগুলা কি গাইতন্ডে?
- আমরা কথা বলতেই আসছিলাম। - চুপ কর , হোগার পুত্র !
আমি মুম্বাই ফিরতে চাই।
গোপাল মাঠ !
তুই মুম্বাই যেতে পারবি না, সোনা।
তুই কে?
একজন মিত্র (বন্ধু)।
তোমরা কী চাও ? বলে দাও।
আমারে এইখানে বাইনচোদ বরকির 🐐 মতো বন্ধ করে রাখছে।
আফ্রিকায় একটা দেশ আছে কেনিয়া।
ওখানে একটা শহর আছে মোমবাসা।
এখান থেকে কাছেই।
আমি শুনলাম তুই সাঁতরিয়ে মুম্বাই যেতে চাস?
সাঁতরাতে যেতে চাইলে
মাত্র 188 বছর লাগবে তোর।
হিসাব করে নিয়েছি।
যদি মারাঠি পড়তে পারিস, তাহলে এটা পড়।
আমি মুম্বাইয়ের জন্য খাড়া নুনুর মতো অপেক্ষা করছিলাম।
আর মুম্বাই...
মুম্বাই আমাকে ভুলে যাচ্ছিল।
ত্রিবেদীর লোকেরা বাবরি মসজিদ ধংস করে।
আইসিস এর পাইটুগুলি শহীদ খান এর সাথে মিলে শহরে বোম্ব লাগায়।
পুলিশ বললো, এবার বহুত হইছে বের হ এখান থেকে সব গ্যাং।
উঠা।
এই ! এই ! এই ... ভারত সরকার সম্মানের সাথে !
যা সামনে!
ছাড় ! ব্যথা দিচ্ছিস। তুই ছাড়!
ঈসা আর আমি যাওয়ার পর ; সব ব্যালেন্স নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল।
মুম্বাই ভাইদের সব ধান্দা খতম।
আর গোপাল মাঠ যেনো খাদে পরিনত হচ্ছিল।
বান্টি : কিভাবে পালাবো আমি?
দেশ ভাগ হয়েছিল 1947 এ
মুম্বাইয়ের 1993 তে
কেউ দখল দিছে
আর কেউ দূরে গিয়ে নিজের চাল বানিয়েছে।
আমার মুম্বাই শেষ হয়ে যাচ্ছিল।
নাম?
কুসুম দেবী যাদব।
কী চাও?
আমাদের জন্য কাজ কর, কেনিয়াতে।
আমি কারো চাকরি করি না।
আরে চাকরি না, পার্টনারশিপ।
নতুন ধান্দা শুরু করো
ধীরে ধীরে তোর গ্যাংকেও বের করে দিব জেল থেকে।
ঈসার থেকে বদলা লাগবে না তোর ?
আমি দিতে পারবো।
আসলে কে রে তুই ?
ব্যাস কিছু পরিচিত লোক আছে মুম্বাইতে।
আর এইখানে?
এইখানেও।
পার্টনারশিপ?
ফোনে কে ছিল?
কোন ফোন?
জেলে যার সাথে তুই কথা বলায় দিছিলি।
জেলে?
হোগার পুত বেশি নাটক চোদাইস না!
তুই আমাকে এখনে এনেছিস। তুই কথা বলায় দিছিলি না!
হ্যাঁ , হ্যাঁ। গুরুজি! গুরুজি।
উনার উপদেশ।
আর হ্যাঁ...
No comments yet. Be the first to leave one.