The first 200 lines.
এক মিনিট দাঁড়াও।
- বের হ জলদি? - বলছি না বাইরে আসতে!
আবে কী করছিস তুই?
হাত মারছিস নাকি? দরজা খোল!
চুদির ভাই, নিজেকে অনেক বড় পালোয়ান ভাবিস?
কোথায় যাচ্ছিস তুই?
- ব্যাক-স্টেজে, আমি ব্যাটেলে লড়ছি। - যেতে পারবি না।
- আমার হাতে স্ট্যাম্প আছে। - সামনে দিয়ে ঢুকবি।
- একটু আগেই-তো আমায় দেখেছ... - আমি কাউকে দেখিনি।
নিজ চোখেই তো দেখলে, আমি বাথরুমে গিয়েছিলাম।
- শালায় ঝামেলা পাকাচ্ছে। - বালের মুখটা বন্ধ রাখ।
আরে মামা, বাদ দে।
- ও তোর লোক? - হ্যাঁ।
আচ্ছা, ঠিক আছে। এই ছোকরার আচরণে সমস্যা আছে।
ছাড় তো। যা হওয়ার হয়েছে, বাদ দে সব।
শালার সমস্যাটা কী আসলে? ওর সামনেই-তো বাথরুমে গিয়েছি...
আরে বাদ দিতে বলেছি না!
হোল্ড অন ম্যান।
আরে ভাই, এতো টেনশন নিচ্ছিস কেন?
- হেই, র্যাবিট। - একদম রেডি মামা!
- যাচ্ছিস কোথায়? - আবার কী হলো তোর?
- আমায় দেখতে দে। - আমায় যেতে দে...
আবে করছিস কী তুই?
কাম অন, এটাই আসল মওকা।
আজকে তুই কয়েকটার পোঁদ মেরে দিলে, আমাদের গ্যাং-এর নামডাক একটু বাড়বে।
জিনিয়ানের সাথে আমার ব্রেক-আপ হয়ে গেছে।
- আবার ঝগড়া হয়েছে? - গাড়িটাও দিয়ে ফেলেছি।
কাম অন, র্যাবিট।
সে বলল, ও নাকি প্রেগন্যান্ট।
প্রেগন্যান্ট হয়ে থাকলে তো, ওর গাড়ির দরকার পড়তে পারে।
এখন থাকার জন্য নতুন জায়গা খুঁজছি।
তোর মা'র কাছে যাচ্ছিস না কেন?
আমায় একটু একা থাকতে দিবি?
ঠিক আছে, যাচ্ছি।
শালারা পারেও!
যদি খারাপ কিছু ঘটতেই হয়, তবে তা এখনই ঘটুক।
আরে ভাই, বুঝতে পারছি তুই কিসের কথা বলছিস।
আচ্ছা বাদ দে। কেমন আছিস?
- আছি ভালোই। - ভালোই আছিস?
- শিওর? - আমি রেডি।
আজ সবকটাকে লণ্ডভণ্ড করে দিবি, ঠিক আছে?
মাদারচোদ-গুলোকে বুঝিয়ে দে, তুই কী জিনিস! সব তোর ওপরেই ব্রো!
লাস্ট ৪৫ সেকেন্ডে পুরো ফাটিয়ে দিয়েছে। আমাকে একটু বলতে দে।
সবাই একটু আমার দিকে তাকাও।
শর্টি মাইককে কেমন লেগেছে?
কত দিবে স্কোর?
শর্টি মাইকের জন্য পুরোটা?
আচ্ছা, পাপা ডকের ব্যাপারে কী বলবে?
ঠিক আছে পাপা, তুমি নেক্সট রাউন্ডে যেতে পারবে।
এরপর আমাদের বি-র্যাবিট,
আর লিটল টিক।
তাড়াতাড়ি আসো, স্টেজে একটু পাছাটা দুলিয়ে যাও। সময় কম।
ঠিক আছে, যথেষ্ট হয়েছে।
- হেড নাকি টেল? - হেড।
টেল, বেছে নাও।
তুমি প্রথমে।
লিটল টিক, সেট ইট অফ ডিজে, ৪৫ সেকেন্ড।
চাক্কাটা ঘুরাও এবার।
ওয়াও, ওয়াও, ৪৫ সেকেন্ড।
ফাটিয়ে দিয়েছ, লিটল বিচ। মানে লিটল টিক আরকি...
এখন আমাদের বয় বি-র্যাবিট।
ওকে নিয়ে যতই কানাঘুষা করো না কেন, আমি কিন্তু ওর পক্ষে।
শালায় আস্ত একটা জিনিয়াস!
চাক্কি ঘুরাও ডিজে, ৪৫ সেকেন্ড।
এই শালাকে কোন বস্তি থেকে তুলে এনেছ?
কাম অন, র্যাবিট!
কাম অন, র্যাবিট!
