The first 200 lines.
C
Cr
Cre
Crea
Creat
Create
Created
Created b
Created by
Created by K
Created by KU
Created by KUS
Created by KUSH
Created by KUSH
Created by KUSHA
Created by KUSHAL
Created by KUSHAL
সময় এখন উত্তরণের...
...আর প্রাণের ছোয়া পাবার।
আমরা বাস করি ত্রিমাত্রিক পৃথিবীতে।
এখন পর্যন্ত সকল কম্পিউটারের কাজ ছিল সাদাসিধে,
দ্বিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক।
এখন প্রযুক্তির একচ্ছত্র উৎকর্ষে,
ARC সমর্থ্য হয়েছে আপনার প্রযুক্তিকে প্রাণ দিতে।
জীবন এখন এমন এক পর্যায়ে যেখানে আপনি কাজ করবেন
ত্রিমাত্রিক বাস্তবতার দুনিয়ায়।
জীবন্ত এক মনিটর, যার নাম প্রাণ!
দুর্দান্ত লেগেছে না?
হ্যা, লেগেছে বৈকি।
আমাকে একটা মনিটর প্যাকেট করে দিতে পারবে?
- তুমি কি উকিল? - আমি রিটা ডাননি।
নেক্সিমের অন্য কেউ এখানে আসতেই পারতো না।
- তোমাকে ভিতরে আমন্ত্রণ জানতাম, কিন্তু... - শুভ কামনা রইল, মিঃ জেনিংস।
- দুই মাসের মধ্যে দেখা হবে। - হুম।
আহ, শান্তির জায়গা।
কী মনে হচ্ছে?
হুবহু একই প্রযুক্তি?
না, হুবহু এক না।
আমি এর কিছুটা নতুন ভাবে ডিজাইন করেছি।
এ টাইপের মনিটর আমার কখনোই পছন্দ ছিল না।
তারপর মনে হলো...
...এটার দরকারই বা কী?
জেন্টেলম্যান, আমি হচ্ছি আধুনিক কম্পিউটিং এর ভবিষ্যৎ।
আর আমি আপনাদের সামনে পেশ করতে যাচ্ছি,
নেক্সিম এর অভাবনীয় ডিসপ্লে প্রযুক্তি।
নেক্সিম এর নব্য প্রযুক্তি। আগাম ভবিষ্যতের মুক্তি।
এটাকে বাজারে ছাড়ার ব্যবস্থা করো। ARC এর বাজার শেষ।
কে বলে, যে শতভাগ মার্কেট শেয়ার সম্ভব না?
মার্কেটিং কোম্পানিগুলোকে খবর দাও।
এটাতো আমাদের চাহিদাকেও ছাড়িয়ে গেছে।
অভিনন্দন।
তো...
...ধন্যবাদ তোমাকে।
মিঃ জেনিংস, তুমি দুই মাসে এমন কাজ করেছো,
যা আমরা তিন বছর ধরে চেষ্টা করে আসছিলাম।
কখনো কখনো উল্টো পথে হাঁটলেই গন্তব্য সহজ হয়।
চিয়ার্স।
তুমি তো আমাকে ভুলে যাবে, তাই না?
না।
সেটা একদমই ঠিক হবে না।
মার্কার পেয়ে গেছি।
আচ্ছা।
আমরা এখন মার্কার থেকে বর্তমান পর্যন্ত
তার স্মৃতিকে মুছে দিব।
ছিঃ, রিটা।
ওহ খোদা!
এটা এমনিতেই খুব বিপদজনক।
তার ব্রেইনের তাপমাত্রা 43 এর উপরে গেলে তাকে আর স্বভাবিক অবস্থায় ফিরে পাওয়া যাবে না।
কাম অন, মাইক।
এই নাও।
সব পরিষ্কার হয়ে গেছে।
সু প্রভাত, জিনিয়াস।
হেই, এখন কেমন লাগছে?
- সব ঠিক? - হুম।
আচ্ছা, ধীরে বন্ধু, ধীরে।
তাড়াহুড়ার কিছু নেই, ঠিক আছে?
- সমস্যা নেই তো? - নাহ।
সাবাস! মাইক, আমার দিকে তাকাও।
এদিকে, আমার দিকে তাকাও।
সর্বশেষ কোন দিনটির কথা মনে আছে তোমার?
- ১৯শে অক্টোবর। - বেশ ভাল।
আর সর্বশেষ কোন ঘটনাটা মনে আছে?
