Brief Encounter

Brief Encounter

Download Bengali Subtitle

Release info

Brief Encounter (ক্ষণস্থায়ী পরিচয়) ব্লু-রে-৭২০-পি-রানটাইম (01:26:36)
Brief Encounter (ক্ষণস্থায়ী পরিচয়) ব্লু-রে-১০৮০-পি-রানটাইম (01:26:36)
Brief Encounter (1945) [BluRay] [1080p] [YTS] [YIFY]
Brief Encounter (1945) [BluRay] [720p] [YTS] [YIFY]
Brief Encounter 1945 720p BRRip x264-x0r
A Commentary by themoviefreak
➡️➡️➡️গুড রেটিং দিবেন প্লিজ🙏🙏🙏 মুভি ডাউনলোড লিঙ্ক কমেন্টে দেয়া হল 🔴 সাবটাইটেল ভালো লাগলে ডোনেট করতে পারেন, 01614030906 (বিকাশ) 🔵

Tags

bluray
1080
ts
yts
720p
720
brrip
x264
Published on: 2022-09-28
Downloads: 55
Hearing Impaired: No

Bengali subtitle preview

The first 200 lines.

বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে Brief Encounter (ক্ষনস্থায়ী পরিচয়) মুভিটি দেখার জন্য আপনাকে অভিনন্দন।

অনুবাদ ও সম্পাদনায়: Facebook: ফাইয়াজ চৌ Subscene: The Movie Freak™

অনুবাদ ও সম্পাদনায়: Facebook: ফাইয়াজ চৌ Subscene: The Movie Freak™

শুভ সন্ধ্যা, মিঃ গডবি।

- হ্যালো, হ্যালো, হ্যালো। - চেনাই তো যাচ্ছেনা আপনাকে!

- গতকাল আসতে পারিনি। - কেন, কি হয়েছিল?

- ছোটখাটো ঝগড়া করতে হয়েছিল। - কি নিয়ে?

এক ছোকড়া ফার্স্ট ক্লাসে উঠে পড়েছিল...

...থার্ড ক্লাসের টিকিট নিয়ে।

বললাম জরিমানা দিতে, কিন্তু সে রাগ দেখানো শুরু করল।

বাধ্য হয়ে মিঃ সনডার্স কে ডাকলাম।

- তাকে ডাকা আর না ডাকা তো একই। - না উনি জরিমানা আদায় করেছেন।

- নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস হবে না। - সত্যি জরিমানা করেছেন, নিশ্চিত থাকো।

তিনি বললেন, "জরিমানা না দিলে পুলিশ ডাকবো।"

'পুলিশ' শব্দটা শুনে ছোকড়ার যা চেহারা হয়েছিল না, দেখার মত!

শুনেই গলার স্বর পাল্টে গেল আর জরিমানা দিয়ে দিল।

আমিতো এই কথাই বললাম...

তার নিজের সাহস নেই, পুলিশ ডাকা লাগে।

সে অতটাও খারাপ না তুমি যতটা ভাবো।

একজনের কাছে আর কি আশা করো তুমি__

যার নিজের একটা ফুসফুস নেই এবং স্ত্রী ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ।

আপনি না আসায় অবশ্য আমি কিছু একটা গন্ডগোলের আশঙ্কা করেছিলাম।

আসতে চেয়েছিলাম কিন্তু...

একটা কাজ পড়ে যাওয়ায় সেখানে যেতে হয়েছিল...

ওহ এই ঘটনা!

- পরিচিত একজন বিয়ে করছে। - নিশ্চিত আকর্ষণীয় কিছু।

- যাকগে, তোমার কি হয়েছে? - আমার আর কি হবে।

- হঠাৎ কেমন যেনো সুর পাল্টে গেল? - বেরিল, তাড়াতাড়ি কর।

- চুলার কাছে গেলে আরো কিছু কয়লা দিয়ে দিস। - আচ্ছা, মিস ব্যাগট।

মনেহচ্ছে খেঁজুরে আলাপ করে আর সময় নষ্ট করতে পারব না মিঃ গডবি।

আরেক কাপ চা খেতে বলবে না?

হাতেরটা শেষ করেন আগে তারপর আরেক কাপ পাবেন।

বেরিল আপনাকে বানিয়ে দেবে। যাই, কিছু হিসাব নিকাশ বাকি।

হেই।

- তোমার হাতের চা খেলে ভালো লাগত। - সময় গেলে আর সাধন হয় না, মিঃ গডবি!

লরা, তুই! কি অসাধারণ সারপ্রাইজ!

ওহ, ডলি!