ইয়ো, জিমি।
দাঁড়া।
মন খারাপের কিছু নেই। তোকে আগামীকাল কল দিব।
আমায় একটু ভিতরে যেতে হবে।
মনে সাহস রাখো, ব্রো!
সামনের বার ফাটিয়ে দিবি তুই।
- হ্যাঁ। - হ্যাঁ, সামনের বার।
সাবধানে যাস, র্যাবিট!
আসার আর সময় পেলো না?
- ওহ, র্যাবিট। - হায় খোদা।
তুমি ঠিক আছ, বাবা?
একটু জানিয়ে আসলে ভালো হতো না?
ফোন বন্ধ ছিল।
আমি জানি, র্যাবিট।
কাল ফোনটা ঠিক করতে হবে।
আজ ব্যস্ত ছিলাম বলে পারিনি।
র্যাবিট, এখানে কী করছ?
আসার আগে জানাওনি কেন?
জিনিয়ানের সাথে আমার ব্রেকাপ হয়ে গেছে।
দুঃখিত, সোনা।
আমি-তো ভেবেছিলাম, দুইজন একসাথে ভালো সময় কাটাচ্ছ।
- অন্য কারও বিছানা গরম করছে নাকি? - না।
আমায় সকালে কাজে যেতে হবে, তাই...
তুমি আর ফিউচার কি এখনো ওয়ারেনের লিটল সিজারসে কাজ করো?
- না, এখন ডেট্রয়েট স্ট্যাম্পিংয়ে আছি। - ওহ!
এটা-তো খুশির খবর, তাই না?
পিজ্জার দোকান থেকে লাথি দিয়ে বের করে দিয়েছে।
- তাও তো একটা চাকরী আছে আমার। - হয়েছে, বন্ধ করো এসব।
ওইটা প্রাক্তন আসামী আর ধান্ধা-বাজ মহিলাদের আখরা।
সোনা,
এখানেই থাকবে নাকি অন্য কোনো...
শুধু কিছু হপ্তার জন্য, যাতে কিছু পয়সা জমাতে পারি।
বব জোরস্কির মতো আরকি!
তোমার সব বন্ধুরা তো নিজ বাড়িতেই থাকে, তাই না?
এই হাঁদারামকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না।
- চুদি না তোরে! - তোর সমস্যাটা কী?
তোর সমস্যাটা কী, বাইনঞ্চোদ? নিজের জায়গা নিজে খুঁজে নে!
- তুই আমার জায়গা নিয়ে বলার কে? - এখান থেকে কেটে পড়!
- থামো তোমরা! - সে-ই শুরু করে এসব!
তর চেয়ে বড় মানুষকেও লাল ঘাটের পানি খাইয়েছি।
- শালা জোচ্চোর। - থামো!
হেই, লিলি।
বোন আমার, এখনও ঘুমাওনি?
তোমার আওয়াজ শুনে উঠে গেছি।
দুঃখিত, বাবু।
আমি কী করলাম?
- চলো বিছানায় ফিরে যাই। - "ঘুম পাড়ানি মাসি পিসি" শোনাবে?
হ্যাঁ, অবশ্যই শোনাবো।
আসো বিছানায় যাই।
এখানে থাকতে হলে, গ্রেগের সাথে মিলেমিশে চলতে হবে।
নাটের গুরু-তো সে!
অন্তত আমার কথা ভেবে হলেও এসব বাদ দাও।
- বাদ দিবে তো? - দেখি।
দুধ নাই দেখছি!
সকালে তোমার গাড়িটা নিয়ে যেতে পারি?
তোমার গাড়ি কোথায়?
জিনিয়ানকে দিয়ে দিয়েছি।
গাড়ি ধার দিবে?
না।
এটা তোমার জন্মদিনের উপহার।
কিন্তু জন্মদিন-তো দুই হপ্তা পর।
জানি।
কিন্তু তুমি-তো এখনো আমার সেই ছোট্ট র্যাবিট, তাই না?
আমায় বিছানায় যেতে হবে।
বানি! কী অবস্থা মামা?
তোর আর জিনিয়ানের কাহিনী শুনলাম।
- জানতাম, তুই ঘরে ফিরে আসবি। - এটা আমার ঘর নয়।
এত সকালে উঠলি যে?
রাতে চোখই লাগাইনি। একটা জরুরি কথা বলতে এসেছিলাম...
এখন কিছু শুনতে পারব না। কাজের দেরী হয়ে যাচ্ছে।
- আমায় অফিসে নামিয়ে আসতে পারবি? - মা গাড়ি নিয়ে গেছে রে।
আমি যে ফিরে এসেছি, তা কাউকে বলিস না।
কাল রাতে কী হয়েছিল তোর? শুনেছি গলা দিয়ে নাকি স্বরই বের হচ্ছিল না।
দর্শকরা কী বাল-ছাল জানি বলছিল।
- তাই? - হ্যাঁ।
ওই শেল্টারে গিয়ে কী করিস তুই?
