The first 200 lines.
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
এল্ডার লুনা বলে মনকে শান্ত রাখতে।
সঠিক ডিমের সুর শুনতে পাবে।
এল্ডার লুনার বয়স হয়েছে।
তিনটা।
মাত্র তিনটা।
সবগুলো নিয়ে ফেলো।
না। একদম না।
সবসময় একটা ছেড়ে যেতে হয়।
এটাই নিয়ম।
কাল বন্ধন দিবস।
এগুলো তোমার।
তুমি বড়।
- এক সূর্যাস্তের ব্যবধানে। - তারপরও বড়।
সুনা।
কোনটার সুর শুনতে পাচ্ছ?
এটার।
রেশম।
আমরা একসাথে মিলে ওদের বড় করব।
যেভাবে আমরা হয়েছি।
ওদেরও একসাথে বড় করব।
ঠিক আছে?
চলো, চলো, চলো।
- নোয়া! - নোয়া, থামো!
ওরে!
অনেক দূর তো!
অন্য রাস্তা খুঁজতে হবে।
নোয়া?
না!
হ্যাঁ!
নোয়া!
আনায়া! সুনা!
নোয়া!
- নোয়া! - না!
তোমার পাখি বড় হয়ে দেখতে কেমন হবে বলে মনে হয়?
তোমার মতো না হলেই হলো, আনায়া।
কী ব্যাপার, নোয়া?
গাছের আড়ালে কেউ আছে।
হাতের নাগালে আসছে না।
নোয়া ভয় পেয়েছে।
আনায়া না।
বানর ন।
হয়তো...
মানুষ?
মানুষ তো উপত্যকা বেয়ে এখানে আসে না।
ওহ।
ভয় পেয়েছিলে, তাই না?
আনায়ার মতো অতটা না!
ওরা ফিরেছে! ওরা ফিরেছে!
সুনা!
ডিম এনেছ?
- কত উঁচুতে চড়েছিলে? - বিপজ্জনক ছিল?
অনেক।
আনায়া তো বাচ্চাদের মতো কাঁদছিল ভয়ে।
কয় ডিম সাথে এনেছ?
- ডিম দেখাও। - ভালোমতো চড়েছ?
- ডিম দেখাও। - ডিম দেখাও আমাদের।
ডিম। ডিম। ডিম।
আমাদের দেখাও, আনায়া, প্লিজ?
- কে চাও? - আমি, আমি, আমি!
ওউ!
এই। দাও, দাও আমাকে! এই!
খোকা।
আমাকে দেখাও।
বন্ধন দিবস অবধি অপেক্ষা করা লাগবে।
সম্মানিত গুরুদেরও।
আমি তোমার মা।
জানতাম তুমি ভালোভাবে চড়বে।
ও অপেক্ষা করছে।
ভেঙে গেছে?
পরে সময় পাবে এর জন্য।
তোমার বাবা তোমাকে দেখতে চায়।
- নোয়া। - নোয়া।
নোয়া, ভাবিনি তুমি ফিরবে।
অনেক শক্ত।
জি। জি, কোরো।
নোয়া।
বাছা।
সূর্য ঈগলের কালকের অনুষ্ঠানের কাজ পছন্দ হয়নি।
চড়েছ ভালো মতো?
চূড়ার বাসা অবধি গেছিলাম।
হাহ৷ সবাই?
না।
শুধু আমি।
গন্ধ কীসের?
উপত্যকার বাইরে গেছিলে?
কখনোই না।
যাওয়া বারণ।
তারপরও তোমার কম্বলে মানুষের রক্ত।
আমরা উপত্যকার বাইরে যাইনি।
মানলাম।
সত্যি বলছ, নোয়া।
অনেক কিছু শেখার আছে।
অনেক কিছু শেখানোর আছে।
কালকের বন্ধনের পর।
এখন, এল্ডারদের এটা জানতে হবে।
মানুষ সমস্যা করবে।
ওডা সমস্যার ইতি টানবে।
তোমার মত জানতে চাই।
এই কম্বলে মানুষের রক্ত লেগে আছে।
মানুষ।
আর এর জন্য আমি ক্ষমা চাচ্ছি।
এটা আমাদের সবার জন্য খারাপ সংকেত।
আর এই গন্ধ।
আমার পরামর্শ হবে...
