The first 200 lines.
জিওটিয়ান।
ভয় পেয়ো না।
এটা খুব অল্পতেই হয়ে যাবে।
আমি ৩ বলে টান দিবো।
এক।
দাত টা গেলো কোথায়?
জিওটিয়ান, তুই আমাকে বোকা বানিয়েছিস!
আমি দাত উঠাবো না।
জিওটিয়ান!
তুই আমাকে বোকা বানিয়েছিস!
আমি ধরে নেই তোকে।
বাবা
কি হয়েছে, বাছা?
আমার দাত ব্যাথা করছে।
তোমার দাতে ব্যাথা করছে?
দেখি তো আমাকে দেখতে দাও।
কোনটা ব্যাথা করছে?
বড় করে হা করো।
এইযে এটা?
দেখি আমি।
ঝিগেন্স এর স্ত্রী গতকাল কাগজের কাঁরখানায় এসেছিলো।
তার নতুন বাচ্চা হওয়ার অনুষ্ঠানে যারা যায়নি
তাদের কড়া কড়া কথা শোনাচ্ছিল।
আমি একটা অর্ডার নিয়ে ব্যাস্ত ছিলাম,
পরে ফাকে বের হয়ে গেছি।
সত্যি?
উনাকে দেখে তো মনে হচ্ছে, উনার আবারো সন্তান হবে।
আসলেই নাকি?
মা।
তোমরা কবে আরেকটা বাচ্চা হবে?
এই প্রশ্নের কারণ কি?
ও অনেক কথা বলে।
ওকে বদলে ফেলতে হবে।
না।
হ্যা, বদলে ফেলবো।
না।
হ্যা।
না।
জিংক্সি,
তুমি কি আমার তৈরি করা
গরুর গোশতের তরকারিটা খেয়ে দেখবে?
না ঠিক আছে।
আমি খেয়েই এসেছি ।
ওহ, আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম...
যে তুমি আমিষ খাও না ।
কাগজের কারখানা দেওয়াতে এই গ্রামটা অনেক উন্নতি লাভ করেছে।
দূর-দুরান্ত থেকে অনেক ক্রেতারা আসছে কাগজ কিনতে।
স্বাগতম আপনাদের।
তোমাদের এখানে ওয়াইন পাওয়া যায় ?
আপনাদের ভাগ্য ভালো ।
আমরা এখানে আমাদের নিজস্ব ওয়াইন তৈরি করে থাকি ।
এটা কিছুটা পুরনো হলেও
খেতে একেবারে দামী ওয়াইনের মতো সুস্বাদু।
আমাকে চার পেগ দাও ।
জী, জনাব।
দারাও...
আসলে আমাকে ৮ পেগ দাও ।
৮ পেগ সুস্বাদু ওয়াইন।
আপনারা কি মার্শাল আর্টিস্ট নাকি?
ব্যবসার কাজে শহরে যাচ্ছেন ?
আমি একটু বলে দেই।
কয়েকমাস আগে
এক বাবা আর মেয়ে ব্যবসায়ের কাজে
এখান দিয়ে যাচ্ছিলো
ওরা আমার কাছে কিছু ``শক্তিবর্ধক পিল`` বিক্রি করে।
আমি প্রমাণ করে দিতে পারবো যে
ওইগুলা অনেক ভালো জিনিস ছিল !
স্যার, আপনাদের ওয়াইন...
এই ওয়াইনটাকে
"সুগন্ধি বোতল" অথবা
"শিশির ফোটা" নামেও ডাকে।
এটার স্বাদ তো জঘন্য ।
ওয়েইটার।
এই গ্রামে কি কোন বড় জেনারেল স্টোর আছে?
জী আছে তো...
ওটা তো রাস্তাটার ঠিক ঐ পারেই ।
আমরা এখানে টাকা নিতে এসেছি ।
আপনারা কি এখানে কাগজ কিনতে এসেছেন ?
