The first 200 lines.
>>>>>
>>>>>
ফেসবুকে অনুবাদকের প্রোফাইল ★ Hossain Sadi
আমাদের ফেসবুক গ্রুপ ★ Bangla Subtitle
>>>>>
আসলেই, হিসাবে কিছুটা ভুল করেছিলাম।
এডি! জানি তুই ভেতরেই আছিস!
কেন এমন হয়, যখন তুমি তোমার স্বপ্ন পূরণের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে...
আপনি যে অ্যাকসেস কোড টাইপ করেছেন...
...তখনই পিঠে ছুরি বিঁধবে।
আপনি যে অ্যাকসেস কোড টাইপ করেছেন সেটা ভুল...
একটা কথা বলে দিচ্ছি...
...ওদেরকে আমি ছুঁতেও দেব না।
আমার প্রতিবেশী নিশ্চয়ই নালিশ করার জন্য দরজা খুলেছে।
এরপর তোর পালা, এডি! আসতেছি তোর কাছে!
চার অঙ্কের আইকিউ এর অধিকারী হিসেবে নিশ্চিতভাবে হিসাবে ভুল করেছি।
তবে খুব বেশি নয়।
দুনিয়াটাকে প্রায় জোরালো একটা ধাক্কা দিতে চলেছিলাম,
আর এখন ধাক্কা খেতে যাচ্ছি...
...ফুটপাতের সাথে।
লোকটাকে দেখতে পাচ্ছ?
সেটাই আমি, খুব বেশিদিন আগের ছবি না।
মাদক সংক্রান্ত কোন সমস্যা না থাকা সত্ত্বেও কি ধরণের লোকদের এমন দেখাবে?
কেবল একজন লেখক। বলাই বাহুল্য,
কেউ বিশ্বাসই করতে চায়না যে আমি একটা বই এর ব্যাপারে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি।
যদিও এটা সাই-ফাই উপন্যাস হিসেবে বের হচ্ছে,
মূলত এটা আমার ব্যাক্তিগত মতের উপর লেখা
২১ শতকে মানুষের স্বতন্ত্র দুর্দশার উপরে।
বলা যায় একটা কাল্পনিক সমাজ তৈরি করেছি
যেখানে আমরা সবাই... আম...
এটা হচ্ছে... আসলে...
আঃ...
আজকেই এটা শুরু করার কথা ছিল।
এই যে... শুরু করছি...
কাজটা অসাধারণ হত
শুধু খানিকটা সময় ব্যয় করতে হত, আর রুমে থাকতে হত
সেটাই মুল কাজ।
রুম ছেড়ে যাওয়া যাবে না।
কয়েক সপ্তাহ কেটে গেল
হয়তো কয়েক মাস।
অন্তত আমার লিন্ডি তো ছিল।
এভাবে শেষ করে দেবে?
এতে অবাক হওয়ার কিছু দেখছিনা।
আমি অবাক হয়েছি।
এরকম করোনা, প্লিজ? আমাকে...
শুক্রবারেই মারলা'র হাতে ৯০ পৃষ্ঠা ধরিয়ে দেব।
ও কি বলে সেটা অন্তত দেখতে...
এডি।
- কী? - জানি তোমার কাজ কদ্দুর হয়েছে।
আমি তোমার...
আমি তোমার প্রেমিকা ছিলাম।
শুধু একটা শব্দ দিয়ে তুমি আমার কি সেটা বোঝানো সম্ভব নয়।
সহকর্মী? প্রেরণা?
প্রেয়সী। জানেমান।
গৃহকর্মী, ব্যাংক।
দেখো...
যেটা আমার সেটা তোমারও,
আর তুমি জানো যে আমি আমার সমস্ত জীবন তোমার সাথে কাটাতে চাই।
- ভাবছিলাম হয়তো আমাদের... - প্রপোজ করো না।
কেন?
কারণ শেষবার যখন প্রপোজ করেছিলে কাজে লেগেছিল।
কথা সত্য, আগেও একবার বিয়ে করেছিলাম, কলেজ পেরোবার পরেই, মেলিসাকে।
আমি রাজি।
সংক্ষিপ্ত।
আমাদের হবেনা।
যদিও যা বলছ সব সত্য, তারপরও আমি তোমাকে ভালোবাসি।
কাজে ফিরে যেতে হবে।
শেষমেশ কি হল বললেই তো না।
- চাকরিটা পেয়েছি। - সত্যিই?
হুম, আমি এখন সম্পাদক।
বিশ্বাস করতে পারো, আমার নিজের এখন সহকারী আছে?
অবশ্যই বিশ্বাস করি, এটা তোমার প্রাপ্য ছিল।
ধন্যবাদ।
- আচ্ছা। - বাই।
ও ঠিকই বলেছে, লেগে থাকার কোন মানে আছে?
