The first 200 lines.
বলি কি... প্যাকেটের গায়ে লেখা ডোজটা পড়ে দেখো।
হ্যাঁ, ওসব ডোজের ওপর নির্ভর করে।
একটা ট্যাবলেট গুড়া করে তার খাবারের মধ্যে রাখো।
মনে হয় অর্ধেকটাই যথেষ্ট, কিন্তু ...
ডোজটা পড়ে দেখো ... থামো!
না, দুঃখিত, আমি তোমাকে বলিনি।
আমি কুকুরের সাথে কথা বলছিলাম।
আমার একটা ল্যাব্রেডর আছে, হ্যাঁ.
নিচে নামো! হ্যাঁ, হ্যাঁ...
হ্যাঁ, অনেক আদরের কুকুর।
বাচ্চাদের সাথে ত খেলেই, বড়দের সাথেও কম যায় না।
- তুমি যাচ্ছ কোথায়? - বলেছিলাম তোমাকে, চিকার বাড়িতে।
-তোমার কথা বিশ্বাস করি না। - তো কোরোনা।
তুমি গ্রেগরীয়র সাথে দেখা করতে যাচ্ছ।
না!
মিথ্যা বলে, তুমি আমার চেয়েও বেশি নিজেকে কষ্ট দিচ্ছ।
কি জ্বালা! চিকা আর আমি অন্যদের সাথে দেখা করছি।
- গ্রেগরীয়ও অবশ্য থাকতে পারে সেখানে। - এসব কেন দরকার তোমার?
-ওগুলা আমার না। -তোমার ব্যাগে ছিল।
-আমি চিকার জন্য নিচ্ছিলাম। -আমাকে বোকা মনে হয়?
আর আমার ব্যাগ হাতড়ানো বন্ধ কর।
ঈশ্বর! তুমি আমাকে পাগল করে দিবে!
আমি ব্যথাটা বুঝি!
রোজা, দেরি হচ্ছে, ঘুমানোর সময় হয়েছে, মায়ের সাথে আসো।
- দাদিকে শুভরাত্রি বল। -শুভরাত্রি।
-বিদায়, সোনা। -ব্রুনো, আমি তোমাকে ১০ টার মধ্যে বিছানায় দেখতে চাই।
-শুনেছ সেটা? ১০ টা। -কোন টালবাহানা নয়।
সে দাদির সাথে টালবাহানা করে না
-কারন তুমি তাকে নষ্ট করছ। -সেটা সত্য নয়!
বাদ দাও।
আমি পিল নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছি।
-খুশি হলাম শুনে। -সত্যিই?
হ্যাঁ।
তোমার মেয়ে মিথ্যা কথা বলে।
-তোমার কিছু বলার নেই? -আসলে, সে ১৭ তে পা দিয়েছে ...
-এটা স্বাভাবিক। -সে জর্জিওর সাথে বাইরে যাচ্ছে।
-তো? যেতেই পারে। -আমার তাকে পছন্দ না।
-সে ত করে। -রোক্কো, তুমিও তাকে পছন্দ কর না।
না, করি না। কিন্তু তাকে থামানোর চেষ্টা করাও অর্থহীন।
তোমার পিতামাতাও আমার সাথে তোমার ডেটিংকে ভাল চোখে দেখত না, কিন্তু সেটা কোন ব্যাপারই হয় নি।
কতটা বাচ্চার সাথে মেলামেশা আছে তোমার, ইভা?
-একটু ডিস্ট্যান্স মেইন্টেন করার চেষ্টা করো। -সে আমার মেয়ে।
-আমি দুরে যেতে পারব না। -তুমি সবসময় তার সমালোচনা করো।
সে আমাকে মিথ্যা বলে!
-আমি নিচ্ছি। -ধন্যবাদ।
-দাঁড়াও, আমি মোবাইল ভুলে গেছি। -দ্রুত কর, দেরি হচ্ছে!
সে তার ব্যাগে কন্ডম রাখে।
-তুমি কিভাবে জানো? -আমি পেয়েছি সেগুলা।
-তুমি তার ব্যাগে খুঁজেছ? -আমি কিছু খুঁজছিলাম।
ইভা!