আমরা এখানে টাকা নিতে আসছি ।
তো আপনার কাছে কি কোন চেক আছে ?
আমরা এখানে
ডাকাতি করতে এসেছি,
বুঝেছিস ?
টাকা-পয়সা কই রেখেছিস ?
তুই তো আমাকে কেটে ফেলছিস, গাধা ।
বাচাও...
বাবা!
বাবা, তুমি ঠিক আছো ?
পায়ের আঙ্গুল, কোন মারাত্মক আঘাত নেই ।
বুকে, কোন মারাত্মক আঘাত নেই ।
কোমরে, কোন মারাত্মক আঘাত নেই ।
লিঙ্গে, কোন মারাত্মক আঘাত নেই ।
কাঁধে, কোন মারাত্মক আঘাত নেই ।
ফেং জেং !
তোমার বাচ্চাকে সামলাও ।
হাটু তে, কোন মারাত্মক আঘাত নেই ।
হাতের তালু, কোন মারাত্মক আঘাত নেই ।
পায়ের পাতায়, কোন মারাত্মক আঘাত নেই ।
এটা মুখে দিলে আর ঐ দুর্গন্ধ লাগবে না ।
পেটে, কোন মারাত্মক আঘাত নেই ।
হাটুতে, কোন মারাত্মক আঘাত নেই ।
``ডাকাত দণ্ডাদেশ দেত্তয়া -ইয়ান ডংশেং``
হুজুর
ঝু, তোমাকে এমন দেখাছে কেনো?
ব্যাপারটা কি?
আমি ওই মৃতদের একজনকে চিনতে পেরেছি ।
সেই একজন হল শীর্ষ দশ সন্ত্রাসীদের একজন।
ইয়ান ডংশেং
হুজুরের মনে হয় ইয়াদ আছে,
অসংখ্য নৃশংস হত্যাকাণ্ড ও জঘন্য অপরাধের
পরিকল্পনাকারী ছিলো এই ইয়ান ।
আমরা ওকে গ্রেফতার করেছিলাম ।
কিন্তু তিনদিন পর্যন্ত বন্দী থাকার পর, সে আমাদের বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে
বের হয়ে যায় ।
তাহলে তুমি বলতে চাচ্ছো যে এই লিউ জিংক্সি
ভুলক্রমে এই ইয়ান ডংশেং কে আটক করেছিল ?
জী ।
কেবল আটকই করেনি,
এমনকি শয়তানটাকে মেরেও ফেলেছে।
জী ।
এর মানে হল এই তদন্তটি ''আমার'' অধীনে সমাপ্ত হয়েছে।
বাহ। খুব ভালো !
এই নায়কের সাথে আমার সাক্ষাতের ব্যবস্থা করো।
আমি ওর কেবল সাক্ষাৎই করবো না,
আমি ওকে জনগনের পক্ষ থেকে এবং
সরকারের তরফ থেকে ধন্যবাদ দিতে চাই।
চলো যাই ।
লিউ জিংক্সি কে ?
এই যে, স্যার । আসছি ।
সবাই শুনুন
আমরা এই তদন্তের সমাধান করে ফেলেছি।
ওই মৃত লোকটি হল
ইয়ান ডংশেং।
সে হল একজন কুখ্যাত অপরাধী
যে কিনা অনেক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিল।
তাই তো ধন্যবাদ জানাই এই বীরপুরুষ
লিউ জিংক্সি কে।
ইয়ানকে মেরে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্যে ।
এটা অনেকটা আশীর্বাদ স্বরূপ ।
জিংক্সি'র ফল খেতে মন চাচ্ছে
সে মার্কেটে আসলো জলদি, খোজ করলো এখানে সেখানে
তারপর না পেয়ে নাশপতি পারলো।
জলদি জিংক্সি, ফল খেয়ে নাও
সে চোরদের মারলো, ছাল উঠিয়ে ফেললো
আয়ো বিশ্বাস করতে পারছে না কি দেখছে
আজ রাতে সে জিংক্সি কে খুশি করবে।
জিংক্সি কে খুশি করো।
জুলাই ১৯১৭, ১১তম দিন...
