The first 200 lines.
সতর্কতাঃ মুভিতে প্রচুর অশ্লীল সংলাপ রয়েছে।
"একজন কুমারীর মত" গানটা নিয়ে কিছু কথা বলি।
এটা এমন এক মেয়েকে নিয়ে, যে বড় লিঙ্গধারী পুরুষের চোদা খায়।
আসলে পুরো গানটাকেই─ বলা যায় বড় লিঙ্গের প্রতীক।
না। গানটা এমন এক মেয়েকে নিয়ে, যাকে চোদা খুব সহজ।
সে বহুবার মারা খায়, তারপর সেইরাম একজন পুরুষের দেখা পায়।
আরে ধুত, এইসব বালের পকপক বন্ধ করো। অন্য কাউকে গিয়ে বলো যাও।
টোবি? এ শালা আবার কে?
যে মেয়েটা সেইরাম পুরুষের দেখা পায়, "একজন কুমারীর মত" গানটা তাকে নিয়ে নয়।
"বিশ্বাসী" তো এটা নিয়েই। মানলাম। এ নিয়ে বিতর্ক নেই।
কে সেই "বিশ্বাসী"?
তুমি ম্যাডোনার "বিশ্বাসী" গানটা শোনোনি? গানটা সেইরকম হিট হয়েছিল।
আমি এসব বালের টপচার্টের খবর রাখি না, আর "বিশ্বাসী" গানও শুনিনি।
আমি তো বলিনি যে শুনিনি। শুধু জিজ্ঞেস করেছি যে, এটা কেমন।
আর হ্যাঁ, আমি ম্যাডোনার ভক্ত নই।
ওকে ছাড়াই আমার দিব্যি চলছে।
ওর প্রথমদিকের গানগুলো ভাল লাগত। যেমন "বর্ডারলাইন"।
কিন্তু ও যখন "পাপা ডোন্ট প্রিচ" গানটা বের করল, ওর গানই শোনা বাদ দিলাম।
তোমরা কিন্তু আমার কথাবার্তার মোড় ঘুরাচ্ছ।
আমি কিছু একটা বলছিলাম। কী বলছিলাম?
ওহো, পিচ্চি চায়নিজ মেয়েটার নাম টোবি। কিন্তু ওর লাস্টনেম কী?
কী ওটা?
এটা একটা পুরনো অ্যাড্রেস বুক। আমার বহুকাল আগের একটা কোটের পকেটে পেয়েছি।
- কী যেন ছিল নামটা? - আরে বাল, আমি কি নিয়ে কথা বলছিলাম?
তুমি বলছিলে, একজন লোক বিশ্বাসী লোকের কথা।
একজন স্পর্শকাতর মেয়ে, যে একজন সুন্দর লোকের দেখা পায়।
কিন্তু "একজন কুমারীর মত" গানটা হচ্ছে বড় লিঙ্গের প্রতীক।
আচ্ছা, "একজন কুমারীর মত" গানটা কী নিয়ে সেটা বলি।
পুরোটাই এই মেয়ের যৌনাঙ্গ সম্পর্কে, যেটা একটা চোদনযন্ত্র।
অর্থাৎ সকালে, দিনে, রাতে, বিকেলে কেবলই─
ধোন, ধোন, ধোন, ধোন, ধোন ধোন, ধোন, ধোন, ধোন।
- কতগুলো ধোন বলো তো? - অনেকগুলো।
তো একদিন তার সাথে দেখা হলো "জন হোমস" নামের এক মাদারচোদের।
আর এ দেখা হওয়ার স্টাইলটা ছিল, "দাঁড়াও খুকী!"
মানে, এ শালা ঠিক যেন "দ্য গ্রেট এসকেপ" সিনেমার চার্লস ব্রনসন।
দারুণ কোপাইতে পারে।
মেয়েটা সেইরাম মারা খেতে লাগল,
আর এমন অনুভূতি পাচ্ছিল, যেটা সে বহুদিন যাবত পায়নি।
ব্যাথা। ব্যাথা।
চিউ? টোবি চিউ?