বোঝায় যাচ্ছে, আমি পারিনি।
দুজনেই জানতাম এটা ঘটতে যাচ্ছে।
নিউজার্সিতে ছেলেবেলার ঘরে ফিরে যেতে হবে।
বাবা আমাকে খুশি মনে ডেন্টাল সাপ্লাইয়ের তালিকা
গছিয়ে দেবে।
এডি মোরা!
ফালতু যত আত্মীয়স্বজন আছে
তাদের যদি এক জায়গায় রাখা হয়
একজন সাবেক শ্যালকের চেয়ে ফালতু কিছু পাওয়া যাবে?
অইত্তেরি!
কত বছর পর, বলতো? ৯?
- খোদা! - হেই
সব ঠিক আছে? মনে হচ্ছে রাস্তায় বসবাস করছ।
কেমন চলছে?
তেমন কিছুনা, আমি... মানে... কি খবর?
একটু লেখালেখি করছি আরকি।
এখনো লেখা নিয়েই পরে আছ?
আসলে একটা বই এর ব্যাপারে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি।
- তাই নাকি? - হ্যাঁ।
- চমৎকার। - তোমার কী খবর?
এখনও ধান্দায় আছ নাকি, ভার্ন?
- আমাকে দেখে কি তাই মনে হচ্ছে? - না, মনে হচ্ছে না।
চলো, গলা ভিজিয়ে আসি, তোমার বই এর কথাও হবে।
জানি না, এই ভরদুপুরে ঠিক হবে কিনা
এসবের আবার পরোয়া করলে কবে থেকে?
- তো - তো...
মেলিসার কি খবর?
- এই নাও। - ধন্যবাদ।
জানি না, বহুদিন দেখা হয় না, শহরে চলে গেছে।
নেটে কেনাবেচা টাইপের কিছু একটা করে, দুটো বাচ্চাও আছে।
দুটো বাচ্চা! বাবা কে?
যদি আসলেই জানতে চাও, ওকে ছেড়ে চলে গেছে।
তাতে তোমার কি?
তোমাদের বিয়ে তো ছিল মোটামুটি পাঁচ মিনিটের মত।
দেখো, ওর ব্যাপারে কথা বলতে চাইনা, তোমার কথা শুনতে চাই, বুঝেছ?
বইয়ের কথা বল, কেমন চলছে?
আঃ...
আমি...
বইয়ের পিছে লেগে আছি।
আসলে দিনরাত সারাক্ষনই এটার পেছনেই খাটছি।
- কতদূর লেখা হল? - এক শব্দও না।
- সৃজনশীলতার অভাব, হাহ্? - হুম।
মনে হয় আমি তোমাকে সাহায্য করতে পারবো।
এই শেষবারের মত।
আরে, না, না।
- তুমি জানোই না, এটা কি জিনিস। - এখনো ধান্দা ছাড়োনি।
ভায়া, আমি এখন অনেক দূর এগিয়ে গেছি।
এখন আমি একটা ওষুধ কোম্পানির পরামর্শদাতা।
কোন অখ্যাত ল্যাবে নকল ভায়াগ্রা বানাচ্ছ নাকি? আর কত, ভার্ন।
না। এটা একটা বিশেষ মাল, সামনের বছর বাজারে আসছে।
ওরা এখনো পরীক্ষা চালাচ্ছে, কিন্তু 'এফডিএ' অনুমোদন দিয়ে দিয়েছে।
ঠিক আছে, শুধুমাত্র কৌতূহল বশত জানতে চাচ্ছি...
দেখাও।
কি আছে এতে?
মস্তিষ্কের যেই রিসেপ্টরগুলো বিশেষ বিশেষ উদ্দীপনা যোগায়
সেগুলো ওরা শনাক্ত করেছে।
আর বিজ্ঞানীরা বলে আমরা মগজের মাত্র ২০% কাজে লাগাতে পারি, তাইনা?
এটা সেখানে পুরো ১০০% কাজে লাগানোর সুযোগ করে দেয়।
ভার্ন, আমাকে কি খুব সুখী মনে হচ্ছে? হতাশায় অবস্থা কাহিল।
একটা নতুন ট্যাবলেট আমার জীবনটাকে এক নিমিষে
সৌভাগ্যে পূর্ণ করে দেবে, ব্যাপারটা মানতে পারছি না।
গেন্ট, কখন?
না, তুমি ওকে বলো আমরা করতে পারবো না।
না, এখনই বলো।
আমাকে যেতে হবে, এডি।
কিন্তু সত্যি বলছি... তোমার সাথে পুনরায় দেখা করতে চাই।
তো, কল দিও, আর ওটা বাসার ঠিকানা।
আমি চাই না।
অকৃতজ্ঞ হয়ো না, জানো এর দাম কত?