শপিং করতে করতে হাঁপিয়ে উঠেছিলাম,

পা আর চলছিল না, গলাও শুকিয়ে কাঠ হয়ে গিয়েছিল।

ভেবেছিলাম 'স্পিন্ডলে' যেয়ে একটু চা খাবো, কিন্তু ট্রেন ছেড়ে দেয় কিনা ভয় হচ্ছিল।

- ওহ, ডিয়ার। - ইনি হলেন ডাক্তার হার্ভে।

- কেমন আছেন? - আপনি কেমন আছেন?

কষ্ট করে এক কাপ চা এনে দিতে পারবেন?

এখান থেকে উঠে কাউন্টার পর্যন্ত যেতে পারব বলে মনে হচ্ছে না।

না, লাগবেনা।

কিরে, কি দারুণ দেখতে উনি!

উনি আসলে কে? সত্যি, ভালো দান মেরেছিস।

ফ্রেড কে সকালে ফোন দিব, এমন ঘটনা না জানালে চলে!

সবই কপাল। কতযুগ পরে দেখলাম তোকে বলতো!

আমি তোর ওখানে যেতাম কিন্তু টনি'র Measles হয়ে গেল আর তারপর...

এসব নিয়ে ফিলিসের সাথে বাক-বিতন্ডা। অবশ্য তুই জানিস না।

- কি বলব, সে চলে গেছে। - দুঃখজনক।

শোন, ওকে আমার বেশী ভালো লাগত না,

কিন্তু টনির পছন্দ।

বাকিটা ট্রেনে উঠে বলব। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

দুধ একটু বেশি মনে হচ্ছে। তবুও আশাকরি খাওয়া যাবে।

- এহহে চিনি দেয়নাই। - চিনি চামচে আছে।

ওহ তাইতো! আমি কি বোকা!

লরা তোকে খুব সতেজ লাগছে। ইশ! আগে যদি জানতাম এখানে থাকবি।

দুজনে একসাথে লাঞ্চ আর অনেক গল্পগুজব করতে পারতাম।

আমার একা শপিংয়ে যেতে ভালো লাগে না।

- তোমার ট্রেন চলে এসেছে। - হ্যাঁ, শুনেছি।

- আপনি আমাদের সাথে যাচ্ছেন না? - না, আমার গন্তব্য উল্টোদিকে।

- আমি চার্লি তে প্র‍্যাকটিস করি। - ওহ, আচ্ছা।

আমি বর্তমানে একজন জেনারেল প্র‍্যাকটিশনার।

ডাক্তার হারভে সামনের সপ্তাহে আফ্রিকা যাবেন।

বাহ খুব রোমাঞ্চকর ব্যাপার।

- আমাকে উঠতে হবে। - তা তো হবেই।

- বিদায়। - বিদায়।

তাকে ট্রেন ধরতে দৌড়াতে হবে।

কারণ ট্রেন টা অন্যপাশের প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে আছে।

ট্রেন মিসের কথা বললেই আমার ব্রডহ্যাম জাংশনের অদ্ভুত ব্রিজটার কথা মনে পড়ে।

একপাশ দিয়ে উঠতে হয়, আরেক পাশ দিয়ে নামতে হয়।

ঐদিন ববের আইনজীবীর কাছে গিয়েছিলাম,

বাড়ির খাজনাটা রিনিউ করার কাজে।

তারপর স্টেশনে পৌছে দেখি ট্রেন ছাড়তে আর ত্রিশ সেকেন্ড বাকি,

ওরে ভাই, উড়ে গিয়ে ট্রেন ধরেছিলাম।

টনিকে সাথে নিয়ে গিয়েছিলাম,

আর বোকার মত, ড্রয়িং রুমের লাইটের জন্য নতুন একটা শেইড কিনে ফেলেছি।

অথচ এটা এখানেই কিনতে পারতাম।

যাইহোক, বেশ বড় আর ভারী ছিল জিনিসটা।

এটার কারনে সামনে কিছু দেখতে পাচ্ছিলাম না।

এক মহিলার সাথে ধাক্কা খেয়েছিলাম। জীবনেও এমন পরিস্থিতিতে পড়িনি।

আর বাড়ী ফিরে দেখি ভেঙ্গে কয়েক টুকরা।

এটা কি আমাদের ট্রেন?

বলতে পারবেন, এটা কেচওয়ার্থের ট্রেন কিনা?

- না এটা এক্সপ্রেস। - জাহাজের যাত্রী আনা নেয়া করে।

ওহ, বুঝেছি। এটা থামেনা, তাই না?