ব্যাথা। সে ব্যাথা পাচ্ছিল। কিন্তু এতে তো ব্যাথা পাওয়া উচিত না।
তার যোনিটা এতদিনে চুইংগামের মত হয়ে যাওয়ার কথা।
কিন্তু এ শালার কোপানি তাকে ব্যাথা দিচ্ছিল, যেন এ তার প্রথম সেক্স।
ব্যাথাটা মনে করিয়ে দিচ্ছিল চোদনযন্ত্রের কথা।
এটা ছিল অনেকটা, আবারো কুমারী হয়ে যাওয়ার মত।
সুতরাং... "একজন কুমারীর মত"!
অং!
বালের জিনিসটা দাও তো!
বাল, কী হচ্ছে? আমার বই ফেরত দাও।
শুনতে শুনতে কান পচে গেল, জো। যাওয়ার সময় ফেরত নিবা।
যাওয়ার সময় মানে? এক্ষুণি দে বোকাচোদা!
পনের মিনিট ধরে, তুমি কানের কাছে যতসব নাম পকপক করছ।
"টোবি..."
"টোবি? টোবি?"
"টোবি অং।"
"টোবি অং? টোবি অং।"
"টোবি চ্যাং? হারামি চার্লি চ্যান!"
আমার বাম কানে ম্যাডোনার বড় লিঙ্গ নিয়া পকপক,
আর ডান কানে টোবি... ইত্যাদি ইত্যাদির প্যাঁচাল।
বইটা দাও বলছি।
যদি দিই, রেখে দেবে তো?
আমার যা করার ইচ্ছা তাই করব।
তাহলে তো দিতে পারছি না।
জো, তুমি কি চাও, আমি ওকে গুলি করি?
হুহ! স্বপ্ন দেখতেসো, তাই না? তার থেকে জেগে উঠে মাফ চাও।
দোস্তরা, তোমরা "কে বিলি"-র "সত্তরের উইকএন্ড" গানটা শুনেছ?
- ও হ্যাঁ, সেইরাম একটা গান। - গানগুলো বিশ্বাস হয়?
আমি কি শুনতাম জানো?
টনি ডিফ্রাঙ্কো ও তার পরিবারের "হার্টবিট, ইটস এ লাভবিট"
ক্লাস ফাইভে পড়ার সময় থেকে এটা শুনিনি।
"যে রাতে জর্জিয়াতে আলো নিভে গেছিলো" গানটা শুনলাম আসার সময়।
অ্যাঁ... বড় হওয়ার আগ পর্যন্ত, আমি ঐ গান শুনিনি।
বড় হওয়ার পরে, আমি এটা লক্ষ লক্ষ বার শুনেছি।
তখনই প্রথম বুঝলাম, যে মেয়েটা গাইছিল, সে-ই অ্যান্ডিকে গুলি করেছে।
তুমি কি জানতে না যে, অ্যান্ডিকে ভিকি লরেন্স গুলি করেছিল?
আমি তো ভেবেছিলাম, এটা হারামজাদী বউটার কাজ।
- হ্যাঁ, কিন্তু সেটা তো গানের একদম শেষে গিয়ে বলে। - মাদারচোদ, আমি জানি। শুনেছি এটা।
এটাই তো বলছিলাম আমি।
তাহলে আমি বোধহয় অন্যমনস্ক ছিলাম।
যাইহোক। আমি বিল দিয়ে দিচ্ছি।
তোমরা বখশিশের টাকাটা দাও।
এক বাক করে দিলেই হয়ে যাবে।
এবং তোমাকে বলছি, ফিরে এসে আমি আমার বইটা চাই।
দুঃখিত, এটা এখন আমার বই।
ঐ শোনো, আমি আমার মত পাল্টাচ্ছি।
এই হারামিকে গুলি করবা তুমি?
যাইহোক, সবাই মেয়েটার জন্য টাকা দাও।
দাও দাও, এক ডলার করে দাও।
উঁহু উঁহু। আমি বখশিশ দেই না।
বখশিশ দাও না?
না, আমি এতে বিশ্বাসী নই।
তুমি বখশিশ দেয়ায় বিশ্বাসী নও?
এই শালীরা কী বানায় জানো? গুয়ের দলা।
ওটা আমাকে দিও না। ও ভাল খাবার না বানাতে পারলে চলে যাক।
কোনো ইহুদী হারামিকেও আমি এরকম কথা বলতে শুনিনি।
সোজা কথা বলো। তুমি কখনই বখশিশ দাও না, তাই তো?