৮০০ ডলার, একটা বড়ি।
ওয়েলকাম।
বাসায় যেতে যেতে, কেবল মেলিসার কথাই ভাবছিলাম।
ও কীভাবে ব্যর্থ হল? ভীষণ স্মার্ট ছিল।
সমসাময়িকদের থেকে এক ধাপ এগিয়ে থাকতো।
এই মাতাল এডির সাথে
সেই পুরনো এডির ব্যপক মিল ছিল যে...
...তার বসের টেবিলে বমি করতো অথবা অ্যান্টির পেইন কিলার চুরি করতো।
লিন্ডি যে আমাকে ছেড়ে দিয়েছে তাতে আর ওর দোষ কোথায়?
জীবন আর কতই বা খারাপ হতে পারে?
কাউকেই চোখের সামনে দেখতে চাচ্ছিলাম না।
বিশেষ করে বাড়িওয়ালার মাগি বউটাকে একদমই না।
- ভেলেরি, মঙ্গলবার দেবো। - যথেষ্ট হয়েছে?
ভাড়ার ব্যাপারটা স্টিভ দেখে, তোমার বালছাল ওকেই শুনিও।
ওর থেকে পালানোর বেশ কিছু অজুহাত দেখতে পাচ্ছিলাম।
কোন চিন্তাভাবনা ছাড়াই একটা অচেনা বড়ি খেয়ে নিয়েছিলাম
ভাড়া কি খুব বেশী মনে হয়!
ভারননের কাছ থেকে ঐ ড্রাগের ব্যাপারে
খুব কম তথ্যই পেয়েছিলাম।
চাইলে বাইকে চড়ে মালামাল ডেলিভারি করতে পারো।
- যদি ব্যাপারটা কেবল ভ্রম হয়ে থাকে? - অসহ্যকর।
শালীর বকবক শুনে কি করতে যে মন চায়...
যদি হাঁটতে পারতাম, নির্ঘাত কোন জানালা দিয়ে লাফ দিতাম।
এই যে? আমার কথা কানে যাচ্ছে?
বুঝতে পারছ? রাস্তায় রাস্তায় থাকতে হবে!
আর তারপর, এটা অনুভব করলাম।
ছিলাম অন্ধ, কিন্তু এখন সব দেখতে পাচ্ছি।
...পালাচ্ছ! আমার দিকে তাকাতেও পারছনা, কেন জানো?
কারণ তুমি কোন পুরুষ নও, কোন মানুষই না!
না আছে ভাড়া! না আছে চাকরি!
- কী হয়েছে? - মানে?
আমাকে পছন্দ করো না, তাতে দোষের কিছু নেই। তোমাকেও দেখতে স্বার্থপর
রক্তচোষা বেশ্যা মনে হয়, যে নিজের স্বামীকে শুষে ছিবড়ে নিচ্ছে।
আশা করছ, আমি নিজের খুলিয়ে উড়িয়ে দেবো,
কিন্তু শুধুমাত্র আমার কারণে তোমার মেজাজ এতটা খারাপ হতে পারেনা। সমস্যা কী?
- সেটা তোমার জানার বিষয় নয়। - ল' স্কুলে কোন সমস্যায় পড়েছ?
তুমি কীভাবে জানলে আমি ল' স্কুলে পড়ি?
তোমার মত মেয়েরা নিশ্চয়ই বিনা কারণে
সুপ্রিম কোর্টের আইন কানুন বিষয়ক বই নিয়ে ঘোরে না।
তুমি একটা অসভ্য, তাইনা? আমাকে অনুসরণ করছিলে।
- না, কেবল বইটা দেখলাম। - তুমি শুধু এর এক কোনা দেখেছ।
কীভাবে বুঝলে এটা কোন বই?
আগেই ওটা দেখেছি, ১২ বছর আগে কলেজে।
এক সহকারী শিক্ষিকার কাউচে বসে,
ওর বাথরুম থেকে ফিরে আসার অপেক্ষা করছিলাম,
আশা করছিলাম যাতে ওর কাছে কনডম থাকে।
যেভাবেই হোক আমার অবচেতন মন ওটা মনে করিয়ে দিয়েছে।
সেটা এমনকি আমার মাথায়ই ছিল না।
নাকি ছিল, কেবল বের করে আনার প্রয়োজন ছিল?
যদি কোন আর্টিকেল তৈরি করতে চাও, ওটা সঠিক বই নয়।
তোমাকে কে জিজ্ঞেস করেছে?
হেস্টিং এর নিজের ভাষায় গল্প আছে, আমি ওখান থেকে শুরু করতাম।
মজার ব্যাপার হচ্ছে, শালা ব্যকরনের 'ব' ও জানতো না।
যা থেকে গল্প দাঁড়ালো যে
ওর এক কেরানি, যাকে পরে বহিষ্কার করেছিল
ওর বেশিরভাগ মতামত লেখেছে।
No comments yet. Be the first to leave one.