সোফিয়া পরিবার ছাড়ার নাটক করে যাচ্ছে।
তাহলে তাকে ঝামেলা করার সুযোগ দিও না।
ভুল হবে তা, বের হতে বিবাদে জড়াতে হবে
পরিবার ছাড়ার বাহানা, বুঝছ?
ইভা, আমার মা একজন...
-ওহ ঈশ্বর! -চাষী ছিলেন।
কতটা সহজ ছিল ব্যাপারটা তা তুমি চিন্তাও করতে পারবে না।
আমি পরিবার ছেড়েছিলাম পিতামাতার চোখে পরা ছাড়াই।
আমার মা জিজ্ঞেস করেছিল হয়ত, "রোক্কো কোথায়?" "ডানো, সে কি বাইরে গেছে? "
PERFECT STRANGERS অনুবাদে - মাকসুদুল্লাহ আল তুহিন
-কি সুন্দর চাঁদ। চন্দ্রগ্রহণ কখন হবে? -ডানো।
কেন আমরা ব্রুনোকে ব্রুনো ডাকছি?
-হাহ? -আমার বাবা আমেডিও, তোমার ইনিও।
তাকে "ব্রুনো" ডাকার ব্যাপারে আমরা কি ভেবেছিলাম? তোমার পছন্দ ছিল নামটা?
তো এখন তোমার ১০ বছর পরে সন্দেহ হচ্ছে?
না...
-আর মায়ের সাথে এরকম করে কথা বলবে না। -কেমন করে?
যেরকম করে বল।
- ইন্দ্রিয় উত্তেজক বটে, ঠিক হবে ত? -২৫ ইউরোর বিনিময়ে এটাই ঠিক আছে!
-টেস্ট করে দেখি, পরে আরেকটা নিয়ে নিব। -বিয়াংকা..
-এটা ডিনার, মদ টেস্টের রেস না। -কিন্তু ইভার খুতখুতে স্বভাবের জন্যই ত।
আমি তার কথা শোনার মুডে নেই।
তাহলে আমরা বলব আমি কিনেছি সেটা, যাতে আমাকে নিয়ে পরতে পারে।
-কি করছ তুমি? -দাম উসুল করে নিচ্ছি।
পাগল তুমি? ২৫ ইউরো? কর্কে লাগিয়ে রাখ!
আমি দেখছি।
-হ্যালো। -কেমন অবস্থা?
-পেপে এসে পরেছোে? -এখনো না।
আমি টিরামিসু বানিয়ে এনেছি একটা। কাসিমো আর বিয়াংকা রাস্তায় আছে।
-ঠিক আছে। রিকোতা আর মাস্কারপোনে? -মাস্কারপোনে।
দেখি তোমারটাই ভালো বলার সাহস আছে কিনা।
ভিতরে আসো।
হাই!
-আমি টিরামিসু বানিয়ে এনেছি একটা। সোফিয়া? -তার শোবার রুমে।
-আমি গিয়ে হ্যালো বলছি। -না, তাকে তার মত থাকতে দাও।
-তুমি ঝগড়া করেছ নাকি? -গেরিলা যুদ্ধ বলো।
কি হয়েছে?
আমি তার ব্যাগে কন্ডম পেয়েছি।
না!
-ঈশ্বর, রোসা যদি তা করে? -রোসার বয়স ৬ ও হয় নি!
-হ্যালো? -আসো। হাই, বিয়াংকা!
-হাই। -হাই, সবাইকে। পেপে কোথায়?
সে এখনো আসে নি।
-সাদা। -এটা অস্থির।
ওই ঝাজটা দেখলে ...
-এক বোতল কেন? -এটা ইন্দ্রিয় উত্তেজক।
-ওটার মানে কি? -এর মানে ২৫ ইউরো।
আমরা কি তাকে দাম দিয়ে দিব। সুদে আসলে।
-তুমি বারবার একই কথা কেন বলছ? -এটা লুসিলা বলছে।
-আবার শুরু কোরো না। -পেপের সাথে নিশ্চয়ই সে সুখে আছে।
পেপের সাথে থেকে সে অবশ্যই সুখে নেই।
-কেন না? -মেয়েরা ত পেপের মত ছেলেই পছন্দ করে।
-সে সুদর্শন পুরুষ। -তার সাথে প্রেমে পরাও সোজা।
হ্যাঁ, সে সুদর্শন, নির্ভরশীল, ...