- আমি কয়েকটা চকোলেট চাই, প্লিজ। - মিল্ক নাকি ডার্ক?

ডার্কটাই দিন।

নাহ, মিল্কটাই মজা হবে মনেহয়। বাদাম দেয়া আছে নাকি?

নেসলের একটা আছে মিল্ক+বাদাম দেয়া। দামিটা না সাধারণটা দেবো?

আচ্ছা একটা ডার্ক আর একটা মিল্ক-বাদাম দিন।

- বড় নাকি ছোট? - বড়টাই দিন।

ও কোথায় গেল?

খেয়াল করিনি তো।

ওহ, ভাবতেই পারছিলাম না কোথাও হারিয়ে গেলি নাকি।

এক্সপ্রেস ট্রেন যাচ্ছে, দেখতে গিয়েছিলাম।

কি হয়েছে তোর? অসুস্থ লাগছে?

- হ্যাঁ একটু। - কি বলিস! আয় এখানে বস।

- আমাদের ট্রেন এসে গেছে। - হ্যাঁ ঠিক আছে।

- আপনার এখানে ব্র‍্যান্ডি আছে? - দোকান বন্ধ হয়ে গেছে।

- কিন্তু একজন অসুস্থ। - আমি ঠিক আছি, সত্যিই।

আরে, এক চুমুক ব্র‍্যান্ডি খেলে ভালো লাগবে।

প্লিজ।

- খুব ভাল। - ধন্যবাদ।

- কত? - দশ পেন্স।

কেচওয়ার্থ এর ট্রেন প্ল্যাটফর্ম ৩ এ আসছে।

আমাদের দ্রুত করতে হবে।

উফ! আমাদের কপাল টা ভালো।

এই ট্রেনে সাধারণত অনেক ভীড় হয়।

তোকে নিয়ে দুশ্চিন্তা হচ্ছে। মুখটা দেখে মনে হচ্ছে রক্ত সরে গেছে।

আমি ঠিক আছি, সত্যিই। কিছুক্ষণের জন্য দমবন্ধ লাগছিল, আর কিছুনা।

আমার প্রায়ই এমন হয়। ববির স্কুল কনসার্টে গিয়ে একবার এমন হল।

ও মনেহয় এখনো আমাকে মাফ করেনি।

আচ্ছা, উনি কিন্তু আসলেই দেখতে সুপুরুষ।

- কে? - তোর বন্ধু, ডাক্তার...কি যেনো নাম!

- হ্যাঁ, সে খুব ভালো... - অনেকদিন ধরে চিনিস নাকি?

না, তেমন বেশী না।

- সত্যি বলতে তেমন একটা পরিচয় নেই। - ওহ, বান্ধবী,

আমার সবসময় ডাক্তারদের প্রতি দূর্বলতা ছিল।

আমি জানি মেয়েরা একটু সন্দেহবাতিক হয়।

তোরে যদি বিশ্বাস করতে পারতাম!

তোর মনে যদি কোন দয়া আর মাথায় কিছুটা ঘিলু থাকতো,

তাহলে বুঝতি এই আজাইরা বকবক,

আমি কোনদিনই পছন্দ করিনি, করতামও না।

ইশ যদি তুই এরকম অবুঝ না হতি,

তার আফ্রিকা যাওয়ার ব্যাপারটা বেশ আকৃষ্ট করছে আমাকে। ও কি বিবাহিত?

- অ্যাঁ, হ্যাঁ। - বাচ্চাকাচ্চা আছে?

হ্যাঁ, দুইটা ছেলে আছে। গর্বিত পিতা।

বউ বাচ্চা নিয়ে যাচ্ছে নাকি? মানে...

অ্যাঁ, হ্যাঁ সবাই যাচ্ছে।

আমার মতে এটা বেশ বুদ্ধিমানের কাজ...

খোলামেলা জায়গা আর নতুন পরিবেশে গিয়ে জীবন শুরু করা।

যদিও কোন কিছুর বিনিময়েই আমি ইংল্যান্ড ত্যাগ করব না,

আমার বাড়ি এখানে, তাছাড়া সবকিছুর সাথে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। মানে...

সবারই তো নাড়ী বলতে কিছু আছে, তাইনা?

হ্যাঁ, সবারই নাড়ীর টান আছে।

আমি এক মেয়েকে চিনতাম কয়েক বছর আগে, যে আফ্রিকা গিয়েছিল...

তার স্বামী ইঞ্জিনিয়ার না কি জানি ছিল...

আর বিশ্বাস কর বন্ধু, সে অনেক কষ্টে সময় কাটিয়েছে।

একবার পিকনিকে গিয়ে তার শরীরে কি এক জীবাণু ঢুকে গেল,

তারপর সারা বছর অসুখ লেগে থাকতো।

তোর বকবকানি টা যদি বন্ধ করতি...