আমাকে লিউ এর গ্রামে পাঠানো হল।
অপরাধের স্থান: জেনারেল স্টোর।
ঘটনার ব্যক্তিরা: একজন কাগজের কারিগর, আর দুইজন সন্ত্রাসী।
কোন অস্ত্র ছাড়া একজন কাগজের কারিগর কিভাবে
ইয়ান ডংশেংর মতো একটা নৃসংশ খুনী কে মেরে ফেললো?
আপনি কি লিউ জিংক্সি কে চিনেন?
এই গ্রামে সবাই সবাইকে চিনে।
সে কি ছোট থেকেই এখানে বড় হয়েছে?
ও, না।
না!
আয়ো কে বিয়ে করার পর সে এখানে থাকা শুরু করে।
সে তখন আমাদের গোত্রের নাম ধারন করে, লিউ।
ওর আসল গোত্রের নাম ছিল, গং।
গং?
ফেংজেং তখন অনেক ছোট
যখন ওদের বাবা ওদের ফেলে পালিয়ে যায়।
এরপর আয়ো জিংক্সিকে বিয়ে করে আর জিওটিয়ান এর জন্ম হয়।
আমি একবার জিংক্সি কে জিজ্ঞেস করেছিলাম
তুমি কোথায় থেকে এসেছো ?
সে বলেছিল, গং গ্রাম থেকে।
সে বলেছিল ওদের বংশ কসাই এর কাজ করে।
কসাই এর বংশ?
রক্তলাল চোখ।
মগজে আঘাত পাওয়ার লক্ষ্মণ এটা।
ইয়ান এর চোখের পাশে কঠিন আঘাত করা হয়েছে।
ঠিক ভেগাস নার্ভ এর নিচেই।
যেটা একটা গুরুত্বপুর্ন কাজ করে।
এটা হৃদপিন্ডের স্পন্দন কে নিয়ন্ত্রন করে।
এটাকে আঘাত করলে হার্ট এটাক পর্যন্ত হতে পারে।
একটা ঘুষিতে কপালের পাশে আঘাত করে...
...ভেগাস নার্ভকে জখম করার জন্যে...
অসাধারণ দক্ষতার প্রয়োজন।
কেবলমাত্র তিনজন পলাতক খুনী আসামীর দাড়াই এমনটা সম্ভবঃ
ফেং রিশো।
সে এক সময় বীরযোদ্ধা ছিল...
কিন্তু পরবর্তিতে তাকে বহিস্কার করা হয় তার উগ্র আচরণের জন্যে।
সে জুয়ায় আসক্ত হয়ে...
তার সব টাকা-পয়সা উড়িয়ে ফেলে।
সে জুয়ার আড্ডায় আগুন ধরিয়ে দেয়।
তাতে অনেকে মারা যায়।
এরপর সে হারিয়ে যায়।
ঝাও ইগুয়াং, যাকে চোখ উপড়ানো মাস্তানও ডাকে।
সে তাই ফেং এর পাহারাদারদের আক্রমণ করে।
আহত লোকদের চোখ উপড়ে ফেলা হয়েছিল...
...আর তাদের জিহ্বা কেটে নেওয়া হয়েছিল।
তাদের মরতে তিন দিন লেগেছিল।
বু ইউয়ান...
একটা পাগল যে তার ছুরির দক্ষতার জন্যে বিখ্যাত।
সে তার শিকারদের শিরাগুলি চিরে ফেলতো আর তাদের রক্তশুন্যকরে ফেলতো।
এমনকি সে তাদের মাথা কেটে গরম স্যুপে ফেলে দিতো।
সে ঠিক বসন্তের উৎসব শেষ হওয়ার পরেই এসেছিল।
একদিন বিকেল বেলা
No comments yet. Be the first to leave one.