世界の中心で、愛をさけぶ
The first 200 lines.
সাবটাইটেল রিলিজঃ ২৫ মার্চ, ২০২২
A Yukisada Isao Film
এটা কাছাকাছি এসে পড়েছে।
কী?
টাইফুন
টাইফুন?
টাইফুন #29
জানু
আমরা কি পারব?
আমরা পারব।
কথা দিচ্ছি তোমাকে নিয়ে যাব ওখানে।
- সাকু! - দুঃখিত।
শুভ সকাল।
শুভ সকাল।
আবারও সারারাত কাজ করলে?
তুমি পার্ট-টাইম করছ, না?
ফুল-টাইমারেরাও শনিবারে কাজ করে?
শুনো,
সাকুতারো কেমন অদ্ভুত ধাচের নাম।
বাবা কবি হাগিওয়ারা সাকুতারোর ভক্ত ছিলেন।
তিনি Chiekosho লিখেছিলেন না?
না, সেটা নয়।
তাহলে, কোনটা?
কী যেন ছিল...
তুমি জানোও না।
বাহ্, কী বিদঘুটে আবহাওয়া।
টাইফুন কাছাকাছি এসে পড়েছে।
টাইফুন #২৯ বর্তমানে
কাগোশিমার দক্ষিণ-পশ্চিম সমুদ্রে রয়েছে,
২০ ঘন্টা বেগে আস্তে আস্তে এগুচ্ছে।
এখনও বৃষ্টি পড়েনি তেমন,
কিন্তু পশ্চিম থেকে ঝড়ো কালো মেঘ ভেসে আসছে,
প্রবল বৃষ্টিপাত হবে তার ধারণা করা যাচ্ছে...
তোমার গার্লফ্রেন্ড আছে না?
আছে।
বাসায় যাও তাহলে।
কী?
ওখানে।
বললাম তো ঠিক আছি আমি।
তোমাকে নিয়ে চিন্তায় আছি আমি।
শহরে একা জীবন কাটানো কষ্টের ব্যাপার।
শুনো, বাবা, তোমার বিশেষ কেউ নেই?
আমি আসার পর থেকে একাকী হয়ে পড়েছ না?
তোমায় নিয়ে মজা করছি না, চিন্তা হচ্ছে আমার তোমার জন্য।
এমন না যে আমি দেশের বাহিরে যাচ্ছি।
আমি মাঝেমধ্যে আসব।
আমার এখনও এটা আছে।
এক্সকিউজ মি, ওয়াকম্যান আছে আপনাদের এখানে?
যদি MD players নিতে চান,
এগুলো খুঁজে পাবেন না এখন।
এগুলোতে সিডি চলবে...
এক্সকিউজ মি,
ক্যাসেট টেপ চালানোর জন্য ওয়াকম্যান আছে আপনাদের?
ক্যাসেট?
অক্টোবর ২৮...
জানি না কেন...
আমার আজকে ঘুম আসছে না।
আগামীকাল এর কথা ভেবে এত ভয় হচ্ছে যে আমি ঘুম আসতে পারছি না।
মনে হয়...
আমি শীঘ্রই মারা যাব।
অনুবাদ ও সম্পাদনায় মোঃ সায়মুন ইসলাম শুভ
Crying Out Love, In The Center of The World
আমি কিছু দিনের জন্য বের হচ্ছি, আমাকে নিয়ে চিন্তা কোরো না - রিতসুকো।
...কাগোশিমাতে আঘাত হানা সুপার টাইফুন, #29,
সমশক্তির সহিত,
প্রায় ১৫ ঘন্টা বেগে দক্ষিণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
বায়ুমণ্ডলীয় চাপ ঘন্টায় প্রায় 950hPa,
সর্বোচ্চ গতিবেগ প্রায় ৪০ মিটার,
এবং প্যারামিটারের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ১১০ কি.মি এ রয়েছে...
স্বাগত
ওহ, তুমি নাকি?
স্বাগতম স্বাগতম।
অনেক খিদে লেগেছে, রিউ।
বাড়ি যেয়ে খাও, তোমার যে কিউট হবু বউ আছে।
যাইহোক।
ছাতা।
তোমাকে রিতসুকোর সাথে দেখা না করানো উচিত ছিল আমার।
ওকে বিয়ে করতে যাচ্ছ, ভালোভাবে রেখো ওকে।
কী?
রিতসুকো নেই।
নেই?
সে একটা নোট রেখে গিয়েছে, "আমি কিছুদিনের জন্য বের হচ্ছি।"
নোট রেখেছে? এটা ভালো না, ভাই।
মানুষ পালিয়ে গেলে অথবা
আত্নহত্যা করতে চায়লে এমন নোট লেখে রাখে।
আত্নহত্যার সময়ে?
অসম্ভব।
কল করেছ ওকে?
না।
কল দাও।
তাড়াতাড়ি কল করো ওকে, ওর জীবন মরনের প্রশ্ন এটা।
আচ্ছা, ঠিক আছে।
দ্রুত।
...আজ বিকেলে, কিয়োশো-বাউন্ডের অনেক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে,
৫০ হাজারের অধিক যাত্রী অপেক্ষায় আছেন।
যদি দক্ষিণে এভাবে টাইফুন চলতে থাকে,
তাহলে আগামীকাল বিকেলের ভেতর শিকোকুতে আঘাত হানবে ধারণা করা যাচ্ছে...
এই, সাকু
এটা...