মানুষের ব্যক্তিগত বিষয়ে নাক গলানোটা যদি বন্ধ করতি...

ইশ! তুই যদি মরে যেতি। না আমি এমন বলতে চাই না।

নির্বোধ আর নির্দয় এর মতো হয়ে যায় এটা।

- কিন্তু আমি চাই তুই বকবকানি বন্ধ কর। - কি বলব দোস্ত, তার সব চুল পড়ে গিয়েছিল।

আর ওখানের সামাজিক জীবন ছিল খুব জঘন্য...

মফস্বলি বুঝলি, কামলা থেকে হঠাৎ ধনী হয়ে যাওয়া মানুষজন।

ওহ, ডলি।

কি হইছে দোস্ত? খারাপ লাগছে আবারো?

না রে অসুস্থ না, মাথাটা কেমন জানি ঘুরতেছে।

- চোখটা বন্ধ রাখলে ভালো লাগবে। - আহারে, বেচারি!

আর এদিকে আমি পকপক করেই যাচ্ছি।

আচ্ছা কথায় একটু লাগাম দিচ্ছি।

তুই ঘুমা, লেভেল ক্রসিং এ আসলে জাগিয়ে দেব।

তাহলে একটু ফ্রেশ হয়ে...

নাকে মুখে পাউডার লাগাতে পারবি।

ধন্যবাদ, ডলি।

আর সহ্য করা সম্ভব না।

এই দুর্দশার নিশ্চয়ই শেষ আছে।

এটা ভেবেই নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

কোনকিছুই চিরস্থায়ী নয়।

না সুখ না হতাশা।

এমনকি জীবনও বেশিদিন স্থায়ী হয় না।

একসময় হয়ত এসব বিষয়ে আর কিছু মনে করব না...

ফেলে যাওয়া দিনগুলোর কথা মনেকরে, শান্ত আর খুশি মনে বলব, কি বোকাই না ছিলাম আমি!

না, না, আমি চাই না সে সময়টি কখনও আসুক।

আমি প্রতিটি মুহূর্ত মনে রাখতে চাই...

সবসময়...

সবসময় জীবনের শেষ দিনটি পর্যন্ত।

- কেচওয়ার্থ! - ওঠ, লরা। আমরা এসে পড়েছি।

কেচওয়ার্থ!

দোস্ত আমি তোকে এগিয়ে দিতে পারতাম রে।

- এটাতো আমার রাস্তার কাছেই। - ধন্যবাদ।

ওই এলমোর লেন ধরে হেঁটে,

গ্রামার স্কুলের পাশ দিয়ে গেলে দুই মিনিটেই বাড়ি পৌছে যেতে পারব।

তুই অনেক উপকার করেছিস, ডলি। কিন্তু আমি এখন সম্পূর্ণ ঠিক আছি। সত্যি।

- নিশ্চিত তো? - পুরোপুরি।

আমার প্রতি এতটা সদয় হওয়ায় তোকে ধন্যবাদ।

ধুর ফালতু প্রশংসা করিস না তো।

সকালে ফোন দিয়ে আবার জ্ঞান হারিয়েছিলি কিনা জেনে নেব।

নিশ্চিত হতাশ করব তোকে।

শুভ রাত্রি।

শুভরাত্রি। আমার ভালবাসা দিস ফ্রেড এবং বাচ্চাদের।

লরা, এসেছো নাকি?

- হ্যাঁ, প্রিয়। - ধন্যবাদ খোদাকে তুমি ফিরে এসেছো।

- এতক্ষণ ঝড় বয়ে গেছে এখানে। - কেন? কি হয়েছে?

ববি ও মার্গারেট আবারো ঝগড়া করেছে।

তুমি এসে তাদের সাথে কথা বলে ঘুম না পাড়ালে তারা ঘুমাবেনা।

মা? এটা কি তুমি, মা?

- হ্যাঁ, মার্গারেট। - এক্ষুনি উপরে এসো, মা!

তোমার সাথে কথা আছে।

পাজির দল কয়েক ঘন্টা আগেই তোদের ঘুমিয়ে পড়ার কথা।

- এখন বল তোদের সমস্যা কি? - আচ্ছা মা,

কাল আমার জন্মদিন,

আর আমি সার্কাসে যেতে চাই।

এবং কাল তো মার্গারেটের জন্মদিন না,

কিন্তু সে পুতুলনাচ দেখতে যেতে চায়।

Comments

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left