বখশিশ দিই না, কারণ সমাজ আমাকে দিতে মানা করে।
আমি বখশিশ দিই, যদি কেউ বখশিশ পাবার মত কাজ করে।
তারা যদি এর চারগুণ ভাল খাবার বানাতে পারে, তখন নাহয় কিছু দেব।
কিন্তু নিজ থেকে বখশিশ দেব কেবল সুন্দরীদেরকে।
এবং বড় কথা হচ্ছে, এটাই তো তাদের কাজ।
- দ্যাখো, মেয়েটা দারুণ ছিল। - মোটামুটি ছিল।
- ও বিশেষ কিছু না। - বিশেষ আবার কী, হ্যাঁ?
তোমাকে পেছনে নিয়ে গিয়ে তোমার নুনু চুষে দেয়াকে?
- চুষে দিলে আমি ১২% পর্যন্ত দিতে রাজি! - দ্যাখো, আমি কফির অর্ডার করেছি।
অনেকক্ষণ হলো আমরা এখানে আছি। সে আমার কাপটা মাত্র তিনবার ভরেছে।
আমি কফি অর্ডার দেয়া মানে, আমি এটাকে ছয়বার ভরা দেখতে চাই।
ছয়বার? সে তো অনেক ব্যস্তও থাকতে পারে?
"অনেক ব্যস্ত" কথাটা কোনো পরিবেশিকার শব্দভাণ্ডারে থাকা উচিত না।
মাফ করবেন, মিঃ গোলাপী, কিন্তু আপনার আর এক কাপ কফিই দরকার।
আরে খোদা, এ মেয়েগুলো তো না খেয়ে মরছে না। তারা যথেষ্ট বেতন পায়।
আমি নূণ্যতম বেতনে কাজ করতাম...
এবং আমার ভাগ্য এত ভাল ছিল না যে, বখশিশ পাওয়ার মত কাজ পাব।
কিন্তু এরা এই বখশিশের ওপরেই নির্ভর করে।
তুমি জানো এটা কী? পরিবেশিকাদের জন্য বাজানো ক্ষুদ্রতম বেহালা।
তুমি সত্যিই জানো না, তুমি কী বলছো।
এই কাজ করতে এদের পাছা ফেটে যায়।
এটা অনেক কষ্টের কাজ।
তাহলে ম্যাকডোনাল্ডসের কথাই ধরো, ওদেরকে তো বখশিশ দাও না।
কেন দাও না? তারাও তো খাবার পরিবেশন করে।
কিন্তু সমাজের মতে "এদেরকে এখানে বখশিশ দিও না, এখানে দিও।" যত্তসব।
পরিবেশনা একটা চমৎকার কাজ।
এদেশের যেসব মেয়ে কলেজে যেতে পারে না, তাদের জন্য।
এই কাজ করে যেকোনো মেয়ে চমৎকারভাবে বাঁচতে পারে।
আর এর পেছনে অন্যতম কারণ, এই বখশিশ।
ধূর, যত্তসব বালের আলাপ।
ওরে খোদা!
সরকার তো তাদের এই বখশিশেরও ট্যাক্স নেয়।
সেটার বেলায়? সেটা আমার দোষ না।
এইসব পরিবেশিকাদেরকে...
সরকার নিয়মিত বাঁশ দিয়ে যাচ্ছে। সেটাও তো আমার দোষ না।
এমন কোনো একটা কাগজ আমাকে দেখাও,
যেখানে লেখা আছে, এটা উচিৎ নয়। আমি স্বাক্ষর করে দেব।
এটা নিয়ে ভোটাভুটি করো, আমি ভোট দিয়ে দেব। কিন্তু ভণ্ডামি করতে পারব না।
আর ঐসব কলেজে না যাওয়া মাগীরা, ওদের জন্য দুটো শব্দই বলব - মারা খা।
তবু যদি আশা করো, আমি সাহায্য করব, কোনো লাভ নাই।
- তার কথাগুলো যুক্তিযুক্ত। আমার ডলার ফেরত দাও! - এই,
ডলারগুলো এখানে রাখো।
ঠিক আছে, ভন্ডের দল। চলো বেরিয়ে পড়ি।
একটু দাঁড়াও তো। কে টাকা দেয়নি?
- মিঃ গোলাপী। - মিঃ গোলাপী?