রেড সক্স প্লে অফ খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে।
তো, নিয়ম মাফিক সব শেষ করা যাক। চলো।
মিঃ মাইকেল জেনিংস, আপনার গোপন চুক্তি অনুযায়ী,
আপনাকে কখনোই এখানকার কর্মী হিসেবে গণ্য করা হবে না।
আপনার সকল কাজের মেধাস্বত্ব নেক্সিম এর অধিকারে সংরক্ষিত থাকবে...
হ্যা, হ্যা, হ্যা, হ্যা।
আমি এখানে কখনোই আসিনি, এখানকার কাউকে চিনিও না, বুঝতে পেরেছি।
আমার পে চেক রেডি আছে তো?
ঠিক আছে।
- তোমার কেমন লাগছে, বাঘা? - দারুন।
- দেখা যাক, কী অবস্থা তোমার! - ঠিক আছে।
- রেডি? - হ্যা।
শুরু করো!
আট সপ্তাহের স্মৃতি মুছতে, তোমার ব্রেইনের তাপমাত্রা 42 ডিগ্রি পর্যন্ত উঠাতে হয়েছে।
- সমস্যা নেই। - কাজটা দিনদিন কঠিন হয়ে যাচ্ছে, মাইক।
- বললাম তো, ঠিক আছি। - তোমার গতি কমে যাচ্ছে।
তুমি চুপ থাকলেই আমার গতি বাড়বে।
তোমার ক্ষমতাটা দেখাও দেখি।
এইতো!
আরো জোরে!
সাবাস!
আরো দ্রুত!
ফাটাফাটি!
হ্যা, আরেক বার, আরেক বার, মাইকি!
দেখলে তো? কত তীব্র ফোকাস ছিল তোমার?
- আমার ফোকাসটা ছিল তোমার মুখের উপর। - জানি তো, আমাকে যে ভালবাসো তুমি।
যে তোমার জন্য এতকিছু করে, তার সাথে অন্তত এমনটা করো না।
তুমি একবারও আমাকে জিজ্ঞেস করোনি, যখন তোমার স্মৃতি মুছে দেই,
আমি কতটুকু স্মৃতি দেখতে পাই?
টানা দু মাসের স্মৃতি তোমার আছে কিনা সন্দেহ!
কীসের স্মৃতি আর থাকবে? সারাদিন 20 ঘন্টা বদ্ধ রুমে কাজ করে
আরেকজনের প্রযুক্তি আইডিয়াকে ব্যবচ্ছেদ করে অন্য কারো কাছে বেচা কেনা করলে।
গত দু মাসে তুমি কী করেছো?
আমার কী কী মনে আছে, জানো? স্পেনে গাড়ি ড্রাইভিং এর কথা,
বেলিজে ডাইভিং, মেয়েটির নাম যেন কী ছিল...
সাত দিনের ট্রিপে সাত স্টেডিয়াম। দারুন ছিল সময়টা।
মানে, যেটা মনে রাখা দরকার, সেটাই কেবল মনে রাখি আমি।
সেটাই ভালো, পরিচ্ছন্ন জীবন। যেটুকু তুমি মুছে ফেলো, তাতে কিছু যায় আসে না।
রেথরিকের মত মানুষরা আসলে চায় কী?
তাকে সবকিছুরই মালিক হতে হবে?
জিমির ব্যাপারে যেন কী বলতে চাইছিলে, সে তো অ্যালকমকে গ্যারেজ থেকে শুরু করেছিল।
দাঁড়াও, দাঁড়াও। আমাকে একা রেখে যেও না।
সমস্যা নেই, মানুষের সাথে মেলামেশা করো, কথাবার্তা বলো।
আমার অতো মেলামেশার দরকার নেই।
হ্যালো।
আমি মাইকেল।
আমি র্যাচেল।
র্যাচেল পোর্টার।
মিস নাকি মিসেস হবে?
আসলে, সেটা হবে ডঃ পোর্টার।
ডক্টর! ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, ডক্টর।
ব্যাপার না।
তা কোন ধরনের ডক্টর তুমি?
- আমি একজন বায়োলজিস্ট। - সত্যিই?
জিমির এখানে কাজ করো নাকি?
তাহলে তো নিশ্চই কোন টপ সিক্রেট ব্যাপার স্যাপার হবে।
ওহ, হ্যা, তা আর বলতে?