চূড়ার বাসা অবধি গেছিলে?
পেরেছ তাহলে।
আহ, হ্যাঁ।
বিপজ্জনক হতে পারে।
বিপদ।
আনায়া!
তোমার বাবার সাথে দেখা করেছ?
সূর্য ঈগলের কাহিনী বুঝি না।
আমি বুঝি। নোয়াকে তার ভাল্লাগেনা।
নোয়া।
এল্ডারদের সাথে।
ওডাকে পাঠাবে মানুষদের তাড়াতে।
হ্যাঁ, এল্ডার।
মা ছোট থাকতে...
গ্রীষ্মকালে খাঁড়ি শুকিয়ে যায়।
মানুষ খাবারের খোঁজে বের হয়েছিল।
মা একজন বড় আরেকজন ছোট মানুষ দেখেছিল।
আমাদের এখানে তো খড়া নেই।
মা বলেছিল।
সাবধানে যাও, ওডা।
না।
আমাদের বন্ধন তো কাল সূর্যদয়ের সময়।
মাস্টার অব বার্ডস ওকে ছাড় দিবে।
বাকিরা তাকে আগামী মৌসুম পর্যন্ত অপেক্ষা করতে দিবে না।
হ্যাঁ, ছাড় দিবে।
সে তোমার বাবা।
আর আমি তার ছেলে।
তাহলে আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করব।
আনায়াও করবে।
পারবে না।
আমাকে আরেকটা খুঁজতে হবে।
নোয়া।
ওডা!
আরও অনেকে...
আসছে।
কী হয়েছে এখানে?
আমাদের লোকেদের
মেরেছে ও।
মানুষ।
এটা ওই মেয়েই।
চলো সবাই, খুঁজো ওকে।
ছড়িয়ে পড়ো!
ওর গোষ্ঠীকে খুঁজো।
সব জায়গায় খুঁজো!
বানরের ঘোড়া!
চলো, যাই!
বেশি দূরে নেই ওরা।
ঘোড়াকে অনুসরণ করো! ওদের গোষ্ঠীকে খুঁজো!
মানুষকে খুঁজো!
চলো!
চলো, চলো, চলো!
ওদের কয়েদ করো!
না! না! প্লিজ!
শালা কয়েদি!
পুড়িয়ে ফেলো ওদের।
সুনা! আনায়া!
নোয়া, বাঁচাও!
নোয়া!
নোয়া!
নোয়া!
নোয়া!
নোয়া!
আনায়া! মা!
সুনা কোথায়?
ওরা নিয়ে গেছে।
আমার ডিম ভেঙে ফেলেছে।
মা।
তোমার বাবার সাহায্য করো!
না! না!
নোয়া!
না!
যাও, নোয়া! যাও!
বাবার সাহায্য করো!
যাও, নোয়া! যাও!
না!
ও ওদের সর্দার।
না!
সিজারের খাতিরে!
সিজারের খাতিরে!
ওদের পক্সিমাসের কাছে নিয়ে যাও।
মানুষটাকে খুঁজো!
সিজার! সিজার!
সিজার! সিজার!
- বাবা। - বাছা।
মাফ করবেন। এসব আমার ভুলে হয়েছে।
নোয়া, পাখিদের মুক্ত করো।
যাও।
মাথা নত করো।
নোয়া।
সিজারের খাতিরে!
বাবা...
ওদের খুঁজে বের করব।
খুঁজে ওদের বাসায় নিয়ে যাব।
মা।
সূর্য।
No comments yet. Be the first to leave one.