রিতসুকো, না?
রেখে দিলে কেন?
কিন্তু...
... ধারণা করা যাচ্ছে আরও প্রচুর ফ্লাইট বাতিল হবে,
এবং আরও যাত্রীদের যাত্রা বিঘ্নিত হতে যাচ্ছে...
তাকামাতসু এয়ারপোর্ট থেকে সর্বশেষ পরিস্থিতি এটাই।
রিতসুকো তাকামাতসুতে কী করছে?
এই
এই, সাকু!
জুন ২৪, ১৯৮৬
মেয়র, ওনুকি শোযাবুরো...
সাকু! এখানে।
দেরি করেছ।
দুঃখিত।
পরবর্তীতে, কোবানি হাই স্কুল থেকে তার একজন শিক্ষার্থী শংসাপত্র পড়বে।
১১ গ্রেডের, হিরোসে আকি।
জি।
প্রিন্সিপাল কুনিমুরার প্রতি,
আপনার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছি,
এবং এই বিদায় ক্ষণে আমাকে দীক্ষাদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাচ্ছি।
টিচার,
আমার ইচ্ছে যদি আজ এগুলো আমার বলার প্রয়োজন না থাকত।
আপনার এমন হঠাৎ বিদায়ে, অনেক দুঃখ পেয়েছি আমি।
এবং আমার বিশ্বাস হচ্ছে না আজ এখানে দাঁড়িয়ে,
আপনার ছবির সামনে,
এগুলো বলতে হচ্ছে আমার।
আমি সবসময় আপনার বলা সেই কথা ভাবি,
"প্রারম্ভ করা শুধু কোনও কিছু চালিত করার একটি প্রক্রিয়া,"
এই কথার সত্যিকারের অর্থ কী আসলে তা নিয়ে ভাবি আমি।
আপনার স্মৃতি আমাদের নিকট...
হিরোসে দারুণ মেয়ে।
অন্য মেয়েরা শুধু কান্নাকাটি করছিল,
আর ও যেন একদম প্রাপ্তবয়স্কদের মতো।
সাকুতারো!
শিগ্যে আঙ্কেল, আমাদের প্রিন্সিপালকে চিনতেন আপনি?
সে আমার প্রথম প্রেম ছিল।
আমি ওর একটা ছবি নিতে গিয়েছিলাম,
কিন্তু ওর চেহেরাটাও একবার দেখতে পারলাম না।
অসম্ভব, আমাদের প্রিন্সিপাল এর ছবি?
যুদ্ধ শেষ হলো এবং আমরা সবাই টিকতে পেরেছিলাম।
কিন্তু তখন আমি একদম শূন্য থেকে শুরু করছিলাম।
পুরো পরিবারের সবাইকে হারিয়ে একদম নিঃস্ব হয়ে পড়েছিলাম।
তাই,
আমি কুকুরের মতো পরিশ্রম করতে থাকি, তাকে পাওয়ার জন্য।
খুন করা ছাড়া আর সবকিছুই করেছি আমি।
যেমন?
তোমাকে বলতে পারব না আমি।
তো সবশেষে যখন সব গুছিয়ে উঠতে পারলাম।
কিন্তু ততদিনে...
কিন্তু ততদিনে কী?
ততদিনে, ওর পরিবারের পছন্দের ছেলের সাথে ও বিয়ে করে ফেলে।
কিন্তু এটা তো...
তখনকার দিনে,
এভাবেই সব হতো।
এই, সাকু, এখানে তেমন কিউট মেয়ে নেই।
আমার ভালো লাগে,
ট্রেনে বসে বই পড়ে এমন ধরনের মেয়ে।
সে যেমন...
কী দেখছ তুমি।
এরা কী করছে?
এই, এই, শুনো, শুনো! টাছি এখানে, মুভি স্টার টাছি!
- টাছি? - টাছি হিরোছি।
শ্যুটিং হচ্ছে, সে পুলিশের চরিত্রে অভিনয় করছে।
কোথায়? কোথায়?
ওখানে?
ওই মেয়েটিকে ডাকতে পারবে?
হিরোসে!
এখানে এসো!
হ্যাঁ
এমনি আমরা তুলব।
তোমার একটা ছবি তুলতে পারি আমরা?
কোনও সমস্যা নেই তো তোমার?
ছবি তুলছি এখন।
এই, টাছি চলে গিয়েছে।
এই, আকি না?
এই, হ্যাঁ আকি।
এটা আকি, আকি! কেন? কেন?
কী? ওর ডেব্যু হচ্ছে?
ডেব্যু?
খুব সুন্দর।
আউচ।
একটা বোকাকে ধরেছি
আউচ, আউচ, আউচ...
একটা বোকাকে ধরেছি।
জানতাম তুমি মোটরবাইকে করে স্কুলে আসো।
আগেও তোমাকে চালাতে দেখেছি।
আমার নামে বিচার দেবে তুমি?
এই, কী করছ?
এখানে
কী?
দ্রুত
দ্রুত করো।
আচ্ছা, চলো।
এত শক্ত করে ধরো না।
আমার বুকের ছোঁয়া পাচ্ছ?
শুনো, সাকু।
প্লিজ বলো না।
কী বলব না?
আমাকে সাকু বলে ডেকো না।
সবাই-ই তো তোমাকে এই নামে ডাকে।
শুধু ছেলেরা ডাকে।
No comments yet. Be the first to leave one.