চলো তাহলে, যাওয়া যাক।
মানে?
মানে, মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে তোমার মন জয় করতে,
আমার বরং ভালোই লাগবে।
কিন্তু ভাবলাম, সরাসরি আসল কথাতেই আসি,
বরং কোথাও বেরিয়ে আসা যাক।
আমার কথা শোন, মাইকেল।
সেখানে আমি আমার এক বন্ধুর সাথে কথা বলতে যাচ্ছি।
যদি তুমি আমার সান্নিধ্য সত্যি সত্যিই পেতে চাও,
তুমি নিজেই খুঁজে নিবে আমাকে।
আচ্ছা, সেটাই ঠিক আছে।
তোমার সাথে কথা বলে খুব ভাল লাগলো।
এত সহজেই হাল ছেড়ে দিচ্ছ?
তুমি কি দ্বিতীয় চেষ্টায় বিশ্বাস করো না নাকি?
অভিজ্ঞতা থেকে যদি বলি- না।
- শুভ রাত্রি। - শুভ রাত্রি।
- মাইক। - জিমি।
- কী অবস্থা? - এইতো, ভালোই।
- তোমাকে দেখে ভাল লাগছে। - আমারও।
- আসার জন্য ধন্যবাদ। - আমাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য ধন্যবাদ।
- এদিক দিয়ে আসো। - শিওর।
হেই, জিমি।
এইতো, আসল কথায় এসেছো, ধন্যবাদ।
এক সেকেন্ড।
আইজ্যাক, অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা নিষ্ক্রিয় করে দাও।
নিষ্ক্রিয় করা হলো।
ফোমে তোমার পুরো শরীর ঢেকে গেলে নিশ্চই সেটা খুব ভাল দেখাবে না।
তো, কাজটা কী, জিমি?
আমি জানি, কোন একটা কাজেই ডেকেছো আমাকে, কী সেটা?
আমাদের স্কুল জীবনের কথা মনে আছে তো?
পৃথিবীকে বদলাতে চেয়েছিলাম আমরা।
মনে হয়, পৃথিবীকে রক্ষা করতে চেয়েছিলাম।
ওই একই কথা হলো।
- কাজটা কী, জিমি? - সেটা বলা যাবে না।
অন্যভাবে বললে, এর সাথে অপটিক্স জড়িত।
কাজের বিনিময়ে পাবে কোম্পানির শেয়ার।
বলতে গেলে বিশাল একটা ভাগ।
আর যদি ব্যর্থ হই? কানা কড়িও তো পাবো না আমি।
কথা দিচ্ছি, ব্যর্থ হবে না।
তুমি সেটা কীভাবে জানো? এই বলটা কি বলেছে তোমাকে?
আহ, যদি বলতো এমন! যাই হোক, কথা দিচ্ছি, টাকার হিসেবটা কোটিতে হবে।
- এর বেশিও হতে পারে। - তো, সমস্যাটা কোথায়?
কাজটাতে তোমার স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি সময় লাগবে।
- কতটা বেশি? - দুই বছর। তিন বছরও হতে পারে।
- মজা করছো। - সত্যি বলছি।
এটা অসম্ভব, জিমি।
যে কোন কাজে, আমার সর্বোচ্চ আট সপ্তাহ লেগেছে।
যদি তিন বছর লাগতো, তখন কী করতে?
- জীবনের তিনটা বছর এমনিতেই বিলিয়ে দিব? - বিলানো নয়, বিক্রি করবে।
তিন বছরের বিনিময়ে কিনে নিবে আয়েশের একটা জীবন।
বিশাল অংকের একটা পে চেক। আর কী চাই!
তিন বছরে অনেক কিছু হতে পারে।
চোখের পাতা ফেলার আগেই সেটা কেটে যাবে।
স্বপ্নেও যা ভাবতে পারোনি, তারচেয়েও ধনকুবের হয়ে যাবে।
একটা পে চেকেই জীবন ধামাল!
মিঃ জেনিংস। জন উলফ। স্বাগতম।
তোমাকে বাইরে যাবার কোন অনুমতি দেয়া হবে না।
ক্যাম্পাসের ভিতরেই থাকতে হবে।
তোমার সকল মেইল স্ক্রিন করা থাকবে, কোন ফোনকল হবে না।
তোমার কাছে আসা সব জিনিস পরীক্ষা করা হবে।
আচ্ছা।
No comments yet. Be the first to leave one.