-হ্যাঁ। -বোরিং লাগছে!
"তার সাথে প্রেমে পরাও সোজা?" কি বললে স্বর্ণকেশী?
সে যদি বুড়ি হয়?
-মিলফের মত! -ইভা আর আমি মিলফ বয়সী।
-নিজের কথা বল, জান। -আসলে বুঝিয়েছি সত্যিই বুড়ির কথা।
একটা হ্যাঁন্ডব্যাগ, অহংকারী ভাব নিয়ে ... আমরা কেমন কিভাবে দেখতাম?
-এমানুয়েলা এর চেয়ে সে ভাল কারো দাবিদার। -তার নামও উচ্চারণ কোর না!
-এমানুয়েলা কে? -পেপের সাবেক স্ত্রী।
-সে সুন্দরি ছাড়া আর কিছু ছিল না। -না।
এখন সব শেষ হয়ে গিয়েছে। আমার বলতেই হবে যে তার কর্কশ কন্ঠ
আমার মাথা কিছুটা ঘুরিয়ে দিয়েছিল।
আগে ঘুরিয়েছিল ...
তুমি বললে পরে ঘুরিয়েছিল? আমি অতটা নিশ্চিত নই।
-কিন্তু সে অদ্ভুত ছিল। -হ্যাঁ।
এতটা খারাপ না, এই স্কচ...
এসে পরেছোে!
শুভ সন্ধ্যা, ভাইলোগ। হাই, দোস্তরা।
-কি খবর? -লুসিলা কোথায়?
তার জ্বর হয়েছে।
-তো সে আসছে না? -না, তার জ্বর হয়েছে।
-আমরা আসলেই তার সাথে পরিচিত হতে চেয়েছিলাম। -আমি জানি, সেও হতাশ।
-তোমরা চাও আমি চলে যাই? -না!
-কেমন আছ? -ভাল, ধন্যবাদ।
-এরই মধ্যে জাদু করে ফেলেছে। -আবার শুরু কোরো না।
-তোমরা দুজন ঝগড়া করেছিলে? -না
-তার বয়স কত যেন বললে? -বলি নি।
-কিন্তু সে আমাদের সমবয়সী -আউচ!
-কি? -তারচেয়ে বেশি তাহলে।
-এটা ম্যাচিউর রিলেশন। - লুসিলাকে নিয়ে কোন মজা নয়।
-না, এটা পেপের জন্য। -ধন্যবাদ।
-কিন্তু লুসিলা এখানে নেই। -ঠিক।
কিন্তু আমি আছি। আর তুমি বলছিলে ... কি?
-এম্নি কথার কথা। -যেমন?
এই ... আমরা তাকে চিনি না, তাই চেনার চেষ্টা করছিলাম।
সে কি লম্বা হবে নাকি খাটো ...
এম্নি, না ... সে কি লালচুলো, শ্যামাঙ্গিনী ...
-স্বর্ণকেশী। -আমরা এটাই ভেবেছি সে হয়ত শ্যামলা।
-শ্যামলা? -হ্যাঁ।
তাকে একা ছাড়!
-আসো, চন্দ্রগ্রহণ শুরু হয়ে গিয়েছে। -চল যাই!
-আমি দুইটা দেখছি। -দুইটাই আছে।
- দুইটা দেখছি কারন আমি দেখতেই পাচ্ছি না। -এটা দিয়ে ফোকাস করে দেখ..
এখন দেখতে পাচ্ছি! ওয়াও।
লুসিলা ভাল একটা নাম।
-পেপে আর লুসিলা। সুন্দর শোনাচ্ছে। -হ্যাঁ।
লুসিলা কে নিয়ে, তাকে নিয়ে বল না কেন কিছু?
-কি জানতে চাও? -প্রেমে পরেছো তুমি?
কিভাবে জানব আমি...
ইভা, তুমি প্রেমে পরলে কিভাবে জানবে?