- কেন দেয়নি? - সে বখশিশ দেয় না।
বখশিশ দেয় না? বখশিশ দাও না, মানে কী বোঝাতে চাও?
- সে এতে বিশ্বাসী নয়। - চুপ থাকো।
তুমি এতে বিশ্বাসী নও, একথা বলতে কী বোঝাতে চাইছো?
দে কইতাছি, ভালোয় ভালোয় টাকাটা দিয়া দে, খানকির বাচ্চা।
তোদের বালের নাস্তার সব টাকা তো আমিই দিছি।
ঠিক আছে, যেহেতু তুমি নাস্তার বিল দিয়েছ, আমি টাকাটা দিয়ে দিচ্ছি।
অন্যথায় আমি কখনই দিতাম না।
অন্যথায় কী করতা, তাতে আমার বাল।
একদম ভালোমানুষের মত, বাকিরা যেমন দিয়েছে, দিয়ে দাও।
ধন্যবাদ!
এটা ছিল পারট্রিজ ফ্যামিলির Doesn't Somebody Want To Be Wanted.
এডিসন লাইটহাউজের অনুসরণে রচিত Love Grows Where My Rosemary Go.
বাজছে ‘সত্তরের উইকএন্ড’ অ্যালবাম থেকে কে-বিলির মনোমুগ্ধকর সংগীত।
ট্র্যাকঃ ছোট্ট সবুজ অতীত
আরে হ্যাঁ!
ফেলে আসা পথে খুঁজি একটা ছোট্ট সবুজ অতীত
খুঁজে তো পেতেই হবে নয়তো আমি শেষ
রাতবিরেতে বাহিরে দৃষ্টি, দিনেতেও বাহিরে
ফেলে আসা পথে খুঁজে চলি, নিজের মত করে
রাতবিরেতে বাহিরে দৃষ্টি, দিনেতেও বাহিরে
ফেলে আসা পথে খুঁজি, নিজের মত করে
খুঁজে ফিরি
কিছু সুখ খুঁজে ফিরি
কিন্তু শুধু পাই একাকীত্ব
বাঁদিকে খুঁজি
ডানদিকে খুঁজি
উপরদিকে খুঁজি
পিছনদিকে খুঁজি
খুঁজে ফিরি কিছু সুখ
কিন্তু একাকীত্বই পাই শুধু
বাঁদিকে খুঁজি
ডানদিকে খুঁজি
উপরতলায় খুঁজি
ওহ, খোদা!
ওরে ভাইরে!
আমি তো শেষ!
আমি শেষ! আমি শেষ!
- ধৈর্য ধরো, দোস্তো! - আমি মরে যাচ্ছি!
আরে!
দুঃখিত আমি!
- হাতটা দাও তো। - ও কিভাবে এমনটা করতে পারলো!
আমি কি স্বপ্নেও ভেবেছিলাম, এমন হবে?
আরে, এই মুহূর্তে ঐসব ঘ্যানঘ্যানানি বন্ধ করো!
তুমি জখম হয়েছ। খুবই খারাপভাবে আঘাত পেয়েছ, কিন্তু তুমি মরবে না!
আমি মরে যাচ্ছি! আমি মরে...
এইসব...
রক্তগুলো আমাকে ভয় পাইয়ে দিচ্ছে, ল্যারি!
- আমি মরে যাব, আমি জানি! - ওহ।
বেশ, আমার জানা ছিলো না, মেডিসিনে তোমার ডিগ্রি আছে!
অ্যা...তুমি কি ডাক্তার?
তুমি কি ডাক্তার?
উত্তর দাও প্লিজ - ডাক্তার তুমি?
না, নই আমি। নই।
ঠিক আছে। কাজেই তুমি স্বীকার করছো যে, তুমি যা বলছ, তা তুমি জানো না।
সুতরাং, আমাকে তুমি তোমার আনাড়ি মতামত দিচ্ছ। কাজেই চুপচাপ শুয়ে থাকো আর যা বলি শোনো।
আমি তোমাকে আমাদের গোপন জায়গাটায় নিয়ে যাচ্ছি।
সেখানে জো ডাক্তারকে ডেকে আনবে, আর ডাক্তার তোমাকে সুস্থ বানিয়ে ফেলবে, আর...
তুমি ঠিক হয়ে যাবে।
No comments yet. Be the first to leave one.