ওইখানে গিয়ে কেউ কোনো বাল ছিঁড়তে পারেনি, তুই কী ছিঁড়ে ফেলবি, শুনি?
তোর এখন ঘরে থাকা উচিত, উইঙ্ক কিন্তু তোর সাথে আছে।
- কী বলব আর? - আরে ভাই, আমার সবকিছু বাম্পার চলছে।
আমার সাথে তোকে নিয়ে নিচ্ছি। তুই হচ্ছিস ফ্র্যাঞ্চাইজ ভাই।
- ফ্র্যাঞ্চাইজ? - হ্যাঁ।
আমি তো কাজে যাই মামুলি বাসে চড়ে।
টেনশন নিস না, আমি রয় ডারোচারের সাথে কথা বলে নিব।
- ওই প্রমো-ওয়ালা? - হ্যাঁ।
ওর কানেকশন রেডিও-ওয়ালাদের সাথে।
ওর হয়ে কী কাজ করিস?
কী কাজ করি? মেধা দেই ওকে। তুই তো আমার স্পেশালটি জানিসই।
আরে ভাই আমিই বিগ ও-কে বার্গারের দোকান থেকে উঠিয়ে...
রয়ের সাথে মোলাকাত করিয়ে দিয়েছি।
রয়ের ওকে পছন্দ হয়েছে, তারপর ডেমো বানানোর জন্য পয়সা দিয়েছে...
এরপর বুম। এরকমই হয় আসলে! রাতারাতি বড়লোক, শুধু আমার জন্য।
- রয় বিগ ও-কে পয়সা দিয়েছে? - সবটা চুকিয়ে!
ওদের কাছে যদি বিগ-ও কেই সেরা মনে হয়, তাহলে ওরা বি-র্যাবিটকে চিনেই না।
তোকে সাথে নিয়ে একটা সাম্রাজ্য খাড়া করাতে চাইছি।
পরের নাম্বারটা তোর!
- ঠিক আছে, যাই। - আচ্ছা।
পরে কথা হবে।
- ফোন দিস আমায়। - আচ্ছা।
উপরে!
নিচে!
উপরে!
নিচে!
- কী হয়েছে, ম্যানি? - তুমি আজ দেরীতে এসেছ, স্মিথ।
হ্যাঁ, কিন্তু দোষটা আমার নয়। গাড়িটা স্টার্ট নিচ্ছিল না...
সাত-পাঁচ আমাকে বুঝিয়ে লাভ নেই, বুঝলে?
এভাবে কাজ করে পোষাচ্ছে না, আমার এক্সট্রা শিফট দরকার।
মজা নিচ্ছ আমার সাথে?
মাত্রই তো এখানে কাজ শুরু করলে। হেই ডাটন।
- সে আমার সাথে মজা নিচ্ছে। - কী?
আবার দেরী করে আসলে, ছাটাই করে দিব।
- আমি জন ল্যাটোরনকে খুঁজছিলাম। - আমি নিয়ে যেতে পারব।
তার কোনো দরকার নেই। এই দিকে যান।
ধন্যবাদ।
- এই চুতিয়া আবার কে? - গ্রেগ বিউল।
এই শালা-ই আমার মায়ের সাথে রোজ বিছানা গরম করে।
ওদের পরিচয় হয়েছিল বিংগোতে।
দাঁড়া!
গ্রেগ বিউল?
সে তো আমাদের স্কুলে পড়ত, তাই না?
আমাকে কিছু পয়সা জমিয়ে এই দোজখ থেকে ফুটতে হবে।
ভাল্লাগে না এসব বালছাল।
সামনের হপ্তায় আরেকটা ব্যাটেল আছে, জানিস তো?
ওইটাতে কোনো গড়বড় হওয়া চাই না। পুরো ফাটিয়ে দিবি।
- পারব না রে। - এসব বাদ দাও ভায়া। তোমাকে ব্যাটেলে নামতে হবে।
আমি তোদের মতো না।
- দেখ আমায়। - শোন।
একবার তোর ব্যাটেল দেখলে, ওরা ভুলে তোর গায়ের রঙ কী!
আর যদি ব্যাটেলে জিতে যাস,
থ্রি ওয়ান থার্ড অনুযায়ী, আমরা যা চাই তা সব দিবে আমাদেরকে।
তুই আর আমি অ্যাংকর হয়ে যাব দোস্ত।
উইংক যে প্রমো-ওয়ালা লোকটার কথা বলছিল, ওইটা জানিস?
হ্যাঁ, শুনেছি ওই ঘোড়ার ডিম। উইংক হলো একটা ধইঞ্চা, বুঝেছিস?
ওর কথা সত্যিও হতে পারে।
No comments yet. Be the first to leave one.