-আমাকে কেন জিজ্ঞেস করছ? -প্রেমবিদ্যা নিয়ে পড়েছ তুমি।
আমি বলি। যদি তুমি তার সাথে দিনে ৩০ মিনিট কথা বল, তাহলে তুমি প্রেমে পরেছো।
-৬০ মিনিট বললে? -তাহলে প্রেমে পাগল হয়ে গেছ।
কথা বলা বন্ধ করলে, বোঝাবে বিয়ে করে ফেলেছ।
-একসাথে কতদিন ছিলে? -আনুমানিক, কয়েক মাস।
অস্থির! প্রথম আলোকের ঝলকা। তুমি কি জ্বলছ?
-তুমি কি? -আমি জ্বলছি।
-সে জ্বলছে -আমি জ্বলছি।
আমাদের পরিচয় করাতে আজ রাত কেন বেছে নিলে?
বেছে নিই নি, হয়ে গেল।
যে সন্ধ্যায় পরিচয় হয়েছিল তোমাদের সাথে তা মনে আছ?
-আমি দুশ্চিন্তায় ছিলাম -কেন?
-সে অনেক চিন্তিত ছিল, বেচারি। -কসিমোর বন্ধুদের সাথে দেখা করে!
এখানকার সব সুন্দর কারবারের জন্য ...
সে দৃষ্টিকোণ থেকে, লুসিলা চিন্তিত ছিল না।
-সে ভাগ্যবতী। -সে কারনেই তার জ্বর হয়েছে!
-আমি পোষাক ১০ বার পাল্টিয়েছিলাম ঐদিন। -২০ বার।
কিন্তু তা স্বত্বেও সবকিছু ঠিকঠাক গিয়েছিল, এখন নিজেকে গ্যাঙের সদস্য মনে হচ্ছে।
-কে, তুমি? -গ্যাঙের একজন?
কোনভাবে না!
জান, ওদের চেহারার দিকে দেখ। ওরা মজা নিচ্ছে।
-মজা নিচ্ছে। -অবশ্যই নিচ্ছি।
-তুমি আমাদের প্রিয়। -কোসিমো, তুমি ভাগ্যবান।
এটা ভাগ্য ছিল না। হ্যান্ডস অফ, সার্জন।
-আমাকে একা ছাড়! -হ্যান্ডস অফ।
কতটা দেখছ তুমি?
দুইটা।
-সসটা ভাল। এটা কি? -ক্যাপার আর জলপাই।
এই গ্রীষ্মে আমরা টনখানেক ক্যাপার সমুদ্র উপকূল থেকে নিয়ে আসব।
এখানে এই সাইজের এক বয়ামের দাম ৭.৫ ইউরো।
বাল! পাহাড়ের জমিতে আমার ক্যাপার লাগানো উচিৎ।
-পাহাড়ে ক্যাপার? -হ্যাঁ, ৭.৫০ ইউরো!
প্লিজ, তুমি এখনি ক্যাপার লাগাচ্ছ না!
সবাই চাইলে হাসো। কোটিপতি হওয়ার মত ব্যাবসা একটা।
-সালিনার বাসা থেকে কোন সংবাদ? -এখনো না।
-চিয়ারা আর দিয়েগোহীন প্রথম সফর। -আমি তার সাথে কথা বলেছি, সে হ্যালো বলেছে।
-সে কেমন আছে? -শোচনীয়, পিতামাতার কাছে ফিরে গেছে।
তার জামাইয়ের তাদের কন্যার বয়সী এক মেয়ের সাথে লটরপটর চলছে...
-কাটিয়ে উঠতে সময় লাগবে। -তার রজোবন্ধ খুব শীঘ্রই শুরু হবে।
-সে কখনোই এ অবস্থা কাটিয়ে উঠতে পারবেনা। -তার মত অনেক রোগী আছে আমার
দেখলে?
-তুমি জানতে এব্যাপারে? -কোন ব্যাপারে?
-এই মেয়ের ব্যাপারে? -না।
-অবশ্যই তারা জানত! -অবশ্যই।
কিভাবে জানব আমরা?
-কেন, জানলে বলতে? -তুমি বন্ধু হলে, হ্যাঁ।
তুমি বলছ যদি আমরা জানতাম
No comments yet. Be the first to leave one.